The first 200 lines.
লা কাসা দে প্যাপেল (মানি হাইস্ট) সিজন ৩ এপিসোড ৪
না। আমি কোনোভাবেই ওখানে ঢুকব না।
বোতলটা নাও।
এটা ইঁদুরের ফাঁদ। আমরা এখান থেকে বেরোতে পারব না।
এটাই আমাদের ঢোকার রাস্তা। আমরা শত কষ্ট করে হলেও একাজ করব।
এ বাজে গন্ধটা কীসের?
ওরা নিশ্চয়ই মানুষ আসার জন্য কীটনাশক, ব্লিচ আর বিষ ছড়িয়ে রেখেছে। আমি এখানে ঢুকছি না।
- এটা পানি। - হ্যাঁ বিষাক্ত পানি।
এসো বসো।
বসছি বটে, কিন্তু আমি ওখানে ঢুকব না।
চলো।
এর চেয়ে সুইমিং পুলে প্রশিক্ষণ নেয়া সোজা, কিন্তু আমাদের কাজ তো আর কোনো বা*র পুলে না।
কাজটা এর চেয়েও অনেক বেশি কঠিন হবে।
এবং অনেক বেশি ভীতিকর।
আমি ভয় পাই না।
তুমি তো তোমার প্যান্ট নষ্ট করে ফেলছ।
কারণ এখন তুমি একজন বাবা।
দ্যাখো।
আমি এক্ষেত্রে তোমার সাথে একমত, বোগোটা।
আগে অনেক বেপরোয়া থাকলেও এরকমটা আর থাকা যায় না সবসময়ে।
আগে কোনো ঘাপলা বাঁধলে, বিপদে পড়তাম একমাত্র আমিই।
তুমি জানো সেটা।
এখন আমি অনেক কিছুই করতে চাই না।
যেমন- কোনো পানির ট্যাঙ্কিতে ঢুকতে চাই না।
কোনোভাবেই না।
একজন ভালো বাবা হতে গেলে কী করতে হয় জানো?
আগে জানতাম, এখন আর জানি না।
ভালো বাবা হতে গেলে, বাবা হবার আগে যেমনটা ছিলে, ঠিক তেমনভাবে কাজ করতে হয়।
ঠিক তাই। আর আফটার পার্টি ছাড়তে হয় এমনভাবে, যাতে পরের সকাল পর্যন্ত মদের রেশ থাকে।
বুধবার পর্যন্ত মাতাল হয়ে থাকতে চাইলে, একাজ চালিয়ে যেতে হবে।
এসো!
যেতেই হবে। নইলে, ছেলেকে ঘৃণা করা শুরু করবে পরে।
ফলে একজন খারাপ বাবায় পরিণত হবে, বুঝেছ?
খোদা, বোগোটা, তুমি জানো তুমি কী করতে পারো?
তুমি চাইলে একটা উপন্যাস লিখতে পারো।
হ্যাঁ।
কীভাবে পরিষ্কার হওয়া ছাড়াই একজন ভালো বাবা হওয়া যায়।
তোমার বাচ্চা নেই, তাই না?
আমার সাত বাচ্চা।
- ওয়াও। - পরেরজন একটা প্রাইজ জিতবে।
এ হলো এমিলিও, সবচেয়ে বড়। ভেনেজুয়েলা থাকে। হুলিয়ান আছে ডিএফ এ।
ও গোঁফ রাখছে। আমাকে "মামা" বলে ডাকছে।
এই হারামি হলো এরিক, থাকে আয়ারল্যান্ডে।
হ্যানা হলো ভায়োলিনিস্ট, থাকে ফিনল্যান্ডে।
ও খুবই সুন্দর।
ড্র্যাজেন থাকে মন্টনিগ্রোয়, একদম হাবা।
ইয়ারিস থাকে থেসালোনিকিতে, মজার এক চরিত্র।
ইভানা, খুবই বদ মেজাজী,
কিন্তু ও একজন শিল্পী, থাকে ওডেসাতে।
সাতজন।
আর পরেরজন একটা প্রাইজ জিতবে।
মাঝে মাঝে তোমাদের নিয়ে লজ্জা লাগে আমার।
অ্যাই! আমি ওদের সবার যত্ন নেই।
কিন্তু তাই বলে নিজের স্বভাব পালটে ফেলিনি।
আমি কি ওদের স্কুলের নাটক দেখতে গেছি,
কিংবা আইসল্যান্ডে ওরা কী খেলে, তা দেখতে গেছি?
মোটেই না।
কিন্তু আমি ছয় মাস পরপর ঠিকই দেখা করেছি,
এবং ওদের কাছে কিচ্ছু চাইনি, একটু কোলাকুলি, একটু ভালোবাসাও না।
কিন্তু তারপরেও ওরা আমার কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ে চুমু দিয়ে ভরিয়ে দেয়।
কেন?
