The first 200 lines.
এটি আমার করা পঞ্চম একক বাংলা সাবটাইটেল। ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
SABA NAYAGAN অনুবাদ ও সম্পাদনায়: মিনহাজ আল ইসলাম
'নাইট শো'তে আছি আমি আর জে শাহ। আগামীকাল নির্বাচন।'
'আজকে আমরা আমাদের প্রিয় গান শুনবো।'
'আগামীকাল আপনারা প্রিয় দলকে ভোট দিবেন।'
এইযে, দিয়ে দাও।
যে হাতে খেয়েছেন সে হাতে চুরি করবেন না। দিয়ে দিন।
দেখেছ?
কন্ট্রোল রুমের প্রতি ঘোষণা।
সন্দেহভাজন সবাইকে গ্রেফতার করুন।
নির্বাচনের পর তদন্ত শুরু হবে।
সতর্ক থাকুন!
মাতাল হয়ে জনগণের জন্য বিড়ম্বনা সৃষ্টিকারী সবাইকে গ্রেফতার করুন।
বন্ধুরা, বাইক চালু হচ্ছে না। আমার জন্য দাঁড়া!
এটাই তোদের বন্ধুত্ব?
এখনি একসাথে গান গাইলাম!
তো ব্রাদার?
পেট্রোল দিতে ভুলে গেছ? তাই ঝামেলায় পড়েছ।
সালাম স্যার।
বাইকের ট্যাঙ্ক শুকনো কিন্তু তার চেষ্টা থামছে না!
-স্যার, এমনটা না। -প্রথমে, বাইক থেকে নামো।
সাবধানে! আমার নিচে লাগবে!
স্যার, আমি ড্রিংক করিনি।
S.I কে বলো এসব, চলো।
স্যার... স্যার, আমি স্টুডেন্ট।
-আমি একজন স্টুডেন্ট। -ওহ! তুমি স্টুডেন্ট!
আগে বলোনি কেন?
সে তো স্টুডেন্ট। স্যালুট দাও!
ইয়েস স্যার!
চলো!
কন্ট্রোল রুম কলিং এসআই বিষ্ণু। আপনি কি কামারাজ রোডের পাশে?
-কাছাকাছি, স্যার। -স্যার, প্লিজ। স্যার...
ঠিক আছে, স্যার।
খবর পেয়েছি অস্ত্রসহ একটা গ্যাং কামারাজ রোডে ঘোরাফেরা করছে।
স্যার, "অস্ত্র" বলতে শুনলাম।
-ভয় করছে, স্যার। -নির্বাচনের সময়।
এখনি ভয় করছে। সারারাত আমাদের সাথে থাকতে হবে।
এর চেয়েও ভয়ঙ্কর অনেক কিছু শুনবে। উঠো!
বকবক করতেই আছেন! ভিতরে তোলেন!
-আপনারা দুজন ওদিকটায় দেখুন। -স্যার।
-আমরা এইদিকে যাচ্ছি। -ঠিক আছে, স্যার।
স্যার! স্যার! আমাকে একা রেখে যাচ্ছেন?
ভয় করছে।
গাড়ির খেয়াল কে রাখবে?
কেউ হামলা করলে আওয়াজ দিও। আমরা চলে আসবো।
-চলো, যায়। -স্যার! স্যার!
কি করছিস এখানে?
স্যার, আসলে...
-চল! -গাড়িতে উঠ!
-আমাদের চিনেন না। মারবেন না। -চেনার দরকার নেই!
-স্যার, হাত সরান। -চল!
-ছেড়ে দিন, স্যার। -ভিতরে উঠ!
স্যার... স্যার...
স্যার, ওরা রবিন্দ্র'র লোক। ছেড়ে দিন।
রবিন্দ্র'র লোক? আগে বলিসনি কেন?
-যা! যা। -উনাকে বলিসনি কেন? যা!
-ধন্যবাদ, স্যার। -ঠিক আছে।
-শোন... -স্যার... স্যার...
আমিও রবিন্দ্র'র লোক।
তাই নাকি?
-আসলেই? -হ্যাঁ, স্যার।
ভিতরে চাপো!
বলছি, চাপো!
-স্যার! -সন্দেহজনক কাউকে দেখেছেন?
-না, স্যার। -স্যার, এইমাত্র...
এদিকে আয়। তাকে গাড়িতে তোলো।
ঠিক আছে, স্যার।
ওহো! এনার্জি ড্রিংক!
