Legend

Legend (లెజెండ్)

Download Bengali Subtitle

Release info

LegendBanglasubtitle
A Commentary by Ahmed.Joynuddin

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
Published on: 2024-04-07
Downloads: 46
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

মহাবীর

সাবটাইটেল ভালো লাগলে গুড রেটিং এবং ফিডব্যাক দিবেন।

অনুবাদ ও সম্পাদনায় আহমেদ জয়নুদ্দিন

ম্যাঙ্গালোর

তাকে পছন্দ হয়েছে।

- বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক করে আমাদের জানিয়ে দিও। - ঠিক আছে।

যখন তুমি বিয়ের জন্য এসেছো এটা কি দরকার ছিল?

আপনার এলাকায় লোক ভালো মানুষকে ভোট দেয়,

আমার এলাকার লোক ক্ষমতাশীল মানুষকে ভোট দেয়!

ভাই, ভাবি অনেক সুন্দরী।

কিন্তু তোমার শশুর একটু নরম মনের মানুষ।

আমাদের মতো সবাই হবে কেন?

দাদা...উঠো৷

সুব্বা রাও! চিন্তা করো না৷

পানি নিয়ে এসো।

দাদা, উঠো।

- গাড়ি থেকে নামুন। - নামুন...গাড়ি থেকে নামুন।

গাড়ি থেকে নামুন।

গাড়ি থেকে নেমে উনার দিকে তাকিয়ে দেখেন!

যদি লোকজন অন্যায়ের স্বীকার হয়, এখানে একটা পরিবার আছে তাদের রক্ষা করার জন্য।

দুধ... নাও।

- বাবা! - মা।

তাকে বড় গ্লাসের দুধ দেও।

আমি জানি আমার ছেলেকে কী দিতে হবে, তুমি এই গ্লাস নাও।

কিছু হলেই সবাই আমাদের দরজা হাজির৷

জানি না কী করব।

আমার ছোট মামুনিকে দুধ দিচ্ছি, শাশুমা।

আপনারা কোথায় থাকেন?

- হাসানা! - তুমি এখানে কেন এসেছ?

কী?

স্যার...উনারা আমার মেয়ের সম্মন্ধ নিয়ে এসেছেন।

থামুন। তদন্ত কেন হচ্ছে? এখানে আমাদের দাঁড় করার সাহস হয় কী করে?

আপনি কে তাতে আমার কিছু যায় আসে না।

জানেন আমার এলাকায় আমি কে? ২৫ এমএলএ'এর হারা জিতা আমার সমর্থনে নির্ধারণ হয়।

আমি চারবার এমপি ছিলাম।

দুইবার মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলাম।

আমরা কখনো কোনোকিছুর জন্য জিজ্ঞেস করি না,হয় সেটা ভোট কিংবা সিট৷

জানেন সে কে?

সে শুধু আমাদের এলাকার নেতাই নয় পুরো রাজ্যের নেতা।

তুমি বলছো সে ভবিষ্যতের নেতা, তাহলে নিশ্চয়ই জানে লোকদের সাথে কীভাবে ব্যবহার করতে হয়?

ঠিক আছে, পিছনের কথা ভুলে যাও৷

ভিক্টিমের ক্ষতি পূরণ দেও,

লোকজন দূর্ঘটনার জন্য ক্ষুব্ধ হয়ে আছে,

দয়া করে ক্ষমা চেয়ে চলে যাও৷

কী?

আমার জন্য হাজার হাজার লোক মরতে রাজি৷

আমরা মরদেহে মালা দিয়ে তাদের স্ত্রীকে ১০০ টাকা দিয়ে বিদায় করি৷

আপনি চান এই গবীর লোকদের কাছে আমি ক্ষমা চাইব?

উনাকে ছাড়ো৷

উনাকে স্পর্শ করার সাহস হয় কী করে।

ছাড়ো..ছাড়ো..

- নমস্কার, ম্যাডাম। - নমস্কার৷

এই প্রতিষ্ঠান একটা লক্ষ নিয়ে চালানো হচ্ছে।

ওরা ভবিষ্য৷

ওরা ভালো থাকলেই সবকিছু ঠিক থাকবে।

- আমাদের ফলাফল আরো বৃদ্ধি করতে হবে। - জি, ম্যাডাম।

- কোনোকিছু দরকার হলে বলবেন। - ঠিক আছে, ম্যাডাম।

- মা৷ - আয়, বাবা।

নমস্কার স্যার৷

আমি গেলাম।

যদি আপনার স্বামী এটা জানেন, আমি তা জানি৷

চাচা চিন্তায় আছেন, তুমি জামিন পেয়ে গেছ, দুলাভাই৷

চাচা... চাচা...

ভাই... ভাই..

কী?

