The first 200 lines.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
কি জানি একটা জিনিস পাইছে... ছোট।
কোথায়?
টিলার ঘাঁটিতে।
অদ্ভুত কিছু জিনিস পাইছি...
প্রদীপ, শর, মুদ্রা...
এটা অদ্ভুত।
এটা অন্য যুগের জিনিস।
আর কিছু লাগবে?
না, ধন্যবাদ।
শয়তানের বিরুদ্ধে শয়তান।
ফাদার...
আপনি না গেলেও পারেন।
আমার কিছু জরুরী কাজ আছে।
খুব ভালোবাসি।
- শুভ সকাল। - শুভ সকাল, মিসেস. ম্যাকনীল।
- কেমন আছো আজ? - চমৎকার।
তাহলে তো ভালোই।
আমি নিজেই নিচ্ছি, থ্যাংকস।
- গুড মর্নিং, ম্যাডাম। - গুড মর্নিং, কার্ল।
ও কার্ল, চিলেকোঠা ভর্তি ইঁদুর, ফাঁদের ব্যবস্থা করো।
- ইঁদুর? - হ্যাঁ, ইঁদুর।
কিন্তু চিলেকোঠা তো ফাঁকা।
তাহলে, ফাঁকা জায়গাতেই ইঁদুর হয়েছে।
- না, না। ইঁদুর নেই। - আমি শব্দ শুনেছি, কার্ল।
পাইপের শব্দ বোধয়।
হ্যাঁ, ইঁদুরও হতে পারে, তাই ফাঁদ নিয়ে আসবে।
আচ্ছা, এখুনি যাচ্ছি।
এখন যাওয়ার দরকার নেই। দোকান খুলেনি।
- দেখে আসি। - আরে বন্ধ তো!
দলের ভিতর একজন যাজক, নান, আর দু'জন শিক্ষার্থী দরকার।
ঠিক এদেরই আমাদের দরকার।
বার্ক, বার্ক।
- শটটা কি খুবই দরকার? - ক্রিস।
না করলেই কি হয় না?
ছাইপাঁশগুলো কি লেখা আছে দেখো।
ঠিকই তো আছে। কলেজের টিচার তুমি। আর বিল্ডিং ভাঙতে বাঁধা দিবে।
- আরে, পড়তে পারছি। - তাহলে সমস্যা কিসে?
কোন দুঃখে বিল্ডিং ভাঙছে ওরা?
লেখককে ডেকে পাঠাবো? প্যারিসে আছে।
- লুকিয়ে আছে? - ফুর্তি করছে।
সিন ৩৯: হোটেল। চার নাম্বার শট।
শান্ত হও, মিউজিক, অ্যাকশন।
আর কত লাশ চাও?
ক্যাম্পাস কি তোমার বাপের?
সামরিক বাহিনীকে ক্যাম্পাস থেকে সরাও!
এই স্কুল আমাদের!
- তোমাদের কোন অধিকার নেই! - ভুয়া!
সামরিক ব্যাপার!
ক্রিস, ঢুকো!
সারা জীবনে আমি অনেক খুন-খারাবী দেখেছি!
রক্তপাতের দরকার নেই!
সবাই শোনো! সবাই শোনো!
আমরা মানুষের অধিকার জানি, ছেলে-মেয়েদেরও শিক্ষার অধিকার আছে!
বুঝো নাই তোমরা? প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলো!
ছাত্রদের মুখ বন্ধ করে কোন লাভ হবে না...
- যদি চাও... থামো! থামো! - থামো!
কিছু বদলাতে হলে, তোমাদের নীতি বদলাও।
কাট। প্যাক আপ।
- সন্ধ্যায় হেঁটে বাসায় ফিরবো। - আচ্ছা।
এটা বাড়িতে নিয়ে যাও।
- গুড নাইট, টম। - গুড নাইট।
একটা দিনও নাই নিজেকে প্রতারক মনে হয়নি।
যাজক, ডাক্তার, উকিল। সব্বাই ভণ্ড।
জানি না কারও এত খারাপ লাগে কিনা।
হ্যালো?
এখানে আসো।
- হাই। দিন কেমন কাটলো? - খারাপ না।
যেন ভিয়েতনামের সাথে ওয়াল্ট ডিজনি গুলিয়ে দিয়েছে।
তার থেকেও খারাপ।
- মজার কিছু আছে? - এই যে।
- ও আচ্ছা। - একটা দাওয়াতও পেয়েছো।
- কোথায়? - হোয়াইট হাউজে ডিনার।
কি বলছো! বড় পার্টি নাকি অন্য কিছু?
পাঁচ-ছয় জন থাকবে হয়তো।
বৃহস্পতিবার তাইতো?
হাই, আম্মু।
আজ কি কি করলে?
- অনেক কিছু। - কি অনেক কিছু?
আমি আর শ্যারন পিছনের উঠানে খেলেছি।
- তারপর। - নদীর ধারে পিকনিক করেছি।
দারুণ তো।
ঈশ! তুমি দেখোনি।
একটা লোক সু-ন্দ-র শাদা ঘোড়ায় চড়ে আসলো।
- তাই? কোন ধরণের? - এতো সুন্দর ছিলো!
নর নাকি মাদী ঘোড়া?
- নর ঘোড়া মনে হয়। - হুম।
শাদা ঘোড়াটা খুউব সুন্দর ছিলো।
লোকটা আমাকে ঘোড়ায় চড়িয়ে বেড়ালো।
- মিথ্যা বলছো। - আধা ঘণ্টা ঘোড়ায় ছিলো।
খুব মজা পেয়েছি। ভালো লেগেছে। আম্মু, একটা ঘোড়া কিনবে?
