The first 200 lines.
- তুমি কি ক্লান্ত? - না
Climates(জলবায়ু) অনুবাদক:-মোঃসাব্বির হোসেন
আমাদের কি আরিফকে ফোন দেওয়া উচিত?
বাহার!
অবশ্যই।
- সেমরা, রাতের খাবার দুর্দান্ত ছিল। ধন্যবাদ. -আশা করি তুমি এটা উপভোগ করেছ.
- কফি হলে কেমন হয়? - তুমি নিবে?
- আমি হালকা মিষ্টি নিবো - আমিও.
- আমাদের আরো আকর্ষণীয় জীবনযাপন করা উচিত। - এটি আসলে অস্বস্তিকর।
- তুমি এখানে কেন? - আর কী ই বা করার আছে?
এখানকার আবহাওয়াটা দুর্দান্ত। শুধু এটুকুই!
যদি আমাদের চারপাশে আরও কিছু মানুষজন থাকত...
তোমরা এখানে কেন!
সত্যিই বলতে, আমরা প্রথমবারের মত একসাথে বের হয়েছি।
বাহারের কাছে সেই টিভি সিরিজটি রয়েছে। যার সময়সূচী সর্বদা অনিশ্চিত।
আমি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় আছি।
গ্রীষ্মে আমি ফ্রি থাকি,, তবে বাহার সাধারণত ব্যস্ত থাকে।
- এই সিরিজে তোমার কাজ কী,বাহার? - আর্ট ডিরেক্টর।
এটি কি উগারর ইউসেলের মত?
না, এটা আলাদা সিরিজ। আমাদের আসলে অতবড় নাম নেই।
ঠান্ডা লাগছে!
- তোমার কি ঠান্ডা লাগছে! - না আমি ঠিক আছি.
- তুমি কেন নিজের জ্যাকেট পড়ে নিচ্ছোনা? - বললাম না!। আমি ঠিক আছি।
তোমাকে চিন্তিত মনে হচ্ছে। কোনো সমস্যা?
কি হলো?
কোনো সমস্যা!
এমন শব্দ করছো কেন!
তুমি এত বাড়াবাড়ি করছ কেন?
আমি যদি বাড়াবাড়ি করি, তোমার নিজের ভালোর জন্যই, তাই না?
যদি আমার ঠাণ্ডা লাগত,আমি নিজেই জিনিসটা পড়তাম।
যেখানেই যাই তোমার নতুন নতুন সমস্যার সৃষ্টি হবেই!
আরে থামো! আর গভীরে যাওয়ার দরকার নেই।
চিন্তা করোনা। তারা আমাদের দেখে উপহাস করছে!
- তুমি খাবার নষ্ট করছো! ... - না, ঠিক আছে।ব্যাপার না।
হেই গাইস!ব্যাপার না এসব।
যাস্ট ভুলে যাও।
তো তুমি তাহলে সমুদ্রের ঢেউ এর শব্দ শুনছ।
সমুদ্র কি পাশেই?
হ্যাঁ, ঐখানে।
- এই গাছের পিছনে? - হ্যাঁ.
গাছ অনেক বড় হয়েছে তাহলে।
১৯৭৭ এ আমি এখানে এসেছিলাম। তখন এখানে কিছুই ছিল না।
এটা একটা পর্যটনকেন্দ্র। জার্মানরা এখানে আসতে শুরু করল। তারপর ...
আমরা কি সাঁতারে যেতে পারি না?
এখন!
- হ্যাঁ. - এই ঠান্ডায় বরফ হয়ে যাবে।
তুমি কি পাগল! আল্লার দোহাই! এসব উদ্ভট চিন্তাভাবনা ঝেড়ে ফেলো।
- কেন নয়!যদি তুমি চাও। তবে ... -বাদ দাও,পরে ঠান্ডায় গলা জমে যাবে।
দেরি হয়ে যাচ্ছে.। চলো কপি খেয়ে বেড়িয়ে পড়ি।
সেমরা, কফি কোথায়?
