Hush (Heoswi / 허쉬)

Hush (Heoswi / 허쉬)

Download Bengali Subtitle

Release info

HUSH Episode 13 NEXT Bangla Subtitle
HUSH Episode 13 WEB-DL Bangla Subtitle
হাশ্ - বাংলা সাবটাইটেল [ এপিসোড ১৩ ]
A Commentary by Tanvir_Tarek
💥💥মাতৃভাষায় উপভোগ করুন কোরিয়ান মেগাস্টার হোয়াং জং মিন অভিনীত কোরিয়ান ড্রামা "হাশ্"।💥💥

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
Published on: 2021-03-17
Downloads: 35
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

"গত পর্বে যা ঘটেছে"

মজা করে খাও।

আরে, তুমি এখানে।

আবার জাজাংমাইওন খাচ্ছো?

চলো বাইরে কোথাও গিয়ে জম্পেশ এক গ্লাস মদ্যপান করে আসি।

কারো কাছ থেকে ঘুষ-টুষ খেয়েছো নাকি?

শশ্, কী যা তা বলছো।

ইওং মিন।

এই টাকা দিয়ে জম্পেশ এক গ্লাস মদ খাও...

আর মেয়ের জন্য স্পাইসি চিকেন কিনে নিয়ে যাও।

আমি তো জানি সে এটা কত পছন্দ করে।

সত্যি কী...?

হ্যাঁ, সত্যিই তোমাকে দিচ্ছি।

আরে প্যারা নিও না।

লোকে বলে চুরি করার বিদ্যা জেনে রাখাটাও খারাপ না।

সুং ওন।

আমি মজা করছি।

তুমি কখনোই হাসতে জানো না।

তুমি যেমনটা ভাবছো তেমনটা নয়।

এটা তোমাকে ভোগান্তিতে ফেলবে না।

টাকাটা নেওয়ার সাথে সাথে , আমি ঋণী হয়ে যাবো। তো পরে এটা আমাকে ভোগাবে না?

ঠিকই বলেছো।

কিন্তু কেউ তোমাকে চুপ করে যেতে বলেনি...

কিংবা কিছু লিখতেও বলেনি।

এখানে আমরা সবাই-ই সাংবাদিক।

এত সাধু সাজার ভান করো না।

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তা

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তান

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভী

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হো

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসে

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন ()

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (B)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Br)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Bra)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Brad)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Brad D)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Brad De)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Brad Del)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Brad Dels)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Brad Delso)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Brad Delson)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Brad Delson)

অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ তানভীর হোসেন (Brad Delson)

আচ্ছা...

"No Gain, No Pain" সম-অধিকার আন্দোলন নিয়ে একটা প্রতিবেদন লিখতে হবে।

কেউ ইচ্ছুক?

জানতাম আমি।

এখানে সত্যিকারের কোনো রিপোর্টারই নেই।

সবাই শুধু কপি-পেস্ট বিশেষজ্ঞ।

আপনি নিজেই তো আমাদেরকে এই অকাজ করতে বাধ্য করেন।

অকাজ?

আমাদের দোষ দেন কেন?

রিপোর্টারদের কাজই তো হলো প্রতিবেদন তৈরি করা।

তুমি প্রতিবার ডেস্ককে সন্দেহ করতে পারো না।

আমরা তাদের জন্য এই অকাজগুলো করি।

আর এখন,

তারা চায় এসব অকাজের দায়ও আমরা নিজেদের ঘাড়ে তুলে নেই?

এসবের কোনো মানে আছে?

আসলে আমাদের জীবনেরই কোনো মানে নেই।

যেমন খুশি তেমন প্রতিবেদন বানিয়ে আমরা প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবো না।

হয়তো তুমি তেমন করেছো।

এজন্যই তো যে পজিশনে ছিলে এখনো সে পজিশনেই আছো।

শালার পুত।

না!

কী?

ওকে ছেড়ে দাও! দেখি সে কী বাল ফালায়।

কী করতে যাচ্ছো তুমি?

আমি যাবো প্রতিবেদনের জন্য।

না।

তোমায় ওখানে যেতে হবে না, বাছা।

আমি যাবো।

না।

সত্যিকার অর্থে, এটা আমার দায়িত্ব।

প্রতিবেদনটা আমিই লিখবো।

অবশেষে সে কোনো একটা কাজের কাজ করলো।

শুনলাম তুমি নাকি বলেছো এটা তোমার দায়িত্ব।

তাহলে এটা আমারও দায়িত্ব।

না, তোমায় কষ্ট করতে হবে না।

এটা সম্পাদক জুং আর ম্যানেজার কিম এর আদেশ।

তারা তোমাকে একা পাঠাতে নিষেধ করেছে।

ক্যাপ্টেন আর আমারও তাই মনে হয়।

শুধুমাত্র পার্ট-টাইমারদের কথা ভাবলেই তো হবে না।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও মানুষ!

আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অধিকার দাবি করছি!

[আমরা চাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ আইন জারি করা হোক।]

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও মানুষ!

আমরা অধিকার চাই!

আমরা বেঁচে থাকার অধিকার চাই!

তারাও মরিয়া হয়ে উঠেছে, তাই না?

আমরা সবাই-ই এসব জিনিসে ভুগি।

আমরা অধিকার চাই!

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও মানুষ!

আমরা বেঁচে থাকার অধিকার চাই!

আমরা বেঁচে থাকার অধিকার চাই!

চলো যাই।

আমরা অধিকার চাই!

আমরা বেঁচে থাকার অধিকার চাই!

নাম্মো গ্রুপ...?

