Suzhal

Suzhal (சுழல்)

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

Suzhal: The Vortex S01E08 WEB-DL Bangla Subtitle x720p
A Commentary by Saiful_Shakib

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
480p
480
1080
720p
720
Published on: 2022-08-10
Downloads: 93
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

নীলা, তুমি একটা ধাঁধা।

কখনো আমার একদম কাছে চলে আসো।

আবার পরক্ষণেই আমার থেকে দূরে সরে যাও।

আম দেখেই বোঝা যায় সেটা কাঁচা নাকি পাকা।

কলার ক্ষেত্রেও বোঝা যায়।

কিন্তু তুমি নারকেলের মতো।

কাঁচা নাকি পাকা বলা মুশকিল।

যা লিখেছো ঠিকঠাক পড়লাম তো?

শেষের দুই লাইন... আমার যোগ করা। কেমন লাগলো?

আমাদের রক্ষাকারী অসুর কে জানো?

এই যে... এই ভগবান না?

নারীরা কোনো বিপদে পড়লে উনি তো তেড়ে চলে আসেন।

আমার রক্ষাকারী অসুর তুমি। মনে রেখো।

ডাক্তার, একটা বিষয় বুঝতে পারছি না।

আপনার মতে নীলাকে নির্যাতন করা হয়েছিল,

তাও দীর্ঘদিন ধরে।

তাহলে সে বাবাকে বললো না কেন?

কিছু জিনিস মেয়েরা বাবাদের সাথে শেয়ার করতে পারে না।

তাহলে মা'কে বলতো।

অন্তত আমাকে তো বলতে পারতো।

নন্দিনী, তুমি কি জানো এগুলো কেমন?

কখন জবাই দেওয়া হবে জানার পরও ছাগল কিছু বলে না কেন?

- কারণ সে বলতে পারে না, ডাক্তার। - একদম।

যৌন নিপীড়নের শিকার শিশুদের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা সেরকম।

বলাৎকার হওয়ার পর তারা অনুভব করে লজ্জা, ধোঁকা

ঘৃণ্যতা, বিড়ম্বনা...

সর্বোপরি...

কোথাও তাদের ভুলে এটা হয়নি তো, ভাবনাটা তাদেরকে কুড়ে কুড়ে খায়।

যাইহোক, নন্দিনী...

সেশনটা নীলার ব্যাপারে নয়, তোমার ব্যাপারে।

আমার কী হয়েছে?

দেখো।

মা বলতো আমি ছোটবেলায় দেবীর উৎসবে আবিষ্ট হয়ে এমন নাচতাম।

কিন্তু আমার তেমন কিছু মনে নেই।

উৎসবের এলাকায় গিয়ে দেখুন। অনেকে এমন আবিষ্ট হয়ে নাচে।

আমি জানি তাদের ব্যাপারে।

সেটা সাধারণ ব্যাপার।

তবে বাচ্চারা সাধারণত এভাবে নাচে না।

যদি না কিছু একটা তাদেরকে বিরক্ত করে।

আমি কেন বিরক্ত হবো?

ছোটবেলায় তুমি ঘুমের মধ্যে হাঁটতে না?

আমার মনে নেই। তবে শুনেছিলাম।

কখনো ভেবেছো কেন মনে পড়ে না?

দেখো! তোমার স্মৃতিতে কিছু শূন্যস্থান রয়েছে।

আজগুবি কথা বলছেন, ডাক্তার‌। ভুলে যাওয়াও কি কোনো রোগ?

কখন টিকটিকি তার নিজের লেজ কেটে পালায় জানো?

যখন সে বিপদের গন্ধ পায়।

মনোবিজ্ঞানে সেটাকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বলা হয়।

আমাদের সাথে বিরক্তিকর কিছু ঘটলে,

আমরা সেই মানসিক আঘাত থেকে দূরে থাকতে অনেক কৌশলই অবলম্বন করি।

তার মধ্যে একটা ডিসসোসিয়েটিভ অ্যামনেশিয়া।

কেউ কেউ তাদের অবচেতন মনের গভীরে যেটা ঘটেছে তা চাপা দেয়।

যেহেতু সেই চাপা দেওয়া স্মৃতিগুলো

সঠিকভাবে মোকাবেলা করা হয় না,

আমাদের চাপের সময়ে,

অজ্ঞান হয়ে যাওয়া,

ঘুমের মধ্যে হাঁটা এগুলো হয়।

সেক্ষেত্রে আমি কী করবো, ডাক্তার?

দেখো!

দিনশেষে...

কেবল তুমিই নিজেকে সাহায্য করতে পারো।

নন্দিনীর মনে একটাই চিন্তা, তার বোনের যৌন নির্যাতন।

বোনকে হারানোর পর তার এমন অনুভূতি হওয়া কি স্বাভাবিক না?

