Earth at Night in Colour

Earth at Night in Colour

Download Bengali Subtitle

Season 2

Release info

Earth at Night in Color Season 02 Episode 06 Bangla Subtitle
Earth at Night in Color S02 E06 Bangla Subtitle by Nurullah
Earth at Night in Color - S02E06 [Polar Bear Winter]
বাংলা সাবটাইটেল - আর্থ এট নাইট ইন কালার [সিজন ০২, এপিসোড ০৬]
আর্থ এট নাইট ইন কালার সিজন ০২ এপিসোড ০৬ বাংলা সাবটাইটেল বাই নূরুল্লাহ
A Commentary by Nurullah_Mashhur
🔷🔴 রাতের আঁধারে লুকিয়ে থাকা প্রাণীজগতের বিস্ময়সমূহ তুলে ধরা হয়েছে এই ডকুমেন্টারিতে। টম হিডলস্টোনের বর্ণনায় মনোরম এই ডকু সিরিজটির দ্বিতীয় সিজন উপভোগ করুন মাতৃভাষায়।🔴🔷

Tags

other
Published on: 2021-06-09
Downloads: 39
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 105 lines.

রাত।

এক ছায়াচ্ছন্ন জগত যার আড়ালে লুকিয়ে থাকে আমাদের গ্রহের অর্ধেকের বেশি প্রাণী।

এখন পর্যন্ত, ক্যামেরায় কেবল তাদের জীবনধারার এক ঝলক ধরা পড়েছে।

কিন্তু নেক্সট-জেনারেশন টেকনোলজির সহায়তায়,

আমরা রাতকে দিনের মতোই স্পষ্ট দেখতে পারি।

মানুষের চোখের তুলনায় শতগুণ সেন্সিটিভ ক্যামেরার সাহায্যে...

আমরা এখন রাতের সৌন্দর্যকে ধারণ করতে পারছি...

রঙিন অবস্থায়।

ভিন্ন জগতের ভূদৃশ্য।

অন্ধকারে জেগে ওঠা অদ্ভুত প্রাণীকূল।

অদেখা আচরণ।

এখন আমরা প্রাণীদের জীবনযাত্রা অনুসরণ করতে পারছি...

পৃথিবীর শেষ সত্যিকারের বিজনপ্রদেশে...

রাত।

:.:.: Earth at Night in Color :.:.: S02 E06 অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর

আর্কটিকে শীত মৌসুম।

দিনের বেলায়, সূর্য ওঠে কদাচিৎ।

আর শীঘ্রই এটা ডুবে যাবে।

এই বরফাচ্ছাদিত জগতকে অন্ধকারে ঢেকে দিবে এক মাসের বেশি সময়ের জন্য।

আর আর্কটিকের এক বাসিন্দার জন্য, এটা একটা বিশাল পরিবর্তনের সময়।

এই মেরু ভালুক মায়ের দুটো বাচ্চা রয়েছে।

সে দুই বছর তাদের লালনপালন করবে,

টিকে থাকার জন্য যেসব দক্ষতা প্রয়োজন তা শেখাবে।

তারা সব জায়গায় তাকে অনুসরণ করে।

মোটেও সহজ কাজ নয়।

অনেক কিছু রয়েছে শেখার।

শীতের শুরুতে, চারপাশে খাদ্য অপ্রতুল,

মা মেরু ভালুক দিনে এক কিলো ওজন হারাতে পারে।

দুর্বল আর ক্ষুধার্ত অবস্থায়,

আসন্ন কনকনে শীতের রাত্রিগুলোতে শুধু তার বাচ্চাদের নিরাপদে রাখাটাই

হবে তার সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ।

আর এই পরিবার একা নয়।

আর্কটিক উপকূল জুড়ে, অন্যান্য ক্ষুধার্ত ভালুকেরা জড়ো হচ্ছে।

অপেক্ষা করছে তাপমাত্রা এতটাই নিচে নেমে যাওয়ার জন্য

যখন সাগরের পানি পর্যন্ত জমে বরফ হয়ে যাবে।

তারপর তারা সিল শিকারের জন্য সাগরের বরফের দিকে যাত্রা করবে,

এই বুভুক্ষু ভালুকদের জন্য যা এক গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যের উৎস।

কিন্তু এই মহা হিমায়নের আগ অবধি,

মা আর তার বাচ্চাদের,

আর বাকিসব ভালুকদের অপেক্ষা করতে হবে।

আর্কটিক শীত মৌসুমের আগমনে...

রাত দীর্ঘতর হতে থাকে।

আর এই বরফাচ্ছাদিত ভূদৃশ্য বদলে যায়।

স্রেফ চাঁদের আলোয় ফিল্মিং এর মাধ্যমে...

