The first 194 lines.
চলো, চলো, চলো। এসো, চলো!
এইদিকে। এসো!
স্যার, ক্যাপাসিটরগুলো প্রস্তুত।
ভালো। ওগুলো গহ্বরে নিয়ে যাও।
মেঘের পাহাড় কাছে চলে আসছে।
ভবিষ্যত এখন লাইরা'র ওপর নির্ভর করছে।
যদি ইভ আবারো পতন থেকে বেঁচে যায়,
সমস্ত দুনিয়া মুক্ত হয়ে যাবে।
কিন্তু মেটাট্রন যদি বাচ্চাদের ও তাদের সমস্ত ডিমনদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে,
ভবিষ্যত চিরতরে তার মুঠোয় চলে যাবে।
আমি আমার সারাজীবন বিজ্ঞান ও সত্যের সন্ধানে উৎসর্গ করেছি।
অন্ধ আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেছি দ্বৈববাণী কেবল সরলদের নিয়ন্ত্রণে বানানো মনগড়া কাহিনী, এরপরও...
এখানে দাঁড়িয়ে, সামনে আসা দ্বৈব সত্যটাকে অস্বীকার করতে পারছি না।
আমাদের গোটা বিপ্লবের সফলতা...
আমাদের মেয়ের বেঁচে থাকার ওপর নির্ভর করছে মনে হচ্ছে।
তাই, প্ল্যানে পরিবর্তন আসছে।
এই লড়াই জিততে হবে না আমাদের।
ব্যস মেটাট্রনের বাহিনীকে ছেলে ও মেয়ে দুটোর কাছ থেকে দূরে রাখতে হবে...
তারা তাদের ডিমনদের সাথে মিলিত হয়ে নিরাপদ দুনিয়ায় পালিয়ে গিয়ে প্রেমে না পড়া পর্যন্ত।
ছুরির বাহক এই দুনিয়ায় ঢুকলেই আমি তোমাকে জানাবো।
পরমাত্মা ছুরিটাকে অনুভব করতে পারে।
সমস্ত বেসামরিক লোক ঘাটির ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছে।
আমাদের মানব বাহিনীকে পরিখার চারপাশে বহাল করা যাবে...
কাইসা ডিমনগুলোকে খুঁজছে। ও তাদের পেলেই, আমি সেখানে যাবো।
- শাব্বাস। ওদেরকে এখানে নিয়ে আসবে? - এখানে?
মাথার ওপর ওই মেঘের পাহাড় থাকতে?
আমি এই ভবন অলৌকিক ক্ষমতা সহ্য করার মতো করেই বানিয়েছি।
মেটাট্রনের আক্রমণের ধরন কেমন হবে তা কীভাবে জানো তুমি?
ওহ, তার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি আমি।
অনুবাদে: 〄 AsadujJaman 〄
HIS DARK MATERIALS
ওই দুনিয়া হয়ে যেতে পারি আমরা।
জায়গাটা রৌদ্রজ্বল। ঘ্রাণটাও দারুণ।
সম্ভব না।
জানো, একটা বুদ্ধি এসেছে।
আমাদেরকে আমাদের ডিমনের কাছে যেতে হবে, তাই না?
তাই, আমি দুনিয়াটায় গিয়ে, ওদের খুঁজে পেলে...
তুমি সুন্দর দুনিয়াটায় যেও আর আমি পরে এসে দেখা করবো।
- আমাকে ছেড়ে যেতে চাও? - ছেড়ে যাবো না।
ব্যস ওখানে যেতে দেবো।
মাত্রই তো বললে ওখানে যেতে চাও।
এতোদূর আসার পরও, এখনো বুঝলে না।
আমাদের পথ এক সূত্রে গাথা।
পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে প্ল্যানটা তোমার মনঃপুত হয়নি।
এইযে।
ডাস্টের প্রবাহ সংগ্রহের জন্যে গহ্বরটায় আমি ক্যাপাসিটর বসিয়েছি।
সাধারণ সুইচেই কাজ হয়, কিন্তু ডিটোনেটর চালু করে দিলে,
শক্তির কুন্ডলীগুলো সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে শক্তির বিস্ফোরণ ঘটায়।
গোটা মেঘের পাহাড় অস্থিতিশীল করে দেবার মতো শক্তিশালী হতে পারে এটা।
আমি ওখানে যাবো।
নিশ্চিত করবো তার প্রাসাদ বিধ্বস্ত হবার সময়,
মেটাট্রনও যাতে গহ্বরটায় তলিয়ে যায়।
আর সেটা ঠিক কীভাবে করতে চাইছো, এজরিয়েল?
নিছক গায়ের জোরে।
তারা আমাদের হিংসে করে, মারিসা... দেবদূতেরা।
আমাদের রক্ত-মাংস...
