Love at First Sight

Love at First Sight

Download Bengali Subtitle

Release info

Love at First Sight 2023 NF WEB-DL B-Sub [01 31 23]
Love at First Sight 2023 NF WEB-DL B-Sub [01 31 08]
A Commentary by Ashikur_Rahman123...
❤️▐𝙍𝙪𝙣𝙏𝙞𝙢𝙚:01:31:23, 01:31:08▐ বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে উপভোগ করুন প্রশংসিত নেটফ্লিক্সের রোমান্টিক জনরার মুভি "Love at First Sight" সাবের ফাইলে দুটো রানটাইমের ফাইল দেয়া আছে। রানটাইম দেখে এড করে নিবেন। ❤️

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
Published on: 2023-10-24
Downloads: 52
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

ডিসেম্বরের ২০ তারিখ, বছরের সবচেয়ে বাজে দিন।

জন এফ. কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট দিয়ে ভ্রমন করার জন্য।

কারণ ঐ দিন ১,৯৩,০০০ যাত্রী আসা-যাওয়া করে...

...তাছাড়া চেক-ইন এ ২৩ মিনিট দেরি হতে পারে

এবং সিকিউরিটির জন্য ১১৭ মিনিট অপেক্ষা করা লাগতে পারে।

কিন্তু এতসব পেরেশান যাত্রীর মধ্যে এমন একটা যাত্রী আছে...

- এক্সকিউজ মি। - সরি।

... যার ওপর আমাদের এই গল্প আধারিত।

কারণ আজকে, সেই যাত্রীটা দেরি করে ফেলেছে।

এক্সকিউজ মি।

- আরে, আরে। - ওহ। সরি। সরি!

হ্যাডলি স্যালিভিন তার লন্ডনের ফ্লাইট চার মিনিট জন্য

মিস করবে।

দাঁড়ান! প্লিজ, আমি চলে এসেছি।

আহ, সরি, মিস। আপনি দেরি করে ফেলেছেন।

TA-5120 ফ্লাইটে ৩৬৭ জন যাত্রী আছে।

৪১২ টা লাগেজ, ৩৪৪ টা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র আছে,

৪ টা ইমোশনাল সাপোর্ট দেওয়া প্রানী এবং ৬২ টা ঘাড়-বালিশ আছে।

সবাই একসাথে একটানা ৬ ঘন্টা ৪৭ মিনিট ভ্রমন করবে,

হ্যাডলিকে ছাড়া।

চার মিনিটের জন্য ফ্লাইট মিস করাকে কেউ দুর্ভাগ্য বলে!

বা এটা ভাবতে পারো যা ঘটে ভালোর জন্যই ঘটে।

কিন্তু হ্যাডলির জন্য এই চার মিনিটের দেরি কোন দুর্ভাগ্য হবে না।

কারণ জলদিই, একটা মেয়ের সাথে এবং একটা ছেলে দেখা করবে।

আর এতে সবকিছু পাল্টে যাবে।

কিন্ত আগেই বলে রাখছি, এটা কোনো প্রেমের গল্প না।

গল্পটা ভাগ্যের।

বা পরিসংখ্যানবিদ্যার।

কিন্তু কার সাথে কথা বলছো সেটার ওপর নির্ভর করবে।

মেয়েটার নাম হ্যাডলি এলা স্যালিভান।

২০ বছর বয়সী, উচ্চতা ৬৫ ইঞ্চি।

সে সবসময় ২১% দেরি করে, যেটা কাকতালীয়ভাবে,

তার ফোনের চার্জের পরিমান।

সে তিনটা জিনিসে ভয় পায়,

মেয়নেজ ,

বদ্ধ জায়গা,

এবং দাঁতের ডাক্তার।

আরেকটা ব্যাপার আছে, যেটা সে কখনো ভাবিনি ভয় পাবে।

ব্যস কয়েকদিনের ব্যাপার।

বাবা, তুমি শেক্সপিয়ারের দেশে কবিতা শেখাতে যাচ্ছো।

- তোমার কিভাবে ভয় পাচ্ছে না? - ওহ, অনেক ভয় পাচ্ছি।

দারুন হবে। আমি সব সময় বিদেশে পড়তে চেয়েছি--

আসলে, সোনা, তুমি আর আমি এখানেই থাকছি

কেন?

সেটা মানতে প্রস্তুত ছিল না, কিন্তু তার ভয়ের তালিকায়,

ডিভোর্স হঠাৎ করে মেয়নেজের থেকে উপরে চলে এসেছে।

পরের ফ্লাইটে আপনাকে সিটের ব্যবস্থা করে দিতে পারব।

বিজনেস ক্লাসে দুইটা সিট আছে।

- কতক্ষণ পর ফ্লাইট? - দেড় ঘন্টা।

সকাল ৯:৫৫ তে লন্ডনে পৌঁছাবেন।

- বাবার বিয়ে হবে দুপুরে। - ভেবে দেখতে চান?