আমরা মা আর ছেলেকে কিডন্যাপ করেছিলাম, ভাই।

তোমার নিজের লোকদের সামনে যদি আমার ছেলে তাকে জুতা দিয়ে মারধর করে,

আর সে যদি হাটু গেড়ে ক্ষমা চায়,

আমি তোমাকে যেতে দিব।

তোমার স্বামীকে আসতো বলো।

যদি আমাদের তলোয়ার দেখাও তোমার ভাগ্যে শনি আছে।

যদি তাদের নিয়ে যাও তোমার মাথা থাকবে না৷

তুমি এই জায়গায় নতুন আর এই পরিবারের কাছেও।

ওরা পাগল৷

ওরা যখন লোকদের কথা শুনে তারা নিজেদের কথা ভুলে যায়৷

সে এই বংশের প্রদীপই নয় সে এই পরিবারের মূখ্যা৷

তার চোখে জল আসতে পারে কিন্তু সে অস্ত্রে ভয় পাবে না।

যদি তুমি জিজ্ঞেস করো লোকদের জন্য মরবে নাকি আরো ১০০ বছর বাঁচতে চাও?

আমার ছেলে মরাকেই বেচে নিবে৷

তাকে ভয় দেখাতে পারবে না।

জানি না তার শরীর কী রক্ত বইছে, রক্ত নাকি এসিড?

সে কথা বলার আগে তাকে মেরে ফেলে, ভাই।

বাবা মারা গেছে। তুমি এমন করে আছো কেন?

আমি এক ঘন্টা কাদব, সে জীবিত হয়ে যাবে?

আমি একদিন কাঁদব, সে জীবিত হয়ে যাবে?

ভাই, এখানে থাকা নিরাপদ নয়৷

মরদেহ নিয়ে চলো আমাদের এলাকায় যাই।

এখানে এসেছিলাম এই জায়গার দামান হতে।

বুঝেছি আমায় ওদের যম হতে হবে।

এই জায়গায় আমাদের। তাদের এখানে দাফন করো।

এসব কী? এসব কী?

কোথায় যাচ্ছিস?

লোকদের জন্য লড়াই করতে করতে আমাদের জন্য কী রেখেছিস?

তোর দাদা, বাবা তোর বড় ভাই।

আজকে তোর স্ত্রী।

আর কত মৃত্যুর স্বাক্ষী হতে হবে এই পরিবারকে?

তুই যদি পরিবর্তন না হস, আমাদের উত্তরাধিকার থাকবে না।

তোর বোন বেঁচে থাকতে পারতো না।

এই পরিবারে যখনই মৃত্যু হয়, আমি ভাবি তুই বদলে যাবি।

তুই কখনো বদলি না।

ওর দিকে তাকিয়ে দেখ।

এই বয়সে সে কত লোকদের হত্যা করেছে আর তোর পথ বেছে নিয়েছে।

তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে তবুও এক ফোটা চোখের পানি পড়ছে না।

অনন্ত তোর পথে না যেতে মানা কর, বাবা।

মা, সে তোমার কাছে প্রশ্ন, কিন্তু সে আমার কাছে উত্তর নিয়ে হাজির হয়েছে।

যখন লোকেরা সমস্যার সম্মুখীন হয়, তারা আমাদের কাছে চলে আসে, মা।

এখন এই পরিবার একজন নেতা, কর্তা দেখতে পেয়েছে।

প্রথমবারের মতো কেউ ইতিহাস তৈরি করার জন্য জন্ম নিয়েছে।

একজন লেজেন্ড জন্ম নিয়েছে।

তাকে অবশ্যই এরকম বড় হয়ে উঠতে হবে।

তাকে সবসময় এরকম থাকতে হবে।

জিতেন্দ্র ক্ষিপ্ত হয়ে আছে

যে অপমান হয়েছে৷

সে টাকা আর শক্তি বাড়াতে থাকে।

ম্যাঙ্গালোর দখল করতে সে কোনো কসরত রাখে নি।

দেখ, সে ভুল পথে যাচ্ছে।

আমি তাকে অনেকবার সর্তক করেছি, কিন্তু সে শুনছে না।

তাকে বুঝাও।

জামাইবাবা, আমার মনে হয় তুমি ঠিক কাজ করছো না৷

তাকে আটকিয়েছিল বলে ওর নিজের শশুড়কে ছেড়ে দেয় নি।

এই ঘটনার পরের

মুরব্বি মহিলারা ভয়ে পেয়েছিল এটা আওতার বাইরে চলে যাবে,

তার ছেলেকে সেটা মানতে রাজি করায়,

তার নাতিকে পড়ালেখার নাম করে লন্ডন পাঠিয়ে দেয়৷

লোকজন ভেবেছিল এটা দূর্ঘটনা।

কিন্তু সে জানত এটা খুন।

সেজন্য সে সিদ্ধান্ত নেয় তার নাতি বাবার মৃত্যুর সংবাদ শুনেও যেন ভারতে না আসে।

জিতেদ্র টাকা আর শক্তি নিয়ে বেড়ে উঠে,

তার বাবার রাজনীতিবিদগনও তাকে আরো শক্তিশালী করে তুলে,

জিতেন্দ্র যেমন চেয়েছিল সে ম্যাঙ্গালোর শাসক হয়ে উঠে।

LATER

দুবাই....

