The first 200 lines.
মুভি-কাঞ্চানা-৩। ভাষা-তামিল। জনরা-হরর,একশন।
Bangla Subtitle Makers BD-গ্রুপের ১৬তম এবং দ্বিতীয় সাউথ মুভির বাংলা সাবটাইটেল। ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ।
অনুবাদেঃ Nazmul Hasan. Flamy Tuhin. Rakib Sk. Rofiqul Rony.
সম্পাদনায়ঃ Nazmul Hasan!
- না! গাড়িটা রেখে চলে যা! - স্যরি! আমরা তো মিটারে ফুঁ দিলাম!
- যদি আমি কেস ঠুঁকে দিই? - যদি বাড়িতে জানতে পারে...
- কি হয়েছে? - মদ খেয়ে গাড়ি চালাচ্ছে!
আগে কখনো খাইনি, বন্ধুর জন্মদিন ছিল তাই খেয়েছি।
- আর কখনো খাবো না! প্লিজ ছেড়ে দিন! - ওদের ছেড়ে দাও!
- অশেষ ধন্যবাদ, স্যার! - হেই, চল!
আমাদের আরো কঠোর হতে হবে, স্যার!
ওদের কাছ থেকে ১০০ কি ২০০ টাকা কামাই করতে পারতাম!
যৌবনকালে তুমিও তো খেয়েছ, তাইনা?
- জ্বী, স্যার। - দূর হও!
- হেই! - স্যার?
অটোটা খালি রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে কেন?
যাও গিয়ে চেক কর!
কে ওখানে?
বাইরে বেরিয়ে আয়! কি বললাম, শুনতে পাচ্ছিস না?
৩... ৪...৭
একটা অটোতে ৭ জন মানুষ, স্যার!
ওদের বেরিয়ে আসতে বলো।
বেরিয়ে আয় সবাই। আয় বলছি!
কি বলছে ওরা?
- চোখ লাল করে তাকিয়ে আছে। - শালাদের টেনে বের কর!
হেই, বের হ! বের হ, বলছি!
- কি হলো? - ওরা বের হচ্ছে না, স্যার!
আমি আসছি।
ওকে গাড়িতে তোল!
- হেই! রেইলওয়ে গেইট রোডে চল! - ঠিক আছে, ভাই।
কাজ হয়ে গেছে!
নমস্কার, ভাই!
- ওকে নিয়ে এসো! - আচ্ছা।
নমস্কার, ভাই।
তোরা এখন যা!
- মূর্তি! - ভাই?
ওর লাশটা পুলিশ স্টেশনের সামনে ঝুলিয়ে দাও!
লাশটা দেখার পর, প্রত্যেকটা পুলিশ আমার নাম শুনে থরথর করে কাঁপবে!
- নির্দয়ভাবে ওরা স্যারকে খুন করেছে! - জলদি লাশটা নিচে নামাও!
ওগো!
বাবা!
বাবা? চোখ খোলো, বাবা....
- চোখ খোলো, বাবা.... - তাকাও আমাদের দিকে!
বাবা? চোখ খোলো....
এই অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মত কেউ নেই?
এভাবে পা দুটো ফাঁক করে দাঁড়িয়ে আছে কোন শালা?অর্শ্বরোগ হয়েছে নাকি?
- পরিচয় দিতে ভাব দিলাম, স্যার! - হেই!
আসছি, ভাই!
নমস্কার! আমি "কোলাভেরী গোভিন্দাম"
গুণ্ডামির ফিল্ডের উদীয়মান নতুন স্টার।
আমি আপনার সহকারী হতে চাই। আমাকে আশির্বাদ করুন!
- তোকে আমি এখনো কাজে রাখিনি। - কিন্ত আমি নিজে মেনে নিয়েছি।
- তো? - এটাই হলো সঠিক প্রশ্ন!
আপনি এই এরিয়ার গডফাদার হচ্ছেন না কেন?
একবার আপনি মরে গেলে, আপনার পোস্টটা আমি নিয়ে নিতে পারি?
- হেই! - বলতে চাচ্ছি আপনি মরার পর!
আপনার জন্য কাজে আসার সময় খালি হাতে আসিনি...
....একটা মামলা নিয়ে এসেছি!
ছোট্ট একটা কাজ, শেষ করতে পারলে ১ লক্ষ টাকা পাবেন।
- ১ লক্ষ? - মনে হচ্ছে যেনো জীবনেও ১ লাখ টাকা দেখোনি!
প্লিজ, বসে পড়।
১ লক্ষ টাকা!
সমস্যা কী বলো!
- ওইদিকে কে দাঁড়িয়ে আছে? - কথা না ঘুরিয়ে কি হয়েছে বলো!
শুনছো না ভাই কী জিজ্ঞেস করছেন? পুরো ঘটনাটা খুলে বলো!