আমাদের প্রাণবন্ত ক্ষণস্থায়ী জীবনের। তাদের এসব কিছুই নেই।
আমাকে বিশ্বাস রাখতে হবে মানুষ পরমাত্মার চাইতে শক্তিশালী।
তুমি সেটা নিশ্চিতভাবে জানো না।
একমাত্র কোন ব্যাপারে আজীবন নিশ্চিত ছিলাম জানো?
যে আমার জন্ম-ই হয়েছে দুনিয়াকে বদলে দেবার জন্য।
অথচ এখন মনে হচ্ছে সেই নিয়তি অন্যকারো।
মেয়েটাকে কিছুই দেইনি আমি।
কিন্তু অন্তত, কিছুটা সময় এনে দিতে পারি।
ওর জন্য এটা করবে তুমি?
শুধু ওর জন্য না।
যদি তাকে গহ্বরে নিয়ে আসতে সফল হই...
যন্ত্রটা চালু করে দেবে?
তাকে গহ্বরে নিয়ে আসতে পারলেও...
ওখানে মৃত্যু ছাড়াও আরো কিছু আছে বুঝতে পারছো তো।
অনন্ত বিস্মৃতি।
যা ইচ্ছে জিজ্ঞেস করতে পারো।
আমরা শেষ, তাই না?
এজরিয়েল যতোই পরিকল্পনা করুক, আমরা জানি না আমরা কীসের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি।
বলো!
তুমি এতো কিছু দেখো অথচ কতো কম প্রকাশ করো।
প্লিজ।
- এসবের শেষটা আমাকে বলো। - বলার দরকার নেই।
তুমি ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছো।
আমার মন পড়া কি এতোটাই সহজ?
লাইরা'র জন্য তোমার ভালোবাসা-ই তোমার মুক্তি ও পতনের কারণ।
যখন ওর কথা ভাবো, পানিতে দেখা প্রতিচ্ছবির মতো সহজেই পড়ে ফেলতে পারি তোমাকে।
তোমার অবিশ্বাস্য এক ক্ষমতা আছে...
নিজের সেরাটাকে ছাপিয়ে যাবার।
যখন সময় হবে... সেটা ব্যবহার কোরো।
মেটাট্রন একজন প্রলুব্ধকারী।
যে নশ্বর নিজের কুটিলতার মুখোমুখি হয়নি...
সে তার সামনে শিশুর মতো অসহায়।
তাহলে তো এজরিয়েল ধোপেই টিকবে না।
আচ্ছা, তারমানে আমরা শেষ।
আমাদের অনেকে আজ মারা যাবে।
অথোরিটি চায় তোমরা মরার ভয় পাও।
কেন-ই বা পাবে না? এখানে আমরা সবাই নশ্বর।
আমাদের আয়ু তিন বা তিনশত বছর যেটাই হোক না কেন,
দুনিয়ায় আমাদের জীবন ক্ষণস্থায়ী।
আর তাই, আমরা কাবু হয়ে যাই।
এক অথোরিটির দৌরাত্ম্যে আমরা কাবু হয়ে যাই যে নিজেকে বলে...
জগদীশ্বর।
যে আমাদের বলে...
তাকে অমান্য করলে নরকে যেতে হবে...
আর যারা মেনে চলবে স্বর্গ কেবল তাদের জন্য।
এটা একটা মিথ্যাচার।
যে মিথ্যা আমাদেরকে জীবনটাকে পুরোপুরি উপভোগ করতে বাঁধা দিয়েছে।
আজ-ই আমাদের সুযোগ।
তাকে বোঝানোর সুযোগ...
যে আমাদের জীবনও সুন্দর ও মূল্যবান...
এবং প্রতিফলের ভয়ে না থেকে সকল অভিজ্ঞতা নেওয়ার অধিকার দেওয়া উচিত আমাদের।
কারণ শেষপর্যন্ত লড়াই না করলে...
সবকিছু হারাবো আমরা।
তাই, হ্যাঁ, আজ তোমাদের অনেকেই মারা যাবে।
কিন্তু আমার মেয়ের সৌজন্যে...
লাইরা'র সৌজন্যে...
সেই ভাগ্যবরণে আর ভয় পেতে হবে না আমাদের।
আজ থেকে, মৃত্যু মানে শেষ নয়,
বরং পৃথিবীতে ফেরার এক মহাযাত্রা।
তাই, আজ থেকে, অথোরিটির আর কোনো ক্ষমতা চলবে না।
আজ, জীবন মৃত্যুর মুখোমুখি হবে...
আর আমাদের জ্যোতি আঁধার ছাপিয়ে যাবে।
আজ, আমরা তাকে বলবো আমাদের বাচ্চারা স্বর্গের স্বাদ নেবে,
কিন্তু সেটা তারা এই দুনিয়াতে থেকেই নেবে।
আজ... আমরা মুক্ত!
