The first 200 lines.
আদি যুগে তিন মহান আসুর তাদের তপস্যা
এবং জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে তিনটি শহর গড়ে তুলেছিলন।
যেগুলো এককভাবে ধ্বংস করা সম্ভব ছিল না।
তাদের এই সৃষ্টকর্ম দেখে ঈর্ষান্বিত দেবতারা
বিষ্ণুর কাছে গেলেন।
কিন্তু আসুরেরা যতক্ষণ পর্যন্ত ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলছিল,
তাদের পরাজিত করা অসম্ভব ছিল।
বিষ্ণু তাদের ছলনার মাধ্যমে পাপকাজ করতে বাধ্য করান।
এবং শিব তিনটি শহরকে এক তীরেই ধ্বংস করে দেন।
আসুরদের মৃত্যুর পূর্বের যন্ত্রনা দেখে,
শিব তার নিজের ভুল বুঝতে পারেন।
তার চোখের অশ্রু বীজে রুপান্তরিত হয়।
যা রুদ্রাক্ষ নামে পরিচিত।
আপনার মতে এটা কী ধরণের কাহিনী?
ন্যায়ের,সাহসিকতার
আনুশোচনার
নাকি বিশ্বাসঘাতকতার।
আমরা কি বিক্রম বেতাল খেলছি?
আপনি বিক্রম কি না সেটা আপনার উত্তরের উপর নির্ভর করবে।
এটা আমার জন্যে কাহিনী মাত্র।
এই কাহিনীতে কেউ ঈশ্বরের মহত্ত্ব দেখবে,
আর কেউ আসুরদের কষ্ট অনুভব করবে।
আপনি তো বিক্রম নন।
তুমি বেতাল কি না,সেটা আমি জানিনা।
কিন্তু তুমি খুব সুন্দর গল্প বলতে পারো।
আমি বেতাল নই।
কারণ তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
দেখো,আমি তোমার অনূভুতি বুঝতে পারছি।
এই সমাজব্যবস্থাই তোমাকে এই অবস্থায় এনেছে আর সেজন্য
আমি খুবই দুঃখিত।
এসব ধনঞ্জয় রাজপুতের ভুল।
আপনি কেন ক্ষমা চাইছেন?
আমি তার পূজো সম্পন্ন করে দিয়েছিলাম
আর দক্ষিণাস্বরুপ উনি আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন।
তুমি যদি নিজের ভুল স্বীকার করে নাও,
আমি এখনও তোমাকে শিশু শোধনাগারে
পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারি।
ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে
আমি নিজেকে অসম্মানিত করতে চাইনা।
এখন তোমার কতইবা বয়স হয়েছে।
নিজের জীবনটা ধ্বংস করো না।
এটাকে জীবন ধ্বংস করা নয়,
জীবনকে আকার দেয়া,নিজেকে স্বীকার করে নেয়া বলে।
শুভ
তুমি এখনও অনেক ছোট।
বড় হলে বুঝতে পারবে।
নিখিল নায়ের
আপনি লোকটা বেশ ভালো।
আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দেননি এখনও।
কাহিনীর উপজীব্য বিষয় এর বর্ণনার উপর নির্ভর করে।
না।তা সত্য নয়।
আপনি জানেন কেন এটা ন্যায়ের কাহিনী নয়?
কেননা ন্যায়বিচার পীড়িতদেরই প্রাপ্য।
এটা সাহসিকতার কাহিনী হতো
যদি কোনো ছলনা ছাড়াই লড়াই হতো।
আর অনুশোচনার কাহিনী হতো
যদি অশ্রুর পরিবর্তে
সান্ত্বনা পাওয়া যেত।
তাহলে কাহিনীটা কীসের?
