The first 200 lines.
- পাক্কা নিশানা! - তুমি জিতেছো, বাবা!
সোজা চালাতে থাকো।
বোমা পড়বে!
শুভ বিদায়, দোস্ত!
প্রিজারভেটিভ মুক্ত, খাবার পানি!
ঠাণ্ডা, পরিষ্কার পানি।
চলে যাচ্ছো বেকুব, কেনা-বেচা করো কিছু!
আমার কাছে H20 আছে।
বুঝলে না? H20 মানে পানি! পানি ছাড়া বাঁচতে পারবে না।
কি এক ঝামেলা, তাই না?
তুমি দুই বস্তা শস্য পাবে...
...নয়তো দুই ঘণ্টার জন্য একটা মেয়ে।
- তুমি কি লেনদেন করতে চাও? - আমি একজনকে খুঁজছি।
লেনদেন করবে কি না?
ওর কাছে কয়েকটা উট আছে।
লোকে এখানে লেনদেন করতে আসে, কিছু লাভ করতে আসে। ব্যাবসা করতে আসে।
লেনদেনের মত কিছু না থাকলে, এখানে কোন কাজ নেই তোমার।
এক ঘণ্টার ভিতরে।
এরপর?
আমার দক্ষতা আছে, তা বিক্রি করতে পারি।
মাফ করবে, পতিতাপল্লীতে যায়গা নেই।
এক ঘণ্টা
- আর যদি তাঁকে খুঁজে পাও? - যা আমার তা দিয়ে দিতে বলবো।
আর সে তাঁর বিবেক বাঁচাতে মরিয়ে হয়ে যাবে।
সে হবে।
তুমি কেমন দক্ষ?
সম্ভবত, তুমি শেষ পর্যন্ত কিছু লেনদেন করতে পারবে।
তারপর বলো।
তোমার জীবনের ২৪ ঘণ্টায়।
ফিরে পাবে, যা তোমার কাছ থেকে চুরি করা হয়েছিলো।
দর-কষাকষি করছো?
না। চলো কথা বলি। ভিতরে এসো।
অস্ত্র এখানে রেখে যাও। এটা নিয়ম।
মনে রাখবেন, এই গাড়িটা ডেট্রয়েট ভেঙে যাওয়ার সময় পাঠানো হয়েছে।
এই উটগুলো কোথায় পেয়েছো?
প্রসিদ্ধ সংকর উট। মরুভূমির জাহাজ।
ওদের চালাতে ইঞ্জিন নেই, তেলের খরচ নেই, আর ধোঁয়া বের হয়না।
এখনই চালাতে পারবেন।
একজন যোদ্ধা, খালা।
সব কিছু হারিয়ে কাজ খুঁজছে।
কিন্তু এই লোক তো কুৎসিত।
ও খুব ক্ষিপ্র!
ইস্পাত...
...ও কি পারবে?
হয়তো।
আগে কি করতে?
পুলিশ ড্রাইভার ছিলাম।
পৃথিবী কিভাবে বদলে গেলো দেখো।
আজকের বাদশাহ, কালকের ফকির।
দুঃখের কিছু বাজাও।
জানো আমি কে ছিলাম?
কেউ না।
সেই দিনের পর থেকে আমি এখনও বেঁচে আছি।
কেউনা, এরপর কেউ একজন হওয়ার সুযোগ পায়।
সে বিশাল ইতিহাস। যাই হোক, পানি না ফল?
অভিনন্দন। তুমি প্রথম পরীক্ষায় টিকে গেছো।
পান করো।
সমস্যা নেই।
এসো আমার সাথে।
দেখো। সব আমি বানিয়েছি।
উপর থেকে নিচ পর্যন্ত রক্ত আর গোবরে বানানো।
এখানে আগে মরুভূমি ছিলো, এখন একটা শহর হয়ে গেছে।
আগে লুটতরাজ চলতো, এখন ব্যবসা হয়।
যেখানে হতাশা ছিলো, এখন সেখানে আশা আছে।
এটা সভ্যতা।
এটা রক্ষা করতে সব করতে পারবো আমি।
আজ মানুষ খুন করার দরকার হতে পারে। তুমি কি বলো?
