The first 200 lines.
আমি বিস্মিত হতে ভালোবাসি।
অতিথিদের ভালোবাসি।
হুট করে আসা অতিথিকে আরো বেশি ভালোবাসি।
কিছুদিন যাবত আমি তোমাদের উপর নজর রাখছি।
আমরা খুবই অভিভূত।
কিন্তু আমাদের সকল রহস্যে
গোপনে উঁকি মারছে যে, সে কে?
আমি জানি তুমি কে।
তুমি কী, তাও জানি।
তুমি অন্যান্য ডপলারদের থেকে আলাদা।
তোমার স্বভাব খারাপ, মানুষকে সাহায্য করার প্রবণতাও তোমার নেই, তাই না?
তবুও তুমি আমাদের সাহায্য চাইতে এসেছ।
তোমার বাড়ির কাছে কোনো কাজের ছেলে পাওনি?
তারা তোমার মতো দক্ষ নয়।।
চিন্তা কোরো না।
এটা রুপা না।
আমরা আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখি।
আমরা ঠিক টাকার জন্য তৃষ্ণার্ত নই।
অনেক কিছুর জন্যই তৃষ্ণার্ত থাকা লাগে।
নিলফগার্ড রাজ্যের পক্ষ থেকে গুপ্তহত্যা করতে হবে।
তোমার শৈল্পিক সৃষ্টিকে পূর্ণ করার জন্য আরেকটা চোখ বা কান চাও নিশ্চয়ই।
এই শরীরটাকে আরো কিছুদিন পরার পরিকল্পনা ছিল আমাদের।
কিন্তু আমরা নমনীয়।
ডাইমেরিটিয়ামের একটা সেল শুধু তোমার জন্য বানানো হয়েছে।
নিজের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে কেমন লাগে?
আমি জানি তোমাকে কীভাবে শিক্ষা দেয়া হয়েছে,
কীভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।
তুমি আসলে এরকম না।
ঐ সাদা শিখা আমাকে এই রূপ দিয়েছে,
বড় একটা উদ্দেশ্য দিয়েছে।
আপনারও তা থাকতে পারতো,
যদি আপনি বুঝতেন যে সিন্ত্রাকে হারতেই হতো।
আমি তার উদ্দ্যেশ্য জানতে পেরেছি।
এইটা?
করতেই হবে?
দৌড়াও।
দৌড়াতে বললাম না!
তুমি যা কিছু করেছ,
যেসব তর্ক করেছ,
যেসব স্বপ্ন দেখেছ,
তার সব এখন আমাদের মাথায় আছে।
এমনকি, আজ সকালে যে তুমি
আত্মহত্যা করার কথা ভেবেছিলে, সেটাও।
সে অত্যাচারিত হতে চায়নি।
ভুল।
সে ব্যবহৃত হতে চায়নি।
তুমি এভাবে পৃথিবীটাকে পাল্টাতে পারবে না।
তা জানার জন্য আমাদের মধ্যে শুধু একজন বেঁচে থাকবে।
হ্যাঁ।
তুমি জানো না তুমি কী করছ?
তুমি জানো না মেয়েটা কী।
সে যেখানকার, ঘুরেফিরে সেখানেই ফিরে যাবে।
এটা দিয়ে ভয়ানক একটা ফাঁস বানানো যেত।
মেয়েটাকে আমার কাছে জীবিত ধরে আনবে।
এত এত নিয়ম।
ঠিক আছে।
কিন্তু তার জন্য তোমাকে চড়া মূল্য দিতে হবে।
বাচ্চাদের শরীর আমাদের বেশি পছন্দ।
অনুবাদে - তানজীদ আহমেদ, কুদরতে জাহান
সম্পাদনায় - মোহাম্মদ ইউসুফ
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
লজ্জা পেও না, কম আছে এখানে।
আমি জীবনে কক্ষনো লজ্জা পাইনি।
আবার গোনো।
সময় বদলাচ্ছে।
শেষ যেদিন তোমার সাথে কথা হয়েছিল, তারপর আমার রেট বেড়েছে।
আমার সেবাগুলোর চাহিদা আরো বেড়ে গেছে।
তুমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছ, সেখানে
একটা পোড়া দাগ দেখে তোমার খদ্দেররা নিশ্চয়ই খুব হতাশ হবে।
তুমি নিজে তারচেয়েও বেশি হতাশ হবে।
তুমি ইতিমধ্যে অনেকদূর এগিয়েছ।
শুধু আরো কিছু...
