The first 166 lines.
"কিংডম অফ দি গডস্" বই অবলম্বনে নির্মিত।
অনুবাদে: ⊗ AsadujJaman ⊗
আমাদের জন্য জাহাজ নেই কেন?
ওই জাহাজে করে কারা যাচ্ছে?
সেনাবাহিনী আর ডংনাইয়ের উচ্চপদস্থ লোকজন।
সবাই জাহাজে উইঠা ভাগছে।
লাশগুলা পর্যন্ত সাফ করে নাই।
সূর্য ডুবলেই,
ওইগুলা আবার জাইগা উঠবো।
আর কোন জাহাজ নেই?
সবগুলো পুড়ে গেছে। শুধু ওই একটাই ঠিক ছিলো।
সূর্যাস্তের আগেই এই লোকগুলোকে নিরাপদ কোন জায়গায় নিতে হবে।
সেনাছাউনিতে নিয়ে গেলে কেমন হয়?
সবাইকে ওখানে নিরাপদে রাখা যাবে।
ওরা সেনাছাউনির বেষ্টনী ভেঙে জাহাজ ঠিক করেছে।
আমরা হাসপাতালে যেতে পারি।
ওগুলো হাসপাতাল থেকে যখন বেড়োতে পারেনি,
তারমানে ঢুকতেও পারবে না।
হাসপাতালেই যাবো। যারা হাটতে পারবে, হেটে যাবে।
বয়স্ক আর অসুস্থদের গাড়িতে করে নিয়ে যাবো।
সবাই, শোনো!
সবাই হাসপাতালের দিকে যাও!
জলদি! জলদি!
সূর্য ডোবার আগেই পৌছতে হবে, জলদি পা চালাও!
চলো।
ব্যথা পেয়েছো?
- কি হলো!? - ওইদিকে।
ওইদিকে কি যেনো একটা।
আরে, ওগুলো কি?
জানোয়ার!
- সবখানেই জানোয়ার। - ওইদিকে আরেকটা!
ওইদিকেও।
যুবরাজ।
লুকিয়ে থাকা গুলো হিসেবে ধরলে,
ওগুলো সংখ্যায় অসংখ্য।
দৌড়াও!
দৌড়াও! জলদি!
দৌড়াও!
হাসপাতালের দিকে দৌড়াতে থাকো!
দৌড়াও, থেমো না!
জলদি! জলদি!
- উঠে পড়ুন। - জলদি!
কি হলো?
যুবরাজ!
সাহায্য করো!
ঠেলো!
আশপাশে খেয়াল রাইখো।
সূর্য ডুবলেই আটকায়া দিও!
ভেতরে যাও।
যুবরাজ!
যেতে থাকো!
যুবরাজ! ঠিক আছেন তো?
যুবরাজ!
আমাদের যেতে হবে।
ওগুলো জেগে উঠছে।
যুবরাজ।
করছো কি!? ঠেলো না!
যুবরাজ, হাতে সময় নেই।
আপনি চলে যান!
আমি আলাদা!
আমি সবাইকে বিপদে ফেলা কাপুরুষগুলোর মতো না,
আমি হেওয়ান চো'দের থেকে আলাদা!
আমি কাউকে বিপদে ফেলে যাবো না!
ওদের ওঠাও!
- জলদি করো! - জলদি। জলদি ওঠো।
জলদি!
উইঠা পড়ো।
দৌড়াও!
- আরেকটা গাড়ি কোথায়? - জানি না!
সামনে জানোয়ার!
- দরজা বন্ধের জন্য তৈরি থাকো! - ওরা আসছে!
জলদি! দৌড়ান!
দরজা বন্ধ করো!
ঠিক আছেন তো?
বয়স্করা আর বাচ্চারা ঘরে গিয়ে লুকোও,
যারা লড়তে পারবে, তৈরি থাকো!
জ্বী, যুবরাজ!
ওদিকে চলুন! ওদিকে।
সাংজুতে পৌঁছতে কতক্ষণ লাগবে?
আবহাওয়া এরকম থাকলে, সম্ভবতো দুদিনেই পোঁছে যাবো।
তুমি কি নিশ্চিত ওই জায়গা নিরাপদ?
