The first 200 lines.
অনুবাদে - মিস্টার ডেন্টিস্ট
ইলেক্স!
ওদের ফিরে যাওয়ার পর, আর কোনো বাচ্চা অবশিষ্ট ছিল না।
কেবল যোদ্ধা।
আমি সমরের সেরা শিকারি ঘোষিত না হওয়া পর্যন্ত দগ্ধ দেহটাকে প্রস্তুত করেছি।
আমি আমার আয়ুষ্কালের থেকে তিনগুণ বেশি সময় ধরে বেঁচে আছি।
আমার প্রতিশোধ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত জঙ্গলের দেবতারা আমাকে মরতে দেবে না।
আর যখন আমি প্রস্তুত ছিলাম,
ওরা আমাকে দ্বিতীয় উপহার পাঠায়।
দ্য ইনভিক্টাস?
প্রার্থনার মতো আমাদের পরিমণ্ডলে চলে আসে।
আর তখনই আমি জানতাম,
দেবতারা কেবল আমার এম্পায়ার ধ্বংসের মিশনে সম্মতিই দেয়নি,
সেটার পরিকল্পনা করেছে।
তোমার লোকদের কী হাল হয়েছে দেখেছ তো।
কয়েকজনের পাপের কারণে, এম্পায়ার তোমাদের অর্ধেক জনসংখ্যা ধ্বংস করে।
তুমি ট্র্যানটরে আঘাত হানলে, সম্পূর্ণ আউটার রিচকে ভুগতে হবে।
তুমি প্রতিশোধের অর্থ বোঝো না, তাই না?
আমি মানবসভ্যতার পরোয়া করি না।
এই শিপটা হবে আমার কন্ঠস্বর।
তুমি আমাকে এর পরবর্তী জাম্প নেভিগেট করতে সাহায্য করবে।
আর যদি না করো,
আমার শিকারিরা টার্মিনাসে থাকা
সকল পুরুষ, মহিলা আর বাচ্চাদের মেরে ফেলবে,
সবার প্রথমে তোমার মা।
তুমি ইতোমধ্যে বাবাকে হারিয়েছ।
তুমি মায়ের ক্ষেত্রে সেটা ঘটতে দেবে না।
বিনিময় একদম সহজ, ওয়ার্ডেন।
ট্র্যানটর ধ্বংস করো,
আর হয়তো এর পরের ঝাপটাতে
তোমার এই মহামূল্যবান ফাউন্ডেশন টিকতে পারবে।
খানিকটা সময়ের জন্য মানুষ কী না করতে পারে?
এটা কতদিন ধরে করতে পারো?
যতদিন পর্যন্ত স্মৃতি আছে।
অধিকাংশ সময় এটা অনুভূতির মতো।
যেমনটা এখানে হলো, কিন্তু..
