The first 200 lines.
অনুবাদে আছেন ~
অনুবাদে আছেন হা কা হা খা
অনুবাদে আছেন হাবি কায় হাফি খা
অনুবাদে আছেন হাবিবু কায়সা হাফিজু খান
অনুবাদে আছেন হাবিবুল্লা কায়সার হাফিজুর খান আ
অনুবাদে আছেন হাবিবুল্লাহ কায়সার হাফিজুর খান আশি
অনুবাদে আছেনঃ হাবিবুল্লাহ কায়সার হাফিজুর খান আশিক
ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা সাবটাইটেলটি উপভোগ করার অনুরোধ থাকলো। ধন্যবাদ♥ হ্যাপী ওয়াচিং♥
অনুবাদে আছেনঃ হাবিবুল্লাহ কায়সার
অনুবাদে আছেনঃ হাফিজুর খান আশিক
সহযোগিতায়ঃ ইমতিয়াজ উদ্দিন
এই জিমে কোনো ভাল কাজ পাওয়া যাবে, ইন্সপেক্টর পোষ্টে ?
ওটা ইন্সপেক্টর হবে না ইন্সট্রাকটর হবে মশাই।
ওই একটা হলো!
আমার মানের ভাল কাজ আছে এখানে?
হ্যা আছে।
কত বেতন পাবো?
আপনার জন্য একটা কাজ আছে দিনে শুধু দুইবার!
শুধু দুইবার?
তাহলে ঠিক আছে কি কাজ?
প্রতিদিন , একবার সকাল ৮ টা আর আবার ৪ টায়!
আপনাকে ফ্লোর আর টয়লেট পরিষ্কার করতে হবে।
এই মহিলা, আমাকে সুইপার ভাবছে নাকি?
ভাই, চল যাওয়া যাক।
কি হয়েছে, অজয়?
যখন আমি কোন প্রতিযোগিতায় নামি,আমি জিতে যাই!
মাইনে ৩০ হাজার টাকা, সপ্তাহে একদিন হাফ আর রবিবার বন্ধ।
দারুন।
তাহলে আমি একজন যে বেকার।
এইভাবে ভাবছিস কেন ভাই?
আমি একটা কাজ করতে পারি,আমি তোকে আমার সহকারী হিসেবে নিতে পারি।
এর জন্য তোকে ৫০০০ টাকা দিবো।
ঠিক আছে ভাই! তুমি ৩০ হাজার বেতনের মালিক।
চুপ কর।
যাই হোক , আমরা কি বারে যাবো ?
আবার ? কোন বার?
না মানে আমি বলতে চাইছি বার থেকে বিয়ার আর দোকান থেকে চিপস কিনি।
চল ভাই।
হ্যা চল,আরে বারের ব্যাপারে আমি মজা করছিলাম।
গত বছরের কাজ শেষ,
এ বছর আমাদের কোম্পানির নীট লাভ ৪০০ কোটি টাকা!
সম্পাদনায়ঃ হাবিবুল্লাহ কায়সার
এখন এই কাজটা শেষ করায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার!
৩ মাসের ভিতরে এই প্রজেক্ট শেষ করতে হবে।
আর তা না হলে এটার খেসারত হিসেবে দিগুন দিতে হবে।
এই আনন্দ সবাই মিলে উৎযাপন করা যাক।
তুমি কি করছো?
কি খুব খুশি মনে হচ্ছে ?
বিদেশে ভ্রমনে যাচ্ছো নাকি?
তোমার সাথে প্রতিটা কাটানো সময়ই খুব সুন্দর।
আমার সাথে থাকলে তুমি খুব খুশি থাকো, তাইনা?
আমি যখন তোমার কন্ঠ শুনি, আমার মনে হয় আমি কবি।
বাদ দাও এখন! না হলে আমিও রোমান্টিক হয়ে পড়বো।
আগে বলো খুশির খবর টা কি?
বলো,
সিঙ্গাপুরের কোম্পানি থেকে আমরা বড় একটা অর্ডার পেয়েছি
২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ?
তাহলে তো এসবের জন্য তোমার একটা পার্টি দেওয়া উচিত।
কাল আমরা উৎযাপন করবো
কিন্তু বেশি ড্রিংক করা যাবে না।
মা, মিষ্টি নিন।
রোশনী, তুমিও নাও।
স্মিতা, তুমি এতো খুশি কেন?
তুমি আমাদের মিষ্টি খাওয়াচ্ছো যে!