- যদি চাও তবে এখানে থেকে যেতে পারো। - না, ঠিক আছে. হোটেলই ঠিক আছে।
হোটেলে সবকিছু ঠিকঠাক আরামদায়ক আছেতো? - হ্যাঁ.
লাভ ইউ সোনা।
- কি ব্যাপার! তুমি দেখি ঘামে সিক্ত। -আমার বিশ্রাম প্রয়োজন।
তোমার রোদে ঘুমানো উচিত নয়। এটা সত্যিই বিপজ্জনক।
বাহার ...
আমি কিছু বলতে চাই, দয়া করে ভুল বুঝবেনা।
হয়ত আমাদের নিজেদের পথ বেচে নেয়া উচিত। তুমি কি মনে করো?
আমরা ভালো বন্ধু হিসেবে থাকতে পারি। এতে খুব একটা দূরত্বের সৃষ্টি হবে না।
আমরা একসাথে বের হব, রাতের খাবার খাবো, একসাথে সিনেমা দেখব ।
আমাদের বন্ধু হতে হবে না। আমি কিছু মনে করছি না।
ওহ বাহার। আল্লার দোহাই এমন করো না।
এতে তোমার জন্যই ভাল হবে।
অর্থহীন সেই আবেগ তোমাকে বিভ্রান্ত করছে।
এটাকে তুমি অর্থহীন বলছো?
আল্লার দোহাই, এটা আবার শুরু করো না।
এটা তোমার জন্যই ভালো। তুমি নিজেও জানো এটা।
আমাকে নিয়ে তোমার চিন্তা করা লাগবে না। আমি ভালো থাকব।
আমি যেটা বলতে চাচ্ছি তুমি যুবতী,আকর্ষণীয় ...
তুমি চাইলে আরো সুদর্শন কাউকে পেতে পারো।
হয়ত এটা সত্য। হতে পারে আমার বয়স অনেক বেশি।
বয়সের পার্থক্য সত্যিই একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের মাঝে।
আমার মনে হয় না। আমরা একথে থাকতে পারবো।!
আমাকে এত জ্ঞান দিতে হবে না, তুমি যাই বলবে তাই হবে।
আমি তোমাকে বোঝানোর চেষ্টা করছি না, কেবলমাত্র কারনগুলো উপস্থাপন করছি।
তুমি জানো, আমি সঠিক।
তোমার মাথা কি গেছে!তুমি চাইছো আমরা উভয়ই শেষ হয়ে যাই?
যদি তুমি নিজে মরে যেতে চাও আমি তোমাকে ছুড়ে ফেলে দেব।
- দেবো ফেলে!! - আমার থেকে দুরে থাক!
এদিকে আসো.
বাহার!
ফিরে এসো!
শালার!
তোমার লাগেজ রসিদ
এটা হারাবে না।
তোমার সাথে সোয়েটার আছে? রাতে সত্যিই শীত পড়ে।
হ্যাঁ আছে।
এক্সকিউজ মি.
- ঠিক আছে তাহলে. যাত্রা শুভ হোক. - ধন্যবাদ
-ইস্তাম্বুলে গেলো তোমায় ফোন করবো। - না।
- কি? - ফোন করবে না।
ঠিক আছে।
আমি চাই তোমরা এই দুটি মন্দিরের স্থাপত্যে একে অপরের সাথে তুলনা করো।
তোমাদের হাতে ১৫ মিনিট আছে। কোন প্রশ্ন?
- কেমন আছ তুমি? - ভাল।
- পরীক্ষা কেমন গেল? - মোটামুটি।
আমার কম্পিউটার চালু করেছে কে?
আমি জানি না.
সম্ভবত তোমার ছাত্রদের মাঝে কেউ।
- এই! এটা তুমি ছিলে? - না, আমি কেন চালু করব?