তুমি বেতন দাও?
আমি তোমাকে সব দিবো... গাড়ি, পশু, চাইলে জ্বলানিও।
সুবর্ণ প্রস্তাব দিচ্ছি।
আমি কেন? তোমার যোদ্ধা আছে, অস্ত্র আছে, শুধু হুকুমের অপেক্ষা।
কয়েকজন ধূর্ত লোক ঝামেলা করে।
কোন শত্রু না। পরিবারেরই একজন।
বুঝলাম, তোমরা প্রগতিশীল।
কারণ তোমাকে বুঝতে হবে না। শর্ত মেনে চুক্তি করবে কিনা?
প্রথম শর্ত, কেউ যেন না জানে তুমি খালার হয়ে কাজ করছো।
তাঁকে আঘাত করবে, তুমি বাদ।
দ্বিতীয় শর্ত, ন্যায্য লড়াই হবে।
তৃতীয় শর্ত, মারা যেতে পারো।
ঘরগোশটা কে?
আমরা এটাকে আন্ডারওয়ার্ল্ড বলি। বার্টারটাউনের এনার্জি এখান থেকেই আসে।
তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস?
শুয়োর।
এই রকম শুয়োর দিয়ে?
- গু! - শুয়োরের গু!
শুয়োরের গু। আলো, মোটর, গাড়ি...
...সবগুলোই মিথেন নামের উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন গ্যাস দিয়ে চলে।
মিথেন আসে শুয়োরের গু থেকে।
দেখো। কি দেখছো আমাকে জানাও।
দেখতে পাচ্ছি একজন বড় মানুষ ছোট মানুষকে কাঁধে নিয়ে ঘুরছে।
মাস্টার ব্লাস্টার। ওরা এক জোট।
এমনকি তাঁরা এক নামই ব্যাবহার করে।
ছোটজনকে বলে মাস্টার। সে হলো মস্তিষ্ক।
আন্ডারওয়ার্ল্ড সে চালায়।
অপরজন হলো ব্লাস্টার। সে হলো শরীর।
একসাথে তাঁরা খুব শক্তিশালী হতে পারে।
তাঁরা অহংকারীও বটে।
আমরা মস্তিষ্ককে রেখে দিতে চাই, আর শরীরকে খালাস।
ও অনেক বড়, লড়াই করে কেমন?
সে এক নিঃশ্বাসে অনেকগুলো মানুষকে মারতে পারে।
আমি কাছ থেকে একবার দেখতে চাই। ওখানে যাবো কিভাবে?
- ওটা একটা কারখানা। কাজ খুঁজতে যাও। - মিথেনের ব্যাপারে আমার কোন ধারণা নেই।
গোবর বেলচা দিয়ে তুলে ফেলতে পারবে তো?
এই যে, তুমি!
কথা আছে।
মুক্তমানুষ। এখানে মরতে এলে কেন? আমার মত মরতে চাও নাকি?
এখানে কতদিন ধরে আছো?
বড়টা? জীবন!
শুয়োর মারার জন্য?
আমার বাচ্চাদের খাওয়াতে হত।
আমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করে না। এখানে দুই-তিন বছর হচ্ছে।
নিষ্কর্মা ব্ল্যাকফিঙ্গার মিস্ত্রিটা কোথায়?
একটা বড় ঝামেলা হয়েছে।
বারো পাউন্ডের ডাইনামাইট লাগানো আছে।
তুমি অভিজ্ঞ, নিরস্ত্র করো!
খুব কঠিন কাজ, একটা ভুল হলেই পুরো এলাকাটা উড়ে যাবে।
সত্যিই।
চিন্তা করো, কি করা যায়!
এখন... ডাইনামাইট ঘড়ির সাথে সংযুক্ত করা আছে...
...সাথে একটা সুইচও লাগানো আছে, আমি খুঁজে পাচ্ছি না...
...সেটা আবার যুক্ত করা আছে...
