The first 200 lines.
বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে দেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ বস -Tahsin Hossain
ভালো লাগলে গুড রেটিং দেওয়ার অনুরোধ রইলো।
Subtitle By NI∀SSOH NISH∀⊥
Subtitle By NI∀SSOH NISH∀⊥
Subtitle By NI∀SSOH NISH∀⊥
Subtitle By NI∀SSOH NISH∀⊥
- আমরা এটা করেছি! - শুভকামনা, সৈনিক।
- তুমি শেষ কবে তাকে দেখেছ? - আমাদের বিয়ের দিন, চার বছর আগে।
শুক্রবার তার সাথে দেখা হয়েছে, রবিবার তাকে বিয়ে করেছো, সোমবার তাকে ছেড়ে এসেছো?
- ওরকমই... - আমিও। যুদ্ধ কি দোজখের মতো না?
- বাজি ধরলাম, আমরা তাদের চিনতে পারব না। - আমি তাকে যে কোন অবস্থায় চিনতে পারব।
আমি রঙীন পাখি খুঁজছি সম্পূর্ণভাবে আনন্দ পেতে
আমি রঙীন পাখি খুঁজছি সম্পূর্ণভাবে আনন্দ পেতে
তুমি কিভাবে ওয়াইন খুঁজো?
- আমি দারুণভাবে ওয়াইন খুঁজি... - বেটি?
আমি রাতে বাসায় খেতে পছন্দ করি, একা একা...
পল?
পল!
তুমি তো ডকের উপরে ছিলে না...
আমি জানতাম না, আজকে তুমি আসবে!
তুমি কি আমার চিঠি পাওনি?
আমি সেগুলো পড়া শুরু করেছি, পেয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম কয়েকটা পড়ে...
...আমার আর যুদ্ধ, মৃত্যু এসব পড়তে ইচ্ছে করছিল না...
- আমি প্রায় প্রতিদিন তোমার কাছে চিঠি লিখেছি। - আমি জানি, দেখো আমি সেগুলো রেখে দিয়েছি।
দেখেছ?
এমনকি তোমাকে নিয়ে ভাবলেও মনে হতো, তুমি বিপদে আছো। অনেক বেশি ভাবতাম।
আমি জানতাম, চিঠিগুলো পাওয়া মানে তুমি জীবিত আছো, আমি শুধু এটাই চেয়েছি....
তুমি যাতে জীবিত থাকো..
এটাই আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিলো
তুমি আমাকে ক্ষমা করতে পারবে?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
আমিও তোমাকে চিঠি দিয়েছি, সেগুলো তুমি পেয়েছিলে?
হ্যাঁ কয়েকটা পেয়েছি।
আমি তোমাকে বলেছিলাম, আমি অত লিখতে পারি না।
আমি সন্দেহজনক আচরণের ব্যাপারে পুরোপুরি একমত, তুমি একমত না?
এটা একটা কোর্স, আমি করতেছি। আত্মোন্নতির ব্যাপারে...
তার নাম আর্মিস্টেড, সে প্রচুর টাকা উপার্জন করেছে।
পুরো দেশই টাকা আয় করেছে।
তুমি যুদ্ধে ছিলে তাই তুমি জানো না, কিন্তু তুমিও পারবে।
মিস্টার সুইনি তোমার জন্য জব ঠিক করে রেখেছেন। যে কোন সময় যোগ দিতে পারবে...
শুধু মনে করে ইউনিফর্মটা পরে নিও, একজন বীর যোদ্ধাকে কে অপমান করবে?
অবশ্যই, আমি তোমার উত্থানের সাথে থাকব।
বেটি, আমি আবার চকলেটের ব্যবসায় ফিরে যেতে পারব না।
তোমার কাছে এর চেয়ে ভালো উপায় আছে?
নাহ, নেই।
কিন্তু তুমি জানো...
...যুদ্ধের সময়, কোনটা গুরুত্বপূর্ণ আমি তা নিয়ে অনেক ভেবেছি...
আমি আসলে জীবনে কি চাই! আমার জন্য, আমাদের জন্য!
- আমি তোমাকে সবকিছু লিখেছি। - আমরা আবার ওই চিঠির আলোচনা করবো?
তুমি চাও আমি চিঠিগুলো পড়ি?
নাহ, আমি কি অনুভব করছি, আমি কি চাচ্ছি শুধু সেটা বুঝলেই হবে!
সুইটি...
....আমাকে বলো, তুমি কি চাও?
- আমি মাঝেমধ্যে ভাবি.... - টাকাই লাগবে!
আমি কিছু জিনিস চাই, পলি!
আমার সারা জীবন হুদাই কেটেছে! আমি কিছু পেতে চাই।
তুমি কিছু পেতে....
....চাও না?
- তুমি তোমার ইউনিফর্ম পরবে, ঠিক আছে? - আমার ইউনিফর্ম?
চকলেট বিক্রি করার জন্য! লাখ লাখ চকলেট বিক্রি করবে।
- করবা না তুমি? - হ্যাঁ...