- তুমি কি চলে যাচ্ছ? - হ্যাঁ, আমায় যেতে হবে।
আমি পিনারের সাথে একটি শিল্প প্রদর্শনীতে যাচ্ছি। যদি চাও আমাদের সাথে যোগ দিতে পারো।
না ধন্যবাদ. আমাকে পরীক্ষার কাগজগুলো দেখতে হবে।
তুমি চাইলে এটি পরেও করতে পারো!
ঘরে বসে কাজ করতে আমার ভালো লাগে না। আমি এটা এখানেই সম্পন্ন করতে চাই।
শনিবার কর্মসূচির আয়োজন করেছি। আশা করি তোমার সমস্যা হবে না।
- যদি বৃষ্টি হয়? - সবসময় অজুহাত। যদি বৃষ্টি হয় সেটা তখন দেখা যাবে।
- সেক্ষেত্রে আমরা তুষারে করতে পারি। - তা ঠিক আছে।
- তুমি বের হচ্ছো না তাইলে! - না
- এরপরে আমরা সাতারে যেতে পারি। - সমুদ্রের মধ্যে?
ঠিক আছে, আমরা এটিও করব।
ঠিক আছে, দেখা হচ্ছে তাইলে।
- যাওয়ার আগে চলো কফি খাওয়া যাক। - আমার হাতে আসলে সময় নাই।
দেরি হলে সে অভিযোগ করবে। আমায় যেতে হবে.
- ঠিক আছে. ভাল সময় কাটাও - ধন্যবাদ
ঈছা ঈছা!
- আরে,কেমন আছ? - ভালো অবশ্যই।
- কি করছ আজকাল? - বরাবরের মত একই কাজই।
- এখনও বিজ্ঞাপনে আছ? - হ্যাঁ. তারা আমাকে যেতে দেবে না।
- আরে! কেমন আছ? - ভাল। তুমি?
ভালো।এটা আসলেই চমৎকার ব্যাপার যে তোমরা এখনো একত্রে আছ।
তুমি কি বিবাহ করেছ?
আমার হাতে আসলে খুব বেশি সময় নেই। আমরা কি একসাথে খেতে পারি?
দেখা যাক.
দুঃখিত। আমাকে কারও সাথে দেখা করতে হবে
আরে আসো. আমাদের আসলে খুব কমই দেখা সাক্ষাৎ হচ্ছে।
-দুঃখীত। ঠিক আছে যোগাযোগ রেখো। - ঠিক আছে.
- ভুলে যাবে না - তুমিও কখনও কল কর না।
তুমিওতো করোনা। আমরা দুজনেই একে অপরের মতো খারাপ।
- তোমার কাজ কেমন চলছে? - চলছে...
আমরা একটি ম্যাগাজিনের অপেক্ষায় আছি ।
- ঠিক আছে. পরে দেখা হবে. - দেখা হবে.নিজের যত্ন নিও.
জায়গাটা অনেক বদলে গেছে।
এভাবে তাকিয়ে আছ কেন? চাইলে চলে যেতে পারি।
তুমি কীভাবে জানলে যে আমি বাসায় একা ?
গুভেন বলেছিল,গুভেনইতো না! বইয়ের দোকানের সে।
আর আমি মনে করি আমি যথেষ্ট চেষ্টা করেছি।
- কিছু খেতে বলবে না? - কি খেতে চাও তুমি?
আমি কি থাকব!
ড্রিংকস জাতীয় কিছু?
ঠিক আছে।
ঠিক আছে, আমি কফি খাব।
শুধুই কফি!আর কিছু!
তারপর আমরা ওয়াইন নিবো, ঠিক আছে?
অবশ্যই।
অনেকদিন তোমায় দেখিনি।
বাহার কি শহরের বাইরে?
বাহারের মাঝে কী আছে?
বলতে চাচ্ছ?
আল্লার দোহাই তুমি এখনো হাসছো ?
ঠিক আছে, ঠিক আছে, শান্ত হও!