লো লাইট ক্যামেরাসমূহ এই বরফাচ্ছন্ন জগতকে

এমনভাবে ধারণ করেছে যা আগে কখনও দেখা যায়নি।

তারকাসমৃদ্ধ আকাশের নিচে মেরু ভালুকের

জীবনধারা খুব কাছ থেকে দেখতে সহায়তা করছে।

আজ রাতে, মায়ের প্রথম কাজ হচ্ছে ক্ষুধার্ত বাচ্চাদের দুধপান করানো।

তার দুধে ৩০% এর বেশি চর্বি...

যা বাচ্চাদের গায়ে শীতকালে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় চর্বির আস্তরণ সৃষ্টিতে সহায়তা করে।

এরপর, মধ্যরাতের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পালা।

তুষারের মাঝে গড়াগড়ি করে মেরু ভালুকেরা তাদের মোটা লোম পরিষ্কার করে।

বাচ্চারা মায়ের অনুসরণ করে।

নিয়মিত তুষারস্নান তাদের আবরণকে উত্তপ্ত রাখতে সাহায্য করে।

আর আজ রাতে, তাদের যথাসম্ভব উষ্ণতা প্রয়োজন।

আর্কটিকে শীতকালে,

কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই ঝড় আঘাত হানতে পারে।

আর অল্পবয়স্ক বাচ্চাদের জন্য, এই তুষারঝড় মারাত্মক হতে পারে।

কিন্তু মেরু ভালুকই হিমশীতল রাতের

একমাত্র সক্রিয় প্রাণী নয়।

আর্কটিক সার্কেলের প্রান্তে তুষারাবৃত বনে,

সমান দৃঢ়চেতা এক ছোট্টো প্রাণী বেরিয়ে আসে চাঁদের আলোয়।

পার্বত্য খরগোশ।

শিকারীদের এড়িয়ে চলার জন্য, তারা শুধু অন্ধকারেই বের হয়।

শীতের শুরুতে, তাদের লোম বাদামি থেকে সাদা হয়ে গিয়েছে।

পারফেক্ট ক্যামোফ্লাজ।

এই তরুণ পুরুষটি মধ্যরাতের নাস্তা সারছে।

আশেপাশে খাদ্য অপ্রতুল, তাই যতটুকু সম্ভব তাকে খেতে হবে।

কিন্তু সেই এখানে একমাত্র ক্ষুধার্ত খরগোশ নয়।

প্রতিদ্বন্দ্বীদের তাড়াতে হবে।

খাদ্য এবং সঙ্গীর জন্য প্রতিযোগিতা হিংস্র হতে পারে।

তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্পর্শ করতে পারে।

কিন্তু তার প্রতিদ্বন্দ্বী যখন পিছু হটে না...

এবার মুখোমুখি লড়াইয়ের পালা।

অল্প কিছু ঘুষি টার্গেটে আঘাত হানে।

আসল ব্যাপার হচ্ছে কাকে বেশি শক্তিশালী দেখা যায়।

আজ রাতে, সে বিজয়ী হয়।

যা এই নিশাচর চ্যাম্পিয়নকে

আসন্ন শীতের দীর্ঘ রাতগুলো টিকে থাকার সুযোগ করে দিবে।

ফিরে আসি উপকূলে,

মেরু ভালুক মা আর তার বাচ্চারা জড়াজড়ি করে বসে থাকে

যখন তাপমাত্রা নামতে থাকে।

শীতের রাতে, সাগরে মেরুঝড় সৃষ্টি হয়

যেখানে ঠান্ডা বাতাসের তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে।

মেরু ভালুকের বাচ্চারা তীব্র শীতের প্রতি দুর্বল।

দুটোর মাঝে একটা বাচ্চাই কেবল প্রথম শীত শেষে টিকে থাকতে পারে।

কিন্তু নাইট ক্যামেরায় দেখা যায় মায়ের এক বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান।

সে খনন করে।

ধীরে ধীরে খনন করে একটা আশ্রয়স্থল তৈরি করে

যেখানে তার বাচ্চারা ঝড়ের সময় আশ্রয় নিতে পারবে।

মেরু ভালুক পরিবার এরকম একটা গর্তে

৪ রাত পর্যন্ত লুকিয়ে থাকতে পারে।

তাদের মূল্যবান বাচ্চাগুলোকে জীবিত রাখার জন্য এটাই মায়েদের একমাত্র পন্থা।

পরিবারটিকে অবশ্যই নিচু হয়ে থাকতে হবে...

যতক্ষণ না তুষারঝড় অতিক্রম করে।

ঝড় থেমে যায়।

আর পরিবারটি বের হয়ে দেখে ঝড়ো হাওয়া বিশাল পরিবর্তন বয়ে এনেছে।

একসময় যেখানে সমুদ্র ছিল,

সেখানে এখন বরফ।

যতদূর চোখ যায়।

মা তার বাচ্চাদের প্রথমবারের মতো সাগরের বরফের দিকে নিয়ে যায়।

তাদের জীবনের পরবর্তী অধ্যায় শুরু করার জন্য।

আসন্ন সপ্তাহগুলোতে,

সে তাদেরকে শেখাবে কীভাবে এই বরফাচ্ছাদিত পরিবেশে

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left