The first 200 lines.
তুমি এটা পারবে।
এটা ওয়াল্টার হোয়াইটের ফোন, প্লিজ আপনার নাম, নম্বর আর
ফোন করার কারণটি বলুন। ধন্যবাদ।
এই নিয়ে তৃতীয়বার। ওয়াল্ট, ওখানে থাকলে প্লিজ ফোনটা ধরো।
আমি সত্যিই কাজটা একসাথে করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ওর উঠে পড়ার শব্দ পাচ্ছি।
ওকে তো এটা দেখা থেকে বিরত রাখতে পারি না।
আমি দুঃখিত, যতোটা পারা যায় অপেক্ষা করলাম...
কিন্তু মনে হয় তোমাকে ছাড়াই এগিয়ে যাওয়া লাগবে।
আমাকে ফোন কোরো।
- হেই। - ওহ হেই, শুভ জন্মদিন, সুইট সিক্সটিন।
ধন্যবাদ মা।
অবশ্য আমি ভেবেছিলাম তুমি ঘুমিয়েই কাটাবে।
-হা হা। - হুম, হুম।
যেহেতু প্রায় দুপুর হয়ে এসেছে,
তাই তোমাকে জন্মদিনে প্রথম বড় যে বড় সিদ্ধান্তটা নিতে হবে তা হলো, নাশতা খাবে নাকি লাঞ্চ?
- প্যানকেক? -প্যানকেকই সই।
একটা কাজ করে দিতে পারবে?
পেপারটা নিতে ভুলে গেছি, নিয়ে আসবে?
- নিশ্চয়ই। - ধন্যবাদ।
সারপ্রাইজ।
তোমার বাবা দিয়েছে। দারুণ না?
আহ...হ্যাঁ, ধন্যবাদ, মা। খুব সুন্দর।
অনেক খোঁজখবর নিলাম,
এই গাড়িটাই নজর কাড়লো।
ফিচারগুলো দারুণ, শক্তিশালী, ভালো ইঞ্জিন।
ভেতরে অনেক বড়, চাইলে তোমার বন্ধুদের সবাইকে নিয়ে ঘুরতে পারবে।
আর আমি যেহেতু তোমার মা, সবচেয়ে নিরাপদ জিনিসটাই বেছে নিয়েছি।
ওহ, আর সিডি প্লেয়ারও আছে,
চালাতে চালাতে গান শুনতে পারবে।
নাশতা খাওয়া পরে হবে বরং। একবার চক্কর মেরে আসতে চাও?
থাক পরে না হয় যাবো, খিদে লেগেছে।
আচ্ছা ঠিক আছে, প্যানকেক বানাই তাহলে।
সউল, ও এসেছে।
খারাপ বুদ্ধি, খুবই খারাপ বুদ্ধি।
সউল?
ওনাকে পাঠাও।
মিস্টার বেনিকি। আমি সউল গুডম্যান। আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
হেই। হ্যাঁ, হাই।
বসুন, প্লিজ।
আমি...
কেন এসেছি বুঝতে পারছি না।
- আমার লোনদাতাদের ব্যাপারে কথা বলতে? - লোনদাতা? না...
সোজা কথায় চলে আসি। কিছু খারাপ খবর আছে।
আহ, ইদানিং এ আর নতুন কি।
আপনার নানীর মা বারগিত মারা গেছেন।
বুঝিনি, কে?
উনি লুক্সেমবার্গের ডিয়েকার্কে মারা গেছেন।
- আর সেটা-- - ওয়াও, ৮ বছর আগে।
মনে হচ্ছে আপনারা অনেক ঘনিষ্ঠ ছিলেন...
হয়তো এ খবরটা ভালোই।
হা-হা। বারগিত আপনার জন্য তার সম্পত্তির
একটা বড়সড় অংশ রেখে গেছেন, আপনি প্রধান উত্তরাধিকারী।
কী?
তার আর কোনো আত্মীয় নেই, তাই সম্পত্তিটা এমনিই ছিল,
ইইউ এর লোকেরা একজন উত্তরাধিকারীর খোঁজে ছিল এতদিন।
আমার আত্মীয়ের কেউ লুক্সেমবার্গে থাকে জানতাম না।
আমার নাম উইলে লেখার মতো কেউ তো নয়ই।
আচ্ছা...
এইতো, উনি কোনো উইল রেখে যাননি। সেজন্যই হয়তো এত দেরি হয়েছে।
ওরা উত্তরাধিকারসূত্রে আপনার বাবাকে দিতে চাচ্ছিল।
কিন্তু উনি মারা যাওয়ায়--আমি দুঃখিত, আপনিই এসবের মালিক এখন।
সম্পত্তির পরিমাণ ৬৬১,৫৫২.৩৩ ডলার।
ওয়াও।
আর ডন ইলাডিও কখন আসবেন?
