Release info

Naachiyaar (2018)[Proper HDRip - x264 - Tamil]
Naachiyaar (2018) HDRip - [1080p - HD AVC]-Tamil
Naachiyaar (2018) HDRip - [720p - HD AVC ]-Tamil
Naachiyaar (2018) HDRip - [720p - HDRip - x264 - 5 1]-Tamil
Naachiyaar (2018) -[HDRip - x264 - 1CD - MP3]-Tamil
Naachiyaar (2018) HDRip - [x264 - MP3]-Tamil
Naachiyaar (2018) [720p - HDRip - x264 - AC3 5 1-Tamil
Naachiyaar (2018)[HDRip - x264 - Tamil]
Naachiyaar (2018)[HDRip - XviD - MP3- Tamil]
Naachiyaar (2018)[720p HDRip - x264 - AC3 5 1 - Tamil]
A Commentary by ShADN
আমার ৯ম সাবটাইটেল এটি। তামিল হিসেবে ৩য়। মুভি ডাউনলোড: https://movielinksbd.com/naachiyaar/

Tags

hdrip
HDRip
XviD
HD
x264
720p
720
AC3
1080
Published on: 2018-03-28
Downloads: 32
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

বাংলা অনুবাদেঃ অনন্য দেবনাথ ( Sh.ADN )

ওইসব কিশোরী মেয়েদের প্রতি উৎসর্গ করা, যারা না জেনে জীবনে বড় পদক্ষেপ নিয়ে ফেলেছে!

কোনো ধর্ম, জাতি কিংবা বর্ণকে হীন করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়!

হাই মা, ইউকে আর সুইজারল্যান্ডে আমার ছুটি কাটানোর পরিকল্পনার জন্য ধন্যবাদ।

জলদি এসো!

আমি অপেক্ষা করছি।

গাধা! সিগন্যালও দেখতে পাস না?

কানা কোথাকার!

- হুম..প্যান্ট, শার্ট, চশমা পরেছে! - তুমি ঠিকাছো? বাচ্চার কোথাও লেগেছে?

- বাপরে! পুলিশ! - তোমার হেলমেট কোথায়?

স্যরি, ম্যাডাম।

- নমষ্কার। - হুম।

ঠিকাছে বাবু।

চালাও এবার!

(এইচ১ পুলিশ স্টেশন? কন্ট্রোল রুম থেকে বলছি)

সবাই.. রেডিও শুনছে নাকি?

- ওয়াকি-টকিটা রিসিভ করো! - আচ্ছা, ম্যাডাম।

- ফিরোজ কোথায়? - এখনো আসেনি।

আচ্ছা!

তুমি দাঁড়িয়ে কেন? এদের কি পিকনিকে এনেছো?

- রিমান্ডে দাও এদের! - ওকে ম্যাডাম।

উনি সারাক্ষন এমন কঠোর থাকেন কেন?

- স্যার, ম্যাডাম আছেন? - কেন?

- একটা কথা বলার ছিলো। - উনি ব্যস্ত আছেন, দাঁড়াও।

ঊষা।

- ম্যাডাম? - আমার ছুটির দরখাস্ত।

- এটাকে ডিসি অফিসে পাঠিয়ে দাও। - আচ্ছা, ম্যাডাম।

ম্যাডাম, চিনতে পেরেছেন? ওইদিন একটা অনুসন্ধানের কাজে হাসপাতালে এসেছিলেন।

ওই যে, করপোরেশন হাসপাতালে। আপনি আরাসি নামের, একটা মেয়ের খোঁজে এসেছিলেন।

- হ্যাঁ.. - আমি ওই মেয়েটাকে দেখেছি।

সে পালাভান্থাঙ্গাল রেলস্টেশনে বসে আছে।

আরে ম্যাডাম গাড়ি নিয়ে চলে যাচ্ছে। তাড়াতাড়ি যা!

তুমি ওই হাসপাতালে কয় বছর যাবৎ কাজ করছো?

দুই বছর ধরে, ম্যাডাম।

মেয়েটার বাড়ি যেন কোথায় বলেছিলো?

প্রথমেতো সে রায়পেট্টায় বলেছিলো।

পরে আবার কোরোমপেট-এ বলেছিলো।

তাড়াতাড়ি চল। তখন থেকে দেখছি।

- একা বাইরে যেতে নিষেধ করেছিলাম না? - দাদা(দুলাভাই), না!

আয়, বস ভেতরে।

চল!

ম্যাডাম, ও ওই গাডিটাতে উঠে গিয়েছে।

তুমি নিশ্চিত?

হ্যাঁ, এটাই সে।

আচ্ছা, তুমি নামো।

তো, নাচিয়া, ফ্যামিলি নিয়ে ঘুরতে যাবে বলে শুনলাম?

বেরিয়ে গিয়েছো?

ভুলে যান সে কথা!

ওই ধর্ষণ মামলার ছেলেটাকে যে ধরার কথা,

ধরেছেন?

