The first 175 lines.
অনুবাদে : 〄 AsadujJaman 〄
- হ্যালো। আমি থালহাইম। স্টেট পুলিশ। - হ্যালো। আমি স্টকার।
লোকটা পুরুষ। লাশটা এখানে বেশ কিছুদিন ধরে ছিল। অন্তত এক বা দুই সপ্তাহ।
বনকর্মীরা তাকে ওখানে পেয়ে অস্ট্রিয়ান পুলিশকে খবর দিয়েছে।
হ্যাঁ, শুনেছি। ব্যাপারটা জটিল হয়ে গেল।
- আমি পিয়ার্কার, আলপাইন পুলিশ, সালজবুর্গ। - হ্যালো। এলি স্টকার।
আমি হুকোনিগে আপনাদের উদ্ধার অভিযানের কথা শুনেছি।
আপনাদের ডিপার্টমেন্ট যা করে তা সত্যিই অসাধারণ।
ধন্যবাদ।
সালজবুর্গের (অস্ট্রিয়ান শহর) ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন টিম এখানেই রওয়ানা দিয়েছে।
- গুড মর্নিং। - মর্নিং, এলি।
- ম্যাক্স, তুমি সবকিছুর ছবি তুলেছো? - হ্যাঁ তুলেছি।
- সারাহ। ডিএনএ পাওয়া কঠিন হবে, ঠিক? - কোন সম্ভাবনাই নেই। সে এখানে অনেকদিন ছিল।
- কতদিন? - দুই, তিন সপ্তাহ।
ঘাড়ে গভীর ক্ষতচিহ্ন আছে।
আমাকে আরো ভালোভাবে দেখতে হবে, তবে রক্তের কোন চিহ্ন নেই, তাই সম্ভবত সে এখানে মরেনি।
আচ্ছা।
জানি এখানে তুষারপাত হয়েছে, তবুও প্রমাণের জন্য এলাকাটা তল্লাশি করো।
গিরিপথের পেছনের অস্ট্রিয়ান অংশেও। আমাদের যতবেশি সম্ভব সাক্ষী জোগাড় করতে হবে।
বুঝেছি।
এখনই না।
ওরাই নিতে আসবে।
ওটা আমাকেই করতে দিন, প্লিজ।
- হ্যালো। - হাই।
ও গ্রাফ। আমি পিয়ার্কার। আলপাইন পুলিশ।
উইন্টার। লাশটা কোথায়? আমাদের অংশে নাকি তাদের?
ঠিক সীমান্তের ওপর।
পরিস্থিতিটা একটু জটিল।
আপনি মহিলার সাথে নিজে কথা বললেই ভালো হয়।
- মহিলা? - জার্মানরা ইতোমধ্যে এসে পড়েছে।
লিপকোউস্কি, একটা উপকার করো। দয়া করে টুপিটা খুলে রাখো।
"বখুম (জার্মান শহর) মাইগ্রেশন অফিস"
সিরিয়ান।
- এলি। অস্ট্রিয়ানরা এসে পড়েছে। - আচ্ছা।
মর্নিং।
এলি স্টকার। ট্রউনস্টেন অপরাধ তদন্ত বিভাগ।
- উইন্টার। - পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো।
হ্যালো।
- এখানে বেশ ঠান্ডা, তাই না? - হ্যাঁ। সমস্যা নেই। তো?
একজন পুরুষের মৃতদেহ। সীমান্ত পিলারের ওপর ফেলে রাখা।
সঠিকভাবে বললে, তার শরীরের ওপরের অংশ অস্ট্রিয়ায়, পা দুটো জার্মানিতে।
আচ্ছা।
এই কেসটা আমার এখতিয়ারে থাকবে।
তারা পোশাকের সাথে পরিচয়পত্র পেয়েছে। সে আমাদের নাগরিক।
তাহলে জার্মানদের স্টাইলেই সঠিকভাবে কাজটা সম্পন্ন করিঃ
একজন মাথাটা নিয়ে যাবো, আর অন্যজন পাছাটা।
ওরা বরফ থেকে লাশটা কেটে বের করছে। আপনি ভেতরে আসতে চান?
মিঃ উইন্টার?
মিঃ উইন্টার?
আপনি ঠিক আছেন?
জার্মান পাসপোর্ট? জার্মানদের-ই সমস্যা বলবো তাহলে।
- দুঃখিত? - কেসটা আপনাদের।
এলি? আপনার এটা দেখা উচিত। তার হাতে কিছু একটা আছে।
- তবুও চাইলে আসতে পারেন। - না, দরকার নেই।
বিদায়। দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
সংক্ষিপ্ত আর সুন্দর, তোমার রিপোর্টটা।
লাশ রাখার জায়গাটা খুবই অস্বাভাবিক, তাই না?
হ্যাঁ।
আর জার্মানরা কি কোন তত্ত্ব বের করতে পেরেছে?
- জানি না। - তুমি কি গিরিপথে তাদের সাথে কথা বলেছিলে?