এক সেকেন্ড দিতে পারবেন? আমি স্রেফ...

সরি, এক সেকেন্ড।

হেই। সোনা, কোথায় এখন?

- আমি, ফ্লাইট মিস করে ফেলেছি। - কি?

হ্যা, কিন্তু বিজনেস ক্লাসে, পরের ফ্লাইটে আসতে পারব,

তবে পৌঁছাতে ১০ টা বাজবে।

আগামীকাল?

- না, আজ রাতে। আমি ধুমকেতু চড়ে আসছি। - হ্যাডলি।

সরি।

ওকে, বেশ, টিকেট কেনো, আর...আমি টাকা দিয়ে দিব।

- আহ, না, আমার কাছে টাকা আছে। - পাগলামো কর না।

- তুমি খরচ যোগাতে পারবে না। - ওকে। ধন্যবাদ।

আমার যাওয়া লাগবে।

ঠিক আছে

বেশ, পৌঁছানোর পর জানাবে, ওকে?

হ্যা, জানাব।

- বাই। - বাই।

ওকে।

লন্ডনের জন্য একটা বিজনেস ক্লাস টিকিট দেন, প্লিজ।

ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।

সরি।

যদি কোথাও লাগেজ পড়ে থাকতে দেখেন

বা সন্দেহজনক কিছু দেখেন, তাহলে জলদি TSA কে জানাবেন।

ওহ। এটা নষ্ট।

এজন্যই খুলে রাখা হয়েছে।

অবশ্যই এমনটা হবে।

কী?

কিছু না। ধন্যবাদ।

আমারটা ব্যবহার করতে পার।

তো বুঝেই গেছেন, এটাই সেই ছেলে‌।

অলিভার মার্টিন জোনস, ২২ বছর বয়সী, ১.৮ মিটার উচ্চতা।

সে ৯৪% সময়মতো জায়গায় পৌঁছায়,

যেটা তার মোবাইল ফোনের ব্যাটারির

চার্জের পরিমাণ।

সেও তিনটে জিনিসে ভয় পায়,

জীবাণু, অন্ধকার....

...এবং সারপ্রাইজ।

এই হলো লিস্ট...

লিস্ট?

...যেখানে প্রত্যেক বাচ্চার যোগ্য নাম লেখা আছে।

এখনো তার অবস্থা স্থানীয় পর্যায়ে আছে।

ভালো ট্রিটমেন্ট পেলে, সে হয়তো সুস্থ হয়ে যাবে।

কিন্তু এসব জিনিসের কোন ভরসা নেই।

ঐ দিন থেকে অলিভার সিদ্ধান্ত নেয় সে কখনো সাইপ্রাইজ হবে না।

এখন আমাদের জীবনের সবকিছু ডাটা দ্বারা বিবেচিত হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ, আমাদের অভ্যাসসমূহ, এমনকি আমাদের পদক্ষেপগুলি।

তার মানে এমন একদিন আসবে,

যেদিন আমাদের জীবনে সবকিছু সুনিশ্চিতভাবে হবে।

কিন্তু কিছু জিনিস অবশ্যই সারপ্রাইজ দিবে।

যদি না সবকিছু ডাটা দ্বারা বিবেচিত হয়।

যখন কেউ সারপ্রাইজ ভয় পায়,

তখন সে অনিশ্চয়তা মাফিক কিছু করে না।

আমারটা ব্যবহার করতে পার।

কিন্তু একদিন, তার সাথে এক আমেরিকান মেয়ের দেখা হয়,

যার ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গেছে।

সরি, তৃতীয় ডেট না করা পর্যন্ত ইলেকট্রনিকের জিনিস ভাগাভাগি করি না।

ওকে। বিষয়টা বুঝতে পারছি।

মম-হুমম।

আমারটা হয়ে গেছে, চাইলে ব্যবহার করতে পার।

ধন্যবাদ।

ব্যাটারির চার্জ শেষ হতেই থাকে।

সার্ভিসিং করা লাগবে।

ফোন চলে ব্যাটারিতে, ব্যাটারিতে চার্জের চক্র থাকে সীমাবদ্ধ।

তুমি কী প্রযুক্তিবিদ, না অন্যকিছু....

গণিতবিদ।

ইয়েলে পরিসংখ্যান নিয়ে পড়াশোনা করছি।

ওয়াও।

তোমার স্ট্যাটাস কে জিজ্ঞেস করছে।

আমি ব্রিটিশ, বুঝেছ? অভ্যাস হয়ে গেছে।

যাইহোক, আমি অলিভার।

টুইস্ট ওয়ালা?

