The first 145 lines.
- কোনো পরিবর্তন? - না। আসা-যাওয়া সব বন্ধ।
খানকির ছেলে।
ফ্যারাডের কথা ঠিক। জায়গা বদলে ফেলেছে ও।
আহ! এবারের কাজটায় গুবলেট পাকিয়ে গেছে।
সরি। সবকিছু মাঠে মারা গেল।
সামান্য একটা গাড়ি চুরি হওয়ায়, আরাসাকা সব প্রমাণ লোপাট করে দিয়েছে, ভাবা যায়?
হুমম। এসবের পেছনে বড় কিছুর গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
কীসের পেছনে পড়ে আছি, সেটা যদি ফ্যারাডে বলত।
কথায় বলেনা, "রাঘববোয়ালেরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়"?
তানাকার ব্যাপারে আরো খোঁজখবর করব নাকি?
না, আরাসাকার হাঁড়ির খবর বের করা ফিক্সারদের কাজ।
কী করতে হবে সেটা ও-ই বলে দেবে।
বেশি কিছু জিজ্ঞেসও করা যাবেনা,
"আমি তোমাদের টাকা দিই আমার হুকুম তামিল করার জন্য।"
সেটা ঠিক আছে, কিন্তু, কৌতুহলও তো চেপে রাখতে পারছিনা।
কিউইকে পেছনে লাগিয়ে দেখি, ও কী খুঁজে পায়।
তোমাকে কে আটকিয়ে রাখবে, জানু।
ততক্ষণে, চলো না আমরা একটু মস্তি করে নিই।
বাজে, বড্ড বাজে সময়ে কল দিয়েছিস।
আহ, কী অবস্থা? কোনো খোঁজখবর নেই তোমাদের।
হাতে কোনো কাজ আসলে জানাব বলেছিলাম।
কোনো কাজ নেই? ফাঁকা? যে কোনো কাজই চলবে।
এতো উতলা হয়ে যাস না।
টাকা-পয়সা সব শেষ? গতবারের হিস্যা উড়িয়ে ফেলেছিস?
-টাকা-পয়সার কথা বলছি না আমি। - হুম?
কাজ, কাজ শিখতে চাই আমি।
তোমাদেরকে নিজের অবলম্বন বানানো যাবেনা।
তুমিই বলেছিলে, ঠিক না?
আচ্ছা, বেশ।
ওই! অ্যালডোকে খুঁজছি আমি।
তাই? তো তুই কে?
মেইন। মেইন পাঠিয়েছে আমাকে।
হ্যাঁ? তুই তবে ডেভিস?
আহ...
-অ্যাহ? -আমি ডেভিড।
-ডেভিস? -আরে ডেভিস না! ডেভিড! ডেভিড!
চেঁচাচ্ছিস কী জন্যে রে, খানকির ছেলে?
শুনেছি তো। ডেভিড।
তুই পিলারের পোষা চিঁড়িয়া, অ্যাঁ?
পিলারের?
ওটা তো তুই, ঠিক না?
আরাসাকার লিমোটার বারোটা বাজানো সেই হতচ্ছাড়া? দলে ঢুকেই কি খেল দেখালি রে।
হ্যাঁ... আমার প্রথম কাজ।
গাড়িটার ঐ হাল না করলে, ওটা থেকে...
অন্তত ৫০০০ টাকা কামাতে পারতি।
-পরেরবার মাথায় রাখব। -অ্যাঁ?
পরেরবার চেষ্টা করব!
পরেরবার, অ্যাঁ?
হ্যাঁ, গতবার ভাগ্যের জোরেই জিতে গেছিস নাকি, সেটা সামনে দেখা যাবে।
-মানে কী? -গায়ে মাখার মতো কিছুনা।
তুই আসলেই মরদের বাচ্চা নাকি কোনো গুয়ের পোকা, খুব জলদিই দেখা যাবে।
ওয়াটসনের সাইবার-সাইকোটার ব্যাপারে শুনেছ?
শালারা একের পর এক উদয় হচ্ছেই।
হ্যাঁ, দায়িত্বরত দুজন পুলিশ ওখানেই মরেছে।
দেখলাম ভিডিওটা। বেচারা।
একটা মিসাইলের আঘাতে...
দুজনেই একদম চিঁড়েচ্যাপ্টা হয়ে গেছে।
আরে, ডেভিড, জান আমার!
-কী অবস্থা? সব ঠিক আছে তো? -আমি- আহ, হ্যাঁ।
খবর কী? কিছু লাগবে?
আহ, হ্যাঁ!
মেইন এই জিনিসটা পাঠিয়েছে। পিলার নেই?
আহ!
ভাইয়া, তোর জিনিস আছে!
-ও তোমার ভাই? -হ্যাঁ?
মেইন কিছু পাঠিয়েছে। এসে নিয়ে যা।
অবশেষে!
বাপরে বাপ! কত শালা এই সাইবারহাত পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে আছে, জানিস?
কড়া মাল!
তোমাকে কি বিদেয় দেবো, নাকি..?
আমার জন্য আর কোনো কাজ আছে, নাকি এটুকুই?
ভাইয়া, আজ এটুকুই?
হ্যাঁ, ভাগ এখন!
আর বেকা, যাবার সময় ওকে বকশিস দিয়ে দিস।
তুই নিজে দে, কিপটাচোদা!