সেটা আমাদের মাথাব্যথার বিষয় না, তাই না?
হ্যাঁ। সেটাই সম্ভবত ভালো হবে।
মিঃ উইন্টার।
আমরা এখনো পরষ্পরকে অতোটা ভালো চিনি না।
আমি জানি ভিয়েনায় কী ঘটেছিল।
সেজন্যই সম্ভবত তুমি এখানে ট্রান্সফার হয়ে এসেছো।
না, আমি এখানে খোলা হাওয়ার জন্য এসেছি।
আমি শুধু বলতে চাইছি আমি অথবা তোমার টিমের কেউই তোমাকে না জেনে দোষী সাব্যস্ত করবো না।
ধন্যবাদ।
আর যদি তুমি এটা নিয়ে কথা বলতে চাও, আমার দরজা সবসময়ই খোলা।
আচ্ছা।
আর আমরা কয়েকজন রাতে ড্রিঙ্ক করতে যাচ্ছি চাইলে যোগ দিতে পারো।
ধন্যবাদ, আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। কিন্তু আমি ড্রিঙ্ক করি না।
চোখেও তো দেখা যাচ্ছে না!
অনেক ধন্যবাদ।
আলো লাগবে?
ফালকে?
এতো ফিটফাট পোশাক পরে এরকম একটা আস্তাকুঁড়েতে থাকো কী করে?
দেখতে লাগে সর্দারের মতো...
কিন্তু থাকো কর্মচারীর বেশে।
হ্যাঁ...
- আসলে, আমি একজন পুলিশ অফিসার। - হ্যাঁ।
আর কী অসাধারণ পুলিশ তুমি।
কী হয়েছে?
কেউই জানে না তুমি কোথায়, কী করছো, কোথায় থাকো।
- আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম। - তুমি নাকি সে?
সবাই! তুমি পরিবারের একজন।
আমার একটা মা আছে। এটুকু পরিবারই আমার জন্য যথেষ্ট।
সমস্যাটা কী?
আমাদের একসাথে ভালো জমে, তাই না? আর সালজবুর্গে আমাদের একজনকে প্রয়োজন।
তুমি আমাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সবকিছু পাবে।
আমরা তোমার জন্য সবকিছু করবো, ফালকে।
আমি ভেবে দেখবো।
বন্ধু।
সেই উদ্দেশ্যে পান করা যাক।
মিঃ উইন্টার?
আপনার একজন অতিথি এসেছে।
হ্যালো।
আবার দেখা হয়ে গেল।
আমি গতকাল সন্ধ্যায় আপনাকে কল করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু আপনি ধরেননি।
আমি আখরোটের পেস্ট্রি নিয়ে এসেছি। সালজবুর্গের সবচেয়ে সেরাটা এখানেই পাওয়া যায়।
আমার ভীষণ পছন্দ।
আমাকে চিনেছেন, তাই না? এলি স্টকার, গিরিপথে দেখা হওয়া সেই ইন্সপেক্টর।
জার্মান পাসপোর্ট? জার্মানদের-ই সমস্যা বলবো তাহলে।
এলি? আপনার এটা দেখা উচিত। তার হাতে কিছু একটা আছে।
- তবুও চাইলে আসতে পারেন। - না, দরকার নেই।
বিদায়। দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
এলি?
- ধন্যবাদ। এটারই এখন দরকার ছিল। - সমস্যা নেই।
- চুলগুলোর কী খবর? - ওটা ল্যাবে আছে, কিন্তু ফলাফল পেতে সময় লাগবে।
হেলিকপ্টারের থার্মাল ছবিতে অস্বাভাবিক কিছুই ধরা পড়েনি।
- অস্ট্রিয়ানরা তাদেরগুলো পাঠাবে। - আচ্ছা। আর ময়নাতদন্ত?
- সেটার প্রস্তুতি চলছে। - গ্রুবার র্যাংয়ে। তুমি চাইলে যেকোন সময় যেতে পারো।
আচ্ছা। তল্লাশি দল কোনোকিছু খুঁজে পেয়েছে?
চিহ্নগুলো বলছে তাকে একজন আরোহী স্নোমোবাইলে করে গিরিপথে নিয়ে এসেছিল।
চিহ্নগুলো প্রায় মুছে গেছে। তুষারপাত একটু বেশিই হয়েছে।
আমরা বাহনটা কোন মডেলের হতে পারে চেক করছি।
আর আমরা খামার, ক্যাবল কার স্টেশনগুলোতেও তল্লাশি চালাবো, সম্প্রতি কিছু খোয়া গেছে কিনা দেখার জন্য।
অসাধারণ। ধন্যবাদ।
অ্যাক্সেস রোডের চেক'দের কথা মনে আছে, যারা নিয়মিত সেখান দিয়ে যাতায়াত করে?
- এলি? মানিব্যাগের রিপোর্টটা। - ধন্যবাদ।
এই চাবিগুলো কোন ধরণের গাড়ির?
