The first 92 lines.
হ্যাঁ, স্যার। উনার ব্যক্তিগত কর্মীদের সাথে কথা বলেছি। সব ঠিক আছে।
আমি সব সামলে নেব। আমি সেখানেই থাকব।
ঠিক আছে, স্যার। ধন্যবাদ।
গীতা।
গীতা।
- আম্মু, কী হয়েছে? - মা...
কাঁদছো কেন? মা কোথায়?
জানি না।
গীতা।
গীতা!
গীতা?
গীতা?
গীতা!
গীতা!
গীতা...
গীতা!
অনুবাদ আয়োজনেঃ ۞ T E A M │ ││ │ W B M F ۞
মুভি, সিরিজ এবং সাবটাইটেল সম্পর্কিত সকল আপডেট জানতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপেঃ Film Society
::: Iru Dhuruvam :::
অনুবাদ ও সম্পাদনায় সাইফুল ইসলাম সাকিব
আপনাকে ফোন করেছিল? অফিসে কোনো ঝামেলা হয়েছিল?
- না, করেনি। - ব্যক্তিগত বিষয়ে কোনো কথা হয়নি।
অফিসে গীতার কোনো ঝামেলা চলছিল?
- কারো সাথে কথা বলতে দেখেছিলেন? - না, স্যার।
- সেরকম কিছু তো শুনিনি। - আমি কিছু জানি না, স্যার।
আমার রাস্তা থেকে দূরে থাকতে পারতে।
নিজের ঘাড়ে ঝামেলাটা আনলে। এবার তার পরিণতি ভোগ করো।
স্যার, নিভেথার ফোন আনলক করে
সেখানে ভিডিওটা পেলাম। ভিডিওটা দেখুন একবার।
[পুণ্যকে ঘৃণা করা এবং মন্দকর্ম সম্পাদন করা ব্যক্তির চেয়ে...]
- কোনো সমস্যা? - আমি দুঃখিত।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজে বাইরে যেতে হবে।
আগামীকাল গায়েত্রীকে স্কুলের জন্য রেডি করে দিতে পারবেন?
- তুমি যাও। আমি সামলে নেব। - ঠিক আছে। ধন্যবাদ, ম্যাম।
আমি ভিক্টরের ফ্ল্যাটে গেলাম। দরজাটা বন্ধ করে রাখো তো।
স্যার! নিন, স্যার।
ঠিক আছে, স্যার। এই দিকে।
কীর্তনা।
নাক কাটা লাশ পাওয়া যায়।
BPO কর্মচারী। বয়স ২২ বছর।
জন্মস্থান মঙ্গলাগিরি, বিজয়ওয়াড়া।
আমোদিত, সোজা কথার মানুষ আর OCD সমস্যায় ভুগছিলো।
মৃতদেহ পাওয়া যায় ECR জঙ্গলে।
কিছু তো গড়বড় আছে।
স্যার, সারা রাত এখানে ছিলেন? এখানে কী করছেন?
একটা সূত্র পেয়েছি। চলো।
কী সূত্র, স্যার?
খুনগুলো সাধারণত সংঘটিত হয়
টাকা অথবা প্রতিশোধের জন্য।
সেরকম কেসে, খুনি তাড়াহুড়োয় থাকে।
যেন তারা ধরা না পড়ে।
একই সঙ্গে, তারা চায় ভিকটিমের মৃত্যু।
আর খুন করার পর যতো দ্রুত সম্ভব
খুনি পালিয়ে যাওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করে।
কিন্তু, আমাদের কেসে
খুনি আরামসে সময় নিয়ে তারপর খুনগুলো করছে।
শিল্পের মতো।
কেন? কারণ...
নিভেথা তার প্রথম শিকার না।
স্যার, আপনি কীভাবে নিশ্চিত হলেন?
খুবই সহজ।
মনস্তাত্ত্বিকভাবে বিবেচনা করো।
যদিও সে একজন সাইকোপ্যাথ...
...কিন্তু প্রথম খুন করার সময় ভয়,
চিন্তা আর চাপে অবশ্যই থাকতো।
কিন্তু, সেটা হয়নি।
মানে সে বেশ দক্ষ।
নিভেথা যদি প্রথম শিকার না হয়, তাহলে সেটা কে?
গভীরে অনুসন্ধান করার সময়
পুলিশ রেকর্ড থেকে তার প্রথম খুনের বিবরণ পেলাম।
তার নাম কীর্তনা।
বয়স ২২ বছর।
জন্মস্থান বিজয়ওয়াড়ার মঙ্গলাগিরি।
বাবা সরকারি চাকরি করে আর মা একজন শিক্ষিকা।
তারামণির নিকটস্থ কোনো BPO সেন্টারে কাজ করতো।
স্যার, কেসটার কথা মনে আছে।
মাসখানেক আগে, জানা যায় তার ওয়ান সাইডেড লাভার
খুনটা করেছিল, আর কেস বন্ধ হয়ে যায়।
না, সে খুনটা করেনি।
করেছে আমাদের খোঁজা উন্মাদ খুনিটা।
ফাইলের ফটোগ্রাফগুলো ভালো করে দেখো।
ভিকটিমের ফোন পাওয়া গিয়েছিল।
খুনি আমাদের খোঁজা লোকটা হলে সেখানে অবশ্যই ভিডিও থাকবে।
আমি ফোন চেক করেছিলাম। সেরকম কোনো ভিডিও পাইনি।
যেরকমটা বলেছিলাম, এটা তার প্রথম শিকার নয়।
তখন সে ভালো করে পরিকল্পনা করেনি।
তাই, অবশ্যই সে সেখানে কোনো ক্লু ফেলে গেছে।
স্যার।
ভেঙ্কাটেশ আসেনি?
স্যার, আরেকটা কেসের ব্যাপারে উনি কমিশনার অফিসে গেছেন।
কেস চলাকালীন আমি তার সাথে ছিলাম।
কেস সম্পর্কে যে কোনো ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।
No comments yet. Be the first to leave one.