এটা বুলেটপ্রুফ!
কাজ শেষ তাহলে? আমি তবে আসি?
আহ...হ্যাঁ। তা-ই তো মনে হচ্ছে।
আহ, আচ্ছা।
বাপরে! এতোগুলো বকশিস?
তুমি খুব কিউট তো।
-হাহ! -পরে দেখা হচ্ছে, জানেমন!
এই, আজ রাতে খালি আছ?
বাব্বাহ্!
এসেছ দেখছি।
তুমিই তো আসতে বললে, তাই।
মেইনের জোরাজুরিতে বাধ্য হয়েছি।
কী? মেইনের জন্যে?
আমিই কেন?
তুমি নিজে তো দলছুট। কখনো অন্য কোনো দলছুটের দায়িত্ব নিয়েছ?
একটু দায়িত্ব নিয়ে শেখো।
ওর দায়িত্ব তোমার। তুমিই ওকে দলে ঢুকিয়েছ।
আরে, ছেলেটা কাজ কাজ করে মাথা খেয়ে ফেলল।
একটু ওকে নিয়ে ঘোরো। একটু খাটাও।
বাঞ্চোদ।
শালার মেইনটাও না!
আমি বলব সেটা, আজ আমার ছুটির দিন।
আমার সাথে ফেঁসে গেলে বলে দুঃখিত।
এমন শুকনো পাটখাটির মতো শরীরে তোমাকে ঠিক সাইবারপাংকের মতো মনে হয়না।
এই শরীর নিয়ে, আর দু-একটা ইমপ্ল্যান্টেরই ধকল সইতে পারবে কিনা সন্দেহ।
যতটা ভাবছ, আমি অতোটা দূর্বল নই।
পা চালাও তবে।
কখনো ব্যবহার করেছিস?
না।
গ্লোরিয়া কখনো রাখতে দেয়নি?
এখন থেকে রাখবি।
কী বলিস? চাইলে কিছু কারিকুরি শিখিয়ে দিতে পারি।
আপাতত স্যান্ডেভিস্টানটা দিয়েই চালিয়ে নেবো।
- এই। - হ্যাঁ?
ভাবছিলাম, তুমি কি আসলেই নেটরানার?
একদম। আর?
কিছুনা। শুধু ভাবছিলাম, মানে, নেটরানারদের দৌড়াতে হয় কেন?
নেটরানার, এজরানার সব এক। যত বেশি কষ্ট সইতে পারবে, জীবনে তত এগোবে।
এখন থেকে ঘর থেকে কখনো খালি হাতে বেরোবি না, বুঝেছিস তো?
প্রত্যেকদিন ওয়ালেট, কনডম আর বন্দুক সব ঠিকঠাক নিয়েছিস কিনা দেখে নিবি।
হ্যাঁ, কেউ কেউ টিকে থাকতে, পুরোদস্তুর ইমপ্ল্যান্টের উপরই নির্ভর করে।
কিন্তু শুধু ইমপ্ল্যান্ট ভরসায় টিকে থাকতে শিখতে...
তোর আরো কিছুটা সময় লাগবে।
ততদিন পর্যন্ত, এই জিনিসটাই তোর ভরসা।
-তো... -আবার কী?
তোমার বয়সটা কত যেন?
লুসির সাথে সবকিছু কেমন চলছে?
মানে?
ঠিকঠাক খেয়াল রাখছিস তো?
সরি। আমি আসলে ওভাবে বলতে চাইনি...
বলতে চাচ্ছি, তোমার বয়সের সাথে তোমার দক্ষতা ঠিক খাপ খায় না।
দক্ষতার সাথে বয়সের কোনো সম্পর্ক নেই।
সবটাই মেধা আর সাধনার ব্যাপার।
ভালো করে শুনে নাও। শুধু মূর্খেরাই অন্যেদের বয়স দেখে বিচার করে।
যেমন?
ঐ হাত লম্বা ছ্যাঁচড়।
ঠিকঠাক খেয়াল রাখছি কিনা, মানে কী?
অ্যাহ! মানে তোরা এখনো কিছু করিসনি?
কীসের কথা বলছ তুমি, বলো তো?
ডেভিড, উজবুক বন্ধু আমার। তোকে নিজের শিরদাঁড়াটা সোজা রাখতে হবে।
বোধহয় বুঝতে পারছিস, আমি শুধু সাইবারপাংকের বিষয়টাকে ইঙ্গিত করছি না।
তাই? গতদিন যে তোমাদের দুজনকে বেশ বন্ধুর মতো কথা বলতে দেখলাম।
লিমোটা চুরি করার পর ঐ পার্টিতে।
মাঝে মাঝে বড় ভাইয়ের মতো ভাব নেয়, তারপর হঠাৎ আমাকে ছোঁয়ার চেষ্টা করে।
তাই সেই রাতে ওকে একটু উচিত শিক্ষা দিয়েছি, তার পরপরই ভেগেছে।
-আর তুমি? -আমি?
তুমি আসলেই এজরানার হতে চাও?
আমি ওকে ওই নজরে দেখিনা।
আরে খোকা, আমরা সব বুঝি।
অথবা, অন্তত ও আমাকে ওই নজরে দেখে না।
No comments yet. Be the first to leave one.