Planet Earth

Planet Earth

Download Bengali Subtitle

Specials

Release info

Planet Earth EP03 Fresh Water 2006 Bengali by SJB
A Commentary by Shahidul Islam Shojib

Tags

other
Published on: 2017-03-06
Downloads: 63
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 139 lines.

বাংলা সাব সজীব

পৃথিবীর মোট পানির শতকরা তিন ভাগই স্বাদু পানি,

অথচ এই মুল্যবান পানিতেই সব চমৎকার বাস করে,

মাটিতে বসবাসকারী সকল প্রাণীই এই স্বাদু পানির উপর নির্ভর করে।

ভেনেজুয়েলার রহস্যেঘেরা টেপুই -

জঙ্গলের অনেক উপরে উঠে যাওয়া এক পাহাড়ি সমতল

এটাই আর্থার কোনান ডয়েলকে "হারানো পৃথিবী" লিখতে উৎসাহ দিয়েছিল।

একটি অসাধারন প্রাগৈতিহাসিক ভুমি

এখানে, লক্ষ কোটি বছর ধরে এই বেলে পাথরের ভাস্কর্য গড়ে উঠেছে

প্রচন্ড বাতাস এবং তীব্র বৃষ্টির ঘর্ষণে।

সাগর পৃষ্ঠ থেকে জলীয় বাস্প উঠে এসে,

বাতাসে ভেসে এই মাটিতে চলে আসে,

পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছেই এই জলীয় বাস্প উপরে উঠে যায়

উপরে উঠেই ঠান্ডা হয়ে এটি ঘন মেঘ এবং পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়-

এই বৃষ্টিই সকল স্বাদু পানির উৎস।

এখানে এই ক্রান্তীয় অঞ্চলে বছরে প্রায় সব দিনই বৃষ্টি পরে।

মিস্টি পানির যাত্রা এই পর্বতের চূড়া থেকেই শুরু হয়।

শান্ত স্রোতধারা থেকে বিশাল নদীতে পরিণত হতে হতে

এটা শত শত মাইল পাড়ি দিয়ে সাগরে মিলে যাবে।

এঞ্জেল জলপ্রপাত, পৃথিবীর সবচে উঁচু জলপ্রপাত।

এর পানি কোথাও বাধা না পেয়ে প্রায় এক হাজার মিটার নীচে পরে।

এই প্রপাতটি এতোটাই উঁচু,

নীচে সেই ডেভিল গিরিখাতের পাদদেশে পৌঁছানোর আগেই পানি গুলো

বাতাশের ঘর্ষণে জলকণায় পরিণত হয়।

পাহাড়ের উপরে,

এই স্রোতধারাগুলোর শক্তি অনেক

এই স্রোতধারাগুলোই মিশে নদী তৈরি করে,

শক্তিশালী হয়,

তৈরি হয় ঘূর্ণিপাক।

এখানকার পানিগুলো ঠান্ডা।

খাদ্য উপাদান অল্প তবে অক্সিজেনে পরিপুর্ন।

যে অল্প কয়েকটি প্রাণী এই স্রোতধারায় বসবাস করে

তাদের জীবন বাচাতে কঠোর পরিস্রম করতে হয়।

অমেরুদন্ডীরাই এখানে এই এতো উপরে রাজত্ব করে

হেলগ্রামাইট, পানির স্রোতের হাত থেকে বাঁচতে এর শরীর হয়ে গেছে চ্যাপ্টা

তার ছড়ানো ফুলকা দিয়ে সে পানি থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে।