অন্যসময় এটা স্বপ্নে আসে।
আমি একটা তরঙ্গের স্বপ্ন দেখতাম।
বিশালাকৃতির তরঙ্গ,
আমি দাড়িয়ে থেকে ওতে তলিয়ে যাওয়া ছাড়া কিছু করতে পারতাম না।
আমি জানতাম ওটা আমার বাড়ি, আমার পরিবার, আমার পৃথিবী ধ্বংস করে দেবে।
স্বপ্নটাকে আমি তাড়াতে পারতাম না, হ্যারি।
আমাকে তাড়া করে ফিরত।
আমাকে জানতে হতো যে সেটা বাস্তব জীবনে ঘটবে না,
সেজন্য আমি গণিত শিখি।
আমি ভাবতে পারি এমন সকল নৈসর্গিক শক্তি আর সম্ভাব্যতার হিসেবে করেছি,
সমাধানের পথের খোঁজে।
কিন্তু কোনো পথ পাইনি।
স্বপ্নটা তোমাকে গণিতে আসক্ত করেছিল,
যেটা প্রমাণ করে ওটা আসলে কোনো স্বপ্ন ছিল না, ছিল বিপদের পূর্বাশঙ্কা।
এটা জানার পর অবাক হবো না যে
তোমার মধ্যে একপ্রকার স্বজ্ঞাজাত ক্ষমতা আছে
যেটা তোমাকে গণিতের থেকে একধাপ এগিয়ে রাখে।
অ্যাব্রাক্সাস হয়তো সেভাবেই সমাধান করেছিলে।
অ্যাব্রাক্সাস আমি দিনরাত চেষ্টা করার ফলে সমাধান করেছিলাম।
হ্যাঁ, আমি বলছি তুমি অসাধারণ।
ভেতরে উষ্ণতা বাড়ছে।
ধ্বংসস্তুপের ফিল্ডে ঢোকায় ঘর্ষণের ফলে সৃষ্টি হচ্ছে।
শিপের রেডিয়েটর গরম বের করে দেবে।
তাপ অপসারণ সিস্টেম শুরু হচ্ছে। স্বাভাবিক করা হচ্ছে।
তুমি হেলিকন কেন যাচ্ছ, হ্যারি?
তুমি আর রায়েশ কী পরিকল্পনা করছিলে?
ইতোমধ্যে তোমাকে বলেছি।
না, আমি একটা অনুমান করেছিলাম যেটা তুমি অস্বীকার করোনি।
কারণ তুমি ঠিক ছিলে।
আমার থেকে তথ্য লুকাতেই থাকবে?
আমার হয়তো প্রথম থেকেই এটা করা উচিত ছিল।
মানে কী?
আমরা সাবধান না হলে,
তোমার ভবিদর্শিতার মধ্যে আমাদের সাইকো হিস্ট্রিকে কেল্লা ফতে করে দেওয়ার ক্ষমতা আছে।
দেখ তোমার আর রায়েশের কী হয়েছে।
তুমি এখানে, সে নেই।
কথা ঠিকভাবে বের হয়নি। ফিরিয়ে নিচ্ছি।
আমি বলতে চাচ্ছি,
যে মানবসভ্যতার বাঁচা-মরা আমাদের হেলিকনে পৌঁছানোর উপর নির্ভর করছে।
ভেবেছিলাম আমাদের বাঁচা-মরা ফাউন্ডেশনের উপর নির্ভর করছে।
কথা ঠিক, একদিক থেকে।
কিন্তু সেটা সম্ভব হবে যদি এর সিস্টার অর্গানাইজেশন সফল হয়।
তো এটা তাহলে সেকেন্ড ফাউন্ডেশন।
এখানে, তারকার সমাপ্তিতে। হেলিকনে।
আমি হিউগো ক্রাস্ট,
চিয়ান উন ইডান বলছি,
থেসপিসের প্রাক্তন বাসিন্দা।
থেসপিন রিপাবলিকের জন্য এসওএস পাঠাচ্ছি।
৫৯ নম্বর আউটপোস্টে অ্যানাক্রিয়ন তৎপরতা রিপোর্ট করার জন্য।
কেউ আমার কথা শুনতে পায়?
কেউ আমার কথা শুনতে পায়?
কেউ আমার কথা শুনতে পায়?
