The first 200 lines.
আমার আপনার আশীর্বাদ চাই, দ্বাদা!
দাদ্বা, আমি নিজের একটা ড্রাইভিং স্কুল খুলতে যাচ্ছি।
আমি চাই আপনার হাত দিয়ে সেটার উদ্বোধন করাতে।
এই নিন আমন্ত্রণপত্র!
লাড্ডুও এনেছি। এই নিন।
নিন নিন!
ঠিকাছে, ঠিকাছে।
এত খুশীর কারণে তোমার দাঁত যেন খুলে হাতে না চলে আসে।
নিজের একটা বড় ব্যবসা খোলার মজায় অন্যরকম!
আমি এটা ভালো করেই জানি!
আর লাড্ডুগুলো ব্যাপারে...
আমি অবশ্যই সেগুলো খাবো।
আমার এগুলো খুব পছন্দের!
নাও, বাবা। তুমিও কিছু খাও
- ধন্যবাদ। - নাও খাও।
আরে ছোটে লাড্ডু খাও!
মামা নতুন ব্যবসা শুরু করেছে।
একদম চমকে দিয়েছেন আমাদের।
দাদ্বা,কাস্টমের লোকেদের তদন্ত বেশ জোরকদমে চলছে!
৮টা গাড়ি এনেছি।
দেখে মনে হচ্ছে অনেক ভালো কামাই হতে যাচ্ছে তোমার!
হ্যাঁ, দ্বাদা!
টাকা কোথায় পেলে?
মামা!
তো, দ্বাদা,ব্যাংক তো অবশ্যই আমাকে লোন দেবে না।
তাই খোলা বাজার থেকে টাকা তুলেছি।
আচ্ছা?
যাই তাহলে।
মামা বলেই নি কিছু!
আমি কাজে গেলাম তাহলে।
বড়ো...
খুঁজে বের করো তো কে তাকে এত টাকা দিলো!
তাও এত কম সময়ে এত টাকা!
সেটাই করছি, দ্বাদা!
মামা!
পাগল হয়ে গেছো নাকি?
- কী হয়েছে? - লাড্ডু দিয়ে বেড়াচ্ছো কেন?
আরে, নতুন নতুন ব্যবসা খুলেছি!
খুশির ঠ্যালায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি নি।
দ্বাদা কিন্তু সেটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে,বুঝেছো?
মামা!
আমরা ধীরেধীরে তাকে বিষয়টা বলতাম। সেটাও আমি নিজেই বলতাম।
পায়জামা ছেড়ে বাইরে আসছো কেন?
এটা নিয়ে বেশি চিন্তা করো না।
দ্বাদা,লাড্ডু খেয়েছে না?
এটা আবার করো না যেন!
আরে!
ছোটে!
যদি আপনি কখনো কোন আক্রমণাত্মক প্রাণীর কথা ভেবে থাকেন,
তাহলে হয়তো কখনো পিঁপড়ার কথা আপনার মাথাতেই আসে নি।
চালের দানার মতো ছোট,কিন্তু প্রচন্ড পরিশ্রমী!
আর খুব শান্ত স্বভাবের!
আর এটা সবুজে বাঘ গুবড়ে পোকা।
সিসিন্ডেলা এ্যাম্পেস্ট্রিস নামেও পরিচিত।
এটা মারাত্মক ক্ষতিকর পোকা।
আর এটার বেশ শক্ত দাঁত আছে।
যদি এটা একবার তার শিকারকে কামড়ে ধরে তাহলে আর ছাড়ে না।
কিন্তু পিঁপড়া যদি এই সবুজে বাঘ গুবড়ে পোকাকে হুমকিস্বরুপ ধরে নেই
তাহলে তাকে আর কেউ বাঁচাতে পারবে না।
পিপড়ারা দলে দলে গুবড়ে পোকাটাকে আক্রমণ করতেই থাকবে।
তারা জানে সব বাঘ নিজেকে বনের রাজা দাবি করে না।
আর পিঁপড়াগুলো নিষ্ঠুর, তারা গুবড়ে পোকাটাকে পালাতে দেবে না।
ওই গুবড়ে পোকার ভাগ্যে একটাই জিনিস লেখা আছে...
