Blue Valentine

Blue Valentine

Download Bengali Subtitle

Release info

Blue Valentine 2010 720p BrRip x264 MkvCage
Blue Valentine 2010 720p BrRip x264 RARBG
Blue Valentine 2010 720p BrRip x264 DRONES
Blue Valentine 2010 720p BrRip x264 YIFY
Blue Valentine 2010 720p BrRip x264 SAPHIRE
Blue Valentine 2010 720p BrRip x264 Sujaidr
Blue Valentine 2010 720p BrRip x264 QxR
A Commentary by Irtiza_Chowdhury
(Runtime 01:52:05)

Tags

brrip
x264
720p
720
mkv
MkvCage
Published on: 2020-05-24
Downloads: 133
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

মেগান !

মেগান !

মেগান !

ব্লু ভ্যালেন্টাইন

মেগান !

মেগান !

মেগান !

মেগান !

মেগান !

ঘুম থেকে ওঠো।

আমার সাথে বাইরে চলো।

কী হয়েছে, মা?

সোনা, ওর ঘরে যেয়ে দেখো তো ওখানে আছে কিনা।

মেগান !

ও কখন ফেরত আসবে?

সে জলদিই ফিরে আসবে।

এক কাজ করি, আমরা...

ওর পাত্রে কিছু পানি আর খাবার দিয়ে রাখি।

ওর নিশ্চয়ই খুব খিদে পাবে। খাওয়ার জন্য সে ফিরে আসবে, তাই না?

আমার নিজেরও খুব খিদে পেয়েছে। তোমার খিদে পেয়েছে?

খিদের চোটে আমার তো তোমার হাতটা খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করছে।

একটা কামড় দেই তোমার হাতে?

মাত্র একটা কামড়।

একটা কামড় দিলে কী হয়?

একটা আঙ্গুল দাও তাহলে।

- না ! - তোমার তো কতগুলো আঙ্গুল !

আম্মু কিন্তু ঘুম, তাই সাড়াশব্দ করা যাবে না, ঠিক আছে?

তোমাকে বিছানায় ছুঁড়ে মারবো নাকি ফেলে দিবো?

আমি আম্মুর পাশে যাবো।

আমি আম্মুর পাশে যাবো, তারপর বালিশে লাফ দিবো।

না, না !

আমরা তোমাকে খেয়ে ফেলবো !

ঘুমোতে দাও ! থামো !

- এখনও সকাল হয়নি। - খেয়ে ফেলবো তোমাকে !

- না। - হ্যাঁ।

থামো। আরেকটু ঘুমোতে দাও।

না, সুন্দর করে বাজাও।

আমার নাস্তা করতে হবে।

এই নাও তোমার ওট্‌স। খেয়ে নাও, সোনা।

জিভে জল এসে যাচ্ছে আমার। খাবে না তুমি?

পুরোটা শেষ করবে, ঠিক আছে? আজ যেন দেরি না হয়।

ফুঁ দিয়ে নাও প্রথমে।

- খেতে ইচ্ছা করছে না। - কেন করছে না?

দেখেই বমি চলে আসে।

আচ্ছা, তুমি কি খালি পানি দিয়েই বানিয়েছ এটা?

- হ্যাঁ, ওটা পানি দিলেই রেডি হয়ে যায়। - কিন্তু ওট্‌সটা তো ঠিকমত ভিজেওনি।

- ঠিকই আছে ওগুলো। - দাঁড়াও, একটা ব্যবস্থা করছি।

আসো। চিতাবাঘের মত খাই আমরা। এতে স্বাদ বাড়বে।

কিছু না হলেও অন্তত কিসমিসগুলো শেষ করি।

প্লিজ, ডিন। এগুলো আবার পরে কে পরিষ্কার করবে !

ফ্র্যাংকি, ফ্র্যাংকি...

- চামচ দিয়ে খাও, সোনা। - চামচ লাগবে কেন?

চামচ দিয়ে খাও।

আমরা চিতাবাঘের মত খাবো। এই, আমারটা খাচ্ছ কেন !

আব্বুকে দেখিয়ে দাও তো - কীভাবে চামচ দিয়ে খেতে হয়।

তুমি না বড় হয়ে গেছ? তুমি তো চামচ দিয়ে খেতে পারো।

এটা আবার কেমন কথা?

বড় হয়ে গেছে বলে কি মজা করতে পারবে না !

এটা তোমার মুখে লাগাও।

ফ্র্যাংকি, আমরা ২ মিনিটের মধ্যে বের হবো।

ওভাবে খেয়ো না।

জলদি করো। এভাবে খেলে আর নাস্তা করতে হবে না।

না ! আব্বু ওভাবে খেতে বলছিল !

জানি - আব্বু বলছিল। জলদি করো, সোনা।

- আমিই বলেছিলাম ওকে ! - আব্বু,

- তোমার জন্য আম্মু আমাকে বকা দিল ! - আমি দুঃখিত।

চলো, চলো। দেরি হয়ে গেছে। জলদি।

এটা পরবে?

