The first 191 lines.
জাপানি বাহিনী
কোরিয়ান বাহিনী
এটা মৃতদের জীবিত করবে?
এই গাছ?
জি, করবে, প্রভু।
এই গাছের নির্যাস...
মৃতের ললাটে প্রয়োগ করা হলে,
এটি মৃতকে পুনরুজ্জীবিত করে মাংসাশী জানোয়ারে পরিণত করবে।
তবে, যদি লাশ পচে যায়...
কিংবা মস্তিষ্কের কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়,
পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে না।
জাপানিরা আমাদের ঘিরে ফেলেছে।
জিয়ংসাংয়ে শুধু সাংজু-ই এখনো টিকে আছে।
শুনেছি জাপানিরা উনপো জলাভূমিতে পৌঁছে গেছে।
যদি এটা সত্যি হয়, তাহলে সাংজু শেষ।
দাঁড়াও।
এর মানে কি আমরা...
"কিংডম অফ দি গডস্" বই অবলম্বনে নির্মিত।
অনুবাদে: ⊗ AsadujJaman ⊗
ওগুলো দিনের আলোতে বেরুলো কিভাবে?
অস্ত্র হাতে নিয়ে, যার যার অবস্থানে যাও।
আগুন ধরছে না!
তীর ছোড়ো!
ভেলায় উঠে পড়ো!
- বাকিদের নিয়ে এসো! জলদি! - যাও! যাও!
জলদি! ধাক্কা দাও!
হয়েছে! ধাক্কা মারো!
পথ আটকাও! পথ আটকাও!
জানোয়ারগুলো দিনের আলোতেও ধেয়ে আসছে!
প্রভু!
জানোয়ারগুলো পিয়ংসিয়ং হ্রদেও এসে পড়েছে!
আমরা বেশিক্ষণ টিকতে পারবো না, যুবরাজ!
কামান ব্যবহার করো!
আরো তীর নিয়ে এসো! জলদি! জলদি!
এই নিন!
ধাক্কা দিয়ে সরাও!
ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়লে, আমরা শেষ!
জি, প্রভু!
যুবরাজ!
আর ঠেকানো যাচ্ছে না, যুবরাজ!
আমাদের পালানো প্রয়োজন।
ওটা পিছু হটার সংকেত।
এক্ষুণি দড়ির মইগুলো নিয়ে এসো!
ওহ, ধুত্তুরি।
ও কামড় খেয়েছে!
না...
সামান্য আঁচড় লেগেছে।
এতে কিছু হবে না।
থামো।
না!
না, দয়া করো!
বাঁচাও!
- পেছা। - বাঁচাও!
দূরে যা। একদম কাছে আসবি না।
দয়া করো!
বাঁচাও!
না...
এখন কী করবো আমরা?
সাংজু-ই আমাদের একমাত্র ভরসা।
ওখানে ঢোকার আরেকটা পথ আছে।
যদি জানোয়ারগুলো ওখানেও থাকে?
তবে কি এখানে ঠান্ডায় জমে মরবে?
- সাহায্য করো! - জলদি ওঠো!
ধরো ওটা!
জানোয়ারগুলো এসে পড়েছে!
জানোয়ারগুলো পিয়ংসিয়ং হ্রদ পার হয়ে গেছে।
যুবরাজ, আমি একটা সুরঙ্গপথ চিনি।
যুদ্ধের সময় হ্রদের উত্তর প্রান্তে বানানো হয়েছিল।
জলদি চলুন।
ওনাকে নিয়ে চলো!
জলদি চলুন, যুবরাজ!
- দরজা আটকানো! - ধ্যাত!
ধ্যাত...
- সড়ো! - প্রতিবন্ধক তৈরি করো!
- প্রতিবন্ধক তৈরি করো! - জলদি করো!
- প্রতিবন্ধক তৈরি করো! - জলদি!
জলদি!
এসে পড়েছে!
ওগুলো এসে পড়েছে!
