The first 145 lines.
অবশেষে কথা বলার ফুরসত হলো।
হিগান।
আমি নিশ্চিত করেছি এই কল কেউ ট্যাপ করতে পারবে না।
তাই চিন্তা কোরো না।
- কে তুমি? - সেটা এই মুহূর্তে বলতে পারবো না।
কেন নয়?
তুমি তো আউজা সিটিতে যাচ্ছো, তাই না?
ঐ পুরো জায়গাটাই কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সুরক্ষিত।
তোমার একার পক্ষে সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা...
এড়িয়ে প্রবেশ করাটা কার্যত অসম্ভব।
আমায় সাহায্য করতে দাও।
কী ভেবেছো ফোনের ওপারের একটা অচেনা গলার কথাতে আমি নাচবো?
অন্যদের চেনো কিন্তু তা করতে গিয়ে তাদেরকে তোমায় চিনতে দিও না।
এটাই একজন ধূর্ত নিনজার সংজ্ঞা।
এই পঙ্ক্তিটা... একটা নিনজা কবিতা।
আমাদের দু'জনের পরিস্থিতিই এক।
একজন নির্বাসিত নিনজা?
লক্ষ্যে পৌঁছাতে চাইলে,
যেই লোকেশনটা পাঠাচ্ছি সেখানে এসে আমার অপেক্ষা করো।
আমায় বিশ্বাস করবে কি-না সেটা তোমার ওপর ছেড়ে দিলাম।
নি
নিন
নিনজা
নিনজা কা
নিনজা কামু
নিনজা কামুই
নিনজা কামুই : সি
নিনজা কামুই : সিজ
নিনজা কামুই : সিজন
নিনজা কামুই : সিজন-
নিনজা কামুই : সিজন-০
নিনজা কামুই : সিজন-০১
নিনজা কামুই : সিজন-০১ :
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এ
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপি
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসো
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড-
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড-০
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : [এপিসোড-০৪
নিনজা কামুই : সিজন-০১ :
নিনজা কামুই : সিজন-০১ :
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানু
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে:
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আ
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আক
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতা
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার হো
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার হোসে
নিনজা কামুই : সিজন-০১ : ভাবানুবাদে: আকতার হোসেন
বাবা'কে বড্ড ভালোবাসি, কারণ তিনি খারাপ লোকেদের থেকে সবাইকে রক্ষা করেন।
- উফ। - ফোনটা তুলবে না?
স্ত্রী'র ফোন। আমার মনোযোগ তদন্তকার্য থেকে সরালে চলবে না।
কিন্তু প্রতক্ষ্যদর্শীর বয়ানের কোনো সত্যতা আছে কি-না সেটাই তো নিশ্চিত নয়।
শুনলাম গাড়ির চালক ঘুমিয়ে পড়েছিল।
তোমায় লাগাতার ফোন করে যাচ্ছিলাম।
ভেবেছিলাম একজন এফবিআই এজেন্টের সাথে সংসার করার প্রতিবন্ধকতাগুলো সামলে নিতে পারবো,
কিন্তু আমি ভুল ছিলাম।
কেমন আছো?
দোহাই লাগে রে, ভাই, আমায় প্রায় হার্ট অ্যাটাক এনে দিয়েছিলে।
ওরা সাহায্য করবে বলছে?
এই ব্যক্তি যে তোমার মতোই একজন নির্বাসিত নিনজা সেটা কীভাবে নিশ্চিত হচ্ছো?
পুরোনো সংগঠনে চলিত একটা কবিতা তারা জানতো,
আর এই দেশে পা রাখার পর কেউই সেটার উল্লেখ করেনি।
তো বলছো এটুকুই তোমার আস্থা অর্জনের জন্য যথেষ্ট?
এই রহস্যময় ব্যক্তি কীসের কথা বলছে তা ভালো করেই জানে।
ঐ সিটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্যাচ কোনো ছেলেখেলা নয়।
বলতে গেলে, একমাত্র কোনো ভূতই সেটা পার করতে পারবে।
কিন্তু পুরোটাই যদি একটা ফাঁদ হয়?
- তাহলে ওরা কেউই প্রাণে বাঁচবে না। - এইমাত্র কথাটা কি আসলেই বললে?
ভুলে যেও না আমরা কিন্তু সারাজীবন একসাথে কাজ করবো না।
আচ্ছা, বলো, ওখানে ঢোকার উপায় কী?
বসের সাথে হওয়া শেষবারের কথোপকথনে যা বুঝলাম, ওরা ইতোমধ্যেই আমার ওপর নজর রাখছে।
আলবাৎ রাখছে। তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটা বরং বাদ দেয়া যাক।
কী যে বলো! তুমিই বলেছিলে আউজা-র বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড়ের সর্বোত্তম উপায় হলো...
কোনোভাবে ওদের সদরদপ্তরে ঢোকা।
- আর এই ব্যাপারে আমি তোমার সাথে একমত। - কিন্তু এটা তো বলিনি যে, সেটা সম্ভব।
- আচ্ছা, কোনো তো উপায় থাকবে-- - না, এটা অসম্ভব।
- কেন নয়? - বেশি ভাববেন না। আমরা ম্যানেজ করে নেবো।
- আমি আরো একটা ইতিবাচক সূত্র পেয়েছি। - সত্যি, এখন?
