The first 200 lines.
সাবটাইটেল
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ মুহাম্মাদ
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ মুহাম্মাদ নাজমুল
সাবটাইটেল অনুবাদেঃ মুহাম্মাদ নাজমুল হাসান
ঘুরে দাঁড়াও।
আমি তোর মাথা কামড়ে দেবো।
আমি তোকে বাইরে দেখে নেবো। হ্যাঁ।
- ঠিক, কুত্তার বাচ্চারা। - আমরা তোর বারোটা বাজিয়ে ছাড়ব, ব্যাটা।
"নবী" নামের বইতে কাহলিল জিবরান ভাল-মন্দ সম্পর্কে লিখেছেন।
"তোমার মধ্যেকার ভাল কিছু আমি বলতে পারি",
"তবে মন্দের ব্যাপারে নয়"।
তুমি কেবল তখনই ভাল থাকবেন, যখন তুমি নিজের মধ্যে নিজে থাকবে।
তুমি এখানে যেসবের মধ্যে দিয়ে গিয়েছ, দোয়া করি, সেসব যেন অন্য কোন মানুষের সাথে না হয়।
কিন্তু তুমি বেঁচে গিয়েছ।
তুমি কোনো ঝামেলা চাওনি।
কিন্তু, তুমি এর থেকে পিছুও হটে যাওনি।
যেন তুমি এই অন্ধকার জায়গার জন্যই জন্ম নিয়েছিলে।
প্রভুর কাছে দোয়া করি,
আজকের দিনে, তুমি সেই অন্ধকারকে তোমার পিছনে ফেলে দিয়েছ।
তোমাকে জানিয়ে দিতে চাই, বাইরে তোমাকে সাহায্যের জন্য কেউ না কেউ আছে।
তাই, তুমি যদি ভেবে থাকো যে এটা খুব বেশি আর তুমি এর চাপ সহ্য করতে পারবে না,
প্লিজ, এই নাম্বারগুলির একটাতে ফোন কোরো।
তোমার কি কোনো প্রশ্ন আছে?
বের হবো কোনদিক দিয়ে?
- আরে, এসব কী করছিস? - ওই!
আরে, এটা কী হলো!
আমি কি আপনাকে সাহায্য করতে পারি?
স্যার? স্যার?
এখন, এটা হলে আমরা...
হায়, খোদা!
সবকিছু কেমন চলছে?
জানোই তো কেমন যায়। একদিন ভালো, তো পরের দিন খারাপ।
শুধু স্রোতের সাথে ভেসে যেতে হবে, বুঝলে?
তো...
তুমি আমাকে বিশ্বাস করো না।
ঠিক আছে।
এসব ভাজ পড়া টাকার ব্যাপারে তোমাকে কী বলেছিলাম, মনে আছে?
ঠিক আছে, তুমি আমার সাথে ব্যবসা না করতে চাইলে অন্য কোথাও থেকে নিয়ে নেবো।
এটা পুরোই তোমার ব্যাপার, বন্ধু।
একটি মিনিট দাঁড়াও, প্লিজ।
আমি দুঃখিত। শুধু শুধুই তোমার সাথে ঝামেলা করছিলাম, ঠিক আছে?
আমি এমনই, তুমি তো আমাকে চেনো।
প্লিজ।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
ওহ, না!
হেই!
দেখেছ, কী অবস্থা?
মনে হচ্ছে কেউ পথ হারিয়ে ফেলেছে।
আমরা কী পেয়েছি?
কী...? আমরা কী পেয়েছি?
- হ্যাঁ, এই কেস আমি পেয়েছি। - না, তুমি পাওনি।
- হ্যাঁ। - তুমি পেতে পারো না।
কী কারণে?
কারণ, ম্যালোরি আমার কেস কখনই তোমাকে দেবে না।
তোমার চেয়ে বেশি আমারই এটা পছন্দ না।
কয়েক সপ্তাহ পরেই আমি অবসর নিচ্ছি, শেষ করার জন্য প্রচুর কাগজপত্র আছে।
তাই, যখন তত্ত্বাবধায়ক সার্জেন্ট আমাকে যাই করতে বলে,
আমি শুধু স্রোতের টানে ভেসে যাই, বেবি।
- তুমি এখানে ধূমপান করতে পারবে না। - দুঃখিত।
খুব ভালো করে গুলির একটা ছবি তুলে আমাকে দাও।
ব্রেকিং নিউজঃ রিপোর্টে বলা হয়েছে, আজ বিকেলে শহরের বেকার্সফিল্ড বিল্ডিংয়ে
এক বন্দুকধারী প্রবেশ করে গুলি চালিয়ে...
সেন্টার টেলিমার্কেটিংয়ের এক কর্মচারীকে হত্যা করেছে। সাসপেক্টকে এখনও ধরা যায়নি।
- কেনি, থামো! - তাকে ৩০ বছর বয়সি এক পুরুষ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে,
আনুমানিক ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতা, ছোট করে কাটা চুল।
পুলিশ এখনও নিহতের নাম প্রকাশ করেনি।
বন্দুকধারীকে সশস্ত্র এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
তোমাকে একটু পরেই আবার ফোন করছি।
বেশ! বেশ!