কোনো ভাল খবর আছে নাকি?
হ্যা মা, খুশির সংবাদ আছে। ধারনা করেন তো?
ঠিক আছে তার আগে আরেকটা মিষ্টি দাও।।
আমার মনে হয়,
তোমার মেয়ে হতে চলেছে।
আরে মা তার জন্য অনেক সময় আছে খুশির খবর টা হলো,
আপনার ছেলে এ বছর ৪০০ কোটি টাকা লাভ করছে কোম্পানি থেকে।
সে আমাকে কল করে মাত্র জানালো।
ঠিক আছে মা।
আপনি বেশি মিষ্টি খাবেন না যেন আবার।
আমি মন্দির থেকে ফিরে আসছি।
তাড়াতাড়ি এসো, একসাথে মধ্যাহ্নভোজন করবো।
এমন বউ পেয়ে আমরা খুব ভাগ্যবান।
হ্যা, তা ঠিক।
সে সবকিছু কিভাবে এত দেখেশুনে রাখে?
আর ও আমাদের জন্য খুবই সৌভাগ্যবতী।
সে আমাদের বাসায় ২ পা দিয়ে আসতে না অাসতেই,
আমরা ৪০০ কোটি টাকা লাভ করেছি।
যদি তার ৪ পা থাকতো?
তাহলে তা ৮০০ কোটিতে পরিণত হতো।
৪ পা হলে পশু হয়ে যাবে,
তোমার বউমা থাকবে না।
আমার ওকে ভালই লাগে।
ও তোকে নিজের মেয়ের মতোই যত্ন নেয়।
কিন্তু তুই কেন এমন করিস ওর সাথে।
তোর মা হিসেবে কেন ভাবতে পারিস না।
শীগ্রই ভাবতে শুরু করবি,
আমার অারো সময় লাগবে তা ভাবতে।
আপনি একজন সহকারী দরকার বলেছিলেন না।
আমি একে এনেছি।
ও দেখতে ভালো।
এখানে এসো,স্যার,ওর নাম সুন্দর।
নমস্কার স্যার।
তুমি অজয়ের সহকারী হিসেবে থাকো।
প্রথমে তোমাকে ৫০০০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে।
তোমার কাজের উপর ভিত্তি করে বেতন আরো বাড়বে।
ঠিক আছে স্যার।
বর্তমান, আমাদের জিমে ৪০ জন সদস্য আছে।
কেন এতো কষ্ট করছো? আমি সাহায্য করছি।
তারা উচ্চ মর্যাদাবান লোক।
নিজের খেয়াল রেখো।
প্রথম বার কোন লক্ষ্য ছাড়া আমি এমন কাজ করছি।
হেই অজয়।
অবশেষে তুই একটা ভাল চাকুরী পেলি।
এখনি তোর বিয়ের মক্ষম সময় ভাই।
আর জীবন টাকে গুছিয়ে নেবার।
ব্যাঙ্গোলর এর মতো জায়গায় কে ৩০,০০০ হাজার টাকা বেতনে জীবন কিভাবে গুছিয়ে নেবো?
এখানে দিন মজুরের কাজ করে এমন লোক ও লাইফ সেট করে নিয়েছে।
কি সমস্যা?
আমি এমন জীবন চাই না।
আমি কঠোর পরিশ্রম করে জীবনকে আরো ভাল করে সাজাতে চাই।
এইটাই আমার লক্ষ্য।
ভাই যা ইচ্ছা হয় কর।
-বিড়ির আগুনে আঙ্গুল পুড়ে গেছে। - বেয়াকুব।
- হেই ছাড় আমাকে। - ওকে ছাড়।
তুমি চিন্তা করোনা। তোমার বান্ধবী ঠিক হয়ে যাবে।
যদি আপনি ওকে না বাচাতেন তাহলে রোশনীর যে কি হতো?
আরে চিন্তা করো না কিছুই হতো না।
তুমি আমাদের জিমে আসো, তাইনা?
হ্যা স্যার।
আমি গতকাল থেকে সেখানে পরামর্শক হিসেবে যোগ দিয়েছি।
আপনারা রোশনীর লোকজন তাইনা?
হ্যা সিষ্টার। ও কেমন আছে?
তার মাথার আঘাতের ফলে তার অনেক রক্ত ঝরে গেছে।
তাই ও-নেগেটিভ রক্ত যোগার করেন যত দ্রুত সম্ভব।
আমার রক্তের গ্রুপ ও-নেগেটিভ।
আমি কি দিতে পারি?