মার্সেডিজ ভিটো।
শিকারী, হোটেল মালিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করো। হয়তো কেউ কিছু দেখেছে।
আমরা ইতোমধ্যে ওই এলাকার লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছি, তবে টিপসের জন্য ধন্যবাদ...
আমি সাহায্য করতে পছন্দ করি, থমাস, শুধু কার্লিংয়েই (খেলা) না।
- তোমার আর কিছু লাগবে? - হ্যাঁ।
- আরো লোকবল। - এই মুহূর্তে কাজটা কঠিন।
সে জার্মান নয়, কেউ তাকে মিস করছে না। হেইগেল ব্যয় কম রাখতে চায়।
কারণ এখানে বহুকিছু ঘটে, তাই না?
রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে থাকা ছেলেটার বয়স পাঁচ। যেটা লাশের সাথে মিলছে না।
হ্যাঁ, সে বয়সে একটু বড়ই বলব।
আঙুলের ছাপ ডাটাবেজেই ছিল। বুলগেরিয়ান। অনেক আগের।
স্লোভেকো পরিবারের একজন সদস্যের।
বাড রাডকার্সবুর্গ। গত গ্রীষ্মে। ট্রাকের সেই রেফিউজিদের ঘটনা।
- হ্যাঁ, আমার মনে আছে। - লাশটা একটা সীমান্ত পিলারের ওপর ফেলে রাখা ছিল।
হাতে চুল ধরা ছিল। ঘাড়ে দুটো ছুরির আঘাত।
তাকে গিরিপথের রাস্তায় টেনে নিয়ে যাওয়ার কষ্টই বা কেন করতে গেল?
পাহাড়ে উঠতে গেলে আমার তো কাঁধের ব্যাগই অনেক ভারী মনে হয়।
- তুমি পাহাড় চড়তে যাও? - যেতে পারি মনে হয় না?
পাহাড় আর আমি। তিনদিন যাবত পর্বতারোহণ।
তিনদিন? আর তারপর হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার করতে হয়?
সেরকমই।
আমি হেইগেল'কে আরেকবার ফোন দেবো। দেখি কী করতে পারি।
"বাড রাডকার্সবুর্গে রেফিউজিদের মৃতদেহ উদ্ধার"
"মৃতদের মাঝে নারী এবং শিশুও ছিল"
"পেটকো স্লোভেকোঃ ট্রাক ড্রাইভার"
"স্টোয়ান স্লোভেকোঃ পাচারকারী দলের সম্ভাব্য মূলহোতা"
আমি গিডিয়ন উইন্টার বলছি। আপনাকে কলব্যাক করবো।
আমি গতকাল সন্ধ্যায় আপনাকে কল করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু আপনি ধরেননি।
আমাকে চিনেছেন, তাই না? এলি স্টকার, গিরিপথে দেখা হওয়া সেই ইন্সপেক্টর।
অবশ্যই আপনাকে চিনতে পেরেছি।
বসুন।
আপনার বসের সাথে পরিচিত হয়েছি। খুবই অসাধারণ মহিলা।
আর আপনারা দুজন কী কী আলোচনা করেছেন?
কিছু না। শুধু এটুকু যে আপনিই হচ্ছেন দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার।
কেউ একজন এটা করতে ভয়াবহরকম কষ্ট করেছে।
লোকটাকে অন্যকোথাও খুন করা হয়েছিল, তারপর স্নোমোবাইলে করে গিরিপথে আনা হয়েছিল।
রক্তের নমুনা থেকে জানা গেছে তার রক্তে "রোহিপনল" ছিল।
শরীর অসাড় করে দেয়, মানুষকে অসহায় করে ফেলে।
সেজন্যই বোধহয় শরীরে ধস্তাধস্তির কোন চিহ্ন নেই।
শুধু দুটো ছুরির আঘাত ছাড়া...
তার ঘাড়ে।
ওটা তার হাতে ধরা ছিল।
পরীক্ষার ফলাফল বলছে ওটা ঘোড়ার পুচ্ছ।
ছবিগুলো একটু বেশিই নান্দনিক।
ফরেনসিকে কোন শিল্পী আছে নাকি আপনাদের?
ওগুলো আমি নিজে তুলেছি।
অদ্ভুত।
- আপনি ব্রেকফাস্ট খাবেন না? - না, ধন্যবাদ। আমার ক্ষুধা নেই।
এখন কী করতে হবে আমাকে?
মৃত লোকটা হচ্ছে স্টোয়ান স্লোভেকো। বুলগেরিয়ান। দুই বছরের প্যারোলে ছিল।
বাড রাডকার্সবুর্গের সেই রেফিউজির ঘটনা?
গতকাল রাতে আমি একটু ঘাঁটাঘাঁটি করেছি।
তারা একমাত্র ড্রাইভারকেই দোষী সাব্যস্ত করতে পেরেছিল।
No comments yet. Be the first to leave one.