সবাই অবস্থান নাও!
জলদি করো! জলদি!
প্রতিবন্ধক তৈরি করো!
সড়ে যাও!
জলদি করো!
সড়ে যাও!
যুবরাজ! যুবরাজ!
দরজা খুলেছে!
- যুবরাজ! - পালানোর জন্য প্রস্তুত হও!
যুবরাজ!
- যাও! - যাও, যাও, যাও!
জলদি, যাও!
ভেতরে ঢোকো! এক্ষুণি!
কী করছেন আপনি?
যেও না।
জীবন দিয়ে প্রভু আন'কে রক্ষা করবো! যান আপনারা!
আমাদের যাওয়া উচিত।
ক্ষমা কোরো।
যুবরাজ!
এটা কিভাবে হলো?
ভেবেছিলাম আপনি বলেছিলেন ওগুলো দিনের আলোয় বেরোয় না।
বুঝতে পারছি না।
ওগুলো সূর্যের আলোতেও বেরিয়ে এসেছে।
নিশ্চয়ই কোন কারণ আছে।
কারণ জেনে...
কোনকিছুই পাল্টাবে না।
সো-বিয়া! সো-বিয়া, আমাকে তোলো!
সো-বিয়া! সো-বিয়া!
দাঁড়াও, সূর্য তো উঠে গেছে।
ওগুলো এখনো ঘুরছে কেন?
ঠান্ডার কারণে। পুনরুত্থান গাছ ঠান্ডা তাপমাত্রা চায়।
যদি দুটো একই হয়, তাহলে ওগুলো সূর্যের আলো ভয় পায় না।
ভয় পায় শুধু উচ্চ তাপমাত্রা।
কিন্তু যেহেতু শীতকাল এসে পড়েছে, সূর্য ওঠার পরও তাপমাত্রা ঠান্ডা থাকছে।
এখন আর ওগুলো পিছু হটবে না।
গতকাল জড়ো হওয়ার পর ওগুলোর সংখ্যা এখনো একই আছে।
তার মানে কী?
তারমানে কাছাকাছি শুধু এ কয়েকটা জানোয়ার-ই আছে।
যদি আরো থাকতো, এতোক্ষণে চলে আসতো।
এখানে এই অল্প ক'টা জানোয়ার থাকলেও,
দুর্গে নিশ্চিত শতশত ভিড় করেছে!
অতোগুলোকে কিভাবে এড়িয়ে যাবো?
যদি ঝর্ণা ধরে এগোই, ওগুলো পিছু নিতে পারবে না।
যেহেতু ওগুলো পানি পার হতে পারে না, আমাদের পাহাড়ের ওপর যাওয়া উচিত।
দুর্গে ফিরে যাবার চাইতে এটা অনেক বেশি নিরাপদ।
সো... সো-বিয়া। পাহাড়ের ওপর?
ওখান দিয়ে কোথায় যাবো?
আপনি না একবার আমাকে বলেছিলেন...
যে হেওয়ান চো পরিবার আপনার সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেবে?
আমরা মুংইয়ং প্রবেশদ্বারে যাবো।
দাঁড়াও, সো...
কোন জায়গা যেন বাদ না যায়।
ওদিকটাতেও একটু লাগাও।
গুজব শুনলাম আমাদের দিকে নাকি মহামারী ধেয়ে আসছে।
জলদি করো।
শুনেছি দক্ষিণ থেকে নাকি ভূতের দল আসছে।
জরুরী প্রয়োজনে, প্রধানমন্ত্রী মশাই মুংইয়ং প্রবেশদ্বারের ওখানে যাত্রা করেছেন।
এমতাবস্থায় কী এমন হলো যে আমাকে রাজসভা ফেলে আসতে হলো?
কী দেখাবে আমাকে?
ব্যাপারটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।
আপনাকে তা নিজচোখেই দেখার অনুরোধ করছি।
আচ্ছা। কী এসব?