ট্রিটমেন্টেই কাজ হয়ে যাওয়া উচিত।
যে জীবনটা আমরা বেছে নিয়েছি,
তা কি সুন্দর না?
ব্রাদারহুডের নিয়ম আমাদের আটকে রাখতে পারে না।
কোনোপ্রকার রসদ ছাড়াই গা ঢাকা দিয়ে আছি।
হুম। আসলেই স্বপ্ন সত্যি হয়ে গেছে।
ভাগ্য ভালো যে তুমি এই অসহিষ্ণু রাজ্যে তোমার পথ খুজে পেয়েছ।
সহজে কয়েন কামাতে চাইলে, যেকোনো কাছের শহরে যেতে পারো।
তোমার দক্ষতাকে পুরস্কৃত করা হবে।
যেমনটা বলছো, তেমনটা হলে তুমি গিয়ে সুবিধা নিচ্ছ না কেন?
এতোই যখন আগ্রহ তোমার।
কারণ আমার খদ্দেররাই...
আমার কাছে আসে।
হুম।
আমি তোমার মাঝে আমাকে দেখতে পাচ্ছি।
আমার পন্থা অনুসরণ করো।
তাহলে কিছু খ্যাতি অর্জন করতে পারবে।
তুমি অধীরভাবে যা চাও তার পুঁজি গড়ার জন্য...
আলাদা একটা ক্যারিয়ার বেছে নাও।
আমাদের মতো জাদুকরদের...
মুখের কথা হলো অমূল্য।
"আমাদের" না, শুধু "আমার"।
কোন কোন কথা সাড়া ফেলতে পারবে, তা জানা আছে আমার।
আমি পুরোপুরি হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম।
ভালবাসা অসাধারণ, কিন্তু তা আমার ভাগ্যে নেই।
এ জীবনে তা পাবো না।
ওকে খুঁজে পেতে আমার প্রায় পুরো জীবন লেগে গিয়েছে।
দেখতেই পাচ্ছেন, কামোচ্ছ্বাস নিয়ে সমস্যা নেই।
আমাদের সমস্যা...
আমার সমস্যাটা....শারীরিক।
হুম।
সমাধানের উপায় আছে আমার কাছে।
এখন, প্রস্তুত থাকুন।
ঔষধটা দ্রুতই কার্যকর হবে,
যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার সঙ্গী বিশেষ এক জাদুমন্ত্র উচ্চারণ না করবে, ততক্ষণ অপেক্ষা করুন।
মাথায় কিছু আসছে?
কামকোয়াট?
খুব জলদি বলে ফেললেন।
কামকোয়াটই নিলাম।
আমাদের এখনই চলে যাওয়া উচিত, স্কিনকি।
এখানে
কোন ধরনের নষ্ট কাজকারবার হচ্ছে?
সাইনটা কি বুঝতে পারেননি?
তুমি কি আমাকে চেনো না?
বেশ, এসব নাটক শেষ করে নিজেই বলে দিন না?
উনি বিউ বেরেন্ট।
সম্ভবত তুমি এখানকার নিয়মের ব্যাপারে অবগত না।
এখানে ঝাড়ফুঁক করতে চাইলে,
রাজ্যকে কর দিতে হবে তোমাকে।
এই শর্তগুলো আমার কাছে ফালতু মনে হচ্ছে।
আমি জানতাম আপনি আমার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব করবেন।
যদিও আমি...
স্বাভাবিকের চেয়ে কম মোটাসোটা।
আমরা ওকে বিশ্বাস করতে পারি না।
ও ওর পরিচয়, ওর অতীত,
সিন্ত্রার সাথে ওর সম্পর্ক গোপন করেছে...
একমাত্র শান-কায়ানের কারণেই ওর পরিচয় জানতে পেরেছি আমরা।
সিরি ভয় পেয়েছিল।
সম্ভবত সে এখনো আমাদের বিশ্বাস করতে পারেনি।
আমরা এখনো তার উদ্দেশ্য জানি না।
সে এমন একটা মেয়ে...
