Earth at Night in Colour

Earth at Night in Colour

Download Bengali Subtitle

Season 2

Release info

Earth at Night in Color Season 02 Episode 04 Bangla Subtitle
Earth at Night in Color S02 E04 Bangla Subtitle by Nurullah
Earth at Night in Color - S02E04 [Coral Reef]
বাংলা সাবটাইটেল - আর্থ এট নাইট ইন কালার [সিজন ০২, এপিসোড ০৪]
আর্থ এট নাইট ইন কালার সিজন ০২ এপিসোড ০৪ বাংলা সাবটাইটেল বাই নূরুল্লাহ
A Commentary by Nurullah_Mashhur
🔷🔴 রাতের আঁধারে লুকিয়ে থাকা প্রাণীজগতের বিস্ময়সমূহ তুলে ধরা হয়েছে এই ডকুমেন্টারিতে। টম হিডলস্টোনের বর্ণনায় মনোরম এই ডকু সিরিজটির দ্বিতীয় সিজন উপভোগ করুন মাতৃভাষায়।🔴🔷

Tags

other
Published on: 2021-05-29
Downloads: 39
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 105 lines.

রাত।

এক ছায়াচ্ছন্ন জগত যার আড়ালে লুকিয়ে থাকে আমাদের গ্রহের অর্ধেকের বেশি প্রাণী।

এখন পর্যন্ত, ক্যামেরায় কেবল তাদের জীবনধারার এক ঝলক ধরা পড়েছে।

কিন্তু নেক্সট-জেনারেশন টেকনোলজির সহায়তায়,

আমরা রাতকে দিনের মতোই স্পষ্ট দেখতে পারি।

মানুষের চোখের তুলনায় শতগুণ সেন্সিটিভ ক্যামেরার সাহায্যে...

আমরা এখন রাতের সৌন্দর্যকে ধারণ করতে পারছি...

রঙিন অবস্থায়।

ভিন্ন জগতের ভূদৃশ্য।

অন্ধকারে জেগে ওঠা অদ্ভুত প্রাণীকূল।

অদেখা আচরণ।

এখন আমরা প্রাণীদের জীবনযাত্রা অনুসরণ করতে পারছি...

পৃথিবীর শেষ সত্যিকারের বিজনপ্রদেশে...

রাত।

:.:.: Earth at Night in Color :.:.: S02 E04 অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর

সন্ধ্যা নেমে আসছে ইন্দোনেশিয়ার ক্রান্তীয় দ্বীপপুঞ্জের বুকে।

আর ঢেউয়ের তলায় লুকিয়ে আছে...

আমাদের গ্রহের অন্যতম প্রাচীন সমুদ্র জগত।

প্রবালপ্রাচীর...

আমাদের সমুদ্রের প্রাণের খনি।

পৃথিবীজুড়ে, এরা সাগরতলের এক শতাংশেরও কম জায়গা জুড়ে রয়েছে...

কিন্তু সাগরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বেশি প্রাণের আশ্রয় যোগাচ্ছে।

প্রবালপ্রাচীর এক ব্যস্ত সামুদ্রিক শহর...

যেখানে সব আকার, আকৃতির প্রাণী খাদ্যগ্রহনে ব্যস্ত।

হাম্পহেড প্যারটফিশ, প্রবালপ্রাচীরের বুলডোজার,

পাখির মতো ঠোঁটের সাহায্যে প্রবালপ্রাচীর চিবিয়ে খায়...

যেখানে হকসবিল কচ্ছপ কঠিন প্রবালের নিচে জন্মানো

নরম স্পঞ্জ খেয়ে জীবনধারণ করে।

বুদ্ধিমানদের জন্য, সবচেয়ে অসম্ভব জায়গায়ও খাদ্য খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

ছোট্টো ক্লিনার র‍্যাস এক আন্তরিক সেবা উপহার দেয়।

যেখানে তারা প্রতিবেশীদের মুখে আটকে থাকা খাবার গ্রহণ করে।

সন্ধ্যা মানে প্রবালপ্রাচীরের রাশ আওয়ার,

যখন বাসিন্দারা সর্বশেষ দিনের আলোটুকুর সর্বোচ্চ ব্যবহার করে।

কিন্তু এই ব্যস্ত জগত...

বদলে যেতে চলেছে।

কারণ প্রবালপ্রাচীর এর অন্য একটা দিক রয়েছে...

যা কেবল সূর্যাস্তের পরেই প্রকাশ পায়।

লেটেস্ট ফিল্মিং টেকনিকের সহায়তায়...

আমরা এই গোপন জগত দেখতে...

আর রাতের বেলা প্রবালপ্রাচীরের নাটকীয়তা অবলোকন করতে পারছি।

অন্ধকার নেমে আসলে, ছোটো মাছেরা সংখ্যাধিক্যের নিরাপত্তার জন্য ঝাঁকবেঁধে চলে।

রাতের প্রথম ভাগ প্রবালপ্রাচীরের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্ত।

কর্নেটফিশ।

এক মিটার লম্বা আর রাইফেলের মতো ঠোঁটবিশিষ্ট।

প্রবালপ্রাচীরের নিশাচর মার্কসম্যান।

বিশাল, আলোক-সংবেদী চোখের সাহায্যে...

তারা মাছের ঝাঁকের পাশে জড়ো হয়...