- ওয়াশিংটনে ঘোড়া কেনা যাবে না, সোনা। - কেন যাবে না, আম্মু?
বাড়ি বদলানোর পর দেখবো, কেমন?
- কবে একটা ঘোড়া কিনবে? - বললাম তো, রেগান। দেখা যাবে।
শোনো, পার্টির দাওয়াতে আমি একটা...
রেগান না! দিয়ে দাও!
- দাও, এখনি, দাও! - না!
- মেরে দিবো কিন্তু! দাও। - না!
ফাদার?
বুড়ো মানুষটিকে একটু সাহায্য করেন।
আমি ক্যাথলিক।
আয়, আয় না রে।
- রাগ করেছিস? - যা তো!
আম্মা।
দিমি! দিমি!
কেমন আছো, আম্মা?
- তুই আসায় কত খুশি হয়েছি! - তোমার শরীর কেমন?
ভালোই আছি।
- পায়ের অবস্থা কি? - তুই কেমন আছিস? ভালো আছিস তো?
ভালো আছি, আম্মা, ভালো।
তোর জন মামা বেড়াতে এসেছিলো।
- তাই নাকি? কবে? - গত মাসে।
- শক্ত হলো? - না।
এটা পরে থাকবে। হাঁটাচলা করে সিঁড়িতে যাবে না, চুপ চাপ বসে থাকবে।
আচ্ছা।
তোমাকে নিরাপদ কোথাও নিয়ে যাবো। একাও থাকতে হবে না।
অনেক মানুষ থাকবে। সারাদিন বসে রেডিও শুনতে হবে না।
বুঝলি কি বললাম?
এই বাড়ি আমার, আর এটাকে ছেড়ে কোথাও যাবো না।
দিমি, কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করছিস?
- না, আম্মা। - তুই সুখে নাই?
খুলে বলতো সব।
আম্মা, আমি ভালো আছি। সত্যিই ভালো আছি।
বানানো শেষ হয়েছে?
এই যে!
- দেখি তো। - পছন্দ হয়েছে?
মজার না?
জিনিসটা শুঁকাতে দিই কি বলো? এখনও ভিজা আছে।
এখানে থাকুক।
এখানেই শুঁকিয়ে যাবে।
এটা এখানে এলো কিভাবে?
- পেয়েছি। - কোথায়?
আলমারিতে।
বোর্ডটা নিয়ে খেলেছো?
- হ্যাঁ। - কিভাবে খেলে জানো?
দেখাচ্ছি থামো।
থামো, দু'জন দরকার।
না, লাগে না। আমি তো একাই খেলি।
তাই নাকি? চলো দু'জনে খেলি।
আমাকে তাহলে খেলতে দিবে না?
না, দিবো। ক্যাপ্টেন হাউডি দিবে না।
- ক্যাপ্টেন কে? - ক্যাপ্টেন হাউডি।
ক্যাপ্টেন হাউডি আবার কে?
আমি প্রশ্ন করি, আর উনি উত্তর দেন।
- ও আচ্ছা, সেই ক্যাপ্টেন হাউডি? - অনেক ভালো উনি।
ভালো তো হবেই।
- দেখাচ্ছি থামো। - আচ্ছা।
ক্যাপ্টেন হাউডি, আমার আম্মুকে তোমার সুন্দর লাগে?
ক্যাপ্টেন হাউডি?
ক্যাপ্টেন হাউডি, একটুও ভালো হচ্ছে না কিন্তু।
- ঘুমিয়ে পড়েছে হয়তো। - তাই নাকি?
রেগান, এসব পড় কেন?
পড়তে ভালো লাগে।
ছবিগুলোও ভালো না। দেখেছো?
- বড় হয়ে গেছো দেখছি। - কথা বলবো না।
কথা বলবে না নাকি? তবুও তো বলছো।
আমার মেকআপ ম্যান ছিলো নেই।
তোমার ভুরু নিয়ে নিই।
না, এখনও হয়নি।
জন্মদিনে কি করবে?
এই বছরে রবিবারে পড়ে গেলো না?
কোন কাজ নেই? কি করা যায় বলোতো?
আমি কি জানি!
তুমি কি চাও?
- কোন প্ল্যান আছে? - উম-উম।
ভাবছি, ভাবছি, কি করা যায়?
পুরো ওয়াশিংটন কখনো ঘুরে দেখা হয়নি।
লি ম্যানসন আরও কত কি দেখা হয়নি।
আবহাওয়া ভালো থাকলে ঘুরতে যাবো কেমন?
- আচ্ছা, যাবো তাহলে। - আচ্ছা।
আর কাল রাতে, মুভি দেখতে যাবো, আচ্ছা?
খুউব ভালোবাসি।
আমিও ভালোবাসি, রেগান।
খুব মজা হবে।
মি. ডেনিংকে নিয়ে যাবে?
মি. ডেনিং?
জানোই তো। সমস্যা নেই।
না থাক, নিবো না...
...এত মানুষ থাকতে আমি বার্ককে কেন তোমার জন্মদিনে সাথে নিয়ে যাবো?
তাঁকে পছন্দ করো।
হ্যাঁ, পছন্দ করি। তুমি করো না? আরে, কি ভাবছো বলোতো?
- উনাকে বিয়ে করবে, তাই না? - খোদা, কি যে কথা তোমার?
- কী? - আমি বিয়ে করবো বার্ক ডেনিংসকে?
এত বোকা হইয়ো না, করার প্রশ্নই আসে না।
কিভাবে এই ধারণা হলো বলোতো।
কিন্তু পছন্দ তো করো।
পিজ্জাও তো পছন্দ করি, তাই বলে তো আর পিজ্জাকে বিয়ে করবো না।
No comments yet. Be the first to leave one.