- আপনি দিবেন ? - হ্যা।
ঠিক আছে দ্রুত আমার সাথে আসুন।
চিন্তার কিছুই নেই। তোমার বান্ধবী ঠিক আছে।
যাক ভালো!
আর এখন ওকে ছেড়ে দিবে তুমি ওকে বাসায় নিয়ে যেতে পারো।
আমি গেলাম।
তুই আসলেই খুবই ভাগ্যবান।
যদি অজয় সেই সময় না আসতো।
আমি ভাবতে পারছি না কি হতো?
অজয়? কে?
ও গতকাল আমাদের জিমে পরামর্শক হিসেবে যোগ দিয়েছে।
সে সেই সময় এসে তোকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছে।
এমনকি রক্তও সে দিয়েছে।
ও রক্ত দিয়েছে?
ডাক্তার বলছিল যে তোর দ্রুত রক্ত প্রয়োজন
তাই সে দ্রুত রক্ত দিতে রাজি হয়ে যায়।
তোদের দুজনের রক্তের গ্রুপ একই!
বেয়াক্কেল।
ঠিক আছে ছাড়।
তুই কি এসব আমার পরিবার কে বলেছিস?
অ্যান্টি আমাকে কল করেছিল কিন্তু আমি ধরিনি।
তুই কল দিয়ে তাদের বলে দে।
না।
আমি বাসায় গিয়েই তাদের বলবো।
এখুনি বাসায় যাচ্ছিস?
তুমি বাসায় যেতে পারবে না।
ডাক্তার বলেছে সন্ধ্যার আগে ছাড়বে না।
সন্ধ্যার আগে না কেন?
যদি বাবা এসব জানতে পারে সে চিন্তিত হয়ে পড়বে।
দয়া করে দ্রুত ছেড়ে দিন।
এত করে অনুরোধ করছেন যখন,
আমি ডাক্তারের সাথে কথা বলবো। - ধন্যবাদ।
আমাকে ধন্যবাদ দিও না।
যে রক্ত দিয়েছে তাকে দাও।
আচ্ছা,সে তোমাদের কেমন আত্বীয় হয়?
সে।
ও আমাদের বন্ধু।
রোশনী,কি হয়েছে ? ব্যান্ডেজ কিসের ?
প্লিজ চিন্তা করো না।
আমি জিমে যাওয়ার সময় একটু আঘাত পেয়েছি এই আর কি।
এটা ছোটখাটো আঘাত না।
তোমার বাবা এসব জানতে পারলে চিন্তায় পাগল হয়ে যাবে।
দয়া করে বাবা কে এসব বলতে যেওনা।
যদি সে এসব জানতে পারে কাজ বাদ দিয়ে বাসায় ছুটে আসবে আমার কাছে।
বাসায় আসলে আমি বলবো সব।
ঠিক আছে , এখন কিছু খাবে এসো।
প্লিজ,আমার ক্ষুধা লাগেনি আমি একটু বিশ্রাম নিবো।
ঠিক আছে তুই বিশ্রাম নে। আমি গেলাম।
ঠিক আছে অ্যান্টি, আমাকে যেতে হবে।
তুমি ডিনার করেছে?
রোশনী খেয়েছে?
ও ঘুমাচ্ছে ও খুব ক্লান্ত ।
যদি মিটিং তাড়াতাড়ি শেষ হতো, আমি অন্তত তোমাদের সাথে ডিনার করতে পারতাম।
রোশনী মাথায় আঘাত পেয়েছে।
কি?
তুমি দয়া করে শান্ত হও।
তাই ও আমার সাথে কথা বলেনি। তুমি তো কল ধরতে পারতে।
ও এখন ঠিক আছে।
ওকে জাগিও না।
এটা ছোট আঘাত ছিল।
যদি ওর কিছু হয়ে যায় আমার সব শেষ হয়ে যাবে।
ও আমার কাছে এমন,
তুমি জানো, স্মিতা।
রোশনী জানেনা মায়ের ভালবাসা কেমন হয়।
আমি ওকে তা বুঝতে দেয় নি।
তাই আমি ওকে খুব ভালোবাসি।
এর সব কৃতিত্বই তোমার।
একটা সময় ছিল সম্পত্তি আর একাকিত্ব ছাড়া আর কিছুই ছিল না।
যখন ওর জন্ম হয় আমি ব্যাবসা শুরু করি।
No comments yet. Be the first to leave one.