সাংজু হচ্ছে হায়াংয়ের পর সবচেয়ে বড় শহর,
আর রীতিমতো সৈনিক দিয়ে ভর্তি।
একদম চিন্তা করবেন না।
কিসের আওয়াজ হলো?
বাবা।
আমার সোনামানিক...
বাবা...
এই, কে রে...
- এই, ভালো করে আলো ধরো তো। - জ্বী।
নিচে কেউ আছো?
জানোয়ার! জাহাজে জানোয়ার!
বাঁচাও!
সূর্য।
সূর্য উঠেছে, যুবরাজ।
যুবরাজ।
জানোয়ারগুলো পালাচ্ছে।
সবগুলা গেছে গা!
ওগুলো চলে গেছে। বেরিয়ে এসো।
সিও-বি।
যুবরাজ।
ভেতরে আসতে পারি?
এসো।
সবাই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।
যুবরাজ, ধন্যবাদ।
আমাদের বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ!
- ধন্যবাদ! - ধন্যবাদ!
আহতদের শুশ্রুষা করো আর খাবারের ব্যবস্থা করো।
জ্বী।
শেষ।
নে।
- ডানহাত বেশি নড়াবেন না। - আচ্ছা, ধন্যবাদ।
খাওয়ার জন্য শুধু এটুকু খাবার ছিলো?
এটুকু পাওয়াও এলাহী ব্যাপার।
এমনিতেই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ, তার ওপর খাজনার বোঝা।
ওরা খাবার পাবে কোথায়?
শুনেছি এরা সবই খায়, এমনকি পোকামাকড়ও।
যুবরাজ।
বাচ্চাগুলোকে ধরে আনো।
যুবরাজ!
এই বাচ্চারা!
এদিক আয়।
আয় বলছি!
যুবরাজ।
আমরা দোষ করেছি, আমাদের শাস্তি দিন।
এটা কি জিনিস?
খাবার।
যাও, খেলো।
সবাইকে দিয়ে দাও।
- যুবরাজ! - কিছু হবে না।
এমনিতেই সহ্য হচ্ছে না।
সবাই, এখানে এসো।
এসো।
এগুলো যুবরাজ দিয়েছেন।
কি এগুলো!?
মাংস। মাংস।
- মাংস!? এগুলো মাংস? - মাংস!?
এগুলো মাংস!
ধন্যবাদ, যুবরাজ।
- মাংস! - এগুলো আসলেই মাংস।
এগুলো কিভাবে খায়?
- এগুলো দিয়ে স্যুপ বানাও। - এগুলো আসলেই মাংস!?
দেখো! বড় হয়ে গেছে!
খাবার পেয়ে ওরা ভীষণ খুশি।
এখন কি করবেন?
সাংজুতে আন হিয়নের কাছে যাবো।
কি হয়েছে?
আমি সাংজুর লোক।
যদি সাংজু যাইতে চান, আমি রাস্তা দেখাইতে পারবো।
কিভাবে বিশ্বাস করবো?
তুমি আসলে কে?
আমি একজন সাধারণ মানুষ।
তাহলে বন্দুক চালনা শিখলে কি করে?
যুদ্ধের সময় শিখছিলাম।
তুমি সব গুলি ঠিক জানোয়ারগুলোর কপালে লাগিয়েছো,
সাধারণ কোন সৈনিকের পক্ষে এটা অসম্ভব।
কে তুমি?
কি হলো? ওগুলো কি আবার ফিরে এসেছে?
এখন কি করবো?
বিশ্বাসঘাতক যুবরাজ, লি চ্যাং, আপনাকে বলছি!
তদন্তের স্বার্থে আপনাকে হায়াংয়ে ফিরতে বলা হয়েছিলো,
মহারাজের আদেশ অমান্য করে, আপনি আপনাকে বন্দী করতে আসা সেনাপতি চো'কে হত্যা করেছেন।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না করে, এই ঘৃণ্য অপরাধ করে,
আপনি অমার্জনীয় অপরাধ করেছেন!
মহারাজের আদেশ অমান্যকারী বিশ্বাসঘাতক,
স্বেচ্ছায় বেড়িয়ে এসে আত্মসমর্পণ করুন!
No comments yet. Be the first to leave one.