জানি না কেন।
কারণ আমি ওদের বাবা, সেজন্য।
ওদের বাবা।
নিজের ডিএনএকে কেউ অগ্রাহ্য করতে পারে না।
কক্ষনো না।
ডাকাত হলেও তুমি একজন বাবাই থাকবে।
তুমি যদি জীবনের ওপর ঝুঁকি নিতে থাকো,
বাবা হবার পরেও তাই করতে থাকবে।
আমার বাচ্চারা...
দেখো আমি কী নিয়ে এসেছি।
দেখো কী সুন্দর ছোট ছোট দুল আমার জন্য।
দেখেছ?
সোনা! সোনা! আসল সোনা!
তুমি নিতে চাও, তাই না?
- আমাকে দাও। - এইযে।
আগেও কখনোই এমন দেখোনি।
চলো কাজে যাওয়া যাক।
আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি।
বোগোটার জন্য দরজা খুলে দাও।
এসো, খারাপ সবকিছু অতীত হয়ে গেছে।
এখন আসল মজা শুরু হলো।
তোমাকে ঐ নিওপ্রিনে সুন্দর লাগছে।
কী?
ঐ টাইট স্যুটে তোমার পাছাটা খাসা লাগছে।
এর চেয়েও টাইট হবে তোমার বিচির চামড়া।
বেজন্মা কোথাকারে
আমি হাসছি না।
আমার সাথে এমন করে কথা বলো কেন?
কেন?
এই কাজে আমি তোমার বস।
জি বস, আমি দুঃখিত।
একজন আরেকজনকে অসম্মানিত না করাই ভালো।
বোতল বদলাও!
আর তুমি...
জলদি করো!
আমি এক্ষুণি ঐ ওভেনগুলোকে চালু করাতে চাই।
তারপর স্মোক কন্ট্র্যাকটরগুলোকে সংযুক্ত করবে।
আমরা গোটা ন্যাশনাল রিজার্ভের সব সোনাকে গলিয়ে ফেলব।
আর তুমি! ল্যান্স আর ব্যাথিসক্যাফে।
সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে।
আর আমাকে জ্বালাতে আসবে না।
জলদি করো, সবাই! টিক-টক!
মজা করো!
কাজের বিনিময়ে স্যান্ডুইচ পাবে!
পানির নিচে আগুন জ্বালাতে পারার কথা প্রথম শুনেছিলাম স্যান জিওভান্নিতে।
ভেবেছিলাম, এটা ওখানে বসে বসে আমার গ্রেগরিয়ান মন্ত্র শোনার মতোই অসম্ভব।
কিন্তু জানলাম, আগুনকে ঘিরে রাখা অক্সিজেন বুদবুদের সাহায্যে একাজ করা সম্ভব।
ভেবেছিলাম, আমরা যেজন্য ওখানে গিয়েছি, সেটাকে ফাটিয়ে দেবার দারুণ এক উপায় এটা:
ওটা সোনার বারভর্তি এমন এক সেফ, যেখানে কেউ ঢুকতে পারে না।
অনুবাদে - কুদরতে জাহান জিনিয়া
Join our group - Subtitle Hut
ওরা ওখানে ঢুকেছে BRIPAC এর সিক্সথ কোম্পানির ফার্স্ট স্কোয়াড সদস্য হবার ভান করে।
আসল লোকেরা আসবে কয়েক মিনিট পরে।
আরে, গুল্লি মারো আমাকে...
ওরা আমাদের ভালোই বোকা বানিয়েছে।
সবার কাছে বাগ বসিয়ে রেখেছে ওরা।
ট্রেস করা যায় এমন সবকিছুই সরিয়ে ফেলতে হবে।
নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করা যায় এমনকিছু কিংবা আমাদের ফোন, সবকিছুই!
কর্নেল, ভেবে দেখুন। উপায় হলো পুরো এলাকা খোঁজাখুঁজি করা।
ওরা নিশ্চয়ই সবার কাছে বাগ বসাতে পারেনি।
ওদের কাছে আছে ১ বিলিয়ন ইউরো, যাকে খুশি তাকে হাইজ্যাক করতে পারে ওরা!
UIT এর বাজেট জানো?
১৬ মিলিয়ন। আর পুরো CNI?
২৮২ মিলিয়ন! ২৮২ মিলিয়ন দিয়ে ১ বিলিয়নের সাথে পারব কীভাবে।
ওরা ইন্টার্নের ফোনও ট্যাপ করতে পারে।!
ওরা ফোন ট্যাপ করে এর প্রমাণ...
ওদের কাছে তোমার বাড়ার ছবিও আছে, অ্যাঙ্গেল!
তোমার বিচির ওপরের তিলের ছবিটাও ওদের কাছে আছে।
হাই বলতে চাও? ওরা নিশ্চয়ই তোমার মিক চালু করেছে
কর্নেল তামায়ো, স্বাভাবিকভাবেই আমাদের এখন ভালোমতো খোঁজাখুঁজি করা উচিত।
সবাই শোনো!