আগে কুকের কাজ দেখে নেই।
কেমিস্ট কে?
ফাজলামো নাকি?
ও জানতে চাচ্ছে, তুমি কেমিস্ট কি না।
কেমিস্টদের একজন।
আচ্ছা, আমাদের সবার তো পরিচয় হয়েছেই।
চলো কাজে যাওয়া যাক।
ফিনাইল্যাসিটিক অ্যাসিড কোথায়?
প্লিজ ওকে ফিনাইল্যাসিটিক অ্যাসিড দেখিয়ে দিন।
আমরা নিজেরাই এটা বানাই।
সব উপকরণ এখানেই আছে।
ওরা নিজেরাই এটা বানায়।
কী?
আমি তো সেটা করি না।
সমস্যা কী?
দেখুন, আমি আমার ফিনাইল্যাসিটিক অ্যাসিডটা মৌমাছি আঁকা ব্যারেল থেকে ঢেলে নেই।
এভাবেই শিখেছি আমি।
মিস্টার পিংকম্যান ভেবেছিলেন যে, ফিনাইল্যাসিটিক অ্যাসিডটা
উনি আসার আগেই বানিয়ে রাখা হবে।
একটা ক্লাস নাইনে পড়া কেমিস্ট্রির ছাত্রও এটা বানাতে পারে।
কী আনাড়ি লোক নিয়ে এসেছেন?
- কী বলছে ও? - আমরা দেখছি কী করা যায়।
এসব হাস্যকর।
সামান্য ফিনাইল্যাসিটিক অ্যাসিড বানাতে পারে না, এমন বাচ্চাছেলের কাছ থেকে আমি
ব্যবসা শিখব না।
এই হারামিটাকে বলুন, সে যদি আমার প্রোডাক্ট বানানো শিখতে চায়,
তাহলে ওকে আমার কথামতো চলতে হবে। সেটাই সঠিক উপায়।
আমি ইংরেজি বলতে পারি।
তারমানে আপনি "হারামি"র মানে বোঝেন।
এখন আমাকে আমার ফিনাইল্যাসিটিক অ্যাসিডটা এনে দিন, হারামি।
ও যা চাচ্ছে তা এনে দিতে কতক্ষণ লাগবে?
জানি না, কোনো ধারণা নেই। কয়েক ঘন্টা তো লাগবেই।
আমি অপেক্ষা করতে পারব। আমাদেরকে ল্যাবের অবস্থা সম্পর্কে কথা বলার সুযোগ দিন।
আপনাদের কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেই নাকি?
মানে, এ জায়গাটা একদম অসহ্য।
ঠিক আছে, আমরা প্রতিটা ভ্যাট, ট্যাঙ্ক, মেথ বানানোর জায়গা পরিস্কার করব।
আমরা দূষণের সবরকম উপায় দূর করবো। কেবল তারপরেই আমরা মেথ বানাবো।
আপনি নিজেকে কী মনে করেন?
আমি সেই লোক যাকে আপনার বস এখানে নিয়ে এসেছে কাজ শেখানোর জন্য।
এভাবে ল্যাব চালান দেখেই তো এ দশা।
আপনার ভাগ্য ভালো উনি আপনার চাকরি খেয়ে নেয়নি। যদি চাকরি রাখতে চান,
তাহলে ঘ্যানঘ্যান বন্ধ করে আমি যা বলছি তাই করুন।
পরিস্কার করো!
এটা ওয়াল্টার হোয়াইটের নম্বর। আপনার নাম,নম্বর এবং ফোন করার কারণ বলুন। ধন্যবাদ।
বাবা আছ? আমি বাইরে। তুমি ঠিক আছ?
জানি তুমি ভেতরে আছ, তোমার গাড়ি রাখা আছে।
তুমি আমার জন্মদিনের পার্টিতে আসোনি, তাই মনে হচ্ছে অনেক বড় বিপদ।
৯১১ এ ফোন করতে হবে। জানি না আর কী করার আছে।
বাবা?
ভেতরে আসতে চাইলে আসো।
কী হয়েছিল তোমার?
কী হয়েছিল?
একটা মারামারিতে জড়িয়ে গিয়েছিলাম।
মারামারি মানে? কীসের মারামারি?
আমাকে কিছু বলবে নাকি না?
কী করছ?
-মাকে ফোন করছি। -ওকাজ কোরো না।
দ্যাখো, আমি....
তুমি চিন্তায় করছ আমার জন্য, সেটা ভালো। কিন্তু আমি ঠিক আছি।
কিন্তু তোমার মাকে ফোন কোরো না।
কিন্তু কেন?
কারণ...
...আমি আবার জুয়া খেলেছি।
তোমার মাকে বলে দিলে, আমি...