শুনো। এগুলো জব্দ করো।
গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।
আমাদের অবশ্যই টেস্ট(স্বাদ) ... আহ... টেস্ট(পরীক্ষা) করতে হবে।
সাবধানে। উঠো। ভিতরে উঠো!
সঙ্গ দেওয়ার মতো কেউ নেই বলে হতাশ হয়েছিলাম।
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, তুমি এসেছ।
গাড়ি থামাও।
এরা কারা?
এটা হল 'বিস্তৃত-মন'
সেটা কি?
এমন কেউ যারা দয়াবান এবং উদার।
-কি বলতে চাইছো? -দেখতে থাকুন, স্যার।
সে তাকে জড়িয়ে ধরে বিদায় দিল।
এখন সে ভিতরে যাওয়ার ভান করবে।
ছেলেটা চলে যাওয়ার পর, অন্য একজন এলো।
এটাই, স্যার।
তাহলে এই উদারতার কথা বলছো?
কনস্টেবল, গিয়ে চেক করো।
চলো, সিঙ্গারাম।
-তারা কারা? -আসলে, স্যার...
স্টুডেন্টস এবং আগামীকাল তাদের পরীক্ষা।
-তাই আলোচনা করছে। -এসব ঘরে করতে পারে না?
মেয়েটার বাবা ভিতরে আছে।
মানে, তারা মেয়েটার বাবা-মা'কে বিরক্ত করতে চাইনা।
আপনাকে এতকিছু বলেছে?
কিন্তু স্যার, আপনাকে মানিব্যাগ চেক করতে দেখলাম।
তাদের কলেজ আইডি চেক করছিলাম।
তার লাইসেন্স, কাগজপত্র... সব ঠিক আছে!
সে একজন ছাত্র, এদের মত মাতাল না!
স্যার! আমাকে মাতাল বলবেন না!
এটাই আমার প্রথমবার। জানেন?
কি হয়েছে, ভাই? প্রেমে ব্যর্থ?
হ্যাঁ, স্যার। চার বছরের প্রেম।
ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়েছ?
আপনি কিভাবে জানলেন?
আসলে, সব ক্যালকুলেশন।
তিন বছর হলে, আর্টস কলেজে পড়েছ।
সবাই কলেজে পড়তে গেলেও উদ্দেশ্য কিন্তু প্রেম করা, স্যার।
চুপ থাকো। তুমি বলো।
সে 'বাবা', 'মা', 'একই জাতে বিয়ে' এসব অজুহাত দিয়ে...
অন্য একটা ছেলেকে বিয়ে করেছে!
তাই ভেঙে পড়ে ড্রিংক করার সিন্ধান্ত নিলাম।
বন্ধুদের উপদেশ ছিল?
না স্যার, সিনেমাতে দেখেছি।
এজন্যই কি বলে, 'সিনেমা যুবসমাজকে ধ্বংস করে'?
হতে পারে, স্যার।
তারপর কি হয়েছে?
আর কি হবে, স্যার?
আপনারা ড্রিংক করতে দেননি! বোতলগুলো জব্দ করেছেন।
চেক করুন, একটা বোতলও খুলিনি।
-কনস্টেবল। -স্যার?
-তাকে ছেড়ে দাও। -তুমি যেতে পারো।
এই! স্যার.. স্যার...
তার একটা প্রেমে ব্যর্থতা শুনে ছেড়ে দিলেন?
আমি অনেকবার প্রেমে ব্যর্থ হয়েছি! আপনারা অনেক নিষ্পাপ।
আরে, স্যার!
আমার প্রেমে ব্যর্থতার গল্প শুনলে, আপনারা কান্না করে আমাকে ঘরে দিয়ে আসবেন।
আমার গল্প বলছি।
আমি ইরোডের থিন্দালমালাইয়ের কাছে একটা স্কুলে পড়তাম।
আমার বাবা সিঙ্গাপুরে কাজ করে।
দশম শ্রেণির পর, উনি জানতেন আমার মিলিটারি স্কুল সহ্য হবে না।
তাই নবম শ্রেণিতে থাকতেই আমাকে বোর্ডিং স্কুলে পাঠালেন।
তারপর, একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশনের দিন।
ছেলেরা গর্ব করে একে অপরকে তাদের ক্লাসের মেয়েদের দেখাচ্ছিলো,
যেন মেয়েগুলো তাদের কষ্টে উপার্জিত সম্পত্তি।
পরিচয় দিতে ভুলে গেছি।
আমি অরবিন্দ। বন্ধুরা সাবা বলে ডাকে।
বন্ধুরা!