আর লোকে বলে আমেরিকানরা সংস্কৃতিহীন।

ওহ৷ ঠিকই বলে। কিন্তু আমি ডিকেন্স এর ভক্ত।

আমি হ্যাডলি।

দেখা হয়ে ভালো লাগলো।

তোমার সাথেও।

তুমি কী নিয়ে পড়াশোনা করছ, ডিকেন্স ভক্ত হ্যাডলি?

- ইংলিশ লিটারেচার? - এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি।

মানে কোন এক সকালে ঘুম থেকে উঠে এটা মনে হয়নি যে,

"ওহ, আমি ট্যাক্স আইনজীবী হব।"

এমনটা কারো সাথে হয়?

ট্যাক্স আইনজীবীর সাথে সম্ভবত হয়েছে।

কোথায় যাচ্ছো?

আহ, লন্ডন। তুমি?

আমিও। হ্যা, আসলে আমার...

...এতক্ষণে ফ্লাইটে থাকার কথা ছিল।

- কিন্তু চার মিনিটের জন্য ফ্লাইট মিস করেছি। - ওওহ।

অন্যসময় হলে, এটাকে ভাগ্যের দোষ দিতাম,

কিন্তু মনে হচ্ছে তুমি ইচ্ছাকৃত ভাবে মিস করেছ।

হুমম।

আমি কিছু খেতে যাচ্ছি।

তুমিও যাবে?

না-কি এটাও তৃতীয় ডেটের পর করবে?

না, খাবার খেতে সমস্যা নেই।

সাধারণত, হ্যাডলির অস্থিরতা এবং ফোনে চার্জ না থাকার কারণে

অনেক মুসিবতে পড়তে হয়।

কিন্তু আজকে, এটা অলিভাবের কাছে এনেছে।

তুমি কি ছুটি কাটাতে বাড়ি যাচ্ছো?

ভেবেছি, তোমার বাড়ি লন্ডনে।

হ্যা। কিন্তু সত্যি বলতে, আমি এখানে থাকতে চাই।

আমার গবেষণা অসমাপ্ত থেকে যাবে।

কী নিয়ে গবেষণা করছ?

কত % আমেরিকান ফ্লাইট মিস করে তার ওপর।

হুমম।

মাথা নষ্ট জোকস ছিলো।

ওহ, ছিঃ।

- একদম জঘন্য। - আহ।

আমার কাছে লাইজল আছে।

তোমার ফোন পরিষ্কার করে নাও।

ধন্যবাদ।

বিমানবন্দর আমার পছন্দ না।

আসলেই?

আমার বেশ ভালো লাগে।

কেন?

মানে, মনে হবে তুমি এখানকারও না, আবার ওখানকারও না

ব্যস এটার মাঝখানে আছো।

শুনে ভালোই মনে হলো।

মানে যন্ত্রণাদায়ক মনে হলো।

কার্বস খাও না?

না, আসলে... মেয়নেজ পছন্দ করি না।

- সত্যি? - হ্যা।

- এটার আচার জঘন্য--- - আমিও পছন্দ করি না।

এটা,

আমার তিনটা ভয়ের তালিকায় দ্বিতীয়তে আছে।

- বাকীগুলো কী? - দাঁতের ডাক্তার এবং বদ্ধ জায়গা।

- তুমি এসব ভেবে রেখেছ। - একদমই না।

মানে, আমি যদি জিজ্ঞেস করি তুমি কিসে ভয় পাও,

তখন তোমার চিন্তা করা লাগবে না। কারণ তুমি আগেই জানো।

কিভাবে জানলে আমি কোন কিছু ভয় পাই কি-না?

'কারণ তুমি রান্না করা মাংস কাঁটাচামচ এবং চুরি দিয়ে কেটে খাচ্ছো।

সরি, কলটা রিসিভ করতে হবে।

ওহ হ্যা, সমস্যা নেই।

তুমি কাল এগারোটার সময় আসছো না?

না, আমি দশটার কথা বলেছি। ইমেইলও করেছি

আসলেই?

আসলে জিমের ওয়াইফাই অনেক ধীরগতির।

তোমার কালকে কাজ একটাই। আমাকে দশটার সময় নিয়ে যাওয়া।

চিন্তা কর না। আমি পৌঁছে যাব।

আর তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে, সেইটার জন্য তৈরী থাকবে।

কী? না, আমি সারপ্রাইজ পছন্দ করি না।

এটা ভালো সারপ্রাইজ। তোমার ভালো লাগবে।

তোমাকে বলে দিলাম, যাতে রাগ না কর।

এটা কেমন কথা হলো?

লুথার, না।

আমি কোন সারপ্রাইজ চাই না। এটা শুনতে ভালো লাগলেও জঘন্য হয়।

না, সরি, ওয়াইফাই-এ সমস্যা করছে। না, শুনতে পাচ্ছি না।

লুথ। লুথার।

- এটার জন্য সরি। - সমস্যা নেই।

তো বদ্ধ জায়গাতে ভয় পাও,

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left