সেটা না।

কিন্তু সে এখন মানসিক চাপগুলো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহার করছে।

গত দুই বছর ধরেই দেখছি।

মানসিক আঘাত মোকাবেলা করার বদলে,

সে বোনের সমস্যার পিছনে লুকিয়ে থাকে।

স্থানচ্যুতি, তাই না?

ছোটবেলায় তার সঙ্গে কী ঘটেছিল, সেটা পরিষ্কার।

সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় সাইফুল ইসলাম সাকিব

- স্যার, সাহায্য লাগবে? - না... না। লাগবে না।

২০ বছর ধরেই ভাড়ে সিমেন্টস ইউনিয়নের আইনজীবী আমি।

৩ বছর আগ পর্যন্তও কর্মচারী আর মালিকপক্ষের কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না।

৩ বছর আগ পর্যন্ত দ্বন্দ্ব ছিল না? মানে ত্রিলক আসার আগ পর্যন্ত?

সেটা নিছকই কাকতালীয় ঘটনা।

ত্রিলোক দায়িত্ব নেওয়ার পর,

নির্মাণ এবং সিমেন্ট শিল্পে মন্দা দেখা দেয়।

বোনাস কমিয়ে দেওয়া হয়। কর্মীদের কাজই ছিলো না।

তাদের মজুরি দেওয়ার মতো টাকাও ছিল না।

আর শেষে, কোম্পানিটা বন্ধ করে দিতে হয়।

সেই কারণেই কি শ্রমিকরা ধর্মঘটে নেমেছিল?

সেদিন তারা কেন ধর্মঘটে নেমেছিল জানি না। কিন্তু...

বছরখানেক আগে এমন কিছুই হবে পরিস্থিতির পূর্বাভাস পাওয়ার পরে,

আমি আর শানমুগাম একত্রিত হয়েছিলাম

শ্রমিকদের চুক্তি পুনর্বিবেচনার জন্য।

এই যে সেটা।

বাবা!

আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

কিন্তু তুমি আমার সব কাজে ভুল ধরো।

আমি তো এটার অংশই হতে চাইনি।

আমি শহরে বসবাস করতে চেয়েছিলাম।

কী বলছিস এসব?

এতো বড় কারখানা ছেড়ে দিতে চাস?

তারপর শহরের কারো সামনে হাত জোড় করে কাজ করবি?

তুই এখানে বস।

বাবা!

আমি তোমার মতো না।

বোঝার চেষ্টা করো।

আমি বস হতে না চাইলে?

আর যদি আমি...

যদি আমি বড় শহরের

ছোট একজন হতে চাই?

আরে,

বড় শহরে কী এমন আছে?

এটা আমাদের শহর! আমাদের ভূমি!

"আমাদের শহর! আমাদের ভূমি!"

কেন বিভ্রান্ত হচ্ছো, বাবা?

তুমি এখানে থাকতে পারো।

ব্যবসা করো, চাকরি দাও, বেতন দাও।

কিন্তু দেওয়ালগুলো অতিক্রম করলে

তুমি শুধু একজন অর্থমনস্ক মনিব।

যে দরিদ্র শ্রমিকদের রক্ত চুষে খায়।

কেবল আমিই এখানে ভিলেন না,

তুমিও ভিলেন!

স্যার‌! উনাকে বিশ্রাম করতে দিন।

- ম্যাডাম? - স্যার?

- ত্রিলক ভাড়ে কোন রুমে? - একটু দাঁড়ান, স্যার।

- উনি আইসিইউতে আছেন। - সে আইসিইউতে আছে।

বাঁচার জন্য লড়াই করছে।

অন্তত এখন তাকে নিস্তার দিন।

সে নির্দোষ। কারখানার আগুনের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

আমি জানি, স্যার।

দয়া করে নিচে আসুন। কথা বলি।

শ্রমিকদের নতুন চুক্তি অনুসারে,

কারখানাটা বন্ধ করার সময় যেই অবস্থাই থাকুক না কেন

তারা কমপক্ষে এক বছরের ক্ষতিপূরণ পাবে।

- তো, কী হয়েছে? - আগুন লাগার সময়...

হতাহতের প্রবণতা থাকে।

কিন্তু আপনার কারখানায় যেদিন আগুন লেগেছিল

শ্রমিকরা সেদিন ধর্মঘট করেছিল।

সৌভাগ্যবশত, সেদিন কেউই মারা যায়নি।

আপনি কি বলতে চাইছেন সেদিন কারো মারা যাওয়া উচিত ছিলো?

আমি সেই কথা বলিনি। কেবল কাকতালীয় ঘটনা ইশারা করছি।

সাধারণত, জেনারেটর রুম ভিতর থেকে বন্ধ করা হয়‌‌।

সেদিন বাইরে থেকে বন্ধ করা ছিল।

আপনি কী বোঝাতে চাচ্ছেন?