আর নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানে।

সিরিঞ্জের মতো মুখের ভেতর তারা শিকারকে বন্দি করে ফেলে।

আর প্রতিবারে একটা করে মাছ ধরে।

তারা তাদের শিকার গলাধঃকরণ করে...

আর অবশিষ্ট থাকে...

কেবল সমুদ্রের পানিতে তীব্র আলোড়ন।

কিন্তু কর্নেটফিশই অন্ধকারে ঘুরে বেড়ানো একমাত্র শিকারী নয়।

প্রবালপ্রাচীরের বাসিন্দারা পাথরখণ্ড আর শিলার খাঁজের গভীরে লুকিয়ে থাকে...

কারণ আরও বড়ো, মারাত্মক শিকারীরা এখন আবির্ভূত হচ্ছে।

আর প্রত্যেকেই নিজস্ব ভঙ্গিতে শিকারের খোঁজে রাতের বেলা প্রবালপ্রাচীরে ঘুরে বেড়ায়।

এই সাদামাথার প্রবাল হাঙ্গরটির খাদ্য সেসব মাছ যারা অনেক বেশি সময় ধরে প্রবালপ্রাচীরের ওপরে ঘুরে বেড়ায়।

আর সে একাকী নয়।

একটি স্টিংরে, প্রতিটি ছোটো মাছের জন্য দুঃস্বপ্নের নাম।

তার শিকারদের জন্য, রাত যেন নিকষ কালো।

তারা তার আগমন টের পায় না।

কিন্তু আমাদের ক্যামেরা তুলে ধরে...

কীভাবে সে প্রবালপ্রাচীরে ঘুরে বেড়ায়।

সে দৃষ্টিশক্তির বদলে ব্যবহার করে...

ইলেক্ট্রোরিসেপ্টর, প্রবালে লুকিয়ে থাকা মাছদের নড়াচড়া শনাক্ত করতে...

অথবা বালিতে লুকিয়ে থাকা কাঁকড়া।

দুই মিটার পর্যন্ত প্রশস্ত পাখা যা শিকারকে সমুদ্রের তলায় আটকে ফেলে।

বালু সরে যাওয়ায় শিকার উন্মুক্ত হয়ে যায়...

তার ভ্যাকুয়ামের মতো মুখে...

সেটা সাবাড় করার আগে।

রাতের বেলা চারপাশে এত শিকারীর আনাগোনা থাকায়...

আড়ালে থাকাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

কিন্তু ঝুঁকি স্বত্ত্বেও...

একটি ছোট্টো রঙিন মাছ প্রবালপ্রাচীরের নিরাপত্তা ত্যাগ করতে উদ্যত হয়েছে।

একটি ম্যান্ডারিনফিশ।

আর এই পুরুষটি...

ভালোবাসার খোঁজ করছে।

আজ রাতে, সে এক ঘণ্টারও কম সময়ে আটজনের সাথে মিলনের আশা করছে।

কিন্তু তাদের খুঁজে পেতে হলে, তাকে খুব সাবধানে চলাফেরা করতে হবে।

অন্ধকারের বুক চিড়ে, সে খুঁজে পায়...

একটি স্ত্রী মাছকে...

যে তার সান্ধ্যকালীন নাস্তা করছে ক্ষুদ্র, চিংড়িসদৃশ কোপেপড দ্বারা।

কিন্তু খাদ্যের ব্যাপারে যেমন...

সঙ্গী বেছে বেওয়ার ব্যাপারেও সে তেমনই খুঁতখুঁতে।

তার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য, পুরুষটি এবার তার পাখা ছড়িয়ে দেয়...,

যতটা সম্ভব বড়ো আর অদম্য দেখানোর জন্য।

সে মুগ্ধ হয়েছে।

কিন্তু মিলনের জন্য, এবার আরও সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ...

আর অন্ধকারকে নিজেদের সুবিধায় কাজে লাগানোর পালা।

প্রবালের মাঝে লুকিয়ে থাকা কিছু মাছ তাদের ডিম খেয়ে ফেলতে পারে বিধায়...

নতুন দম্পতিটি প্রবালপ্রাচীরের ওপরে উঠে আসে...

আর এক মনোমুগ্ধকর প্রেমময় নাচে মত্ত হয়।

তাদের নৈশকালীন প্রদর্শনী শেষ হলে...

দম্পতিটি প্রবালের নিরাপত্তায় ফিরে যায়...

কিন্তু বেশিক্ষণের জন্য না।

আরও সাতটি স্ত্রীর যেহেতু খোঁজ করতে হবে..

তাই এই ক্যাসানোভা অন্ধকার জয় করতে বেরিয়ে পড়ে

তার পরবর্তী নাচের সঙ্গী খোঁজার উদ্দেশ্যে।

রাতের আগমনে...

অন্ধকার প্রকৃতির অন্যতম আশ্চর্যজনক গোপন বিস্ময় তুলে ধরে...

এমন একটি ঘটনা যা প্রবালপ্রাচীরে জাদুকরী পরিবর্তন বয়ে আনবে।

সাগরের গভীর থেকে, ক্ষুদ্র প্রাণীদের একটি বহর উদ্ভূত হচ্ছে...

এলিয়েন জগত থেকে ভেসে আসার মতো করে।

এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ প্রাণী পরিযান,

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left