A Beautiful Mind

A Beautiful Mind

Download Bengali Subtitle

Release info

A Beautiful Mind Bluray Bangla Subtitle By N H Shuvo
A Commentary by Nazmul Hossain
Rate It If You Like It. Enjoy The Masterpiece. Thanks Everyone.

Tags

BluRay
Published on: 2014-12-07
Downloads: 215
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

মুভিঃ ★ A BEAUTIFUL MIND ★ অনুবাদকঃ নাজমুল হোসাইন শুভ ফেসবুকে যোগাযোগঃ goo.gl/JlDXUO

গণিতবিদগণ যুদ্ধে জয় লাভে সাহায্য করতেন।

এরাই জাপানিজ কোড ভেঙ্গে...

...পারমানবিক বোমা তৈরী করেছিলেন।

আপনাদের মত গণিতজ্ঞ ব্যাক্তিগণই এসব করে গেছেন।

সোভিয়েট ইউনিয়নের দৃঢ় লক্ষ্য- "আন্তর্জাতিক সাম্যবাদ"।

ঔষধবিদ্যা হোক বা অর্থনীতি...

...প্রযুক্তি বলুন বা মহাকাশবিজ্ঞান...

...যুদ্ধের নীলনকশা তৈরী হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

বিজয় অর্জনের জন্য, আমাদের প্রয়োজন ফলাফল...

...প্রকাশযোগ্য ও প্রয়োগ উপযোগী ফলাফল।

আপনাদের মধ্যে কে হতে চান পরবর্তী মোর্স (টেলিগ্রাফের জনক)?

কিংবা পরবর্তী আইনস্টাইন?

গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও আবিষ্কার রক্ষায়...

...কারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চান ?

আজ, আমরা আমেরিকার ভবিষ্যৎ আপনাদের যোগ্যহস্তে সমর্পণ করছি।

প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাগতম, ভদ্রমহোদয়গণ।

হ্যানসেনের আংশিক কার্নেগী স্কলারশীপ জয়, আসলেই দুঃখের ব্যাপার এটা !

আসলে, উনি পুরো পুরষ্কারটা পাবার দাবীদার ছিলেন।

এই প্রথমবার কার্নেগী পুরষ্কার ভাগ করা হল। হ্যানসেন আসলেই দক্ষ ছিলেন।

তার লক্ষ্য ছিল হুইলার ল্যাবে যাবার। আর MIT হল মিলিটারিদের জন্য।

ল্যাবে এই বছর একজনকেই নেয়া হচ্ছে।

হ্যানসেনকেই ওনাদের নেয়া উচিত ছিল, যেটা হয়নি।

হ্যাঁ, অংক কষে বৃথা সময় অপচয় হল।

উনি প্রেসিডেন্ট হবার চেষ্টা করলেও হয়ত সফল হতে পারতেন।

আপনার টাই-টির নকশাগত ভুলের পেছনে একটা গাণিতিক ব্যাখ্যা লুকিয়ে আছে।

ধন্যবাদ জানানোর জন্য।

আমি নীলসন, সাংকেতিক চিহ্ন-লিপি বিষয়টি নিয়ে পড়ছি।

নীলসন জাপানিজ কোড ভেঙ্গেছে একবার। পৃথিবীকে ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত করতেও সাহায্য করেছিল সে।

অন্তত মেয়েদের পটাতে সে এসবই বলে থাকে, তাই না, নীলসন?

আমার নাম ব্লেন্ডার। পরমাণুবিষয়ক পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছি।

- আর আপনি? - আমি কি দেরি করে ফেলেছি?

- হ্যাঁ, জনাব সোল। - ওহ, ভালোই, হাই।

- আমি সোল। রিচার্ড সোল। - প্রতিভার বোঝা সামলাতে অক্ষম তিনি!

- এই তো উনি। - শরণার্থী বেশী হলে, সময়ও কম পাওয়া যাবে।

- জনাব সোল। - কেমন আছেন, স্যার?

- বেন্ডার। - আপনাকে দেখে আপ্লুত হলাম।

- অভিনন্দন, জনাব হ্যানসেন। - ধন্যবাদ।

আমার জন্য আরো একটা।

ক্ষমা করবেন?