স্পাইরালটা মানবদেহকে সহনশীলতার চরম সীমাতে ঠেলে দেওয়ার জন্য তৈরি করা।
কোনো খাবার, পানি আর বিশ্রাম ছাড়া ১৭০ কিলোমিটারের ভ্রমণ।
ভাইটাল সাইন, সন্তোষজনক।
আর অবশ্যই, আপনাকে সকল অজৈব ডিভাইস রেখে যেতে হবে।
আপনার দেহ বেষ্টনী অরা,
আর আপনার ইম্পেরিয়াল ন্যানোবট।
জীবনে প্রথমবারের মতো আপনার দেহ আঘাতপ্রাপ্ত হবে,
- অবসাদ... - বুঝতে পারছি।
ভ্রমণের সময় কোনো তীর্থযাত্রী হোঁচট খেলে,
পথিমধ্যে আরেকজনের থেকে সাহায্য নিতে পারবে।
সেটা কেবল, এক হাঁটুতে পড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
কিন্তু দুই হাঁটু পড়ে গেলে, সেটার অর্থ আত্মসমর্পণ।
তীর্থযাত্রীকে হয় শক্তি করে রাস্তা থেকে সরে আসতে হবে,
নাহলে মৃত্যু স্বীকার করে নিতে হবে।
যাত্রা শুরু করা মানুষের থেকে মাত্র অর্ধেক লোক স্পাইরালের কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারবে।
সেখানে তারা একটা পবিত্র গুহায় প্রবেশ করবে, মাদারস ওম্ব হিসেবে পরিচিত।
ভেতরে পানি আছে।
জলাশয়ের পানিতে থাকা লবণে এক প্রকার আয়নিক চার্জ আছে
যেটা স্পর্শকারীদের দেহে একটা আবেশ তৈরি করে।
জলাশয়ের পানিতে অবগাহনের পর, যদি মাদারের ইচ্ছে হয়,
আপনি একটা দর্শন পাবেন।
আপনি সফল হয়ে ফিরে আসলে,
জেফারদের একটা প্যানেল আপনার দর্শনের ব্যাখ্যা দেবে।
অন্য তীর্থযাত্রীরা কী দেখেছিল?
প্রতিটি দর্শন আলাদা আর সেই ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত।
আমি আশ্চর্য যে সেগুলো খাবার নিয়ে হেলুসিনেশন নয়।
ন্যানোবট অপসারণ সম্পন্ন হয়েছে।
এই বাজি আপনাকে বড়ো বিপদে ফেলে দেবে এম্পায়ার।
সাথে নজিরবিহীন শারিরীক ঝুঁকি,
যদি..
যদি শেষ পর্যন্ত না যেতে পারেন।
সেটা কেবল সমালোচকদের উৎসাহিতই করবে।
আমি শেষ পর্যন্ত যাবই।
তোমার সল্ট-ব্রেসলেটটা দাও।
আমি এটা নিয়ে যাচ্ছি,
এটা হাতে থাকালে মনে হবে তুমি আমার সাথেই আছ।
যেমনটা সবসময় ছিলে।
বিশ্বাস রেখে। ধীরেধীরে চলো।
মাঝের চক্রগুলো বেশ বিভ্রান্তিকর।
পথটাকে বেশি দূরের মনে হয়।
শরীরে যেন শক্তি অবশিষ্ট থাকে।
আগেও এটা করেছ?
না, না। কিন্তু যারা করেছে তাদের সাথে কথা বলেছি।
আর কোনো পরামর্শ আছে?
এটাকে সহজ বানানোর উপায় নেই।
উদ্দেশ্য তো সেটাই।
কেবল চলতে থাকো।
এক পায়ের সামনে আরেক পা।
তিন দেবতা তোমাকে পরিচালিত করবে।
লোকগুলো ওদের দর্শন সম্পর্কে কথা বলেছিল?
একজন তীর্থযাত্রী বলেছিল
কীভাবে জলাশয়ের লবনগুলো তাঁর চোখের সামনে নড়াচড়া করছিল।
তারপর কী হয়েছিল সেটা বলেনি,
কিন্তু বলেছে সেটা ছিল তাঁর জীবনে দেখা সবচেয়ে মনোরম দৃশ্য।
- তোমার বাড়ি কোথায়? - বাল্টারোস। তোমার?
