The first 200 lines.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
যে কেউ যেখানে তৃষ্ণায় মারা যাবে কয়েক দিনের মাঝেই। এই শুষ্ক মরুভূমিতে...
...যা দেখতে স্বর্গের মত, সেখানে ভূপৃষ্ঠে কোনো পানি নেই।
কিন্তু পাতলা, সুতনু কালাহারির বনবাসী মানুষেরা...
...পরিবেশের সাথে মিলে মিশে সুখে শান্তিতে বসবাস করে।
তাঁরা বিনা বাঁধায় ২০,০০০ ধরে বাস করছে, কেননা তাঁরা...
...জানে ভূপৃষ্ঠে পানি ছাড়া কিভাবে টিকে থাকতে হয়।
যখন হাতির দাঁতের পোচারেরা অত্যাধুনিক যানবাহনে চেপে এই তৃষ্ণার্ত-ভূমিতে ঢুকে পড়ে...
...হাতি শিকার করতে, তখন সাথে করে জলাধার টেনে আনে।
আর পানি ফুরিয়ে গেলে তড়িঘড়ি করে কালাহারি ত্যাগ করে।
বনবাসীরা কাজ করে আর খেলে এই নিরিবিলি বিচ্ছিন্ন জগতে...
...তাঁরা জানেই না এই জগত ছাড়া ঘনবসতি রয়েছে ঠিক বাহিরেই...
...এমনকি এই কালাহারির শেষ প্রান্তে রয়েছে যুদ্ধ-হাঙ্গামা।
মাঝে মধ্যে কিকো পৃথিবীর শেষ প্রান্ত খুঁজতে যাওয়ার গল্প বলে...
...অদ্ভুত দর্শন প্রচুর মানুষের সাথে সাক্ষাতের কথা বলে...
...কিন্তু কালাহারির বাহিরে বসবাস করা মানুষের বর্ণনা দেওয়া বেশ কঠিন।
শেষে গিয়ে সে সবসময় এটাই বলে যে সেই মানুষগুলোর মাঝে একধরণের জাদু রয়েছে...
...যা দিয়ে তাঁরা বিভিন্ন জিনিসকে নড়াতে পারে, এমনকি উড়াতে পারে, কিন্তু তাঁরা তেমন বুদ্ধিমান না...
...কেননা তাঁরা এই জাদুগুলো ছাড়া বেঁচে থাকতে পারবে না।
সকাল বেলায় তাঁরা খবরের মত কিছু পড়ে।
তাঁরা পড়ে কোন হায়েনা নতুন প্রেমিকা পেলো...
...কোন চিতা তাঁর ছানা হারিয়ে ফেললো, নয়তো কোন হরিণ পশ্চিমে চলে যাচ্ছে।
বড় শিশুরা ছোটদের শিখায় কিভাবে জন্তুদের গল্প করতে হয়...
...কেননা কালাহারিতে যা ঘটে তার কিছুটা বালিতে ছাপা থাকে।
সব এখানেই ছাপানো হয়েছে। এখানেই কৌশলে অনুপ্রবেশের ব্যাপারে লিখা হয়েছে।
আমাকে দেখাও।
এবার আমি আদালতে হাজির হতে পারবো। ফ্রেম A তে ফেরত যাও।
কমিয়ে দাও।
ক্যাথি, নিবে এটা? নিয়ে যাও।
ইউনিট প্রতি খরচ, আর প্রিন্ট আউট দিবে আমাকে।
মি. জিওফ্রে বললেন হংকং যাবেন কাজের জন্য।
- উনাকে "শুভেচ্ছা" জানিও দাও। - উনি ECACL সম্মেলনে যেতে পারবেন না।
- যাবো না বললেই তো হবে না। - নিজেই রিপোর্টটা পড়ে দেখে নিন।
রিসার্চ আপনি করেছেন, পুরষ্কার আপনারই প্রাপ্য।
বুধবারের মধ্যে এই মামলা আমাকে আদালতে দায়ের করতে হবে।
- আপনি তো বুধবারের আগেই ফিরে আসবেন। - মরেছি।
সেদিন সকালে, কাবি জঙ্গল থেকে বেরিয়ে জানাতে এলো...
...পশু-পাখিরা উত্তরের মরুলার ক্ষেতের দিকে যাচ্ছে।
বাবাকে হাঁক দিয়ে বললো, "মরুলা পেকে গেছে। চলো পেড়ে আনি।"
কিসা আর কিরি সোনা দৌড়ে এসে বললো, "আমরাও যাবো?"