দুঃখিত। আমি আপনাকে ওয়েটার ভেবে ভুল করেছি।

- কিছু মনে করবেন না। - হ্যানসেনের স্যুটটার পাশে যেকোন স্যুটই ম্লান মনে হয়।

মিষ্টি ভুল যাকে বলে।

তো, মার্টিন হ্যানসেন।

আপনিই জনাব মার্টিন, তাই তো?

ঠিক ধরেছেন, জন। আমিই সে।

আমার মনে হয় আপনি হিসাবে ভুল করতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন।

আপনার অপ্রকাশিত লেখাগুলো পড়েছি...

...দুটোই পড়েছি।

ন্যাজিদের সাইফার কোডের উপরে লেখা সেটা...

...এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ সমীকরণের উপরে রচিত লেখাটিও...

...আর আমি সম্পূর্ণ আত্ববিশ্বাসের সাথে বলছি...

...দুটো রচনার একটিতেও কোন নতুনত্বের ছাপ পরিলক্ষিত হয়নি।

কথাটা হজম করতে সময় লাগবে আপনার।

ভদ্রমহোদয়গণ, জন ন্যাশ-এর সাথে পরিচিত হয়ে নিন...

...পশ্চিম ভার্জিনিয়া থেকে আগত এক রহস্যময় প্রতিভা !

দুই ভাগ করা কার্নেগী স্কলারশীপের বাকি অর্ধেক অংশ বিজয়ী ব্যক্তি।

- আচ্ছা? - তাই নাকি?

দেখেই বুঝেছিলাম।

ওহ, বাপরে!

কমবয়সী প্রতিভাবান রুমমেট-এর আগমন ঘটেছে দেখছি।

রুমমেট?

আরে, কিসব ফালতু উচ্চাঙ্গসঙ্গীত শুনছে!

তোমার কি জানা আছে যে, হ্যাংওভার হওয়াটা...

...মোটেও শরীরে পানিশুণ্যতার বহিঃপ্রকাশ নয়,

...যেটা শরীরকে প্রকৃষ্টরুপে পরিচালিত করে?

এরকমটাই হয়ে থাকে যখন, শরীরে পানিশুন্যতা দেখা দেয়।

তো, প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হওয়াটা...

...তোমাকে মনে করিয়ে দেবে...

...হ্যাংওভারের কথা, যেই তৃষ্ণা তোমাকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর সন্নিকটে নিয়ে যায়।

জন ন্যাশ?

হ্যালো।

আমি চার্লস হারম্যান।

দেখা হয়ে খুশী হলাম।

আজকে খুবই সুখানুভূতি হচ্ছে!

নিজেকে আবারও মানুষ বলে মনে হচ্ছে!

অফিসার, আমি দেখেছি, কোন ড্রাইভার আমাকে ধাক্কা মেরেছে। তার নাম জনি ওয়াকার।

বাহ!

আমি কাল রাতে ইংরেজি ডিপার্টমেন্টে...

...একটু মজা করতে গিয়েছিলাম।

মজা তো হলোই...

...সাথে ডি. এইচ. লরেন্সের ১২টা বাজিয়ে রেখে এসেছি।

তুমি খুব সহজে অন্যমনষ্ক হও না, তাই না?

- এখানে সময় নষ্ট করতে আসিনি আমি। - আচ্ছা, তাই নাকি?

বুঝলাম, বইয়ের পোকা ভায়া!

আমার রুমমেট কি এতটাই অসামাজিক ?

হুম?

শোন।

যদি বরফ ভাঙ্গা না যায় তাহলে ...

... সেটাকে গলানোর চেষ্টা করা উচিত নয় কি?

তাহলে তোমার পেছনের ইতিহাস কি?

তুমিই কি সেই দুর্ভাগা যে কখনো ফালতু মজা করে সময় নষ্ট করেনি?

ছেলেবেলায় কিছু শিক্ষাদীক্ষা পাওয়ার কারণে আমি একটা ব্যালেন্সের মধ্যে থাকতে পছন্দ করি।

আমার দুই কাঁধেই একটা করে চিপ (ভালো ও খারাপ) আছে।

মানুষের সাথে আলাপ করার চেয়ে হয়তো তুমি পুরোনো গাণিতিক ব্যাপারগুলোর সাথে বেশী সখ্যতাপূর্ণ।

আমার প্রথম শ্রেণীর শিক্ষিকা বলেছিলেন, আমি মস্তিষ্ক থেকে অন্যদের চেয়ে দ্বিগুণ সাহায্য পাই...