উৎপীড়নের
জেল থেকে বের হয়ে
অনেক ভাল কিছু করবে এমনটাই আশা করি।
আপনি অবশ্যই দেখবেন।
শীঘ্রই মোলাকাত হবে।
পরিবেশনায় Tea m WB MF
উৎসর্গ করছি নিয়ামুল হক আবেগ নুরুল্লাহ মাশহুর কে.এন.হাসান ভাইকে
অনুবাদ ও সম্পাদনায় সাইয়েদ সাইফুল্লাহ নাঈম
এখন মুম্বাইয়ে ফেরা যাক
সেখানে আজকের প্রধান খবর পাওয়া গেছে।
দেশের স্বনামধন্য যুব ব্যবসায়ী
আদিত্য জালান খুন হয়েছেন।
আদিত্য জালানের এনগেজমেন্ট পার্টিতে এ ঘটনাটি ঘটে।
হত্যার পিছনের রহস্য উৎঘাটনে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটমান সিরিয়াল কিলিংয়ের
সাথে এর কি কোনো সর্ম্পক আছে।
এত নিরাপত্তা।
এত পরিকল্পনা।
এত প্রটোকল ভাঙা সত্ত্বেও
আমরা একজন লোককেই বাচাতে পারলাম না।
সংবাদমাধ্যম আর মন্ত্রীদের আমি এর জবাব কীভাবে দিব?
এর ব্যাখ্যা করব কীভাবে?
আমার দিকে তাকিয়ে আছো কেন?
নিজের কাজ করো।
অভিনন্দন,তোমার পরিকল্পনা কাজে দিয়েছে।
তুমি বলতে চাইছো,তোমার পরিকল্পনা কাজে দিয়েছে। -আমি অভিভূত।
কঠোর পরিশ্রম আর ত্যাগের মাধ্যমে তুমি তোমার কাজ সম্পন্ন করেছ।
আমার অসহায়ত্বের সুযোগ নিচ্ছ তুমি।
এটা অসহায়ত্ব নয়,এটাই প্রকৃতি।
কেননা তুমি আমারই মতো,নিখিল।
ডি.জে. দ্রুত এখান থেকে উদ্ধার করো আমায়।
ওয়াইন গ্লাসের রিপোর্ট থেকে কী পেলে তুমি?
ওয়াইন গ্লাস সর্ম্পূন পরিষ্কার।
কোনো রাসায়নিক দ্রব্য বা বিষ পাওয়া যায়নি।
তাহলে ওয়াইনেই কিছু মেশানো ছিল।
বাইরের লক্ষণ দেখেই বোঝা যাচ্ছে বিষক্রিয়ার ফল।
ঠোট,নখ
নীল হয়ে গেছে।
তাহলে কেটে ফেল।
পরিপাক নালীতে
এসিডীয় ক্ষত বিদ্যমান।
ওয়াইন গ্লাসে কোন টক্সিন পাওয়া গেছে?
স্যার,নিউরোটক্সিক জুটক্সিন এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
মনে হচ্ছে... -নিউরোটক্সিন।
এটা অবশ্যই সাপের বিষ।
স্যার,ভারতে তিনটি সাপের বিষে নিউরো টক্সিন পাওয়া যায়।
কিন্তু তাদের বিষ কাজ করতে সময় নেয়।
ইনি খুব দ্রুতই মারা গেছেন।
আরও একপ্রকার আছে,ব্লাক মাম্বা।
মুহুর্তের মধ্যেই এর বিষক্রিয়া শুরু হয়।
স্যার,ব্ল্যাক মাম্বা ভারতে তো সহজে পাওয়া যায় না।
তবে এটার বিষ কেন ওয়াইনে মেশাবে?
রক্তপ্রবাহের সাথে মিশলে তবেই এর বিষক্রিয়া শুরু হয়।
বাকি যে দুজন ওয়াইনটা খেয়েছিল তাদের কী অবস্থা।তারাতো সুস্থই আছে।
ম্যাগনেফাইং গ্লাসটা দাওতো।
ভাল খেল দেখিয়েছ,নিখিল। -স্যার?
