The first 200 lines.
অনুবাদ পরিবেশনায় °° পিয়াস ভৌমিক °°
কোথায় যাচ্ছিস?
তুমি কোন শ্রেনীতে পড়ো?
- দ্বাদশ শ্রেনীতে। - ভার্সিটির জন্য তৈরি হচ্ছো?
আমি ভার্সিটিতে পড়বো না। ★
কেন না? তোমাকে তো দেখতে বুদ্ধিমান।
আমি বাবা এবং ছোট ভাইয়ের খেয়াল রাখতে বেশি পছন্দ করি।
জুন-কিয়ং!
এটা কীসের?
আমার ছোট ভাই গণিত অলিম্পিয়াডে প্রথম হয়েছে।
শুধুমাত্র স্কুল পর্যায়ে নয়, পুরো জেলায়!
- ওয়াও! - অসাধারণ!
অনেকদূর যাবে, জুন-কিয়ং!
বংহা'র চ্যাং-শিক'কে চেনো?
জুন-কিয়ং এরও উচিত সিউলে গিয়ে পড়াশোনা করা!
কিন্তু চ্যাং-শিক জুন ইয়ং এর তুলনায় অনেক স্লো।
ঠিক বলেছ!
চল, তাড়াতাড়ি।
এতো খাবার কীসের জন্য?
- আগামীকাল আমার স্বামীর জন্মদিন। - তাই?
তাকে শুভ জন্মদিন জানিয়ে দিও।
ট্রেন আসছে!
- হায় ঈশ্বর! - তাড়াতাড়ি!
তাড়াতাড়ি!
ছয় বছর পর
প্রিয় রাষ্ট্রপতি,
আমি গেয়ংসাংবুকদো'র বানচেওন-রি, সোচেওন-মায়োনে বসবাস করি।
আমার নাম জাং জুন-কিয়ং।
এটা আপনাকে লেখা আমার ৫৪তম চিঠি।
জুন-কিয়ং! মোটা জ্যাকেট টা পর!
মার্চ মাসে মোটা জ্যাকেট?
আমার লাগবে না!
- শীতে মরে যাবি! - “শীতে মরে যাব্বি!”
পার্ক জং-মিন
লি সাং-মিন
ইম ইয়ুনা
লি সু-কিয়ং
ক্লক ইন/আউট মার্চ ১৯৮৬
ঠান্ডা, নাহ?
তোকে যে হাতমোজা গুলো দিসিলাম, কই?
এটা পড়।
না! তুই পড়!
- পড় এগুলো। - না!
প্লিজ পড়তে বলছি!
আমাদের গ্রাম থেকে গাড়ি চলাচলের কোনো রাস্তা নেই।
আমি মজা করছি না।
এখানে কেবল একটা ট্রেন আসে,
কিন্তু কোনো স্টেশন নেই।
তাই আমাদের কাছে কেবল একটা উপায় পায়ে হেটে সেংবু স্টেশনে এসে ট্রেনে উঠা।
ঠিক আছে।
ওখানে যেতে হলে আমাদের তিনটা টানেল আর তিনটা ব্রিজ পাড় হতে হয়।
আমরা যাত্রীবাহী ট্রেন এড়াতে পারি যেহেতু সেগুলো শিডিউল অনুযায়ী চলে,
কিন্তু মালবাহী ট্রেন এড়াতে পারি না।
তাই টানেল এবং ব্রিজে অনেক মানুষ মারা যায়।
এখন ভয় পাছ? বোকা ছেলে!
এইযে নে।
তুই আগে খা।
খেয়ে নে।
বাবাকে হ্যালো বলবি না?
হুম?
টু ইয়ংজু
এক মিনিট।
এই নে।
আজকে তোর হাই-স্কুলের প্রথম দিন।
এটা দিয়ে একটা কিনিস।
লাগবে না।
বেশি বুঝিস!
যখন বড়রা তোকে কিছু দেয়, সেটা নিয়ে ধন্যবাদ জানাবি।
ধন্যবাদ।
এইতো ভালো ছেলে।
তোর প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে তোর বাবা যেতে পারবে না বলে রাগ করেছিস?
আমি কি বাচ্চা নাকি! আমি কেন রাগ করবো?
ঠিক।
তুই বাচ্চা না।
- ভালো করে পড়াশোনা করবি! - হ্যাঁ।
ইয়ংজু স্টেশন
তোর দেরী হিয়ে গেছে!
আমার স্কুলে যেতে দু ঘন্টা লাগে বলে আমি ওই চিঠি লিখছি না।
আমি কেবল চাই আমার গ্রামবাসীরা সুরক্ষিতভাবে চলাচল করুক।
প্লিজ এখানে একটা স্টেশন বানিয়ে দিন?
আর পারছি না! নাম।
তুই এতো ভারী কেন?
পরে দেখা হবে।
আচ্ছা, যা।
- সাবধানে! - আচ্ছা!
৩রা মার্চ, ১৯৮৬। প্রেরক জাং জুন-কিয়ং।
হাই-স্কুল নবীন বরণ
আজকে হলো তোমাদের হাইস্কুল জীবনের প্রথম দিন।
আর কতো ভাষণ দিবে?
তোমাদের স্বপ্ন এবং লক্ষ্য...