তুমি অনেক বাজে ছেলের মত কাজ করেছ।
তোমার জন্য বাইরে একটা খুব সুন্দর গাড়ি রেখেছি।
আমার টাকা এনেছ?
হুঁ।
এখন বলো, তুমি কীভাবে এত টাকা নিয়ে জেলখানার বাইরে আসলে?
তোমার জানার দরকার নেই।
আপনার অন্য নামগুলো দরকার।
এই মাত্রই দাম বেড়ে গেল।
তোমার জন্য এই লোকদের সন্ধান করতে আমার ১০ বছর সময় লেগেছে।
আর এর জন্য প্রচুর টাকা খরচ হয়েছে।
তাই এখন, আমি আবার দাম ঠিক করতে চাই।
ঠিক আছে।
আমি এটাই ভেবেছিলাম। তুমি এখন খেলার মধ্যে আছ।
এই মাত্রই দাম কমে গেলো।
কেনি?
কেনি।
এ হচ্ছে আমার সামোয়ান বন্ধু।
গুয়ামের সর্বশেষ লড়াইয়ের চ্যাম্পিয়ন।
তুমি জানো না, কোন শিরোপা জয়ের জন্য তারা ওখানে কত বাজে কাজ করে।
আমি জানি এটা কী।
- আমি জানি তুমি কে। - ও কে?
ভাই, তোমার সাথে আমার কোনও ঝামেলা নেই।
বাজে বকা বন্ধ কর। যেই জন্য টাকা দেই, সেই কাজ করো।
- তুমি কী করছ? - এই লোক একটা ভূত।
- কোনো ভূতের সাথে ঝামেলায় জড়াতে পারব না। - ভালো তো ফিরে আয়।
- কোনো ভূতের সাথে ঝামেলায় জড়াতে পারব না। - টাক মাথা সোনা, ফিরে আয়...
এই যে, আপনি টাকা ফেরত পাবেন। এই যে, নিন।
ওকে খুব পরিচিত মনে হচ্ছে।
ওকে আমি কোথাও দেখেছি, আমি জানি।
সত্যি?
ঠিক আছে।
এইযে ও আসছে।
ওর চেহারাটা দেখো।
ও জানত যে, ওর পালা চলে এসেছিল।
একটু দাঁড়াও।
ওটা কেবল ভয় না, ওটা চিনতে পারা।
সে যেখানে বসে আছে, ওখান থেকে বন্দুকটি দেখতে পায়নি।
ওটা দেয়ালের কারণে আড়াল হয়ে আছে।
ও তাকে চিনত।
হতে পারে।
- হ্যালো? - মারিনা?
- হাই, আমি বলছি। - তুমি কি জানো এখন কয়টা বাজে?
হ্যাঁ জানি, অনেক দেরি হয়ে গেছে, আমি দুঃখিত।
- আমাকে ফোন করবে... - আচ্ছা, ঠিক আছে।
- তুমি ওকে কালকে খেলতে নিয়ে যাবে? - হ্যাঁ, আমি আগামীকাল আসব।
আমি ওকে কালকে নিয়ে যাবো। হ্যাঁ, আমি সময়মতো আসব।
- ওকে হতাশ করবে না, কথা দাও। - হ্যাঁ, কথা দিচ্ছি।
কিন্তু শোনো... শোনো।
সুপ্রভাত।
আজ সকালে আমি বিভিন্নরকম আসনের ব্যায়াম করেছি।
পৃথিবীতে মাত্র ১০ জন লোকই এসব করতে পারে।
শেষ করেছি লাশের আসন দিয়ে।
তবে জানো, আমার যোগ ব্যায়াম করা শেষ।
সব আসন শেষ করেছি।
- তুমি যোগ ব্যায়াম শেষ করেছ? - হ্যাঁ।
এখন সামনের দিকে এগিয়ে যাবার সময়।
কোন দিকে?
আমি জানি না।
আরও বিশেষ কিছুর দিকে।
মাঝে মাঝে আমার চিন্তা হয়, সত্যিকারের লাশের মত হয়ে থাকাতেই শুধু তুমি সন্তুষ্ট হবে।
আরে না, মৃত্যু নয়।
জীবন।
ওহ, আমার কখনই এতটা ফ্রেশ লাগেনি।
- সত্যি? - হ্যাঁ।
তোমার জন্য একটা নতুন ক্লায়েন্ট পেয়েছি। আমি জানি, তুমি চ্যালেঞ্জ পছন্দ করো।
আমরা সম্ভাব্য স্থানগুলোর তথ্য সংগ্রহ করছি।
আমি তোমাকে এখনি টার্গেটের বিস্তারিত পাঠিয়ে দিচ্ছি।
ক্লায়েন্ট মনে করে, টার্গেট তাকে খুন করতে আসবে।
- কাজটা তার দ্রুত করতে হবে। - ঠিক আছে।
লোকটা কে?