উত্তরটা সহজ
আলসার
আদিত্য আলসারে ভুগছিল।
এইজন্যই বিষ
পরিপাকনালী ক্ষতিগ্রস্থ করে
রক্তে গিয়ে মিশেছিল।
আর একারনেই
অন্য দুজন
সুস্থ আছে।
আরেকটি বিষয়,স্যার।
আদিত্যকে মারার জন্যে সাপের বিষই যথেষ্ট ছিল।
তার রক্ত প্রবাহে আরও দুই ধরনের পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
যা বিষাক্ত নয়।
ঐ দুই পদার্থ
আদিত্যর জন্যে ছিল না।
আমাদের জন্যে ছিল।
বার্তা হিসেবে।
লিখিল আমাদের বার্তা পাঠাচ্ছে।
কুরুক্ষেত্র।
মহাভারত অনুসারে অর্জুন এমন উভয় সংকটে পড়েছিল।
কৃষ্ণা তাকে বুঝিয়েছিল যে
মৃত্যু এবং হত্যা ভাগ্যের খেল।
তাহলে তুমি এখন কৃষ্ণা।
আমি ভেবেছিলাম আমি তোমার সারথি।
পরীক্ষায় পাশ করায় তুমি একটি উপহার পাবে।
মুম্বাই থেকে এত দ্রুত ফিরে এলে কিভাবে?
এখানে,সেখানে,সর্বত্র!
আমি সর্বত্র বিরাজমান।
শীঘ্রই মোলাকাত হবে।
এখানে,সেখানে,সর্বত্র!
আমি
সর্বত্র বিরাজমান।
শীঘ্রই মোলাকাত হবে।
শীঘ্রই মোলাকাত হবে।
শীঘ্রই মোলাকাত হবে।
শীঘ্রই মোলাকাত হবে।
আমাদের উপনিষদ অনুসারে
দেবতা,মানুষ,শয়তান
সকলেই অমৃতের পিছনে ছুটে।
এমনকি আজও আমরা সেটাই চাই।
আমাদের অস্তিত্ব থাকুক বা না থাকুক
আমাদের গল্প চলমান থাকবে। -স্যার।
দূর্ভাগ্যবশত আমাদের মতবাদ
আমাদের জীবনের থেকেও গুরুত্বপুর্ণ হয়ে উঠেছে। -স্যার!
আরে,লোলার্ক
তাহলে বানারসের ঠান্ডা থেকে বেচেই ফিরলে?
একরকম বলতে পারেন।
এটা শুভের জন্ম কুন্ডলী। -হ্যা।
আর এটা শুভের ডায়রী ওর দাদা দিয়েছে।
এটাতে অনেক তথ্য রয়েছে।
আর সবকিছুর মধ্যে সেরা হলো,বানারসি মিষ্টি।
এর দরকার ছিলনা তবুও ধন্যবাদ।
স্যার,এত মনোযোগ দিয়ে কী শুনছেন?
শুনো
একারণেই আমাদের গল্পেও লক্ষ্য করবেন
মানুষ অমৃতের পিছনে ছুটছে।
দেবতারা অমরত্বের জন্যে অমৃত পান করে।
সেই অমৃত যা তারা ধোকার মাধ্যমে অর্জন করেছিল।
কেসার ভরদ্বাজ
আমি উনার পডকাস্ট শুনছি।
বেশ আজব কিসিমের মানুষ উনি।
আধ্যত্বিকতাকে বাস্তবতার সাথে মিশিয়ে
খুব সাধারণভাবে উপস্থাপন করতে পারেন।
স্যার
আপনি তো ধর্মীয় লেকচারের প্রতি অনুরক্ত ছিলেন না কখনও।
আসলে আমি তা এখনও নই।
কিন্তু এই লোকটা একটু অন্যরকম।
ইনিই আমাদের ভিক্টিমদের মধ্যকার সম্পর্ক বের করে দিয়েছে।
বাহ,তা তো ভালই।
তোমার কথাই বলছিলাম।
আমি কি আপনায় বলিনি আমরা সকলেই সংযুক্ত?
আমরা সকলে সংযুক্ত।
কেসার,আমার তোমার সাহায্যের প্রয়োজন।
আমার অফিসে আসতে পারবে?
আমাদের একটি লিস্ট আছে
প্রায়ই ৬০০ লোকের
এই কিলার এমনিতেই এত হত্যা করছে না।
ও কোনো কারণে হত্যা করছে তাদের।
ও সেই লোকদের মারতেছে
যারা ভাল এবং সফল।
বুঝতে পারি না
ও ভাল লোকদের মারছে কেন?
সেটা যদি খুজে বের করতে পারতাম।
ক্রিমিনাল সাইকোলজিতে আমি ওতটা দক্ষ নই।
কিন্তু এটা নিয়ে ভাবলেই
No comments yet. Be the first to leave one.