...কিন্তু মনের কাছ থেকে অর্ধেকও সাহায্য পাই না।

বাহ! চমৎকার কথা বলেছেন!

সত্যি বলতে কি, আমি...

অন্যদের বেশী পছন্দ করি না।

আর অন্যরাও আমাকে বেশী পছন্দ করে না।

কিন্তু কেন? তোমার জ্ঞান ও বুদ্ধির বহর দেখে ভয় পায় নাকি?

সত্যি, জন।

গণিত...

এই গণিত কখনো তোমাকে গভীর সত্যের পথে পরিচালিত করবে না।

আর তুমি জানো কেন?

কারণ এটা একঘেঁয়ে, অতি বিরক্তিকর বিষয়।

জানো, আমরা এখানে যত সময় নষ্ট করছি, স্কুলছাত্ররা ততদিনে পাস করে বেরও হয়ে যাবে।

আমি এই ক্লাস আর বইয়ের পেছনে সময় নষ্ট করতে...

...মোটেও রাজি নই।

দুর্বল অনুমান ও অবাস্তবতাগুলোকে সত্য বলে ধরে নিতে হচ্ছে!

আমার আরো গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে...

...নিয়ন্ত্রকদের গতিবিদ্যা বিষয়ে জানতে হবে।

একটা সম্পূর্ণ মৌলিক ও নতুন আইডিয়া আবিষ্কার করতে হবে।

তাহলেই কেবল নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা প্রমাণ করতে পারব।

- তাহলেই কেবল আমি হব... - গুরুত্বপূর্ণ।

হ্যাঁ।

- আচ্ছা, এরপর কে? - আমি আজকের জন্য যথেষ্ট খেলে ফেলেছি।

- ধুর! - আমার এই খেলাটা ভালোই লাগে না।

কাপুরুষের দল!

কেউই কি আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে চাও না?

আচ্ছা, শোন। যেই আমার সাথে জিতবে, সোল তার জামাকাপড় পুরো সেমিস্টার জুড়ে পরিষ্কার করে দেবে।

- অন্য কারোরই কি এই প্রস্তাবকে অন্যায় বলে মনে হচ্ছে না! - মোটেও না।

- দেখো ওকে। - ন্যাশ!

নিয়মতান্ত্রিক জীবনকে ছুটি দিয়েছো নাকি?

আমি কবুতরের চলাফেরার ধরণ থেকে একটা গাণিতিক নকশা আবিষ্কারের চেষ্টা করছি।

ওহ।

পাগলাটে!

আমি শুনেছি তুমি পরীক্ষায় ফেল করেছো। তুমি কখনো ক্লাস করবে না নাকি...

প্রতিদিনের ক্লাস মানুষের চেতনাকে নিষ্প্রভ করে দেয়। মনের সৃষ্টিশীল চিন্তা করার ক্ষমতাকে বিনষ্ট করে ফেলে।

ওহ, জানতাম না তো!

ন্যাশ তার জিনিয়াস বুদ্ধি দেখিয়ে আমাদের তাজ্জব করে দেবে!

অন্যভাবে বলতে গেলে বলা যায়, আমাকে মোকাবিলা করার সাহস তার নেই!

ভয় পাচ্ছো?

ভীত, অপমানিত, বিস্মিত ও স্তম্ভিত হচ্ছি তোমার দ্বারা!

বাদ দাও ওসব। আসছি।

এভাবে বললে, না এসে পারা যায় না।

তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি, জন।

বলে ফেলো মার্টিন।

পেরন-এর অনুমান ও তার প্রমাণ দিচ্ছে অ্যালেন সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত আছে বেন্ডার ও সোল।

পর্যাপ্ত কাজ করা হচ্ছে...

...কিন্তু নতুন কোন আবিষ্কার নেই! এটাই বলবে তো?

- বুদ্ধি দেখে অবাক হলাম! কি বল? - আমিও তাই।

আমি DOD নিরাপত্তা বিভাগ থেকে দুটো অস্ত্রের দায়িত্ব পেয়েছি।

এসব আমাকে বলা অর্থহীন।

কিন্তু ন্যাশ অর্জন করেছেঃ কিছুই না!

আমি খুবই ধৈর্যশীল ব্যক্তি, মার্টিন। আসলেই তোমার কোন প্রশ্ন আছে তোমার?