"No Gain, No Pain" অনুসারীরা আজকে একটা পূর্বঘোষিত সমাবেশ ডেকেছে,

যাদের বেশিরভাগই অনিয়মিত কর্মচারী আর পার্ট-টাইমার।

কিন্তু আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে।

সবমিলে ১০ জন লোকও জড়ো হয়নি।

বোঝাই যাচ্ছে ইন্টারনেট আর বাস্তবের মধ্যকার ফারাকটা আসলেই বিশাল।

ডেইলি কোরিয়ার রিপোর্টার পরিচয় দিলে...

তারা আমাদের ইন্টারভিউ দিতে রাজি হবে?

পার্ট-টাইমারদের চাকরিচ্যুত করতে গিয়ে পার্ট-টাইমারদের নিয়োগ করা।

কেন?

তোমার কি তাদের জন্যে খারাপ লাগে?

হ্যালো, আমি ডেইলি কোরিয়ার রিপোর্টার লি জি সু।

আপনার একটা ছোট্ট ইন্টারভিউ নিতে পারি?

ডেইলি কোরিয়া?

না, আমি...

চলে যান। আমরা ডেইলি কোরিয়াকে ইন্টারভিউ দেই না।

আমি জানি আপনাদের কেমন লাগছে, তাই...

সে তাদের জন্য কী কী করেছে আপনি সেসবের কিছুই জানেন না, জানেন কি?

হ্যাঁ, আমি জানি।

কী? আপনি জানেন?

এরপরেও আপনি কি করে...?

ছবি তুলবেন না।

শুধু একটা ছবি!

ছবি তোলা বন্ধ করুন।

এদিকে তাকান!

বন্ধ করুন!

বন্ধ করুন এসব!

হেই!

হেই!

প্লিজ, এদিকে তাকান!

প্লিজ!

আর একটা!

সিইও পার্কের মনোনয়নের জন্য রিপোর্টার হিসেবে তুমি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছো।

আমি কিছুই করিনি।

তুমিই সব কাজ করেছো, সিইও অ্যান।

আমি তো শুধু জনমত নির্ধারণের জন্য কয়েকটা প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দিয়েছি...

আর শ'খানেকের মতো মন্তব্যকারী নিয়োগ করেছি।

আমার ধারণা আমি কিছু কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি।

একদম।

এই দুনিয়ার সবকিছুই হলো একটা ব্যাবসা।

অবশ্যই।

আর এখানে আমরা শুধু বিভিন্ন জিনিস বেচাকেনা করি।

তোমার নিশ্চয়ই ক্ষুধা লেগেছে।

ধন্যবাদ।

মা।

জি সু।

তুমি এখানে কী করছো?

এইতো...

তোমার উচিত ছিলো আমাকে না চেনার ভান করা।

ইনি তোমার সহকর্মী না?

সেটা কোনো ব্যাপার না।

তারপরও...

আমি তোমাকে লজ্জায় ফেলছি।

সেটা বড় কথা না।

তুমি কি জানো না যে এখানে ব্যাবসা করা অবৈধ?

ব্যাবসা?

আরে না, এটা তেমন কিছু না।

আপনার বোঝার ভুল হচ্ছে।

কী?

আপনার মা এগুলা বিনামূল্যে বিতরণ করছেন।

এগুলো "কিম্বাপ রোল"।

মা...

আমি খবরের কাগজে এটা দেখেছিলাম।

তারা তোমার প্রয়াত সহকর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছিলো।

আমার ভুল হয়ে গেছে।

আমার আসলে নাক গলানো উচিত হয়নি।

বাবাকে আর দোষ দিও না।

আমিই কঠোর পরিশ্রম করবো।

এতটাই পরিশ্রম করবো যাতে করে তোমাকে একটা মানিব্যাগ কিনে দিতে পারি যেটাতে কখনোই টাকার অভাব হবে না।

তোমার মা একজন অসাধারণ মানুষ।

আমার পরিবার কিছুটা নাক গলানো স্বভাবের!

আর আমার বাবা বেশিই গলাতো।

জি সু।

হুহ?

হেই।

এটা অনেক মজা।

তাই?

অনেকদিন যাবত তোমায় এটা কিনে দিতে চেয়েছিলাম।

তোমার সাথে ছেলেটা কে ছিলো? তোমার অফিসের বন্ধু?

সে আমার সিনিয়র।

ও আচ্ছা।

তাকে দেখে ভদ্রই মনে হলো।

নিশ্চয়ই ধনী ঘরের সন্তান।

তার পরিবার সবচেয়ে বড় ৫০টা কোম্পানির একটার মালিক।

৫০?

তাকে দেখতে রাজপুত্রের মতো লাগছিলো।

কেউ আমাকে একটা ডিজাইনার ব্যাগ কিনে দিলে...

আমাকেও দেখতে রাজকন্যার মতোই লাগবে।

ডিজাইনার ব্যাগ?

নিজেই সমাবেশটাতে থাকার পরেও তুমি এটা কী করে বলতে পারো?

আমি তো মজা করছি।

তারা সবাই কারো না কারো আদরের সন্তান।

খবরটা দেখার পর তাদের বাবা-মায়ের কেমন লেগেছিলো কে জানে?

উভয়পক্ষই ভুক্তভোগী।

সিইও পার্কের হাতে কাজের উপযোগী লোকের অভাব।

নির্বাচন শুধুমাত্র ভোটের লড়াই না।

এটা কর্মশক্তির লড়াই।

তোমার প্রতি আমার সদয় হওয়ার উদ্দেশ্য ছিলো আপনাকে পর্যবেক্ষণ করা।

আমাকে কি...

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left