ডার্ক ওয়েব ব্যবহারকারীদের একটা কমিউনিটি আউজা-র গতিবিধির ওপর নজর রাখছে।
তাদের বক্তব্য হলো আউজা দুনিয়াতে আধিপত্য স্থাপনের ষড়যন্ত্র করছে...
এবং সেজন্য তারা গণবিধ্বংসী অস্ত্রের নির্মাণ করছে।
তো ওরা ষড়যন্ত্র তত্ত্বের উদঘাটনকারী একটা পাগলের দল!
কিন্তু ডার্ক ওয়েবের আশ্রয় নিতে গেল কেন?
- সম্ভবত, পরের হাত কামড়ানোর ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনই শ্রেয়। - আমি সাইট এডমিনের লোকেশন বের করেছি।
তার বক্তব্য অনুযায়ী সে তাদের সাবেক গবেষকদের একজন।
- ভালো। - তবে, সে অনেক দূরে থাকে।
সেটা কোনো সমস্যা নয়। আমি একাই চলে যাবো।
- কী? - এখনকার মতো যথেষ্ট করেছো তুমি।
বাকিটা আমি দেখে নিচ্ছি।
এ কাজ আমার মতো অভিজ্ঞ লোকেদেরই যার কোনো পিছুটান নেই।
এইবার আপনাকে কোনোভাবেই একা ছাড়ছি না।
কী?
আমরা আউজা-র দুষ্কর্মের উদঘাটন করতে চলেছি,
আর ভাগ্য সাথে থাকলে, হয়তো ওদের কোনো অত্যাধুনিক ডেটারও সন্ধান পেতে পারি!
সেটার মূল্য হাজারো ডলার হতে পারে!
না, লাখো বললেও ভুল হবে না।
মাথা গেছে না-কি তোমার?
এই কথাই রইলো। আমরা একসাথেই কাজ করবো।
সতর্ক থেকো।
আপত্তি না থাকলে একটা কথা জিজ্ঞেস করতে পারি?
তোমার স্ত্রী জানতো? ওকে তোমার আসল পরিচয়ের কথা বলেছিলে?
হ্যাঁ জানতো, কারণ মারি'ও একজন নিনজা ছিল।
নিনজারা সাধারণত বিয়ে-শাদী করে?
না। আমরা কোড ভেঙেছিলাম।
কীসের কোড?
নিনজাদের মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া নিষেধ, এমনকি তাদের সাথীর প্রতিও।
বুঝেছি।
তুমি কোড ভেঙে নিজের পরিবারকে বেছে নিয়েছিলে।
চমৎকার! সে দারুণ লড়ে, তাই না?
ওই ইউনিট একটা গোটা আর্মি পাল্টুনকে শেষ করার ক্ষমতা রাখে, আর তা কিনা ওর সামনে টিকতেও পারলো না।
ও সাক্ষাৎ গ্ল্যাডিয়েটর, তাই না?
নিশ্চই ওর গলা টেপার জন্য হাপিত্যেশ করছো, তাই না?
না রে, ছোটলোক।
ওহ, প্লিজ। আমি একজন ব্যবসায়ী।
হাতাহাতিতে জড়ানো আমার কাজ নয় আর না আমি জিততে চাই।
আমার প্রয়োজন ডেটার।
যদি ও এখানে চলে আসে? ওর সামনে নতজানু হয়ে যাবে?
এটা দেখার জন্যই তো আমার প্রতিভাবান সেক্রেটারি এখানে আছে।
- তাই তো? - একদম।
আচ্ছা, কী কারসাজি করে ও তোমায় বশে এনেছে বলো তো?
স্যার, আপনার পদ্ধতির কথা এই অসুস্থ বান্দাকে বলার অনুমতি আছে?
আপাতত এই প্রসঙ্গ বাদ দাও। আর, মুখের ভাষা সংযত করো।
দুঃখিত, স্যার।
তো, কারো কাছে কোনো পরিকল্পনা আছে? এটা মাথায় রাখা উচিত ও এখানে আসছে।
সে ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতে পারো। সিটির সুরক্ষা ব্যবস্থা অভেদ্য।
এক মিনিট। দাঁড়াও। এই ব্যাপারে হেসেখেলে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে এই দাবি করতে পারো না, আসকা।
সম্ভবনা... এক মিনিট।
বিগ ডি?
বিগ ডি? তোমার মন এদিকে আছে?
আমার শুধু বলতে ইচ্ছা করছে, নতুন ছাটে আজ আমায় দারুণ লাগছে।
আর এই নিনজা যদি আমার চুলের স্পাইক ঘাটার স্পর্ধা দেখায়, তাহলে ও শেষ।
বাহ। নীচের ঝোপেও কী একই স্টাইল--
আর কোনো ফালতু আলাপ নয়।
আমরা সবাই জানি হিগান হেলায় নেয়ার পাত্র নয়।
তো আমরা পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোবো।
ওকে বশে আনতে আমাদেরকে ওর কলা-কৌশল সম্পর্কে জানতে হবে।
- আর ওর এফবিআই বন্ধুর কী হবে? - ও আমাদের চুলও ছিঁড়তে পারবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.