কিকো বললো, "আগে দেখি তুমি বড় হয়েছো কিনা। যদি আমার ধনুকের থেকে লম্বা হও...
...তাহলে হায়েনা ভয় পেয়ে দূরে থাকবে। ছোট হলে তোমাকে টেনে নিয়ে যাবে।"
কিন্তু কিরি বললো, "আমি যাবোই, নিয়ে যাও না।"
কিসা বললো,"ভেবো না তো বাবা, আমি সাথে সাথে থাকবো।"
- এই বছর সম্মেলন কোথায় হচ্ছে? - ওকাকোরারায়।
- নেব্রাসাকায় নাকি? - না, আফ্রিকায়।
মরেছি।
ওরা প্রচুর মরুলা পেড়ে বাড়ির পথ ধরে যাচ্ছিলো...
...এরই মাঝে তাঁরা আহত হাতির পায়ের চিহ্ন দেখতে পেলো।
কিকো বললো, "এই হাতিটা খুব দুর্বল। মরেই যাবে।"
সে কিসাকে বললো "তুমি আর কিরি বাড়ি যাও।
মা'কে বোলো আমরা অসুস্থ হাতিটাকে খুঁজে এরপর বাড়ি ফিরবো।"
মাটিতে ভীষণ অদ্ভুত আর সুন্দর খাঁজ কাঁটা ছাপ ছিলো।
কিসা সেটা পড়তেই পারলো না। জীবনেও সে এমন জিনিস আগে কখনো দেখেনি।
সেখানে আগের ছাপের মত আরেকটি ছিলো।
সে ভেবে অবাক হলো এত লম্বা আর আস্ত চিহ্ন কিসে বানিয়েছে।
সে চিহ্ন অনুসরণ করে একটি ভীষণ অদ্ভুত দর্শন জিনিস দেখলো।
বললো, এই জিনিসটা গোল গোল ঘুরে...
...লম্বা লম্বা পায়েরছাপ মাটিতে বসিয়ে দিয়েছে।"
কিরি সুন্দর শিশির ফোঁটা বেরোতে দেখে, একটি ফোঁটা পড়ার পর...
...সেজায়গায় আরেকটা ফোঁটা বেরোতে থাকে।
তাঁরা জানতো দেবতারা রাতের বেলা শিশির ফোঁটা ঘাসের ডগায় ফেলে।
কিন্তু এখানে ওরা দিনে দুপুরে শিশির ফোঁটা দেখতে পাচ্ছে।
কিসা বললো, "মনে হয় এই জিনিস দিয়েই পানি হয়।"
কিরি এত পানি জীবনেও দেখেনি।
সে জানতোও না দুনিয়াতে এত্তগুলা পানি আছে।
অবশেষে তাঁরা হাতিটা খুঁজে পেল আর দেখলো একটা ছোট্ট ক্ষতে হাতিটা মারা গেছে।
ছাপ দেখে কিকো বুঝতে পারলো এখানে মানুষ এসেছিলো...
...কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারলো না তাঁরা আস্ত হাতির মাংস ফেলে বেকার দাঁতগুলো কেন নিয়ে গেছে।
সে বলে, "মানুষ বড়ই আজিব।"
বো বললো, "আমি কাবোর আত্মীয়দের আমাদের সাথে মাংস খাওয়ার দাওয়াত দিচ্ছি।
যদি আমি এক দিন এক রাত খুঁজি তাহলে খুঁজে পাবো।"
কিকো বললো, "চলো আমাদের আত্মীয়দের ডেকে আনি।"
সেখানে অনেকগুলো হাতির দাঁত ছিলো। একটি পূর্ণবয়স্ক হাতির দাঁত বড় হতে...
...মানুষের জীবন পার হয়ে যায়, তাহলে কতই না মারা গেছে ভেবে তাঁরা ভয় পেলো।
কিকো আর কাবি সেই জায়গাটা খুঁজে পেলো যেখানে কিসা আর কিরির চিহ্ন হটাত শেষ হয়ে গেছে।
কিকো বললো, কিসা জিনিসটায় উঠলো, কিরিও উঠলো, আর জিনিসটা তাঁদের নিয়ে চলে যায়।"
সে বললো, "আত্মীয়দের মরা হাতিটা খাওয়া শুরু করতে বলো।
আমি কিসা আর কিরিকে নিয়ে আসছি।"
তাড়াহুড়ো করার জন্য আমি দুঃখিত, কিন্তু আপনারা আসায় ভীষণ খুশি হয়েছি।
ধন্যবাদ। আমি সাফারি ভ্রমণে যেতে চেয়েছিলাম...