কথা কম বলে এমন কোনো অধ্যক্ষ কি এই দুনিয়াতে নাই?
আছে। আমার প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক কথা কম বলতো।
সত্যি?
তিনি অনেক লাজুক স্বভাবের ছিলো।
আমি বিশ্বাস করি তোমরা ইয়ংবিন হাইস্কুলে শিখবে এবং এখানেই বড় হবে
মানুষের মতো মানুষ হয়ে এখান থেকে বের হবে।
আমার প্রিয় শিক্ষার্থীরা,
আমি...
- পাগলু নাকি। - মনে হচ্ছে।
এক।
- এই ছেলে। - হ্যাঁ?
এভাবে ফুলের তোড়াটা ধরো।
সমস্যা নেই। এভাবেই একটা ছবি তুলেন।
আচ্ছা, তাহলে।
এক, দুই, তিন!
ইয়ংজু স্টেশন
আমিও চেষ্টা করেছি।
ওংউকে একটা স্টেশন আমিও চাচ্ছিলাম।
তো?
সেউংবো এবং বোনচেওনে স্টেশন কম ব্যবহারের জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তারা আমার উপর রাগান্বিত হয়েছে আরেকটা স্টেশন বানানোর কথা বলাতে।
তাই তুমি আর কিছু বলতে পারোনি?
অবশ্যই বলেছি।
আমি সেউংবো স্টেশনটা রক্ষা করার কথা বলেছি।
আমরা একটা স্টেশন চেয়েছি,
সেউংবো স্টেশন রক্ষা করার কথা বলিনি!
আমি দুঃখিত, চাচা।
প্লিজ, চাচা। ও কোনো ভুল করেনি।
তে-ইয়ুন? তুমি কিছু বলছো না যে?
আমার কিছু বলার নেই।
তুমি ট্রেনের ড্রাইভার!
আমার আর কী ক্ষমতা আছে।
আমি কেবল নিয়মমাফিক ট্রেন চালাই।
হতাশাজনক!
এখন আমরা কী করবো?
প্রথমে, সেউংবো স্টেশন রক্ষা করার জন্য আমাদের লড়াই করতে হবে।
আপনারা এখানে কী করছেন?
সেউংবো স্টেশন হয়তো বন্ধ হয়ে যেতে পারে,
তাই আমরা এটা বেশি বেশি করে ব্যবহার করছি।
সেউংবো স্টেশন বন্ধ করে দিবে?
শুনেছি হতে পারে এমন।
দাঁড়াও।
তুমি বো-কিয়ং এর ভাই না?
হ্যাঁ।
আমি জানতাম! তুমি অনেক বড় হয়ে গেছ!
বো-কিয়ং ভালো আছে?
হ্যাঁ।
তুমি কি...
ইয়ংজু স্টেশনে যাবে?
[সময়মতো স্টেশনে আসুন, সময়মতো লক্ষ্যে পৌঁছান।]
তোমার স্কুলের বাস ৮ঃ৩০ আসবে তো?
জানি না।
- এখানে আসবে তো? - জানি না।
- কী হয়েছে? - মুতু!
কী?
মুতু ধরেছে!
পাঁচ মিনিট বাকি।
উত্তরপত্রগুলো একসাথে করো।
কার্ডে উত্তর করো!
ঐ ছেলেটা একটা জিনিয়াস!
কী বলছিস!
প্রমাণ আছে আমার কাছে।
কীসের প্রমাণ?
সত্যি?
আরও আছে।
আরেকটা প্রমাণ।
যেটা ভালোভাবে প্রমাণ করবে।
এটা কী?
তোর হাতের তালু দেখি।
তালু?
নখগুলো দেখি।
সবাই এমন করে।
সে কী করেছে?
ভয় পাইয়ে দিলি!
ধ্যাত।
কী সমস্যা এই মেয়ের?
- কী হইছে? - তুমি কি আমাকে পছন্দ করো?
হু?
আরে বলো।
আমি জানি তুমি আমাকে পছন্দ করো।
কী হইছে?
আ! আ! আবরা-কা-ডাবরা!
আজকে...
সামনের সপ্তাহে বাবার জন্মদিন।
সপ্তাহান্তে যখন বাবা আসবে,
উনাকে একটা কার্ড উপহার দিলে কেমন হয়?
বাদ দে।
কে দেবো আমি?
এমন করিস না!
বাবা মোজা কিনে দিলে কেমন হয়?
কবে থেকে আমরা উপহার দেওয়া-নেওয়া করি?
তুই এখন হাই-স্কুলে পড়স।
তুই প্রথমে শুরু করতে পারিস না?
না।
পারবো না।
না।
চিঠি বাক্স
ছেলেটা নিশ্চয়ই প্রেম করে।
ঐ এলিয়েন টা?
তুই কী করছিস?
দেখ ও আসেনি।
মাথা খারাপ হয়ে গেছে?
এটা কীসের বই?
এটা আমার বন্ধুর পিএইচডি গবেষণার বই।
এটা একটু দেখবে।
আমি?
কেন?
তুমি লাইব্রেরীর সব বই পড়ে ফেলেছ।
এটা কী?
রাষ্ট্রপতি?
No comments yet. Be the first to leave one.