The first 200 lines.
সনজিন শহরের বাসিন্দারা শোনো,
কেউ কোন মান-সুকে ভোট দিও না!
লোকটা পুরো ধান্ধাবাজ, আর পক্ষপাতিত্ব করে!
দেখে চালাও।
তাকাও, আমার দিকে তাকাও
আমার দিকে তাকাও।
অনেক মজা করছে।
তাই না?
আমিও কি তোমার সাথে
ওভাবে মজা করবো?
উচিত হবে?
২০ বছর বয়সী এক যুবক সনজিন শহরের সিটি হলের সামনে উলঙ্গ উপস্থিত হয়ে,
বড়ো ধরণের হাঙ্গামার সৃষ্টি করেছে, যেখানে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন চলছিল।
কিন্তু জানা গিয়েছে এই যুবক ছেলেটা
নির্বাচন প্রার্থী কোন মান-সুর দ্বিতীয় সন্তান।
এই ঘটনাটি সপ্তাহখানেক পরে অনুষ্ঠিতব্য
জেনারেল ইলেকশনে বড়ো ধরণের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সমস্যা সৃষ্টির দোষে আমাকে আটকে রেখেছিল।
উনি শিশু নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন।
কোন মান সুর নিজের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা উচিত।
- রিজাইন! রিজাইন! - আজকের ঘটনার পর,
বিভিন্ন নাগরিক সংস্থা সহ অনেক মানুষ তাকে প্রার্থীতা
- প্রত্যাহারের অনুরোধ করছে। - ওকে রিজাইন করতে হবেই।
- পরিবারে ন্যায়পরায়ণতা থাকা জরুরি... - মিস কোর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিবেন?
- ওরকম একজন নিষ্ঠুর পিতা কীভাবে - ওই এসবের মূল কারণ।
- অন্য পরিবারের দেখাশোনা করবে - জানি না। কী করা উচিত?
আর দেশের জন্য কাজ করবে?
উনার রিজাইন করা উচিত।
★ চ্যাপ্টার চার - জোম্বি কিড ★
আমার দিকে তাকাও।
- কেউ মাইক্রোফোনটা সরিয়ে নাও। - এক নম্বর প্রার্থী।
- জলদি! – ও খোদা।
- দেখ অবস্থা। - ইশ্বর।
এখন কী করবো?
যাচ্ছটা কোথায়? বলেছিলে মজা করতে চাও!
কখন বললাম?
মিথ্যুক নাকি?
একটু আগে যেটা বলেছি...
আনমনে বলেছি।
ঠিক কাজ করার জন্য আমাকে অভিনন্দন জানাও।
- আর কী সেটা? - ওকে কিডন্যাপ করা।
তুমি ওকে না থামাওনি।
কারণ আমি ঠিক কাজটাই করেছি।
ভুল বলেছি?
তাহলে ওকে থামাওনি কেন?
কীভাবে কাউকে নাচ-গান করা থেকে থামাতে পারি
যখন অত সুন্দর পারফর্ম করে?
হেই!
কে তোমারা? হাসপাতাল থেকে নাকি?
না, আমি লেখক। আর ও আমার সেফটিপিন।
যদি আজকের ঘটনার কারণে মিস্টার কোনের কিছু হয়...
তো?
ভালো হয় সাবধান হয়ে যাও।
ওহ খোদা, আসলেই? কী ভয়ানক!
- ভয় পেয়ে গেছি। এখন কী করবো? - শালা..
সাবধানে...
দু'জনেই নিজেদের বিপদ ডেকে আনলে।
সাবধান।
ইডিয়টটা এত সাবধান সাবধান মারাচ্ছে কেন?
গাং-ত্য, গাই-ডু তোমার সাথে কথা বলতে চায়।
মন দিয়ে কাজ করছো দেখছি।
চুপচাপ দাড়িয়ে থাকো।
চলো।
ব্যস্ততার মাঝেও আমাদের সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ।
গাং-ত্যে।
আজ মনের সব আশা মিটে গেছে।
জীবনের সেরা একটা দিন ছিল।
আমাকে এখানে নিয়ে আসার জন্য ওর উপর রাগ কোরো না, কেমন?
ওকে?
- মা, সব ঠিক হয়ে যাবে। - ইশ্বর।
- মা। - সব ঠিক হয়ে যাবে।
দুঃখিত, কিন্তু আমাদের সাথে হাসপাতালে আসার জন্য একজন মানুষ লাগবে।
পাগল নাকি?
সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে কেন যাব?
বাবার সাথে যাও, আমি পরে আসছি।
মা।
মা!
গাই-ডু।
মা, আমার অনেক...
পুরো পরিবারকে অপদস্ত করে এখন খুশি তো?
বাবার বেইজ্জতি করে মন ভরেছে?
কার প্রতি এত ঘৃণা জমেছিল?
মা, আমি...
ওমন নির্বোধ হয়ে জন্ম নিয়ে
এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে কেন?
কেন এমন আচরণ করে আমার
আমার হৃদয়ে আঘাত করতে হবে?
চুপচাপ থাকতে পারিস না কেন?
সবসময় কেন লাইন ক্রস করে
এমন সমস্যা তৈরি করতে হবে?
কেন?
মা, থাপ্পড় কীভাবে দিতে হয় বেশ ভালো করে জানে।
কখনোই আমার পরোয়া করেনি।
কারণ পরিবারের অন্যদের দেখাশোনায় ব্যস্ত ছিল।
কিন্তু আজ থাপ্পড় খাওয়ার পর একটা জিনিস উপলব্ধি করলাম।
গাং-ত্যে
মা আমাকে ঘৃণা করে না।
পাগলের মত ভালোবাসে।
কীভাবে জানলে?