আমরা মুক্ত! আমরা মুক্ত!
- আমরা মুক্ত! - আমরা মুক্ত!
আমরা মুক্ত!
স্বর্গরাজ্য পাতালে নেমে এসেছে।
ওটাকে ধরাশায়ী করা যাক তবে?
ভাগ্য ভালো এই যুদ্ধটা জিততে হবে না বলেছি।
তাহলে, বিশেষ কেউ না হওয়ার উপকারিতাও আছে।
তুমি নিশ্চিত তুমি প্রস্তুত?
হ্যাঁ।
মৃতদের দুনিয়া থেকে তো আর বাজে হবে না, তাই না?
সবাই অবস্থান নাও।
ওরা এসেছে।
দক্ষিণদিকে, যেখানে সমতল ভূমি পাহাড়ে রূপ নিয়েছে।
আক্রমণ!
ওগুনওয়ে, সাড়া দাও।
সময় হয়েছে। দক্ষিণ সীমান্তের দিকে যাও।
বুঝেছি। আমরা পর্বতের দিকে যাচ্ছি, চলো।
এসবের মধ্যে প্যান'কে কীভাবে খুঁজবো?
অন্তত ওদের সাথে একই দুনিয়ায় আছি আমরা।
প্যান আর তোমার ডিমন একসাথেই থাকবে। একে অপরের খেয়াল রাখবে।
চলো সামনে আগাই।
তোমাকে প্রয়োজন।
লাইরা'র জন্য?
মেটাট্রন ডিমন-খাদকদের মাঠে নামাচ্ছে।
সমস্ত প্রাণীদের আমাদের বিরুদ্ধে নিচ্ছে।
আমার হুকুমের অপেক্ষায় থাকো!
গুলি করো!
আমার কাছে এসো।
এসো।
আমি প্যান্টালাইমন'কে পেয়েছি।
ছুরিটা নিচে নামাও।
তুমি উইল। আর তুমি লাইরা।
কে আপনি?
আমি কমান্ডার ওগুনওয়ে, আর এখানে তোমাদের বাঁচাতে এসেছি।
আমি তোমাদের এজরিয়েলের ক্যাম্পে নিয়ে যাবো।
- আমিই সেখানে নিয়ে যেতে পারবো। - না! ছুরিটা ব্যবহার কোরো না।
ও যা ইচ্ছা তাই করবে।
উপরে ওই দেবদূতগুলোকে দেখছো?
তুমি এই দুনিয়ায় এসে পড়ায়, ছুরিটা ব্যবহার করলে ওরা টের পাবে।
ওরা সবাই জানে তোমরা তোমাদের ডিমন থেকে দূরে আছো, আর ওরা তাদের নিশানা করবে।
আমাদের যেতে হবে। জায়গাটা নিরাপদ নয়।
আমার পিছে এসো।
আমাকে বিশ্বাস করতে পারো।
জলদি!
প্যান্টালাইমন?
অনেক কষ্ট সয়েছো তুমি।
কিন্তু তোমাকে লাইরা'র কাছে যেতে হবে, ভয়ানক বিপদে আছো তুমি।
ওরা আমাদের ফেলে গেছে।
আমি জানি।
কিন্তু তোমাদের নিতে আবার ফিরে এসেছে।
জলদি করতে হবে আমাদের। আমাকে বিশ্বাস করবে?
তোমাদের পাখির বেশ নাও।
আমার বাবা পাঠিয়েছে আপনাকে?
চুপ। পেছাও!
তাকে বিশ্বাস করেন?
করবেন না।
সে মানুষকে ব্যবহার করে।
- আমি শুধু জানি এজরিয়েল তোমাকে নিয়ে গর্বিত। - না, মোটেও না।
আমি নিজে তাকে তার বাহিনীর সামনে তোমার নামে জয়োধ্বনি করতে শুনেছি।
তা কেন করবে বুঝতে পারছি না।
এসো, আমাদের এগোতে হবে। কাছাকাছি থেকো।
ডিমনগুলোকে রক্ষার শক্তি দাও আমায়।
দেবদূতদের নজর থেকে তাদের হেফাজত করো।
ডিমনগুলোকে রক্ষার শক্তি দাও আমায়।
দেবদূতদের নজর থেকে তাদের হেফাজত করো।
ডিমনগুলোকে রক্ষার শক্তি দাও আমায়।
দেবদূতদের নজর থেকে তাদের হেফাজত করো।
ওরা চারপাশে গিজগিজ করছে।
ওরা কাছে চলে আসছে। এইদিকে যাও, জলদি।
জলদি! সবাই অবস্থান নাও!
আলো!
বসে পড়ো।
পেছনদিকে কভার করো!
No comments yet. Be the first to leave one.