যে কিনা বিধ্বংসী অস্ত্রের মতো ক্ষমতাশালী।
ব্রোকিলোনে ওকে গড়ে তোলা যাবে।
ও আমাদের একজন হয়ে উঠতে পারবে।
ও আমাদের একজন না।
নিলফগার্ডিয়ান গুপ্তচর।
ওদেরকে আমাদের সীমান্তে খোঁজার সময় পেয়েছি।
ওদের পুরো বাহিনী চলে আসা কেবল সময়ের ব্যাপার।
এই মেয়েটাই যদি...
আমাদের বাঁচার একমাত্র...
উপায় হয়ে থাকে?
সিরিকে..
...থাকতে দেয়া হবে।
ওরা মনে হয় আমাকে পছন্দ করেনি।
রাণী ক্যালেন্থে সিন্ত্রার সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিলেন,
তার প্রজাদের নিরাপত্তার স্বার্থে।
জেনারেল আমাদের রক্ষা করতে চান।
আমরা সবাই একসাথে সিদ্ধান্ত নিই।
নিয়তির তলোয়ারের দুটো প্রান্ত থাকে।
তার মানে কী?
এর মধ্যে একটা তোমাকে বেছে নিতে হবে।
তুমি থেকে যেতে পারো, অথবা তোমার অনুসন্ধান চালিয়ে যেতে পারো।
তুমি কী করতে চাও?
গেরাল্ট!
হ্যালো।
কতদিন পেরিয়েছে, মাস? বছর? সময় জিনিসটা আসলে কী?
শুনলাম তুমি শহরে এসেছ।
আমার পিছু নিয়েছ নাকি, পাজি ছেলে?
মানে, আমি অবশ্য খুশি,
কিন্তু এ সময়ে তোমার একটা হবি বেছে নেয়া উচিত।
একটু খাবে?
- "কেমন আছ!" জিজ্ঞেস করলে শুনলাম। - আমি জিজ্ঞেস করিনি।
আমার অনুপ্রেরণার উৎস,
পৃথিবীসেরা সৌন্দর্য, কাউন্টেস ডি স্টায়েল
আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।
তাও আবার ভালোভাবে না, খুবই শীতল এবং অপ্রত্যাশিতভাবে।
শঙ্কা হচ্ছে, আমি ভগ্নহৃদয় নিয়ে মারা যাব।
ক্ষুধার্ত হয়ে তো মরবোই,
তবে কেউ যদি তার পুরোনো বন্ধুর সাথে মাছ ভাগাভাগি করে, তাহলে বেঁচে যেতে পারি।
ওহ, "বন্ধু" বলা যাবে না?
অবশ্যই যাবে, আরেক দশক পার হতে দাও খালি।
গেরাল্ট, তুমি অনেক ব্যাপারেই অসাধারণ,
কিন্তু মাছ ধরায় তুমি একেবারেই কাঁচা।
আজকে কি কিছু ধরেছ?
তুমি ঠিক কী ধরতে বসেছ?
কডমাছ?
কার্পমাছ?
পাইক?
ব্রিম?
আমি... আমি যেগুলো জানি সেগুলো বলছি শুধু।
জান্ডার? এটা কি কোনো মাছ?
আমি মাছ ধরছি না।
আমি ঘুমাতে পারছি না।
আচ্ছা। ভালো।
বাহ, তোমার কথা খুবই অর্থবহ,
এতোই অর্থবহ যে..
আমি কিছুই বুঝিনি।
হচ্ছেটা কী, গেরাল্ট? আমাকে বলো।
- একটা জ্বিন। - একটা কী?
আমি একটা জ্বিনকে খুঁজছি।
জ্বিন... জ্বিনকে খুঁজছ? জিনির মতো?
রাগী ধরনের যে জিনিসগুলো বাতাসে ভেসে বেড়ায় আর
নিষিদ্ধ জাদু করে, ঐটাইপের জ্বিন?
হ্যাঁ। এটা আমার ইচ্ছা পূরণ করবে।।
জ্বিনটা এই লেকের কোথাও আছে।
আমি ঘুমাতে পারছি না, সেজন্য!
আমি গির্জার প্রিস্টদের মতো তোমার গোপন কথা শুনতে চাই না,
কিন্তু তোমার কাছে কি এটাকে মলম দিয়ে টিউমার সারানো মনে হচ্ছে না?
No comments yet. Be the first to leave one.