গতরাতে, উত্তর প্রান্তের প্রবেশদ্বারের বাইরে মহিলাগুলোকে পেয়েছি আমরা।
সুরতহালের তথ্য মোতাবেক, এদের একজন মাত্রই সন্তান প্রসব করেছিল।
উদ্ধারের আগে তার সাথে পাওয়া বাচ্চাটিকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছিল।
হত্যাকারীকে আটক করা গেছে?
ওরা বললো মৃত্যুর আগে মহিলাটি নাকি অদ্ভুত কিছু কথা বলে গেছে।
বলেছে তার গ্রামের লোকজন-ই নাকি তার আর তার সন্তানের এ অবস্থা করেছে,
এবং বাদবাকি সবাইকেও মেরে ফেলবে। এগুলোই ছিল তার শেষকথা।
আর সেই গ্রামটা কোথায়?
উত্তর প্রান্তের সামগে-দংয়ের নেসনজে গ্রামে।
উত্তর প্রান্তের "নেসনজে" গ্রামে?
জি, ওখানেই হচ্ছে হেওয়ান চো পরিবার...
আর বর্তমান মহারাণীর পারিবারিক বাসভবন।
রাজকীয় গোয়েন্দা বাহিনী...
নেসনজে'র কথা জেনে গেছে।
আমাদের এক্ষুণি প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য প্রার্থণা করা উচিত।
বাবাকে এটা একদমই জানানো যাবে না।
বাবার কাছ থেকে, এটা অবশ্যই গোপন রাখতে হবে।
যখন আমি রাজপুত্রের জন্ম দেবো...
শুধু রাজকীয় গোয়েন্দা বাহিনী কেন কেউই...
আমাকে থামানোর দুঃসাহস পাবে না।
অর্ধচন্দ্র ডুবে যাবার আগে,
একটা তন্ত্রের আয়োজন করবেন।
সেদিন...
প্রসবের দেবী আপনাকে একজন রাজপুত্র উপহার দেবেন।
তার কাছে হেওয়ান চো পরিবারের প্রতীক ছিল,
তাই আমরা তাকে ভেতরে ঢুকতে দিয়েছি।
ওহ, চাচাজান!
আমি আপনার একমাত্র ভাতিজা, বাম-পাল।
ডংনাইয়ে হাকিম হয়ে যাওয়ার প্রথম দিনেই একটা অদ্ভুত রোগ ছড়িয়ে পড়েছিল।
কোনমতে আমার জীবন বাঁচিয়ে ফিরেছি।
দয়া করে, আমাকে আশ্রয় দিন।
আচ্ছা।
আমি তোমাকে ডংনাইয়ের হাকিম বানিয়েছিলাম।
অথচ, মনে হচ্ছে তুমি তোমার ওই অপদার্থ জীবন বাঁচানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারোনি!
চাচা, কথাটা ঠিক বুঝতে পারলাম না।
ডংনাই তোমার দ্বায়িত্বে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
ঠিক কী করছিলে তুমি?
যখন যুবরাজ তোমার নাকের ডগার নিচেই রাজকীয় বাহিনীর সেনাপতিকে ডংনাইয়ে হত্যা করেছিল?
তার মানে কি... বাম-ঈলা মারা গেছে?
আমি জানতাম না।
সত্যি বলছি, আমি জানতাম না!
দয়া করে আমাকে বিশ্বাস করুন!
তোমার শুকরিয়া করা উচিত...
যে তোমার শরীরে হেওয়ান চো পরিবারের রক্ত বইছে।
সে ডংনাইয়ের হাকিম...
আর হেওয়ান চো পরিবারের একমাত্র বংশ প্রদীপ।
তার ঠিকমতো দেখাশোনার ব্যবস্থা করো।
আর আপনার পেছনের মেয়েটি?
আসলে,
সে ডাক্তার লি সিওং-হুইয়ের হয়ে কাজ করা একজন সেবিকা।
No comments yet. Be the first to leave one.