আমি শান্ত আছি
- বাসি নাকি এগুলা -তাহলে খেয়ো না ।
মুখ খুলো।
এগুলো কেমন জুতো? খুবই বাজে দেখাচ্ছে।
এগুলোই আমার পছন্দ.
খাও !
-ঠিক আছে এটা - না!
- কিছুটা খুতখুতে। - এটা ফ্লোরে পড়েছিল।
- হুম্ম। ফ্লোর পরিষ্কার। খাও। - না।আমি খাবো না।
ধরো,হয়ে গেছে।
ভালো হয়েছে .
আগে তোমাদের অনেক জ্বালিয়েছি। এখন ঠিক আছো!
- আর কিছু? - না ধন্যবাদ.
ওকে
আমাকে যেতে হবে, মা। আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে.
আমি এখনও আমার থিসিস নিয়ে কাজ করছি। আমাকে কারও সাথে দেখা করতে হবে।
- তুমি কিছু খেয়েছো। - আমার আসলে ক্ষিধা নেই এখন। আমি নিজে খেয়ে নিতে পারবো
- আবার ড্রপ! - আমি পারব না তবে চেষ্টা করব।
যদি আমার থিসিসটি সম্পন্ন করতে পারতাম ...
তোমার সন্তানাদি নিয়ে ভাবা উচিত ।
মা, এই কথা বলো না।
আমার বাচ্চাকাচ্ছা থাকা না থাকায় কি আসে যায়!
- অবশ্যই এটা গুরুত্বপূর্ণ। - কেন?
আমার বয়স তো কম হয়নি। কে জানে আর কতকাল এভাবে থাকতে হবে ?
- বাচ্চারা আসলে আপনি অনেক খশি হবেন জানি। - তবে বাচ্চাকাচ্চা আমার গায় সয় না।
যখন নিজের হয় তখন সব অন্যরকম হয়ে যায়। শুধু অপেক্ষা করো আর দেখো বাপু.
বাবা তুমি এই টুপি কেন পড়েছ?
এটা নতুন অভ্যাস। মেহমান-অতিত আসলেও সে এটা পড়ে থাকে।
এটার কাজ সম্পর্কে তোমার কোনো ধারনা আছে! এটা রক্তরনালীগুলো রক্ষা করে।
রক্তকে আরও পাতলা করে তোলে যাতে আরও সহজে প্রবাহিত হতে পারে।
ঠিক আছে বাবা,তবে এটা বেশিক্ষন পড়ে থেকোনা।
সে যখন বাইরে বের হয় তখন এটার উপর আরো একটা টুপি পড়ে।
আমি সবসময় বলি,কিন্তু সে শোনেই নাই।
দেরি হয়ে গেছে.ভালো হবে আমি বেড়িয়ে পড়ি।
অবসর পেলেই চলে এসো।
- এটা কিছু হইলো। - মানে কি? এটা বাইরে চলে গেল।
- আমার জন্য এটা লাইনেই ছিল। - চোখ কি হাতে নিয়ে বসে আছো নাকি !
আমরা বিয়ের ব্যাপারে সব পরিকল্পনা পাকা করলাম। ভেবে দেখো, সবকিছু রেডি।
তারপরে একত্রে এক রাতে বাইরে খেতে গেলাম।
হঠাৎ দেখলাম!
আমার মুখের উপর হাত লাড়াতে লাগল।
এটা আসলেই দুর্দান্ত চিত্র ছিল।
অবিশ্বাস্য!
নিজেকে বললাম, ভালোয় ভালোয় কেটে পড়ি।
এবং কেটে পড়লাম। সত্যিই!
এভাবেই আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল।
এই পোশাকে তোমায় অস্থির লাগছে। - সত্যি?
- হ্যাঁ সত্যিই. - এটা আমার অনেক পছন্দের।
কালো পোশাকে তোমায় সেইরকম মানায়।
No comments yet. Be the first to leave one.