ও আজীবন এ নিয়ে কথা শুনিয়ে যাবে।
তাই প্লিজ.....
ব্যাপারটা আমাদের মাঝে গোপন রাখা যায় না? আমার জন্যে এটা করবে কি?
শুধু নিজের মধ্যেই রাখো ব্যাপারটা।
আমি বুঝতে পারছি না। মারামারিতে জড়ালে কীভাবে?
কার সাথে?
একটা ভুল হয়ে গিয়েছিল।
আমার নিজেরই ভুল।
- জানতাম এরকম কিছু হবে। - বাবা...
সমস্যা নেই।
সব আমার দোষ।
আমি শুধু....
দুঃখিত।
বাবা।
এদিকে এসো।
ব্যাপার না, বাবা। সব ঠিক হয়ে যাবে।
হেই, কেঁদো না।
- সমস্যা নেই তো, প্লিজ ঠিক হও। - না না।
আমার দিকে তাকাও।
সব ঠিক হয়ে যাবে।
এরকম কোরো না।
সব ঠিক আছে, বাবা।
হেই,
তোমার জন্মদিন কেমন কাটলো?
ভালোই। একটু ঘুমাও।
ঠিক আছে।
নতুন গাড়িটা...
...চালিয়েই এলে নাকি?
হ্যাঁ।
দারুণ ব্যাপার।
পছন্দ হয়েছে?
হ্যাঁ। তা তো হয়েছেই।
দারুণ চলে গাড়িটা।
শুনে খুশি হলাম, জেসি।
ইয়েস।
- ওহ্ ইয়েস। - দারুণ দেখিয়েছ।
আরো অনেকবার এমন করতে হবে।
তাই? মানে কী?
তুমি এখানেই থেকে যাবে। তুমি এখন এই কার্টেলের লোক।
আপনি এভাবে আমার এখানে আসতে পারেন না। কেউ না কেউ আপনাকে চিনে ফেলবেই।
আপনার মুখ আশেপাশের পাঁচ মাইলের মধ্যে সকল বাস স্টপে লাগানো আছে।
অন্য আর দশজন মানুষের মতো সেলিব্রেটিদেরও তাদের গাড়ি ধোয়াতে আসা লাগে।
জরুরি কিছু না হলে কি আর আসতাম।
- বুঝেছেন? - কী হয়েছে?
দেখুন, আপনার মিস্টার বেনিকির সাথে দেখা করেছিলাম, তাই না?
আগেও বলেছি, এখনো বলছি, খুবই খারাপ হচ্ছে ব্যাপারটা।
হ্যাঁ, কিন্তু সেটা জেলের থেকে ভালো হবে। তাই না?
কিছুটা। সেজন্য আপনার কথা মতো ফান্ড ভেঙে টাকাগুলো ওনাকে দিয়েছিলাম।
ঠিক আছে। ভালো।
- হুমম। - বিশ্বাসই হচ্ছে না ও ওটা বিশ্বাস করেছে।
দাদীর মা, বার্গিট!
কিন্তু এটা আপনারই বুদ্ধি ছিলো। মানুষ চোখের সামনে এত টাকার হিসাব দেখলে...
- ...সম্মোহিত হতে বাধ্য। - তাহলে, সমস্যাটা কোথায়?
শুধু এটুকু বলি, মিস্টার বেনিকির ব্যাপারে আপনার আর আমার দৃষ্টিভঙ্গি এক না।
তাই আমি ওনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টটা নেড়েচেড়ে দেখে ক্রেডিট রিপোর্ট বের করলাম।
সময়টা খেয়াল করেন...
গতকাল বিকেল ৩ বেজে ৫৪ মিনিটে।
- আমার অফিস থেকে বেরোনোর ৩ ঘন্টা পরে। - ও একটা মার্সিডিজ কিনেছে।
আসলে ইজারা নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ৪৫০০ ডলার দিয়ে দিয়েছেন।
ওনাকে মাসে মাসে ১৮৩০ ডলার দিতে হবে।
সবকিছুই আছে এতে। হিটেড স্টিয়ারিং হুইল পর্যন্ত আছে।
কিন্তু ওটা ৬৩০০ ডলারের উপরে, সেটা আইআরএসের কাছে যাচ্ছে না।
ভাবলাম বিষয়টা আপনাকে জানানো উচিত। আর বলতে বাধ্য হচ্ছি, আগেই বলেছিলাম এমন হবে।
ও কোথায় এখন?
হেই।
কী অবস্থা?
ভালো।
এখন কেমন লাগছে?
আমি ঠিক আছি। কিন্তু তোমার মা চিন্তায় পাগল হয়ে যাবে।
আমি মাকে গতরাতে ফোন করেছিলাম।
ঈশ্বর।
মাকে বলেছি...আমি রাতে লুইসের ওখানে থাকব।
No comments yet. Be the first to leave one.