এমন প্রশ্ন আমি কখনও জিজ্ঞেস করতাম না।
- তুমি কি আসলেই কিছুক্ষণ থাকতে চাও না? - ভাবনাটা আটকে রাখো।
এটা আমার কাজ।
এই কাজগুলি করা আরও কঠিন থেকে কঠিন হয়ে উঠছে।
আমাদের শেষ সেশনেও তুমি একই কথা বলেছিলে।
- তুমি কি কয়েকদিন ছুটি নিতে পারো? - না, না, তেমন কোনও সুযোগ নেই।
আমার কাজ খুব গুরুত্বপূর্ণ।
তুমি এখন কী কাজ করো, সেটা আমাকে বলোনি।
আমি একজন সার্জন, ক্যান্সার দূর করি।
ঠিক আছে, তোমার কথাকেই আমার বিশ্বাস করতে হবে।
জানো, ডাক্তারি পেশায় আমার আরও রোগী রয়েছে।
তাদের কাছে কাজের চাপ সামলানোকেও তারা অনেক কঠিন বলে মনে করে।
যখন তোমার উপর কারো জীবন মরণ নির্ভর করবে, তখন অনেক চাপ মনে হবে।
শুভ সকাল, গোয়েন্দা সিসেরো।
সার্জেন্ট ম্যালরি।
ক্ষেপে যেও না।
আমাকে আপনার বলা উচিত ছিল।
ঠিক বলেছ, আমার কাছ থেকেই তোমার শোনা উচিত ছিল। আমি দুঃখিত।
তোমাকে আমার বলা উচিত ছিল।
অন্তত তোমাকে এই কেসটা নিয়ে সাহায্য করতে দাও।
তো, আমরা এখন পর্যন্ত কী পেয়েছি?
"আমরা" কথাটা বলে তুমি দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছ, বোকা।
আমরা আমাদের শ্যুটারকে পেয়েছি।
আমরা?
গতরাতে মুরডকের গার্ডের কাছ থেকে একটা ফোন পেয়েছিলাম।
সে খবর দেখে আমাদের লোককে চিনতে পেরেছে।
স্পষ্টতই, সে কারাগারে মাদক বিক্রি করে প্রচুর টাকা কামিয়েছে।
- কোন গ্যাং এর সাথে জড়িত? - না, সে নিজেই সব কাজ করেছে।
কোনও সুরক্ষা নিতো না, একা একা কাজ করত। ওরা তার পিছনে আসতেই থাকত।
আর সে তাদের খুন করেই যেত।
দেখতে পাচ্ছি সে হাতে স্কোর রেখেছে।
তার ওটাকে সবার নজরে রাখতে হয়েছিল, যাতে কেউই তার সাথে ঝামেলা না করে।
দশ বছর আগে "বেকারসফিল্ড ফার্স্ট"-এ ব্যাংক ডাকাতি করতে গিয়ে গুলি লেগেছিল।
নায়ক হবার চেষ্টা করবি না, বুঝতে পেরেছিস? নিচু হয়ে থাক।
- শ্যুটার একজন ব্যাংক ডাকাত ছিল... - সে গাড়ি চালাচ্ছিল।
- যা, যা। - ভিতরে আয়।
যা, যা, গাড়ি চালা!
সামলে।
তুই কী করছিস?
- তোর জন্য আমরা মারা যাবো। - ও জানে যে, ও কী করছে।
তুই নিজের মত কাজ কর, ছোট ভাই।
যা, যা, যা।
ধুরো, ও কী করছে?
তুই কোথায় যাচ্ছিস?
ওরা নেই, ওরা চলে গিয়েছে। এখনি কর।
- আমি কাউকে দেখছি না। মনে হচ্ছে, কেউ নেই। - আস্তে যা।
আস্তে যা!
গাড়ি ঘুরা, গাড়ি ঘুরা। কুত্তার বাচ্চা...
দেখে যা, দেখে যা!
- আরে ভাই, পুলিশ! - ওই তো ওখানে!
- তুই ঠিক আছিস, যা। পুলিশ, পুলিশ।
তুই ঠিক করছিস, ভালোমত করছিস।
আস্তে যা, আস্তে। গাড়ি ঘুরিয়ে ফেল।
- তারমানে, সে রাস্তা পরিষ্কার করে পালিয়েছিল। - এসবে কে তাকে সাহায্য করেছিল?
দারুণ, আসল মজাটা এখান থেকেই শুরু হয়।
আমি তোমাকে কিছু দেখাতে চাই।
এটা দেখ।
উফ!
অনেক বড় সাহায্য করলে।
এই সিঁড়ি বেয়ে উঠতে আমার অনেক সময় লাগে।
No comments yet. Be the first to leave one.