শারজাহ সীমান্ত...

স্যার প্লিজ....

স্যার প্লিজ

আমাদের কী দোষ, স্যার?

তোমরা বিদেশে এসেছ, ভালো জব আছে৷

কিন্তু সেটা ছাড়া,

কন্নড় লোকদের পাসপোর্ট নেই, তারা জেলে যাবে।

কত বড় সাহস দূতাবাসে অভিযোগ করিস

বলছিস আমি সালাল'র সব দায়বার?

এটা আমাদের দায়বার, স্যার।

তোমরা অন্যের দায় কেন নিবে?

এরকম পরিস্থিতিতে দেখি কে তোমাদের বাঁচাতে আসে।

ভাইলোক এদের এখানে করব দিয়ে দে।

সালাল ভাই। পালাও।

- রাশেদ... - ভাই। পালাও।

কী হয়েছে? কী হয়েছে?

- পালাও! - পালাবো?

- কে তোকে মারার সাহস করেছে? - ঘুষি নয় চড় মেরেছে।

তার সিংহের মতো গর্জন।

ওরে মারাইয়া ফালা। যা।

মনে হচ্ছে সে সিংহের সেনা নিয়ে আসছে।

আমার এলাকায় ডুকে আমাকে মারার সাহস হয় কী করে।

তুই জায়গায় বদল করলে তোর খাবার আর বিছানাও বদল হয়ে যাবে।

তোর রক্ত কীভাবে বদলিবে, হারামী৷

একই রং, একই শক্তি।

Hey man, what colour?

তুই ওদের দুবাইয়ে রঙিন দুনিয়া দেখাস ভালো চাকরি দিবি বলে লোভ দেখাস,

ওরা বিশ্বাস করে এখানে আসে, আর তুই ওদের দাসী বানিয়ে দিস।

ওরা প্রশ্ন করলে ওদের পাসপোর্ট জব্দ করে রাস্তায় ছেড়ে দিস।

তোর কারণে অনাহার থাকে বাড়ি ফিরে যেতে পারে না,

৩০০০ কন্নড় লোক জেলে আছে।

যখন ওরা মারা যাবে ওদের দেহ দেশে পাঠাবার মতো কেউ নেই।

সন্ধ্যার মধ্যে ওদের পাসপোর্ট ভারতের দূতাবাসে পৌঁছানো চাই,

ওদের টাকা দিয়ে ভারতে যাবার ব্যবস্থা কর।

না হলে...

তোমরা অন্যের জন্য লড়াই করো সেটা আমার পছন্দ হয়েছে।

চালিয়ে যেও৷

আসো।

ম্যাঙ্গালোর

তোকে সকাল থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য চেষ্টা করছি, কোথায় ছিলি?

পার্থনা করতে দেরি হয়ে গেল, চাচা।

ল্যাপটপটা আমার কাছে দে তো।

- তোদের ভাই কল করেছে। - কী?

কৃষ্ণা কল করেছে, শাশুমা।

দাড়া, সবার সাথে কথা বলো।

- শুভ জন্মদিন, কৃষ্ণা। - ধন্যবাদ, দাদি।

শুভ জন্মদিন। ভাই।

- শুভ জন্মদিন। - ধন্যবাদ।

এ বছর অনন্ত বিয়েটা করবি?

তোমাকে একটা কথা বলতে চাই, দাদি।

এখানের একটা মেয়ে আমায় খুব ভালোবাসে।

আমিও তাকে ভালোবাসি।

ওয়াও, দারুণ।

কিন্তু তোমাকে অবশ্যই মেনে নিতে হবে।

- সে কন্নড় মেয়ে? - ১০০% কন্নড়ের।

আমাদের ঐতিহ্যের পোশাকআশাকের তো?

একদম পারফেক্ট।

কিন্তু স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে একটু ভেজাল আছে।

আর প্রার্থনা ভক্তি?

সে পুরো সপ্তাহ পার্থনা আর ভক্তি করে কাটায়।

অপেক্ষা কীসের জন্য করছি? এখানে নিয়ে আয়।

আমরা এখানে মারামারি থেকে দুরে শান্তিতে আছি।

না, আমরা ওখানে আসব। টিকেট বুক কর।

ঠিক আছে, দাদি।

তোমরা এক সপ্তাহের মধ্যে আসবে। দাদি।

এক সপ্তাহ?

ততক্ষণ আমরা অপেক্ষা করতে পারব না৷ তার ছবি পাঠাও।

- কী রকম হবে কিছু মনে করো না৷ - তাড়াতাড়ি পাঠাও।

Legend subtitles in other languages

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left