- হ্যাঁ। - ঠিক আছে, কিন্তু জলদি পরতে হবে।

রেডি? এক...

দুই... তিন... চার...

পাঁচ... ছয়...

সাত... হয়ে গেছে প্রায়।

আট ! আট গোনার মধ্যেই পরে ফেলেছ !

ইশ !

আম্মু কত বোকা।

ফ্র্যাংকি, আজ কোনো দুষ্টুমি করবে নাতো?

কথা দিচ্ছ?

- আমি কিন্তু তোমাকে এত্তগুলা ভালোবাসি। - আমি তোমাকে এত্তগুলা ভালোবাসি !

মিথ্যা। কারণ আমি তোমাকে এত্তগুলা ভালোবাসি !

আচ্ছা, আমরা এখন গেলাম। নাহলে দেরি হয়ে যাবে।

আবৃত্তি অনুষ্ঠানে দেখা হবে ,আব্বু !

সিন্ডি, তোমার সিটবেল্ট লাগিয়ে নাও।

- সিন্ডি, তোমার সিটবেল্ট লাগিয়ে নাও। - ঠিক আছে।

দয়া করে সিটবেল্টটা লাগাও না?

রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ, বুঝলে?

এই শালাটা এক্ষণই অ্যাকসিডেন্ট ঘটাবে। হারামিটার স্পীড কমানো দরকার।

মারা খা তুই ! আস্তে চালাতে পারিস না, হারামজাদা?

মাদারচোত !

মানুষ মারার শখ নাকি, আবালচোত?

এই ফাইলটা ওর দেয়া। হ্যাঁ, জানি।

- ওহ, তুমি এখানে। - ওহ, হাই।

আমার কাজ প্রায় শেষ।

তোমার সাথে একটু কথা বলা যাবে?

- হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। - তুমি কি তোমার ফ্যামিলির সাথে

- বিষয়টা নিয়ে আলাপ করেছ? - এখনও করতে পারিনি আসলে। তবে করবো।

সমস্যা নেই।

কোনো প্রেশার নেই। তবে সুযোগটা হাতছাড়া কোরো না।

সোমবারের মধ্যে কনফার্ম করবো।

সোমবারের মধ্যে? আচ্ছা। তুমি গেলে খুশি হবো আমি।

- আপনার প্রথম বাচ্চা? - অনেক খুশি লাগছে।

লাগারই কথা। ছেলে নাকি মেয়ে - সেটা জানেন?

- না। - না?

আপনি কি জানতে চান নাকি ব্যাপারটাকে সারপ্রাইজ রাখতে চান?

- আমরা জানতে চাই। - জানতে চান তাহলে।

- বাচ্চা হওয়াটা সারপ্রাইজের চেয়ে কম নয়। - হ্যাঁ।

দেখা যাক... আপনার মেয়ে হবে।

খুশি তো আপনি?

- অনেক খুশি। - ওহ, ভালো।

তবে বিকালের মধ্যেই আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে।

কোনো ঝামেলা ছাড়াই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা যাবে ;

আগামীকাল রাতে আতশবাজি ফুটাতেও কোনো সমস্যা হবে না।

শীতের পোশাক পরলে ভালো হয়, বন্ধুরা...

শিট।

এক্সকিউজ মি।

আমাদের এখনও আরেকটি গান বাকি আছে।

গানটি দেশাত্মবোধক এবং এটি গাওয়া হবে দলীয়ভাবে।

কী হয়েছে?

- তোমরা রেডি তো, বন্ধুরা? - হ্যাঁ।

- মেগানের খোঁজ পাওয়া গেছে। - পাঁচ, ছয়, রেডি, গাও।

কতবার বলবো তোমাকে গেটটা আটকে রাখতে?

আচ্ছা, এক কাজ করলে কেমন হয়?

ভাবছিলাম কি - আজ তোমাকে একটু তোমার নানাবাড়ি বেড়াতে নিয়ে যাই।

- কী বলো? - হ্যাঁ !

মেগানকে পাওয়া গেছে?

না।

আমার মনে হয় কি - সে মনে হয় হলিউডে গেছে,

সিনেমায় অভিনয় করার জন্য।

এমন কি হতে পারে না - সে সিনেমায় অভিনয় করতে চলে গেছে?

তার চেহারাছবি তো মাশা আল্লাহ্‌। একারণেই হয়ত সে চলে গেছে, কী বলো?

- নানা ! - কেমন আছ, সোনা?

দেখো তো কী এনেছি তোমার জন্য।

তোমাকে একটা ম্যাজিক দেখাই?

তুমি কি আসবে?

আমি সিগারেট টানলে উনার প্রবলেম হবে।

- সোনা? - হাই, পাগলী।

সোনা, আব্বুকে টাটা দাও।

কালকের আগে তোমাদের দেখা হবে না।

পানি যেন না লাগে। আচ্ছা, এবার যাও !

