The first 200 lines.
কী হয়েছে, মাকা?
আমাকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দিয়েছে।
নিজেকে জম্বির মতো মনে হচ্ছে...
কমসেকম তোমাকে নির্জন কারাবাসে পাঠায়নি।
মাকা, কী হয়েছে?
আমি বিড়ালটাকে দেখেছি।
আর এখন ওরা বলছে আমি নাকি পাগল।
তুমিও দেখেছিলে, তাই না?
সান্ডোভাল বলেছে আমি শক পেয়েছি।
পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস।
ওরা এলিকান্তের এক মানসিক হাসপাতালে পাঠাতে চাচ্ছে।
আমার এখানে থাকতে কখনো ভালো লেগেছে বলে মনে পড়ছে না,
একটা দিনের জন্যও না, কিন্তু এখান থেকে যেতে চাই না।
কিন্তু এখানে তোমার চেয়েও পাগল অনেক মেয়ে আছে।
একজন তো কয়েক বোতল ডিটারজেন্ট গিলে ফেলেছে,
আর নিজেদের চুল ছিঁড়েছে, তারপরও এখানে আছে।
ওদের উপর সান্ডোভালের ক্ষোভ নেই।
আর আজ সকালে ওকে একটা থাপ্পড় মেরেছি।
এখন বলছে আমার হ্যালুসিনেশন হচ্ছে,
আমি নাকি আত্মহত্যা করতে চাই।
শালা একটা আস্ত মাদারচোদ।
না, না!
- বানচোতটাকে ভোগে পাঠাবো! - না!
না, কার্লি। প্লিজ।
খানকির পোলা।
প্লিজ, আমার কথা শোনো।
প্লিজ কথা দাও তুমি কিছু করবে না।
- মাকা... - আমি এসব থেকে বেরিয়ে আসব, খোদার কসম।
ওরা তোমাকে বন্দী করে আবার ঘুমের ইঞ্জেকশন দিবে।
জানবেও না কোথায় আছ।
- ইস খোদা... - না, প্লিজ...
কার্লি, শান্ত হও।
এই, কার্লি...
উঠো তো, সোনা। এই তো।
ভালোভাবে শোও, নাও।
কি একটা অবস্থা!
এসব কীভাবে হলো, মাকারেনা আমার সোনা?
ইজিপশিয়ান ব্রিজে যাওয়ার জন্য এই রাস্তাটাই নিয়েছিল যেখানে ওকে আমরা কিডন্যাপ করি।
শুরুর দিকেই হয়তো ওর লুকানোর জায়গাটা আছে।
কোথায় যাচ্ছ?
বাবা, কী করছ?
বাবা!
- বাল। - কী হলো?
কিছু না, লিডিয়ার মেয়েকে একটা পার্টি থেকে নিয়ে আসার কথা ছিল।
বাদ দাও। যায় আসে না। চলো।
অনুবাদেঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
VIS A VIS
সান্ডোভাল ফেরেইরোকে দেখতে পারে না কেন?
ফাবিও, মাকারেনার মাথাটা নিশ্চয়ই খারাপ হয়ে গেছে,
এত কিছুর পরও এখানে এটা ঘটলো।
সান্ডোভাল বোধহয় ওর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে নিজেকে বাঁচাচ্ছে।
এতই যে ওকে পাগলাগারদে পাঠানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে?
আমাকে এই বালের গপ্প শুনিও না, পালাসিওস।
আমরা ঐ পাগল ছাগলদের তেলাপোকা খেতে দেখেছি।
আচ্ছা, কিন্তু সেখানে ওরা মেয়েটাকে শেষ করে দিচ্ছে।
আমার তো মনে হয় ও আরও ভালো জায়গায় যাচ্ছে।
- তাই? - বেশ, হ্যাঁ।
দেখো... আমি কয়েকদিন ধরে ঘুমাতে পারিনি।
এমন না যে তোমাকে রোজ কিছু পাগল মহিলা কিডন্যাপ করে, তা সে...
বুঝতে পারছি এতে ওর উপর প্রভাব পড়েছে, বুঝতে পারছি।
কিন্তু এটা সেই ব্যাপারে না। সবকিছু কেমন গোলমেলে লাগছে। একদম গোলমেলে!
সান্ডোভাল কেমন অদ্ভুতুড়ে।
হ্যাঁ, সান্ডোভাল খুবই অদ্ভুত। আমাদের এব্যাপারে আগেও কথা হয়েছে।
তোমার ওকে ওর হালে ছেড়ে দিতে হবে। আর সবকিছু নিয়ে এত মাথা ঘামালে চলবে না, ঠিক আছে?