ওটা.... অশ্বিনী।
তার পাশেরটা হল সিন্ধু।
দুজনেই সেকশন 'ই' তে পড়ে, সাবা।
আমি অশ্বিনী নামক মাছটাকে ধরতে চায়।...
সিন্ধুকে শিভা ধরতে চায়।
দীনেশ, একটা সন্দেহ আছে।
মাছ ধরার সময় ছুটে গেলে কি করবি?
হিংসা?
ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে বেছে নিয়েছি বলে হিংসা করছিস!
হ্যাঁ! আমাদের ক্লাসে সুন্দরী মেয়ে বেশি বলে অন্যরা আমাদের হিংসা করতো।
এতে আমরা বেশ গর্বিত ছিলাম।
কিন্তু সেটা ভেঙে দিলো 'বি' সেকশনের নবীন!
বন্ধুরা! উপর থেকে দ্বিতীয় সারিতে তাকা।
ওইদিকে না! এইদিকে, বাম কর্ণারে।
বন্ধুরা, সামনে তাকা!
তাকাস না! একটু বিরতি নে!
কার্তিকেয়ানি ম্যাডাম তাকিয়ে আছে।
দোস্ত, কে সে?
সে আমার ক্লাসে। নাম হলো ইশা, চেন্নাই থেকে এসেছে।
চেন্নাই থেকে আমাদের স্কুলে ভর্তি হয়েছে?
বিষ্ণু প্রিয়া দশম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে...
আমাদের স্কুলকে পুরো তামিল নাড়ুতে সুপরিচিত করেছে।
যার কারণে অনেকে অন্য জেলা থেকে এসে আমাদের স্কুলে ভর্তি হয়েছো।
তোমাদের সবাইকে স্বাগতম।
বেচারী মেয়ে।
সারারাত কষ্ট করে পড়েছে সে,
আর লটারি লেগেছে আমাদের!
দীনেশ ঠিক বলেছে।
আমরা বিষ্ণু প্রিয়াকে অভিনন্দন জানানোর আগে,
নবীন একটা বোমা ফাটালো!
দোস্ত, আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়...
সে খুব বেশি তামিল জানে না।
শুধু ইংরেজিতে কথা বলে।
তাহলে কষ্ট হবে।
'হাই...' 'হ্যালো...'
খোদা, আর কিছু মাথায় আসছে না!
সবাই যেটা জানি 'টুইংকেল টুইংকেল লিটল স্টার'
"এ্যাভরি নাইট ইন মাই..."
মনে হয় আমি পারবো।
অসাধারণ, সাবা!
তুই ভালো ইংরেজি বলতে পারিস! এটাই যথেষ্ট।
দোস্ত, সে অনেক ফর্সা।
নিশ্চয় শেঠ পরিবারের।
ওহহ! শেঠে'র মেয়ে আমার সাথে মানাবে না।
যাইহোক, গায়ত্রী'কে কেউ হারাতে পারবে না।
তোরা ইংরেজিতে খারাপ সেটা মেনে নিয়ে অজুহাত দেওয়া বন্ধ কর।
সে আমাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সেটা মনে হয় না।
আমাদের সিঙ্গাপুরের বন্ধু ইংরেজি বলে তাকে মুগ্ধ করে দিবে।
আসলেই, সাবা?
ইয়াহ।
দোস্ত, 'ইয়াহ' ছাড়া ইংরেজিতে অন্য কিছু বল।
সবাই উঠে গেল কেন? কি হয়েছে?
মনে হয় মিটিং শেষ।
ওহ খোদা। তারা কি সভাপতিত্ব করছে?
গায়ত্রী এবং এস এস কার্থির রাশিফল মিলে গেলে তারা সভাপতিত্ব করে!
-এখন, হাঁটতে থাক। -দোস্ত, মজা করিস না!
দাঁড়া, গায়ত্রী আমার প্রেমে পড়লে...
তখন আমি তোর চেহারার রং দেখবো।
বন্ধুরা, আগামীকাল শনিবার!
শনিবার মানেই রঙিন পোশাক! মেয়েদের সামনে শো অফ করার সময়!
তখনই বুঝতে পারলাম।
সব ছেলেরা গ্রুপ ডান্সার হিসেবে নাচেনি,
প্রত্যেকে নিজেকে হিরো ভেবে নাচছিলো!
No comments yet. Be the first to leave one.