ব্যাটারির সাথে।
আমি ব্যাটারি খুলে ফেলবো।
আমি তা করতাম না।
তুমি কে?
আমি ম্যাক্স।
তুমি খুব চটপটে!
ওটা আমার গাড়ি!
নিরস্ত্র করো!
কত দিবেন?
কোন লেনদেন না। করো!
ধরো!
আমি হুকুম, আমিই মালিক!
আমি চালাই বার্টারটাউন!
এই কারণেই গুয়ের মধ্যে থাকো তুমি।
গু না! এনার্জি!
যা খুশি বলতে পারো, কিন্তু গন্ধ গুয়ের মতই লাগছে।
গু না! এনার্জি। এনার্জি ছাড়া! শহর হয়না!
আমি মরুভূমির রাজা!
অবশ্যই। সুন্দরী রাজকন্য!
নিষেধাজ্ঞা জারি করো!
বন্ধ করো সব! ভালভ বন্ধ করো
৪, ৩, ২...
আবার কি হলো তোমার?
বার্টারটাউন কে চালায়?
ধুর মিঞা! বলেছি আর নিষেধাজ্ঞা জারি করবে না।
আরো, ব্লাস্টার।
কে চালায় বার্টারটাউন?
কে চালায় বার্টারটাউন?
তুমি জানো কে।
বলো।
মাস্টারব্লাস্টার।
জোরে বলো।
মাস্টারব্লাস্টার।
মাস্টারব্লাস্টার কি?
মাস্টারব্লাস্টার বার্টারটাউন চালায়।
আরো জোরে।
মাস্টারব্লাস্টার বার্টারটাউন চালায়।
নিষেধাজ্ঞা বাতিল করো।
মুখে পা চাও?
নিরস্ত্র করো।
সাবাস!
এদিকে ব্লাস্টার।
- এই যে ভাই, মিথ্যা বলছো কেন? - এমনি।
- কে তুমি? - কেউ না।
না, ভাই। আমি অনুভব করতে পারছি। পাশার দান ঘুরছে!
আমার উট, গাড়ি, খাবার, পানি, মিথেন চাই।
চুক্তি।
তুমি বলেছিলে ন্যায্য লড়াই। কি সেটা?
নিয়ম অনুসারে।
বজ্র-গম্বুজে!
দু'জন মানুষ, হাতাহাতি। কোন বিচারক নেই, আহ্বান নেই, প্রতিশ্রুতি নেই।
দুজন মানুষ ঢোকে, একজন মানুষ বের হয়।
অস্ত্র-শস্ত্র।
সবই সম্ভব। সুযোগেই সমাধান হয়।
বজ্র-গম্বুজ। কিভাবে যাবো ওখানে?
খুব সহজ। লড়াই বেঁছে নাও।
সবার ভালো সময় কাটুক!
ওটা আমার গাড়ি আর আমি ফেরত চাই!
এ কি শুনছি! হুকুম করছো মনে হয়!
ঠিক তাই।
হায় খোদা, দেখো বেচারাকে। মাথা বিগরে গেছে।
আমি ব্যাখ্যা করছি।
এই গাড়ি আমার। তুমি...
...পথচারী!
তিন সেকেন্ড...
...ঘাড় ভেঙে দিবে, এক...
মাস্টারব্লাস্টার!
আইনের কথা শোনো!
খালা, দু'জন মানুষ ঝগড়া করছে।
এই আমাদের সাক্ষী, খালা।
আমরা ভুক্তভোগী। আমরা বিচার চাই।
আমরা বজ্র-গম্বুজ চাই!
তুমি নিয়ম জানো। দুজন ঢুকবে, একজন বের হবে।
এই ব্লাস্টার। বিশজন ঢুকলেও সে বের হবে।
তাহলে সেটা তোমার পছন্দ। বজ্র-গম্বুজ।
খালা! খালা!
বজ্র-গম্বুজের আরেকটা প্রদর্শনীতে স্বাগতম!
শোনো! শোনো!
এর সত্য হলো।
No comments yet. Be the first to leave one.