এখনো পারিনি। দুরাই যাচ্ছে তাকে ধরতে।

কেন? কি হলো?

চলো!

ভাই, পুলিশ!

আমি দেখছি! তুই চালা!

জোরে চালা!

ধরুন, স্যার! ছাড়বেন না!

চালাতে থাক!

হেই..থাম! থাম!

পালা! পালা!

- নিচে নাম, জানোয়ার! - ম্যাডাম, ম্যাডাম।

ম্যাডাম, ও আমার স্ত্রীর বোন।

আমার নিজের বোনের মতো।

এদের নামে কি কেইস?

এই দুইজন ছিনতাইয়ের।

আর ওর ধর্ষণ কেইস।

- ধরেছো তাকে? - হ্যাঁ, স্যার।

এই দুইজনকে রিমান্ডে পাঠাও।

তুই এদিকে আয়।

তোর প্যান্ট খুল।

খুল বলছি!

হাত উপরে।

কেমনে রে?

তোমার আরও সাবধানী হওয়া উচিৎ ছিলো।

কীভাবে এমন একটা লম্পটকে বিশ্বাস করলে...

বাদ দাও।

আমার কাছ থেকে কিছু লুকানোর চেষ্টা করো না।

কে সে? তার সাথে দেখা কীভাবে হয়েছিলো? তোমাকে ধোকা কীভাবে দিলো?

আমাকে সব একে একে বলো।

এদিকে তাকাও।

ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

আমি আছি তোমার সাথে।

তোমার এই অবস্থার জন্য দায়ী ওই পাষণ্ড-কে আমি কঠিন শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।

ওকে দয়া করে কিছু করবেন না, দিদি।

সে অনেক ভালো মানুষ,

একদম নির্দোষ।

তার কোনো দোষ নেই।

আমিও এই কাজে তার সঙ্গী ছিলাম।

- হ্যালো। - নাচিয়া, ব্যাস্ত? কথা বলা যাবে?

বলো, ফিরোজ।

ওই ছেলেটা, ধর্ষণ মামলার, নিজের দোষ স্বীকার করেছে।

- তাকে কি জোর করে স্বীকার করানো হয়েছে? - না, তেমন কিছু না।

মেয়েটা কি বলছে?

সেও পরিষ্কারভাবে সব স্বীকার করেছে।

দুইজনেই এই অপরাধে সঙ্গী। কি কেমিস্ট্রি! থু!

এটা কিশোর অপরাধের অন্তর্ভুক্ত হবে। মেয়েটা নিজেও তো কিশোরী।

আর এই লম্পট-টা নিজের বয়স-টাও ঠিকভাবে বলতে পারছে না।

শালা লিলিপুট!

হুম! দেখে তাই মনে হলো।

বয়স নির্ধারণ না করে এটাকে কিশোর অপরাধই ধরা হোক।

তাদেরকে কোর্টে চালান করবো তারপর।

সেক্ষেত্রে সাধারণ বিচারালয়ে কথা বলে দেখতে হবে।

তার চেয়ে ভালো নিজেরা ঠিক করে নিই।

এছাড়া মেয়েটার শরীরের অবস্থাও ভালো না।

বেচারি!

ঘটনা প্রকাশ হলে তাদের জীবনটাই বরবাদ হয়ে যাবে।

আমাদের এই বিষয়ে কথা বলা দরকার।

দিদি, ও আসবে তো?

কে?

ও আরকি!

আজকে কতমাস যে তাকে দেখিনি!

কেউই আমাদের দেখা হতে দিতো না।

দেখা যাক।

- স্যার, স্যার। - কি হয়েছে?

ও মা-বাবা বিহীন বড় হওয়া বাচ্চা-ছেলে, স্যার।

বাচ্চা ছেলে?

একটা বাচ্চা-ছেলে কীভাবে আরেকটা বাচ্চা-মেয়ের ধর্ষণ করতে পারে?

ছাড়বো না!

স্যার, ও বয়সের দোষে করে ফেলেছে।

আর কখনো এমন করবে না। তাকে ছেড়ে দিন।

ছেড়ে দেবো?

এই কথাগুলো কোর্টে গিয়ে বলবেন।

- তোরা কারা? - কাত্থু-র বন্ধু।

বন্ধু? তোরাও কি ওর সাথে জেলে যেতে চাস নাকি?

বাড়ি যা!

- এখানে দাঁড়িয়ে থাকিস না, যা! - স্যার, দয়া করুন।

স্যার, স্যার। কাত্থু! স্যার!

হেই, ভাই, কি খবর? কোথায়?

কোথায় আবার? আমি কোর্টে, সাইবু। বল।

যতদুরেই যাস না কেন, ঘুরে ফিরে আমার কাছেই আসিস।

তা তো বটে! তোদের কাছ থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় যে নেই!

সারাজীবন এভাবেই চললো!

তুই-ও তো চালিয়েই যাচ্ছিস।!