কালো মাছির কীট গুলো নিজেকে পাথরের সাথে আটকে রাখে।

কিন্তু হঠাত স্রোতে ভেসে গেলে,

তারা তাদের সিলিকনের নিরাপদ সুতো দ্বারা আটকে থাকে,

এই স্রোতধারায় বেঁচে থাকার একটা সুবিধা আছে,

বাঁশচিংড়ি গুলো কেবল বসে থাকে

আর তাদের পাখার মতো হাত দিয়ে খাদ্যকনা ধরে মুখে চালান করে দেয়।

সাধারণত এই পাহাড়ি স্রোতধারায় সামান্যই খাবার থাকে,

যাতে কেবল ছোট প্রাণীরাই বেঁচে থাকতে পারে।

কিন্তু জাপানের এই বসন্তে,

রাক্ষসেরা তাদের গুহা থেকে বেরিয়ে আসে,

দৈত্যাকারের সালমান্ডার, পৃথিবীর সবচে বড় উভচর,

প্রায় দুই মিটার লম্বা

এরাই এই বরফগলা পানির একমাত্র শিকারি।

তারা রাত্রে শিকার শুরু করে।

এই সালমান্ডারগুলোর মেটাবলিজম অনে ধীরে হয়,

এই আকারে পৌছতে প্রায় আশি বছর বেঁচে থাকতে হয়।

যে মাছ তারা খায় সেগুলো এখানে অনেক কম

এবং সালমান্ডারদের দৃষ্টিশক্তিও তেমন ভালো না।

কিন্তু মাথায় এবং শরীরে অনেকগুলো স্পর্শ অনুভবের গ্রন্থি আছে

যার দ্বারা পানিতে সামান্য আলোড়নও তারা টের পায়।

কোন রকম প্রতিযোগিতা ছাড়াই,

এই দানবগুলো রাতের খাবার সেরে নেয়।

সালমান্ডারদের বসতি খুব পাতলা।

কিন্তু প্রতি বছর পৃথিবীর উঁচু কিছু নদীতে

লক্ষ লক্ষ অতিথি এসে ভীর করে।

স্যামন মাছেরা পৌঁছে গেছে।

এটা পৃথিবীর নদীগুলোর মধ্যে সবচে বড় পরিভ্রমন।

পুরো উত্তর গোলার্ধ জুড়েই

স্যামন মাছেরা, সাগর থেকে তাদের ডিম পাড়ার স্থানে ফিরে যাচ্ছে।

স্রোতের বিপক্ষে যুদ্ধ করতে করতে কয়েকশ মাইল ভিতরে চলে আসে তারা

এই উপরে তাদের ডিম খাওয়ার খুব কম মাছই থাকে

একটি ভালুক,

না খেয়ে থাকা অথবা ভুরিভোজ -

সেটা সম্পূর্ণ তার ইচ্ছা।

এক কানাডার ভালুকটি একদম আলাদা -

সে পানিতে ডুব দিয়ে মাছ ধরতে শিখে গেছে

কিন্তু একটু বেশী পানিতে মাছ ধরাটা সহজ না।

এবং এই বাচ্চাগুলোকেও অনেক কিছু শিখতে হবে।

বছরে একবার ডিম পাড়তে আসা এই স্যামন মাছগুলো

এই নদীগুলোতে অসংখ্য খাবার নিয়ে আসে,

যেখানে খুব বেশী প্রানের অস্তিত্ব নেই।

যদিও অনেকটাই প্রাণহীন

এই পাহাড়ি নদীগুলোর আছে মাটির উপরকে পরিবর্তন করার প্রচন্ড শক্তি,

যা এই নদীগুলোর অন্য যে কোন পর্যায় থেকে অনেক বেশী।

অভিকর্ষের প্রভাবে,

এই নদীগুলো পৃথিবীর সবচে ক্ষয়কারী শক্তি।

গত পঞ্চাশ লক্ষ বছর ধরে

আরিজোনার কলোরাডো নদী, এই মরুভুমির বেলে পাথরগুলোকে ক্ষয় করে আসছে

এবং তৈরি করেছে এক বিশাল গিরিখাত।

এটা এক মাইলের বেশী গভীর।

এবং সবচে চওড়া স্থানে, এটা ১৭ মাইল চওড়া

গ্রান্ড ক্যানিয়ন।

এই নদী পৃথিবীর সবচে বড় গিরিখাতকে তৈরি করেছে -

প্রায় ১০০০ মাইল লম্বা ক্ষত যেটা মহাকাশ থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়।