বেশ।
আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করব।
তোমার পালা না?
ওহ ধ্যাত, হ্যাঁ।
- ফেরার পথে কফি এনো। - ঠিক আছে।
এই!
শোনো! এখানে একটা বিড়াল আছে।
একটা বিড়াল। মাকারেনা বিড়ালটা দেখেছিল আর তারা ওকে মানসিক হাসপাতালে পাঠাতে চায়।
তো আমাদের বিড়ালটা অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে।
এই! সবাই বিড়ালটাকে খুঁজবে।
চকোলেট, নিজের মুখ বন্ধ করো।
যে বিড়ালটাকে খুঁজে পাবে তাকে ৩০০ ইউরো দিব। খুঁজো! আমি চাই সবাই খুঁজুক।
আমার কথা কানে যায়নি? তোমার মুখটা বন্ধ করো!
- কী করছ? - বিড়ালে আমার অ্যালার্জি।
সেটাকে খুঁজছি যাতে এখান থেকে নিয়ে যেতে পারো।
এখানে কোনো বিড়াল নেই তাই গলাবাজি করা বন্ধ করো।
বুঝা গেছে?
ম্যাও! ম্যাও!
হ্যাঁ।
- একটু কথা ছিল। - না, আমি ব্যস্ত।
আলিকান্তেয় ছুটির ব্যবস্থা করছি।
- পছন্দ হয়েছে? - ব্যস একটা মিনিট লাগবে।
আচ্ছা, এটা শোনো।
এক রোগী, যার মাঝে ইতোমধ্যে
পারসোনালিটি এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডারের লক্ষণ দেখা গেছে,
সে বর্তমানে পিটিএসডিতে ভুগছে,
যার পিছনে কারণ হচ্ছে তাকে কিডন্যাপ করার সময় বিষ দেওয়া,
এবং তার বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাওয়া।
তার বিগত লক্ষণগুলো আরও খারাপ হয়েছে
সাথে মনোরোগের প্রকাশ এবং হ্যালুসিনেশন।
- আমি কোনো বিড়াল দেখিনি... - ডিপ্রেশনের চূড়ান্ত পর্যায়ের সাথে দেখা গেছে...
- অদ্ভুত আচরণ। - আমি ক্ষমা চাচ্ছি...
- আত্মহত্যার প্রবণতা। - ...আজ সকালের জন্য।
আপনাকে থাপ্পড় মারার জন্য।
...ট্রান্সফার হবে মানসিক হাসপাতালে।
কিন্তু আমি আমার শিক্ষা পেয়ে গেছি।
আর আমার রেপুটেশনের যে বারোটা বাজালে, তার কী হবে?
এমনকি ফাবিও পর্যন্ত আমাকে সন্দেহ করে।
আপনার রেপুটেশন খারাপ করে থাকলে আমাকে ক্ষমা করবেন। আমি সত্যিই দুঃখিত...
তোমার বালের কাহিনীর জন্য আমার চাকরি হারাতে বসেছিলাম।
...কেউ যদি আমার পেশাদারির উপর আঙুল উঠিয়ে থাকে তবে সেটা তোমার কারণে।
কী ভেবেছ তুমি এসে মুচকি হাসি দিয়ে ক্ষমা চাইবে
আর সব ঠিক হয়ে যাবে?
কী ভেবেছ এটুকুতেই পার পেয়ে যাবে?
তো আমাকে কী শাস্তি দিতে চান?
একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি,
এমন শাস্তি...
এমন শাস্তি যা তোমাকে আলিকান্তে থেকে
ফিরিয়ে আনতে আমায় বাধ্য করবে।
এক।
দুই।
- কত? - দুই।
তিন।
চার।
মাকারেনা, কাপড় পরে যাও এখান থেকে।
কোথায় যাচ্ছ?
এখন তোর কাছে দুইটা অপশন আছে।
এক, মারধর করার জন্য আমার নামে রিপোর্ট করবি,
যার পর আমি তোর নামে পাল্টা রিপোর্ট করব
যৌন হয়রানি, ধর্ষণ,
হ্যারাসমেন্ট,
সাথে আরও হাজার রকমের ক্রিমিনাল কোড লাগিয়ে।
আর দুই,
নিজের মুখ বন্ধ রাখবি,
আর কোনো কয়েদীর একটা চুলেও হাত দিবি না।
কারণ পরেরবার, আমি তোর হাত ভেঙে হোগায় ঢুকিয়ে দিব।
ভার্গাস।
বের হও।
হাত আগাও।
উপর তলায় তোমার উকিল তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
সারায়ে।
সারায়ে, আমার চোখে চোখ না রেখেই চলে যাবি?