আচ্ছা, কাজের কথায় আসা যাক।

একটা কিশোর ধর্ষণ কেইস। নাচিয়ার তদন্ত করছে এটার।

কিন্তু তারা এখনো কিশোর, তাই নাচিয়ার এটাকে গোপন রাখতে চাইছে।

তোর কেইস হলে ফিরেও দেখতাম না। কিন্তু নাচিয়ার-এর কেইস তো।

এখন কি? বিচারকের একটা স্বাক্ষর লাগবে, এই তো?

নাচিয়ারের কথা শুনলে বিচারক অটোগ্রাফ ভেবে স্বাক্ষর করে দেবে।

- চিন্তা করিস না। - আচ্ছা।

আমি এদিকের কাজগুলো শেষ করছি। তুই অপরাধীকে নিয়ে আসছিস তো?

স্যার, আমার প্রেমিকা-ও কি আসবে এখানে?

সাইবু, দারুণ কেইস হাতে নিয়েছো!

হেই, তুই ওইদিকে সামলা।

নাচিয়া, এখনো কি প্রমোশনের পিছনে দৌড়াচ্ছো?

এতো সহজে কিন্তু পাবে না, সৎ থাকলে প্রমোশন পাওয়া যায় না।

তুমি বসতে পারো।

ছেলেটাকে নিয়ে এসো

এই তো সে?

- দুইজনের বিবৃতি নেওয়া হয়েছে? - হ্যাঁ, ইউর অনার।

দেখি ওটা।

কি হয়েছে?

তাই?

হেই!

কোর্টের ভিতরে রোমান্স করছিস, সাহস কত তোদের!

নাম কি তোর?

কাত্থু।

বাবার নাম বল?

বাবার নাম জানিস না নাকি?

আচ্ছা, তোর বয়স কত বল।

তুই তোর বাবার নাম জানিস না, নিজের বয়সও জানিস না, অন্য সব কাজে তো ঠিকই মাস্টার হয়ে গিয়েছিস।

লম্পট।

এই যে, সমাজসেবকেরা।

এতো বড় কান্ড ঘটানোর পরেও সে এখানে এসে রোমান্স করছে।

এভাবেই যদি চলে, সমাজটাকে কীভাবে রক্ষা করবেন?

কেউই থাকবেনা শেষ পর্যন্ত।

মাফ করবেন, স্যার।

আমি কি এই মেয়েটার দায়িত্ব নিতে পারি?

কেন?

আমার স্বামী একজন গাইনোকলোজিস্ট, ও এর ডেলিভারিতে হেল্প করতে পারবে।

ওনার নিজস্ব হাসপাতাল আছে?

হ্যাঁ।

আত্মা ওমেন'স ফাউন্ডেশন।

উনি নিজের হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকেন।

আচ্ছা।

তাহলে এক কাজ করো, তোমার স্বামীকে একটা আবেদন জমা দিতে বলো...

যাতে ডেলিভারি-র পর মেয়েটাকে ওনার হাসাপাতালে নেওয়া হয়।

যদি তার আগে কিছু একটা অঘটন ঘটে যায়, মাঝখান থেকে তুমিই ফেসে যাবে।

কেন তুমি সবসময় নিজের ঘাড়ে আর আমাদের উপর সমস্যা সৃষ্টি করো?

ও! ভুল বললাম, তোমার পকেটে নিয়ে ঘোরো?

কেনই বা এই মেয়েটাকে আলাদা যত্ন করবে?

ইউর অনার, এই মেয়েটা ঘটনার শিকার

তাই এই মুহূর্তে তার বিশেষ যত্ন-আত্তির প্রয়োজন।

মি. এবং মিসেস নাচিয়ার খুবই ভালো লোক। তারা খুব ভালো রক্ষক, মানে তত্ত্বাবধায়ক।

আর এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, ইউর অনার।

তাই, তাকে নাচিয়ারের দায়িত্বে তুলে দেওয়া উচিৎ।

এটাই আমার বিচার। আশা করি আপনিও একই বিচার করবেন।

বাড়ি কোথায়? দক্ষিণ নাকি উত্তরে?

বাবা দক্ষিণী ছিলেন আর মা উত্তরী।

ভালোই!

নাচিয়ার, আগে মেয়েটার ইতিহাস ও বয়স সম্পর্কে ভালো করে তদন্ত করো।

হ্যাঁ, স্যার।

আর এই ছেলেটাকে আর কয়েকদিন জেল রেখে ভাল করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক।

নিয়ে যাও।

- অর্ডারটা টাইপ করো। - আচ্ছা, স্যার।

- তাই বুঝি - তাই।

দেখ দেখ, কে এসেছে, জোকার।

- ওই দেখ, কীভাবে কাঁদছে। - আরেকজনও কাঁদবে বলে মনে হচ্ছে।

দেখ একবার তাকে!

তোর নামে কিসের কেইস রে?

Naachiyaar subtitles in other languages

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left