আমি একটা ছেলেকে ভালোবাসতাম। সে ওয়াদা করেছিল আমাকে বিয়ে করবে!
তো, আমি তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছিলাম।
এখন সে আমাকে ওই ভিডিওগুলো দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করছে!
ওর ভাই একটা বড় গুণ্ডা!
যখন আমার বাবা ওদের সাথে কথা বলতে যায়, তারা ওনাকে মারধর করে!
প্রভাবশালী হওয়াতে পুলিশও ওদের বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নিচ্ছে না!
এই ভাইয়াটা বললো যদি আপনার কাছে আসি, আপনি আমাকে সাহায্য করবেন!
যেভাবেই হোক, আপনাকে ওদের কাছ থেকে ভিডিওগুলো উদ্ধার করে দিতে হবে!
আমার জীবন এখন আপনার হাতে!
- প্লিজ, ভাইয়া.... - নিশ্চয়ই করবো!
- ছেলেটা কোথায় কাজ করে? - টাইডাল পার্কে।
জলদি! পালা!
একসাথে আয়!
ওরা এদিকে গেছে! শালারা পালিয়ে গেছে!
- এখানে খুঁজতে থাকি! - যা!
তাড়াতাড়ি দৌড়া!
- রাস্তা বন্ধ! ওইদিকে চল! - চল!
- এদিকেও রাস্তা বন্ধ! ওইদিকে চল! - চল!
আমরা ফেঁসে গেছি!
ওরা আমাদের ছাড়বে না!
গাঁধার বাচ্চা, রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে!
ও, বস, আপনি! স্যরি!
আপনি কিছু করবেন নাকি আমি করবো?
আচ্ছা, আপনি করুন।
দেখো! ওরা নিষ্পাপ একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে!
- প্লিজ আমাদের ছেড়ে দিন! - ওনাকে টাকাটা দেখাও!
- টাকাটা দেখার পরে উনি কাজে হাত দেবেন - প্লিজ আমাদের মারবেন না!
এইযে বস, টাকা! মেরে দিন! মেরে দিন! মেরে দিন!
যাও, গিয়ে তোমার ক্ষোভ মিটিয়ে, তোমার জিনিস ফিরিয়ে নাও!
ওরা ওদের জায়গা-সম্পত্তিও তোমার নামে লিখে দিবে!
আমরা একাজ আর করবো না, স্যার!
প্লিজ ওনার সাথে কথা বলুন, স্যার! নয়তো আমাদের মেরে ফেলবে!
তোরা আমার জীবন নষ্ট করেছিস, আর বাবাকে গুণ্ডা দিয়ে পিটিয়েছিস, তাইনা?
- বল! - দারুণ!
- আমাকে ভিডিওটা দে! - ওদের ছেড়ে দাও!
ডার্লিং...
এতো নরম সুরে কথা বললে কাজ হবে না।
- এদিকে আয়। - না, স্যার! প্লিজ আমাদের ছেড়ে দিন!
মায়ের কসম খেয়ে বলছি, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না!
হঠাৎ করেই দৃশ্যে মোচড় নিয়েছে, স্যার!
হায় ঈশ্বর!
যেমনটা প্ল্যান করেছিলাম তেমনটা হয়নি! ওখানে গিয়ে লুকিয়ে পড়ি!
জ্বী, ভাই?
- ওইদিকে পালিয়ে যা। - ঠিক আছে!
- দাঁড়িয়ে থেকো না! সাবধানে চলে যাও! - আচ্ছা
না, ভাই! এভাবে আমার দিকে তাকিয়ো না!
ঈশ্বরের শপথ করে বলছি, জীবন দিতে হলেও এ ব্যাপারে কাউকে কিছু বলবো না!
কেন মরার জন্য দৌড়ে দৌড়ে আসছিস, মর্কটের বাচ্চারা?
এইদিকে! ভাই?
৫ মিনিট আগেই ভাই মারা গেছে!
ওরা আমাকে দেখে ফেলেছে!
আরে, না! আমাকে ছেড়ে দাও!
- আমি নিজেও সন্দেহে আছি! - সে ওইদিক দিয়ে পালিয়েছে!
- বস! - বস!
- কে এ কাজটা করেছে? - বস!
হায় ঈশ্বর!
ওরা আমাকে দেখে ফেলেছে!
এখানে বসে থাকলে আমার জীবনও বিপদে পড়ে যাবে।
পালা! পালা!
ধ্যাত, আমি দৌড়াতে পারছি না! এখানেই বসে থাকি!
কে আমাদের ভাই আর বসকে মেরেছে?
এখানে দাঁড়িয়ে থাকলে, সে তোমাদেরও মেরে ফেলবে! পালাও!
ও শিকারদের ফাঁদে ফেলে শিকার করছে!
কোথায় গেল?