একটা ভয়ংকর...
অত্যাচারিত...
মৃত্যু!
মকবুল!
অভিভাবক হারানোর কষ্ট...
কালীন ভাইয়া তখন বুঝতে পারবে যখন সে একজনকে হারাবে।
বন্দুক নিচে নামাও, মকবুল!
বীণা!
তুমি ভেতরে যাও!
এটা দুজন পুরুষের ব্যাপার!
যাও!
বাউজিকে তুমি মারবে না, মকবুল!
আমি মারবো।
মকবুল...
যদি মারতে চাও....
তাহলে তোমাকেই মারতে হবে।
কোন মহিলার হাতে আমি মরতে চাই না।
মকবুল!
ভাবী!
থাম, রাধিয়া!
এটা ব্যবহার করো।
সময় বেশি লাগবে।
কিন্তু তুমি তো...
বলেছিলে...
তুমি মজা পেয়েছো!
জোর করে করলে কেউ মজা পায় না,বাউজি!
অনুবাদ আয়োজনে Team Thambi -টিম থাম্বি
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ- হাবিবুল্লাহ কায়সার
'রবিন আর দীপ্তির' বিয়েতে সাদরে আমন্ত্রিত!
এই! ভাইয়াজি!!
চমকে দিলেন যে!
সবসময়ই শুখতে শুখতেই চলে আসেন যে?
বসুন বসুন।
চা খাবেন?
না, শরবত হলেই চলবে।
শরবত?
ছোটু, দুইটা শরবত আন তো।
আপনি আসছেন আগেই সেটা বলে দিতেন।
আমি টাকা রেডি রাখতাম।
তো...ব্যবসা কেমন চলছে তোমার?
আমার তো ভালোই চলছে।
আপনার কী খবর?
এটা কী এখনো শুধু ব্যবসায় আছে, নাকি...
ব্যাপারটা আরও সামনে এগিয়েছে?
মিসেস গজগামিনীর সাথে?
লজ্জা পাচ্ছেন?
লজ্জা পাবেন না।
আমি সব জানি।
তার জন্য আপনার মনে আলাদা জায়গা আছে,তাই না?
দেখো, মাঝখান থেকে কথা বলো না।
এটা ব্যক্তিগত ব্যাপার আমার!
বুঝেছো?
গেলাম!
আরে ২ মিনিট তো বসুন। শরবত আসছে।
তুমি খেয়ে নিও।
আমার দেরী হয়ে যাচ্ছে, সিয়ান যেতে হবে।
আরে ভাইয়াজি!
গোলু!
গোলু!
এর ভেতর থেকে একটা কার্ড তোলো।
তোলো না!
আমি অনুমান করবো?
করো।
হৃদয়ের রাণী!
হৃদয়ের রাণী!
বুঝেছো?
আমি যাচ্ছি।
বাসায় পৌছে ফোন করবো।
লালার থেকে দূরে থাকো।
এই কারণেই আমি তোমাকে ফোন করেছিলাম।
বাবর আমাকে না জানিয়ে আবার বাড়িতে চলে গেলো।
মুন্না তাকে মেরে ফেলেছে।
কোথায় তুমি?
শার্তুগানের সাথে একটা বৈঠক করছি।
লালা আমাদেরকে এড়িয়ে তাদের সাথে চুক্তি করতে যাচ্ছিল।
আমি তোমাকে সতর্ক করেছিলাম।
কিন্তু তুমি কাজ করার সময় ফলাফলের কথা কোথায় ভাবো?
কী ব্যাপার, লালা?