নদী যতই পাহাড়কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যায়,

ততোই এর পানি উষ্ণ হতে থাকে এবং আরো বেশী প্রানের সমাহার ঘটে

ভারতীয় নদীগুলোতে পৃথিবীর সবচে সামাজিক ভোঁদড়দের বাস -

এই মসৃণ পশমে ঢাকা ভোঁদড়গুলো একটি পরিবারে প্রায় ১৭জন একত্রে বাস করে।

এভাবে ডলাডলি করে তারা শুধু পশমগুলিই পরিস্কার করে না,

তাদের বন্ধন আরো মজবুত করে।

যখন তারা মাছ ধরতে নামে

তখন তাদের দলগত শক্তি টের পাওয়া যায়।

বাচ্চাগুলোর মাছ ধরার প্রশিক্ষণ শুরু হয় চার মাস বয়স থেকেই।

তবে শুধু বড়গুলিরই আছে মাছ ধরার সামর্থ্য

বড়রা ছোটদের সাথে খাবার ভাগাভাগি করে নেয়।

যদিও অন্য ভোঁদড়েরা একা বসবাস করে,

কিন্তু এই উষ্ণ এবং সমৃদ্ধ পানি বড় পরিবারের জন্যও খাবার যোগাতে পারে

এমনকি বড় শিকারিদের জন্যও।

বড় আকারের নদীর কুমীর, চার মিটার লম্বা অনায়াসে একটি ভোঁদড়কে গিলে ফেলতে পারবে।

কিন্তু, তারাও, দলের প্রতি এতোই আস্থা,

যে এই বড় কুমীরকেও এরা পাত্তা দেয় না।

এ যাত্রায় দলগত প্রচেস্টাই জিতে গেলো।

মারা নদী,

পূর্ব আফ্রিকার সমতল দিয়ে সাপের মতো একেবেকে চলছে।

মাটি যত সমতল হতে থাকে

নদী ততো ধীরে বয় এবং তাদের ধ্বংসক্ষমতা হারিয়ে ফেলে

এখন তারা বহন করছে পলিমাটি

এই মাটিই পানিকে বাদামি করেছে।

তৃণভোজী প্রাণীদের সারি

প্রতি বছর প্রায় বিশ লাখ প্রাণী এই সেরেঙ্গেটি সমভুমি পার হয়

তাজা ঘাসের খোঁজে

এই তৃষ্ণার্ত পালটির জন্য

নদী যে কেবল দরকারি পানির সরবরাহ করে তা নয়,

এরা অনেক বিপদও বয়ে আনে।

এখানে পৃথিবীর সবচে বেশী নীলনদের কুমীরদের বাস।

বড় গুলি প্রায় পাঁচ মিটার লম্বা হয়,

স্মৃতি থেকেই, তৃণভোজীরা এ জায়গাটিতে ফিরে আসে,

এবং একত্রিত হয়।

কুমীরের চোয়ালটি স্টিলের ফাঁদের মতো শক্ত হয়ে আটকে যায়।

একবার ধরতে পারলে, তারা আর ছাড়ে না।

এধরণের একটি শক্ত সামর্থ ষাঁড়কে ডুবিয়ে মারতে প্রায় ঘন্টাখানেক লেগে যায়,

তাদের শিকারকে কাবু করতে

কুমীরদের বিদ্যুতগতিতে আক্রমন করতে হয়।

এখানে জীবন মৃত্যুর মাঝখানে একটি চুল পরিমাণ পার্থক্য থাকে।

বেশীরভাগ নদীই সাগরে মেশে।

কিন্তু কিছু কিছু নদীর পথ গিয়ে বিশাল হ্রদে মিশে।

পৃথিবীর সব হ্রদগুলো মিলে, পৃথিবীর সব নদীগুলো থেকে ২০ গুন বেশী পানি ধরে।

এবং পূর্ব আফ্রিকার রিফট উপত্যকায় পৃথিবীর বড় তিনটি হ্রদ আছে।

মালাওয়ি, তাঙ্গানিয়াকা এবং ভিক্টোরিয়া।

এই তিনটির মধ্যে মালাওয়ি সবচে ছোট

তারপরও এটি ওয়েলস থেকে বড়।

এই ক্রান্তীয় হ্রদে এতো বেশী মাছ বাস করে

যা অন্য কোন হ্রদে নেই।

More Bengali subtitles for Planet Earth

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left