মার খাওয়ার পরই বোঝা যায়।
কেউ ভালোবাসা থেকে আঘাত করলে, অদ্ভুত ভাবে...
তাতে মনে কষ্ট লাগে না।
গাং-ত্যে
অমনটা কেন করেছিস? ভাইকে আগে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিস কেন?
ওর সাথে সারাদিন থাকা উচিত ছিল।
ও যখন মার খাচ্ছিল কী করেছিলি তুই?
তোকে মার্শাল আর্ট শিখিয়েছি যেন ভাইকে রক্ষা করতে পারিস।
ওকে এভাবে বাড়ি আসতে দিলি কীভাবে?
হাহ?
প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে।
ঠান্ডা লেগে যাবে তো। ঠিক আছ?
বুঝলে সোনা,
আমি তোমার মত জলদি মরব না।
আমি অনেকদিন বাঁচব।
আমি সং-ত্যেকে বড়ো হতে আর মরতে দেখব।
তারপর, পরেরদিন আমি মরব।
মা?
ইশ্বর, ঘুম ভেঙে গেছে নাকি?
- গাং-ত্যে? - হ্যাঁ?
মরার আগ পর্যন্ত তোমাকে ভাইয়ের পাশে থাকতে হবে।
আমি ওকে বড়ো করব।
তোমার দায়িত্ব, ওর দেখাশোনা করা আর ওকে নিরাপদ রাখা।
ওকে?
সেজন্যই,
তোমাকে জন্ম দিয়েছি।
আমাদেরও যাওয়া উচিত।
জু-রি।
- আমাদের চলা উচিত। - মজা করতে যাব?
হাসপাতালে যাচ্ছি।
আস্তে চালাবে।
জু-রি। আমাকে ছাড়াই যেতে পারো।
আমি ওর সাথে যাব।
কেন?
আসলে...
আমার মনে হয় না ওর একা চালানো উচিত হবে।
আমার গাড়িতে না আসলে,
তোমাকে কিডন্যাপ করতাম।
ওটা তোমার শখ নাকি?
জানি বক্তৃতা দেওয়ার সময় ওর প্রতি তোমার ঈর্ষা হচ্ছিল।
"আমিও সব ছেড়ে ছুঁড়ে ওর মতো মজা করতে চাই।"
তোমার চেহারা দেখেই বুঝেছি।
প্রস্তুত হলে জানিয়ো।
তোমাকে কিডন্যাপ করে নিয়ে জীবনের সেরা মুহূর্ত উপভোগের সুযোগ করে দেব।
অসাধারণ হবে।
বাদ দাও।
আচ্ছা, ঠিক আছে। যখন তোমার পালিয়ে যেতে মন চাইবে,
আমিও তোমার সাথে পালিয়ে যাব নিরুদ্দেশ।
অপেক্ষা করছি।
বাল।
ধীরগতিতে ঝরা ফুল একদম ভালো লাগে না।
আমার মঙ্গোলিয়া ফুল পছন্দ।
দ্বিধা ছাড়াই পুরোটা ফুল একবারে ঝরে পড়ে।
বিষয়টা আমার অনেক পছন্দের।
তুলনা করতে পারোও!
সুন্দর তুলনা, তাই না?
হ্যাঁ, মঙ্গোলিয়া ফুল তোমার জন্য পারফেক্ট।
তোমার প্রিয় ফুল কোনটা?
ফুল পছন্দ করি না।
বসন্ত আমার ভালো লাগে না।
কেন?
কারণ তখনই আমায় আবার শহর ছাড়তে হয়।
কী?
মি. লি
হ্যাঁ, কী খবর?
'জোম্বি কিডের' বিরুদ্ধে জাড়ি হওয়া আজ্ঞা
পাশ হয়েছে, স্যার।
ওহ, আচ্ছা।
আচ্ছা তবে, মনে হচ্ছে আমাদের সবকিছু ফিরিয়ে নিতে হবে, ঠিক?
জি।
মজা লাগছে?
হাসতে পারো কীভাবে?
কোম্পানি দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম, আর তুমি হাসছো?
তাহলে কাঁদব নাকি?
না।
যাও এখান থেকে।
ইস্তফাপত্র লিখে চলে যাও।
আমি অবশেষে,
আমার লাল জুতো খুঁজে পেয়েছি।
মি. লি কফি খাবেন নাকি?
কোথায় যাচ্ছেন?
বিজনেস ট্রিপে যাচ্ছি।
বিদায়, স্যার।
নাইস।
তুমি খেতে চেয়েছিলে, আর এটা কিনে দিচ্ছ?
খিদে লেগেছে। আমার শিফট শীঘ্রই শুরু হবে।
- রাইস বল নিবে? - বাদ দাও।
হ্যালো?
এক সেকেন্ড।
খেতে থাকো।
কিমচি পর্যন্ত কেনেনি।
টাকা ফুরাতে চায় না।
গরীব নাকি সেটা কোনো বিষয় না, কিন্তু কৃপণ আমি দুচোখে দেখতে পারি না।
ফোন কেন করেছ?
সবকিছু ঠিক আছে?
কী?
বাঁচলাম।
বলছেটা কী?
বাল।
মি. মুন, একটা প্রশ্ন করি।
মুন-ইয়ং তোমাকে কখনো কিউট
No comments yet. Be the first to leave one.