- ... কিন্তু আমাকে উপস্থাপনা তৈরি করতে হবে। - কোনো ঝামেলা হবে না তো?
- না হবে না। ধন্যবাদ। - বেশ। আপনার ইচ্ছা।
- জানো স্টিফেন কোথায় কাজ করছে? - অনুমান করতে পারি।
- একটু খুঁজে দেখলেও তো পারো। - আচ্ছা।
- আরে জ্যাক? - হ্যাঁ?
স্টিফেনকে বলবে, আমরা বাকী কর্মচারীদের পরে পাঠিয়ে দিবো।
তোমার মত সুন্দরী এখানে বসে বসে কি করছে?
- মরেছি। - মাইন্ড করলে নাকি।
আচ্ছা, আবার শুরু করি।
- হাই, আমার সাথে বিমান সফর করবেন? - আমার কাজ আছে। তাই সাফারিতে যাবো না।
সাফারিতে তিন ঘণ্টা লাগে। আমি আধা ঘণ্টায় আপনাকে গোটা আফ্রিকা ঘুরে দেখাতে পারি।
আমাকে এটা 3:30-এ জমা দিতে হবে।
- মাত্র আধা ঘণ্টা? - হ্যাঁ, ডক্টর।
- তাহলে আপনি কি হাতুড়ে ডাক্তার? - না, কোম্পানির নীতিমালার।
- এত ছোট প্লেন। - এর থেকেও ছোট আছে, কিন্তু দেখা যায় না।
- উড়তে পারবে তো। - উঠেই বসুন না।
- ওগুলো কি? - ষাঁড়।
দেখেন, হাত ছেড়ে দিয়ে চালাচ্ছি। পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ প্লেন।
- কফি। - শুভ সকাল, ওস্তাদ।
- এতক্ষণে মাত্র ৮০ মাইল এসেছিস - হ্যাঁ। একটু ঘুমিয়েছিলাম।
- তুই থেমেছিলি। - ক্লান্ত হয়ে গেছিলাম। তাই কিছুক্ষণ...
- চার ঘণ্টার বেশি ঘুমিয়েছিলি। - খুব ক্লান্ত লাগছিলো।
- বলেছিলাম তুই দেরী করাই দিবি। - সত্যিই ক্লান্ত লাগছিলো, ওস্তাদ।
- দেখি সর। - সমস্যা নাই, ওস্তাদ, এখন ঝরঝরে লাগছে।
আস্তে ওস্তাদ।
ব্যাটা অলস।
- যা ঘুমা। - এখন ঘুম আসছে না।
- ঘুমা। - আচ্ছা, ওস্তাদ।
এখুনি আসছি আমি।
- হাই, স্টিফেন। - হাই। থ্যাংকস।
আগে ভাগেই এসেছো। জমিয়ে নামবে কি বলো।
ঝড়ের কবলে পড়লে, সোজা মায়ের ভোগে পাঠিয়ে দিবে।
- আচ্ছা বাইবাই। - স্টিফেন জিওফ্রে ওখানে? ওভার।
হাই, বব। সে এখানেই আছে, ওভার।
তাঁর সাথে এদিকে আসতে পারবে?
আমরা একটা অসুস্থ জিরাফ ছানা পেয়েছি। তোমার পরামর্শ দরকার। ওভার।
আচ্ছা। আউট।
- সুন্দরীদের প্লেনে তুলো কেন! - মেয়েটা সুন্দরী না।
- হাই। - শুভ সকাল।
এখানে কোনো কাজ করছিলেন?