- বাই, আব্বু ! - বাই, সোনা।

হেই, তোমাকে ভালোবাসি।

- আমিও তোমাকে ভালোবাসি। - মজা কোরো, ঠিক আছে?

ঠিক আছে।

নানা নাক ডাকলে কী করবে, মনে আছে তো?

- উনার মুখ ঢেকে নাক চেপে ধরবো। - শাবাশ।

যাও, এবার মজা করো।

দৌড়ে আম্মুর কাছে আসো !

তুমি পারবে ! আসো, লক্ষ্মীসোনা।

কত সুন্দর দৌড় দাও তুমি।

দারুণ করেছ। এবার ভিতরে যাই আমরা?

তোমাদের দুজনের আবার ঝগড়া হয়েছে নাকি?

এ বিষয়ে পরে কথা হবে।

আব্বু আসছে না কেন ভিতরে?

জানি না।

- মিঃ বেনাটি, দেখা হয়ে ভালো লাগলো। - বসো।

তুমি কী ধরনের জব নিতে চাচ্ছ?

- ড্রাইভার? হেল্পার? বাঁধাইকারী? - আমার আয় হলেই হচ্ছে।

- তোমার কি আদৌ কোনো কাজের অভিজ্ঞতা আছে? - নিশ্চয়ই।

কোথায় কাজ করেছ তুমি?

মানে, জিনিসপত্র সরানোর কাজে সাহায্য করেছি এর আগে।

আমি কোনো জব করি কিনা জানতে চাইছেন?

তুমি তাহলে কখনও আমাদের মত কোম্পানির জন্য কাজ করোনি?

না।

তার মানে কোনো অভিজ্ঞতা নেই। তোমার দেশের বাড়ি কোথায়?

- ফ্লোরিডা। - এখানে কত সময় ধরে আছেন?

- দুই বছরের মত। - কোথায় থাকো তুমি?

- ব্রুকলিনে। - প্রতিদিন এখানে আসতে পারবে তো?

- হ্যাঁ, আমি চলে আসবো। - এখানে কিন্তু সকাল ৭টার মধ্যে আসতে হবে।

আমি চলে আসবো।

- রেডি? - হ্যাঁ।

- দাঁড়াও। এবার যাও। - আচ্ছা, মার্শাল।

- শাবাশ ! - তুমিই আসল পুরুষ ! কথাটা আবার অন্যভাবে নিও না !

নিচু হও ! নিচু হও !

চিন্তার কিছু নেই। ধীরে ধীরে সব শিখে যাবে।

মেয়েদের ব্যাপারটা কীভাবে সামলাও তুমি?

আমি সোজাসুজি ওদের সাথে কথা বলি।

মনে যা আসে বলে দিই।

- ও হর্ন বাজিয়ে ওদের মনোযোগ কাড়ে। - আমি ট্রাক থেকে বের হই।

ট্রাক থেকে বের হয়ে তাদের সাথে কথা বলি।

কিংবা চিৎকার করে বলে, ''চকলেট লাগবে নাকি !''

আমি আসলে এসব বুঝি না।

আমার মনে হয় - ছেলেদের ভালোবাসাটা মেয়েদের চেয়ে বেশি খাঁটি।

আমরা ছেলেরা বিয়ের সময় একটা মেয়েকেই বেছে নিই।

দিনের পর দিন বিভ্রান্তিতে কাটিয়ে, শেষমেশ মনের মানুষটার দেখা পেলে মনে হয় -

"এই মেয়েটাকে বিয়ে না করলে আমার জীবন বৃথা ; তার মত মেয়ে আর হয়ই না।”

কিন্তু মেয়েরা কেন জানি ফিলিংসকে বেশি পাত্তা দেয় না,

তারা কেবল সেরাটাকে বেছে নিতে চায়।

মেয়েরা বিয়ে করতে গেলে ভাবে, ''ওহ, ছেলেটা তো ভালো ইনকাম করে।"

মানে, তারা আজীবন রাজকুমারের তালাশ করে,

কিন্তু বিয়ে করে এমন এক ছেলেকে,

যার ইনকাম ভালো আর যার সাথে তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।

তোমার ভাগের টাকাটা নিয়ে এবার বাড়ি যাও। আজকের মত বিদায়।

ধন্যবাদ, জেমি।

আমার যখন বয়স হবে, আমাকে তখন জোয়ান দেখাবে।

তোমার যখন বয়স হবে, তোমাকে ঐ বুড়োর মত দেখাবে।

''যখন'' বয়স হবে মানে আবার কী?

বয়স হতে অনেক দেরি আছে, আরও ৫০ বছর।

এত জিনিস সরাতে কয় জনম লাগবে আল্লাহ্‌ মালুম।

আচ্ছা, বক্সে যা ভরার রান্নাঘরে ভরো, আর ব্যাগের কাজটা ওপরে সারো।

ট্রাক বোঝাই করে পেনিসিল্ভানিয়া পর্যন্ত নিয়ে রাতের মধ্যে ফিরতে হবে।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left