এমনভাবে দৌড়াচ্ছে যেন ট্রেন ধরতে যাবে!
- আবার আমার কাছে আসবে! এসেও পড়েছে! - ওরা বসকে মেরে ফেলেছে!
- তোরা কেন.... - আমি মৃত্যুর সাথে খেলছি!
চিৎকার করিস না! দেখছিস না ওরা কত আরামে ঘুমিয়ে আছে!
আস্তে কথা বল!
বস মারা গেছে! সাথে আসা চারজনও মারা গেছে!
- আমরা দুজন বাকি আছি! - অন্তত তোরা দুজন তো বেঁচে আছিস!
- মেরে ফেল শালাকে! - আমি কিছুই জানিনা....
বল! ওদের কে মেরেছে?
অঙ্গভঙ্গি করলে মেরে চোখ বের করে দেব!
তাতো তোরা করবি, আগে পিছনে তাকিয়ে দেখ!
'Glares this way, does this angry leopard!'
'Pounces to attack, does this raging dusky cheetah!'
কালী!
'No one would dare oppose him! Watch the knees of his enemy buckle!'
'Run for your life! The leopard's coming! Get out of the way!'
'Glares this way, does this angry leopard!'
'Pounces to attack, does this raging dusky cheetah!'
না!
মাস্তান হওয়ার আশায় ওদের দুয়ারে গেছিলাম, এখন দেখছি সব বৃথা!
আজ থেকে, সারাজীবন আপনার হয়ে কাজ করবো!
- রায়াপুরাম মূর্তি কোথায় থাকে, জানিস? - রায়াপুরাম আমার এলাকা!
এতো রাতে কোন শালারপুত ওখানেরে?
সিঁড়ির উপর দাঁড়িয়ে আছেন কেন, স্যার?
- তুই কে? - আপনার শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করতে এসেছি।
- কি বললি? - রাউডি, স্যার!
- রাউডি(গুন্ডা)? - মানে আমি ধিনা ভাইয়ের সহকারী!
তোকে আগে কখনো ওর সাথে দেখিনি!
গুগলে চেক করে দেখুন!
- ও কে? - আপনি এতে জড়াবেন না!
- আমি সরাসরি আসল কথায় আসছি! - বল।
ধিনা আর তার গ্রুপের সবাই মারা গেছে!
ধিনা সবাইকে খুন করে!
হ্যাঁ, সে খুন করে। কিন্ত আজ, তার টিকেট কেটে গেছে!
ওকে কে মেরেছে?
- অন্তত এই ষাড়টাকে দেখি বাঁচাতে পারি কিনা। - বল!
চোখ দিয়ে কাথাকালি নাঁচ নাঁচছিস কেন?
আমি কিছু বললেই তোর বৃন্দাবনের টিকেট কনফার্ম হয়ে যাবে!
তুই কিছু বলবি কি না?
আমার পিছনে যে আছে, উনি মেরেছেন! চাঙ্গড়ের বাচ্চা!
নিজেদের এতো বড়ো গুন্ডা ভাবিস!
আর ও তোকে ইশারায় বুঝিয়েই যাচ্ছে, কিন্তু তুই এখনো বুঝলি না!
গুন্ডা, আমার কচু!
শুধু গায়ে গতরে ষন্ডামার্কা হলেই গুন্ডা হওয়া যায় না!
তোর তো মাফ চাওয়ার যোগ্যতাও নেই!
এরপর কে, ভাই?
ভবানী!
ভবানী?
- স্যার? - হ্যাঁ, মূর্তি?
একটা ফ্রেশ মাল এসেছে!
একদম ফ্রেশ?
২০০%! গত ২৫ বছর যাবত আমি একদম ফ্রেশ!
কিন্ত গত ১মাস ধরে আমি স্নান করিনি।
তুমি গান গাইতে পারো?
'O dear red flower!'
হয়েছে! হয়েছে!
'In the chilly breeze...'
মেয়েদের ঠোট আমার বেশি পছন্দ।
তাই প্রথমে আমি সেখানে স্পর্শ করি!
এসে ছুয়ে দাও আমার ঠোট!
ও, না! ও তো পুরো মুডে আছে!
সত্যিটা জানতে পারলে আমাকে মেরে ফেলবে!
তোমার মুখটা এতো রুক্ষ কেন?
শেভ করার পর একদম সিল্কের মত তুলতুলে হয়ে যাবে!
হায় ঈশ্বর! ও আমার সতীত্ব নষ্ট করে দিল রে!
ভবানী কে?
কালী কে?
দুজনের মধ্যেকার বিবাদটা কী?
তা জানার আগে, চলুন কাঞ্চনা সম্মন্ধে জেনে নিই।
কি সমস্যা?
বলেছিলি কি যেন বলবি, কিন্ত আসার পর থেকে একটা কথাও বললি না।
No comments yet. Be the first to leave one.