হ্যালো, স্টিফেন। শুনছো, ওভার।
স্টিফেন, আছো নাকি? ওভার।
- স্টিফেন, শুনছো? ওভার। - হাই বব, আমি জ্যাক। ওভার।
জ্যাক, উড্ডয়ন করবে না। এখানে ভীষণ ঝড় হচ্ছে। ওভার।
- বব, ওরা এই মাত্র উড্ডয়ন করলো। ওভার। - ওরা? সাথে আর কে আছে? ওভার।
- আছেতো। ওভার। - কে? ওভার।
- একটা সুন্দরী তরুণী। ওভার। - তোমার সাথে ছিলো নাকি? ওভার।
- ছিলো তো, ওভার। - আহারে, তুমি বিপদে পরেছো। ওভার।
ওভার।
কিকোর পুরনো বন্ধু ওয়াকা দাঁড়িয়ে মানুষের বানানো চিহ্ন দেখছিলো।
কিকো তাঁকে বললো বাচ্চারা এই চিহ্ন বানানো জিনিসটার সাথে গেছে।
ওয়াকা শুভেচ্ছা জানিয়ে বললো, "আমি তোমার সাথে বাচ্চাদের খুঁজতে যাবো।"
কিন্তু কিকো বললো, "ওদিকে একটা মরা হাতি পড়ে আছে।
তোমার আত্মীয়দের নিয়ে আমার পরিবারের সাথে খানায় যোগ দাও।"
থেমে গেছে।
- আপনার আসনের নিচে হুইস্কির বোতল আছে। - সমস্যা নেই।
- দিন আমাকে। - এখন হুইস্কি খাবেন?
দিন তো।
স্কচ ঢেলে দিলে উড়তে পারবে?
জর্জ।
ওস্তাদ?
তুই চালা।
কিসা বললো, "জিনিসটা ক্লান্ত হয়ে গেলে আরাম করবে।
তখন ছাপ দেখে দেখে বাড়ি ফিরে যাবো।"
স্কচ ফুরিয়ে গেছে।
এতে চলবে?
আমরা পিছনে উড়ছি।
আমাকে কাগজ পাঠ করতে হবে ঠিক 3:30
কিভাবে ফিরে যাবো? গাড়ির জন্য রাস্তা খুঁজতে হবে।
সবচেয়ে কাছের রাস্তা কোনটা?
- এটা বিরান প্রান্তর। - বলেছে আপনাকে।
- ঘাঁটি থেকে আমরা তিনশো মাইল দূরে। - মরেছি।
বেশিও হতে পারে।
- আমি স্যরি। - ব্যাপার না।
- আমাকে প্লেন খুঁজতে হবে একটা। - কোন দেশে আছি সেটাই তো জানি না।
যা ভাগ!
- কি? - আমাকে ভয়ই পাচ্ছে না।
- তো? - ওরা মানুষ দেখেনি।
- আমরা কালাহারির গভীরে। - আমাদের খুঁজে পাবে তো?
- দেরী আছে। - কত দেরী?
দিন কিংবা সপ্তাহ।
কিন্তু বুধবারের মধ্যে আমাকে নিউ ইয়র্কে ফিরতে হবে।
- তাহলে নিউ ইয়র্ক থেকে এসেছেন? - এখানে এক সপ্তাহ থাকতে হবে আমাকে?
যে নিউ ইয়র্কে থাকতে পারে সে এখানেও থাকতে পারবে।
- খিদাতেই মরে যাবো। - এখানে অনেক খাবার আছে।
সমস্যা হবে শুধু পানির। আমাদের কাছে মাত্র ছয়টা বোতল আছে।
তাঁদের তৃষ্ণা পেয়েছিলো। তাঁরা জানতো এখানে অনেক পানিও আছে।
কিসা বললো, "না, তুমি আমাকে টেনে তুলতে পারবে না।
নিচে আসো যাতে আমাকে ঢেলে উপরে পাঠাতে পারো। তারপর তোমাকে টেনে তুলবো।"
কিরি এর আগে কখনো পানিতে নামেনি...
...কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি সামলে নিয়ে মজা নিতে শুরু করে।
পানি নাকি?
- পেট্রোল। গ্যাস। - তাহলে?
প্লেনটা নিচে নামাতে পারলে, উড়াতে পারবো।
আজকেই?
আমাকে খুলতে হবে, নামাতে হবে, আবার জোড়া লাগাতে হবে।
- দেরী আছে। - হয়তো কাল, কিংবা পরশু।
ওটা সিংহ নাকি?
- আমিও শুনলাম। - রশি ফেলে দাও। আমি উপরে যাবো।
- আমাদের বিরক্ত করবে না। - তোমার তো ঝামেলা নেই।
- কিন্তু নিচে আমাকে পেলে ছাড়বে না। - এদিকে সিংহ আসবেই না।
যদি চলে আসে?
ওদের ঘেঁটো না, তোমাকেও কিছু বলবে না।
- ওদের খিদা লাগে যদি? - এখান থেকে অনেক দূরে আছে।
এখানে তো পশু-প্রাণীদের আড্ডা!
ওদের ঘেঁটো না, তোমাকেও কিছু বলবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.