আমি প্রমাণ করার চেষ্টা করছিলাম ত্রুটিযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণের কারণে এই আগুন লেগেছে।

কিন্তু ত্রিলোক সন্দেহপ্রবণ হয়ে উঠলো আর শানমুগামকে গ্রেফতার করালো।

আর সে সঠিক ছিল।

ত্রিলোক আপনাকে রিপোর্টে কী লিখতে বলেছে?

ত্রিলোক আমাকে কী বলেছিল সেটা ছাড়ুন। কারখানায় কে আগুন লাগিয়েছিল জানেন?

শানমুগাম।

আগুন জ্বালানোর জন্য সে পেইন্ট থিনার ব্যবহার করেছিল।

আপনি সেটা প্রমাণ করতে পারবেন?

স্যার, শানমুগাম থিনার কিনেছিল তা আমি প্রমাণ করতে পারবো না।

কিন্তু আমি জানি কে কিনেছিল আর সে কোথা থেকে কিনেছিল।

কে?

ইন্সপেক্টর রেজিনা।

ইন্সপেক্টর রেজিনা পেইন্ট থিনার কিনে

তার গাড়িতে করে কারখানায় নিয়ে গিয়েছিল।

আরেকটা আকর্ষণীয় ব্যাপার জানেন?

সেই শ্রমিকদের চুক্তিতে যে স্বাক্ষর করেছিল, সে ত্রিলোক না।

মিঃ মুকেশ ভাড়ে।

চলো।

তো...

আপনারা তিনজন পরিকল্পনা করে

ভুয়া ধর্মঘট পালন করিয়েছিলেন।

তারপর শ্রমিকদের বের করে দিয়ে

কারখানায় আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন।

তারপর শানমুগাম দোষ স্বীকার করে নিজেকে পুলিশের হাতে তুলে দিতো।

যদি সে তা করতো,

বীমা সংস্থা আপনাকে ক্ষতিপূরণ দিতো।

কিন্তু ভাগ্য তার খেল দেখালো‌।

তার মেয়ে নিখোঁজ হওয়ায় সে সেটা করতে পারলো না।

আপনাকে ছোট করে দেখেছিলাম, মিঃ কোথান্দারামান।

তাহলে পরবর্তি পদক্ষেপ নিচ্ছেন না কেন?

৩ জন ভিলেনই তো আপনার সামনে।

আমি সবটাই বুঝতে পেরেছি!

আপনারা সবাই ভুল করেছেন।

কিন্তু আপনারা কেউই ভিলেন নন।

আপনার কারখানায় লোকসান চলছিল।

কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে শ্রমিকদের পরিবারগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হবে জেনে,

কারখানার মালিক মুকেশ,

ইউনিয়ন নেতা শানমুগাম আর পুলিশ ইন্সপেক্টর রেজিনা কারখানায় আগুন ধরিয়ে দেয়।

আপনারা বীমার অর্থ দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

বাংলায় একটা শব্দ আছে "অর্ধসত্য"।

যার মানে...

অর্ধেক সত্য।

যেমনটা আপনি বললেন,

শানমুগাম করেছিল শ্রমিকদের জন্য, রেজিনা করেছিল এই শহরটার জন্য,

আর আমি কারখানার জন্য। এভাবেই আমরা নিজেদের কাছে এটাকে ন্যায্যতা দিয়েছিলাম।

কিন্তু সেটা কেবল অর্ধেক সত্য।

পুরো সত্য হলো...

বাবা-মায়েরা সন্তানদের জন্য যা করেন তা সবসময় ন্যায়সঙ্গতই করে থাকেন।

আমার অংশের টাকা আমার ছেলে পাবে। আমার মৃত্যুর পরে সে নিরাপদে থাকবে।

রেজিনা আর শানমুগামও সেরকম ভেবেছিল।

যেই টাকা আসবে তার একটা অংশ সন্তানদের ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।

কিন্তু দেখুন, সব কেমন হয়ে গেল।

সবকিছুই বৃথা!

সেই কারণেই শানমুগাম আর রেজিনা আমার ছেলের সাথে এটা করার পরও

তাদের উপর আমার তেমন রাগ নেই।

দিনশেষে...

সবটা বাবা-মায়েদেরই কর্মফল।

আর এখন,

তারাও একই অভিজ্ঞতা অর্জন করছে।

তাই না?

তুমি আমার সাথে আর কখনো কথা বলতে না চাইলেও সেটা ঠিক ছিলো।

কিন্তু তুমি কারো ছেলেকে মারতে চেয়েছিলে‌।

তোমার কি সেটা ভুল মনে হয়নি?

More Bengali subtitles for Suzhal

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left