সারায়ে, আমার চোখে চোখ মিলা।
ভালবুয়েনা, আমাকে ওর সাথে কথা বলতে দাও, খোদার ওয়াস্তে।
- সারায়ে! - এক মিনিট।
এর জন্য আমাকে ঝামেলায় ফেলতে পারো। সেটা জানো তো?
আমাকে ওর সাথে কথা বলতে দাও। তোমার উপকারে আসবো।
ওখানে অপেক্ষা করো।
জলদি করবে।
আমি খোদার ক্ষমা চাই না।
মাগী!
বেশ্যাচুদি!
তোর পুটকি মারব!
তোকে শেষ করে দিব!
খানকি মাগী!
২০ মিটার পর, বামে মোড় নিবেন...
তারপর আপনি নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যাবেন।
থামো।
এটাই সেই গাড়ি যার ভিডিও আমাকে পুলিশ দেখিয়েছিল।
ওটা ইজিপশিয়ান আর ওর আঙ্কেল।
- আমরা বের হবো নাকি? - না। এখানে অনেক বিপজ্জনক।
ওদের ফলো করতে থাকো যতক্ষণ না কোলাহলপূর্ণ কোথাও যাচ্ছ।
- ওদের হারিয়ে ফেলবে। - বাবা, আমরা ওর গাড়িতে আছি!
বসতে পারি?
কী করেছ?
করেছটা কী তুমি?
দেখো...
আমি ডাক্তারখানায় যেতাম,
কিন্তু আগে তোমাকে পিটিয়ে আমার পুলিশকে ফোন করা লাগতো।
- বলো কী করেছ! - আমার উপর বিশ্বাস আছে?
আছে কি নেই?
অবশ্যই আছে।
তাহলে মুখটা বন্ধ করে আগে ফার্স্ট এইড কিট থেকে কিছু ব্যান্ডেজ নিয়ে আসো।
তোমাকে বলেছিলাম এখানে অদ্ভুত কিছু ঘটছে।
আর তাই হয়েছে।
পাওনি? পুসিক্যাটকে খুঁজে পাওনি?
কীসের পুসিক্যাট, সলে?
কীসের পুসিক্যাট?
এখানে কোনো বিড়াল নেই। এটা একটা জেলখানা।
মাকারেনা বিড়ালটাকে দেখেছিল।
তোমাকে আস্থা রাখতে হবে।
কীসে?
এই বালের সিস্টেমে, যার কারণে মাকারেনা পাগলাগারদে যাবে?
নাকি তোমার খোদায় যে আলৌকিক ঘটিয়ে থাকে?
কারণ যদি সে এমনটা করে থাকে, তবে তার এখন একটা অলৌকিক ঘটানো দরকার।
বা দুইটা।
মিরান্ডা, তোমার কিছু দেখা দরকার। প্লিজ, বসো।
গতকাল ভোর ৫.৩৮ থেকে ভিডিওটা দেখো।
ডাক্তারখানায়। মনোযোগ দিয়ে দেখো।
- বিড়াল। - হ্যাঁ।
সেরেছে!
আমরা মানিপুলেট করছিলাম।
না, আমরা ওকে আলিকান্তের এক নরকে পাঠাচ্ছিলাম,
তাও আবার পাগল রূপে।
- আমি সান্ডোভালের সাথে কথা বলতে যাচ্ছি। - দাঁড়াও, ওকে ফোন করো।
ওর একটু কাজ ছিল তাই চলে গেছে।
- কী অবস্থা, মিরান্ডা? - কার্লোস।
ফাবিও আর পালাসিওস এইমাত্র সিকিউরিটি টেপ থেকে আবিষ্কার করেছে যে...
- জেলখানায় একটা বিড়াল ছিল। - তাই...
- দারুণ তো! - প্লিজ, কার্লোস।
আমরা একটা মেয়েকে মানসিক হাসপাতালে প্রায় পাঠাতে বসেছিলাম।
জানোই তো, মিরান্ডা? মনোরোগবিদ্যা কোনো অংক না।
আচ্ছা, বেশ...
ধরে নিলাম তোমার যা করতে হতো তাই করেছ।
তুমি সেটাকে ঠিক ভেবেছিলে।
No comments yet. Be the first to leave one.