- নিশায়া। - কারখানার গ্রহ।
যেটা বিষাক্ততার কারণে ট্র্যানটরে বানানো যায় না, সেটা আমরা বানাই।
স্পেশাল টেক্সটাইল।
এম্পায়ারের পছন্দের বিশেষ ধরনের সিরামিক গ্লেজ।
নিশায়া হলো পারফেক্ট জায়গা,
কারণ আমাদের চারপাশে সাদা কুয়াশার চাদরে ঢাকা,
আর দূষণ ওতে মিশে যায়।
সেই কুয়াশা।
আমার মা বলতো,
সে আমার বাবার চেহারা যতদিনে ভালো করে দেখতে পেয়েছিল...
ততদিনে ৩টা সন্তান হয়ে গেছিল।
তুমি কোনো ফ্যাক্টোরিতে কাজ করতে?
না, আমি মাল লোড করতাম।
জাম্পশিপে বক্স তুলে দিতাম।
অসাধারণ মেশিন, তাই না?
অবশ্যই।
অবশ্য, আমি এখানে আসার পূর্ব পর্যন্ত ওটাতে ওঠার সুযোগ পাইনি।
ফ্লাইটের জন্য আমার সব জমানো টাকা ব্যবহার করেছি।
বাল্টারোস থেকে? তুমিও হয়ত ওতে করেই এসেছ।
ইয়েস।
আমরাও প্রথমবার ছিল।
আমি সবসময় ভ্রমণ করতে পারা লোকদের দেখে ঈর্ষান্বিত হতাম,
গ্যালাক্সির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ভ্রমণ করার সৌভাগ্য।
কিন্তু এটা... আমার জীবনে কেবল এই একটা ভ্রমণেরই দরকার ছিল।
আশাকরি তোমার মনোভাবও সেইম।
দ্বিতীয় ফাউন্ডেশন?
টার্মিনাস ইম্পেরিয়ালের টাকায় তৈরি করা হয়েছিল,
আর ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু করার জন্য ডিজাইন করা।
কিন্তু দ্বিতীয় ফাউন্ডেশন আর সেটার অবস্থান সিক্রেট থাকতে হবে,
এমনকি প্রথম ফাউন্ডেশন থেকে।
কেন? উদ্দেশ্য কী এটার?
যদি আমাকে বিশ্বাস না করতে পারো, আমি হেলিকনে যাচ্ছি না।
হাস্যকর কথা বলো না, গ্যাল।
হেলিকনে আমার পরিচিত লোকবল আছে।
এখন যেহেতু আমরা তোমার ক্ষমতার প্রকৃতি সম্পর্কে জানি, ওটা নিয়ে গবেষণা করতে পারবো।
আমাদের সুবিধায় ব্যবহার করতে পারবো।
আমি আর ব্যবহৃত হচ্ছি না।
আমি চলে যেতে চাই৷ এখন।
হয় তুমি আমাকে বলবে, নাহলে যেভাবে এসেছিলাম ঠিক সেভাবেই চলে যাব।
কোথায় যাবে তুমি?
টার্মিনাসে যেতে কয়েক দশক লেগে যাবে।
ট্র্যানটর? এম্পায়ার তোমাকে বহিষ্কৃত করবে।
ওগুলো বাদে আরো গ্রহ আছে। আমার মা আমাকে নাম শিখিয়েছিল।
আমাকে বলেছিলে আমার উপজ্ঞাগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
তো, সেটা আমাকে বলছে,
দরজা খোলার জন্য।
- তুমি ঠিকভাবে চিন্তা করছ না। - কী চিন্তা করতে হবে সেটা বলতে এসো না।
খোলো।
খোলো!
খোলো!
দরজাটা খোলো!
এখনই হাল ছেড়ো না, বাছা আমরা নিকটে চলে এসেছি।
ইয়েস।
৩০.. না, পরবর্তী জাম্পের আর ২৯ মিনিট বাকি।
ওর পরিকল্পনা,
তোমরা সফল হলেও,
এম্পায়ার তোমাদের গ্রহে হত্যাযজ্ঞ চালাবে।
No comments yet. Be the first to leave one.