ছয়মাস বা এর বেশি সময় বক্সে আছে, এমন কোনো যন্ত্র চালু করবে না। এমনকি কোনো অলিভেটি টাইপরাইটারও না।
কোনো নেটওয়ার্ক নিরাপদ না, এমনকি মন্ত্রণালয়েরটাও না।
পুরো ব্ল্যাকআউট হয়ে গেছে।
তোমাদের সবার ফোন এই বিনে দাও।
এক্ষুণি!
মাকে ফোন করতে চাইলে পে ফোন থেকে করবে।
এক মিনিটের মধ্যে আমরা বোবা এবং কালা হয়ে যাবো।
তোমার পালা!
ও আমাদের বারোটা বাজিয়ে দিলো।
ও সব নিয়ম এড়িয়ে যাচ্ছে।
কোর্ট অর্ডার ছাড়া ফোন নেয়া বেআইনী।
যত্তসব!
এটা সবকিছু পালটে দিলো।
আমাদের টেকনিশিয়ানেরা এগুলো অ্যানালাইজ করে তোমাদের ফেরত দেবে
- যত দ্রুত সম্ভব - একটু ভাবতে দাও।
অ্যান্তোনানজাস, শুনতে পাচ্ছ না?
আমি ব্যক্তিগত কিছু জিনিস ডিলিট করছি।
৩০ সেকেন্ড লাগবে স্যার।
খোদার দোহাই লাগে! আমরা সবাই জানি, তুমি মরিসলের সাথে প্রেম করছ।
২০ সেকেন্ড।
লেভেল ৫ কে সতর্ক করে দাও। CNI এর সিকিউরিটি সিস্টেম এখন অচল।
প্রতিরক্ষা বিষয়ক কর্মীদের কাছে বাগ লাগানো হয়েছে আর কম্পিউটারে এক অচেনা ভাইরাস ঢুকেছে।
UIT কখনোই তোমার ফোনে ঢুকে সেক্স চ্যাট দেখবে না।
ফোনটা দাও বলছি!
খোদার দোহাই লাগে!
ব্যাঙ্কের সিকিউরিটি গেট খুলতে কতক্ষণ, স্ক্রিনে দেখাও।
জলদি!
তুমি!
কাজ শেষ।
গজ দাও।
হ্যাঁ।
আমাদের কাজ প্রায় শেষ।
শেষ।
পালের্মো
পালের্মো, ব্যাপারটা জরুরি।
প্রফেসর, টোকিও বলছি।
পালের্মো কেমন আছে?
অপারেশন হচ্ছে, স্যার,
শোনো, ওদেরকে যে ট্যাপ করেছি আমরা, সেটা ওরা টের পেয়ে গেছে।
আমাদের মাথা ঠাণ্ডা করে কাজটা আরো তাড়াতাড়ি শেষ করতে হবে।
মাথা ঠাণ্ডা?
ভ্যানে বসে তোমার মাথা ঠাণ্ডা রাখা সোজা,
এদিকে আমাদেরকে স্পেনের আর্মি ঘিরে রেখেছে। কখন ঢুকবে জানি না।
কোথা দিয়ে ঢুকবে জানি না।
বোগোটা কি কাজ শুরু করেছে?
হ্যাঁ, ও গেছে বেশ কিছুক্ষণ হলো।
ঐ দরজা ফুটো করতে এক ঘন্টার বেশি, এমনকি দুই ঘন্টাও লেগে যেতে পারে।
প্রফেসর, আর কত সময় বাকি?
- ১৪ মিনিট। - কী?
ও আমাদের বারোটা বাজিয়েছে, ও নিজেও জানে সেটা।
আমি হলে অন্য কাজ করতাম।
প্রিয়েতো হলেও একাজ করত না।
কিন্তু তামায়ো সব নিয়ম এড়িয়ে কাজ করছে।
মানে কী?
মানে ওরা দরজা খোলার সাথে সাথে ঢুকে পড়বে।
ভালো
তাহলে আমাদের ডলফিন ব্যবহার করা ছাড়া কোনো উপায় নেই, না?
ঠিক তাই, আছে তোমার?
হ্যাঁ।
ফ্লিপার আছে আমাদের সাথে।
কর্নেল, ব্যাঙ্কের মধ্যে দিয়ে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি ওয়েভ যাতায়াত করছে।
শর্টওয়েভ সিগনাল।
আমি ওগুলো শুনতে চাই।
ওটা কী জিনিস?
মনে হচ্ছে এনক্রিপ্টেড রেডিও সিস্টেম।
ভালো কথা, ভেতরে ঢোকার পর:
আমরা যোগাযোগ করব কী দিয়ে?
পালের্মো
No comments yet. Be the first to leave one.