আমাদের এড়িয়ে সিয়ানে চুক্তি করতে গিয়েছিলে?
তুমি যদি শবনমের সাথে না থাকতে তাহলে গুলি করে তোমার মাথার খুলি উড়িয়ে দিতাম।
আমারও তো একই সমস্যা, মিয়া।
কী সমস্যা?
তোমার মেয়ে কোনো সম্পর্কে জড়াতে পারে না?
পারে!
অবশ্যই সে পারে।
কিন্তু তোমার সাথে করুক....
সেটা আমি মানতে পারি না।
আমার মধ্যে কীসের কমতি আছে?
কমতি নেই,
তার চেয়েও বেশি কিছু আছে।
তোমার প্রতিশোধস্পৃহা!
এসব খুনখারাবি ছাড়তে পারবে?
তোমার প্রতিশোধস্পৃহা মাথা থেকে বের করে দিতে পারবে?
বলো তুমি পারবে?
তাহলে আমি নিজের হাতে শবনমের হাত তোমার হাতে তুলে দেবো।
সে আমার মেয়ে।
তোমার বিজয়ের জন্য তাকে তোমার সাথে রক্ত-যুদ্ধের খেলায় ছেড়ে দিতে পারি না।
এই আগুন দিয়ে তার পার্থিব শরীরকে মুক্তি দিয়ে দিন।
আমি খুঁজে বের করবো তাকে।
ভরা বাজারের মধ্যে গুলি করে মাথার খুলি উড়িয়ে দেব মকবুলের।
বাউজিকে মেরে দিয়েছে সে।
সে মারে নি।
বাউজিকে তুমি মেরেছো।
আমি মকবুলকে সততার একটা পাঠ পড়ালাম।
যেটা আপনি পারেন নি।
মির্জাপুরের রাজা ছিলেন বাউজি।
আজ পুরা শহরের সব লোক থাকতো এখানে।
কিন্তু তার মৃত্যুর ধরণে...
তার শেষকৃত্যটাও ঠিকভাবে করতে পারছি না।
তুমি বুঝবে না।
যাও এখান থেকে।
যাও!
বাবাজি...
তুমি চুপ করো, এটা আমার পরিবারের ব্যাপার!
আমিও এই পরিবারের বউ।
যখন দুজন বড় মানুষ কথা বলে...
তখন মহিলাদের সেটা থেকে দূরে থাকা উচিত, সে পরিবারের কেউ হোক আর না কেন।
এজন্যই মহিলাদের বাইরে বের হতে দিতে নেই।
সাহস বেড়ে যায় তাদের।
আর এই মহিলাই এখন মূখ্যমন্ত্রী, বাবা!
আপনার উপরে!
সব সময় বলতেন না আমার মাথার বুদ্ধি ব্যবহার করতে?
মাঝেমধ্যে আপনারও সেটা ব্যবহার করা উচিত।
১ মিনিট লাগবে তার...
আর মির্জাপুর আপনার হাত থেকে সরে যাবে।
আর সে আমার স্ত্রী!
সম্মানের সাথে কথা বলুন!
আর তার পুরো অধিকার আছে আমাদের সিদ্ধান্তে তার সিদ্ধান্ত দেওয়ার।
সে আমার পরিবার!
পরিবারের আসল মানে এই বাড়ি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
এসব ফালতু কাজবাজ বন্ধ করুন।
আপনি কেন আমাদেরকে সোজাসুজিভাবে বলছেন না যে আপনি অখুশি?
আমি বলবো, আপনি কেন অখুশি?
কারণ সে যে গদিতে আছে আপনিও ঠিক সেই গদিতেই বসতে চান।
রক্ত টগবগ করে ফুটছে তাই না?
এমনটা আমার মধ্যেও চলছে।
এটা ভেবে যে মির্জাপুরের গদি আমি কবে পাবো যেটাতে আপনি বসে আছেন।
No comments yet. Be the first to leave one.