কি হবে যদি তুমি কখনোই তোমার মৌলিক আইডিয়া খুঁজে না পাও?

কেমন লাগবে যদি আমি হুইলার-এ মনোনয়ন পাই...

...আর তুমি না পাও?

তুমি হেরে গেলে কি হবে?

তোমার জেতার কথা ছিল না।

হুমম...

আমি প্রথম চাল দিয়েছি, খেলাটা আমার পরিকল্পনামতো এগোচ্ছিল।

হারার পরের অজুহাত আর কি।

খেলায় সুক্ষ কারচুপি ছিল।

ভদ্রমহোদয়গণ, মহান জন ন্যাশ!

তুমি দুই দিন ধরে এখানেই আছো!

জানো হ্যানসেন আরো একটা গবেষণাপত্র প্রকাশ করে ফেলেছে?

আর আমি এখনো ডক্টরেট করার জন্য কোন বিষয়ই খুঁজে পাচ্ছি না।

পজিটিভভাবে দেখতে গেলে, তুমি "জানালায় চিত্রশিল্প" বিষয়টা উদ্ভাবন করেছো।

এটা হল একটা গ্রুপের ফুটবল খেলার নকশা।

এটা একগুচ্ছ কবুতরের রুটির টুকরার জন্য লড়াই করার নকশা।

আর এটা একজন মহিলা এক লোককে তাড়া করছে যে তার পার্স ছিনতাই করেছিল, তার নকশা।

জন, তুমি ছিনতাই দেখছিলে!

একটু আজব ঠেকল!

"প্রতিযোগিতাপূর্ণ আচরণ করলে একজনকে হারতেই হয়।"

এটা আমার ভাতিজিও জানে, জন। আর ওর সাইজ এর বেশী হবে না।

তো, যদি আমি একটা ভারসাম্য বের করতে পারি যেখানে,

ব্যাপকতা কোন একক বিষয় নয়,

সেখানে কারো হারার প্রশ্নই ওঠে না।

একবার এটা আবিষ্কার করলে কি হবে ভাবো, যেসব বিষয় দ্বন্দ্ব সংঘাত সৃষ্টি করে...

তুমি শেষ কবে খেয়েছিলে?

- কবে কিছু খেয়েছিলে মনে আছে? - যেমন, মুদ্রা বিনিময় খাত...

খাবার কি জিনিস জানো?

তোমার কল্পনার ক্ষমতার প্রতি কোন সম্মান নেই, জানো সেটা?

হ্যাঁ, কিন্তু পিজ্জা...

এই পিজ্জা জিনিসটার প্রতি আমার প্রচন্ড সম্মান রয়েছে!

আর, হ্যাঁ, মদ।

মদ-কে সম্মান করি আমি!

আমি মদ-কে শ্রদ্ধা করি!

- শুভ সন্ধ্যা, নেইলস। - হেই, ন্যাশ।

কে জিতছে? তুমি নাকি তুমিই?

- শুভ সন্ধ্যা, ন্যাশ। - হেই, বন্ধুরা, হ্যালো ন্যাশ।

নিঃসন্দেহে সে তোমার দিকেই তাকিয়ে আছে।

হেই, ন্যাশ।

নেইলস তোমার মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে।

- মজা করছে। - হতেই পারে না।

- যাও গিয়ে কথা বলে এসো। - বীরপুরুষের পরিচয় দিয়ে এসো।

- "ভাগ্য সর্বদা সাহসীর সহায় হয়।" - "বেড়ালের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়েছে।"

ভদ্রোমহোদয়গণ, আপনাদের মনে করিয়ে দেই, আমার অধরা সাফল্য প্রতিবার চেষ্টার পরে

নাটকীয়ভাবে আরো দূরে সরে যাচ্ছে।

এখানে একটা বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে।

হয়তো তুমি আমাকে একটা ড্রিঙ্ক অফার করবে।

জানি না কিভাবে শুরু করব...

...তোমার সাথে শারিরীক সম্পর্ক গড়ার বিষয়ে...

...কিন্তু এটা কি ধরে নিতে পারি যে, আমি সেটা ইতোমধ্যেই বলে ফেলেছি?

বিশেষ করে আমরা "তরল আদান-প্রদান" নিয়ে কথা বলছি, তাই না?

তো, আমরা কি সময় নষ্ট না করে যৌনকার্য শুরু করে দিতে পারি?

ওহ, কি মধুময় কথা!

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left