আমি সাহায্য করছি..
আমি দুঃখিত
- সে আমাকে মেরে ফেলবে... - এটাতো জাস্ট কাঁচের ফ্রেম, ঠিক করে নিতে পারবেন।
- দুঃখিত - নাহ, আমার ভুল ছিলো।
ভয়াবহ অবস্থা, এপাশ দিয়ে যান...
আপনি ঠিক আছেন?
টিকেট, প্লিজ..
সামান্য দুর্ঘটনা ঘটেছিলো....
হ্যাঁ
ধন্যবাদ।
আপনার যে গতি! আপনি আমার আগেই সাক্রামেন্টো যেতে পারতেন।
আপনি কিছুর গন্ধ পাচ্ছেন?
না
ওহ, মাই গড!
আমি খুবই লজ্জিত!
আমি ক্ষমা চাচ্ছি, কিন্তু আপনাকে শান্তিপূর্ণ লাগছে।
ক্ষমা করে দেওয়া হলো!!
বইটা ভালো?
- মুখরোচক বই.. - এটা পড়তেই হবে।
- কলেজের জন্য? - আমার মাস্টার্স ডিগ্রীর জন্য।
ঘুরতে যাচ্ছেন কোথাও?
না, বাসায় যাচ্ছি। নাপাতে আমাদের পরিবারের আঙুর ক্ষেত আছে।
- আপনি কি করেন? - সাক্রামেন্টোতে ব্যবসা করি।
- ট্রেনটাতো সাক্রামেন্টো পর্যন্ত যাচ্ছিল... - আমার টিকেট ওই পর্যন্ত নেই!
- আই মিন, টিকেট ওই পর্যন্তই কিনেছিলাম, কিন্তু.. - ওহ নো..!
এটা সম্ভবত আপনার...
হ্যাঁ
ভুল করে চলে এসেছে আমি খুবই দুঃখিত।
এই সিটে কি কেউ আছে?
কেমন আছেন আপনি?
আমি বিল, এটা আমার বন্ধু হারমান, আর আপনার নাম?
আগ্রহী না...
আমার একটা প্রেমিকা ছিলো, ও সবসময় বলতো ও আগ্রহী না!
- অথচ সে আগ্রহী ছিলো, বলত না শুধু। - আরে নাহ...
- না, সে আমার ব্যাপারে জানার পরও না বলত। - থামো!
- দোস্তরা... - কাম অন, একবার ট্রাই করে দেখেন...
সে বিরক্ত হতে চাচ্ছে না..
তাকে ছেড়ে দাও...
- এখন, আমরা কি করব? - চুপ কর!
মনে হয় আমার নাক ভেঙে গেছে..
- আমাকে সাক্রামেন্টো পর্যন্ত নিয়ে যান... - এই বাসে না, নিতে পারব না।
আমরা এখনও পুরোপুরি পরিচিত হইনি..
আমি পল সাটন...
ভিক্টোরিয়া অ্যারাগন...
বাসের ঘটনার জন্য দুঃখিত।
আমি ভয়াবহ অবস্থায় আছি। আপনার সব সমস্যার কারণও আমি।
আপনি চলে যান, কে জানে আবার কোন ঝামেলা তৈরী করি!
আমার মনে হয়, এখানে সমস্যা বলতে শুধু বনে আগুন লাগতে পারে....
- বাস থেকে নেমে গেলেন কেন? - এখানেই নামতাম...
- আপনি কারো জন্য অপেক্ষা করছেন? - না না...
অলৌকিক কিছুর জন্য...
সে আমাকে মেরে ফেলবে...
- কে? - আমার বাবা...
- একটা ছবির ফ্রেমের জন্য... - ছবিটার জন্য না...
আমার নাক গলানো উচিত না, কিন্তু আপনি চাইলে বলতে পারেন...
"আমি পৃথিবীর নিয়মকানুন মেনে চলার মতো অবস্থায় ছিলাম না..."
"আমি মুক্ত আত্মার সাথে ছিলাম... "
- মুক্ত আত্মাটা কে? - আমার প্রফেসর..
সে এবং আমি....
আমরা...
কখনো মুক্ত আত্মাদেরও বিচ্ছেদ হতে পারে...
আমি গর্ভবতী!
আপনি বিপর্যস্ত... আমি এটা বুঝতে পারছি।
ভালোভাবেই বুঝতে পারছি...
কিন্তু, ভিক্টোরিয়া, ভালো দিকটা দেখুন...
একটা নতুন জীবন পৃথিবীতে আসছে! এবং এটা বিষ্ময়কর।
"কেউ যদি আমার পরিবারের সম্মান নষ্ট করে, আমি তাকে হত্যা করব.."
বাবা কতবার এই কথা বলেছে? এক লাখ বার?
- এটা শুধু কথার কথা... - নাহ..
আমার বাবা যা বলে তাই করে! সবসময়।
সে খুবই সেকেলে ধরণের...
আমি যদি এভাবে বাসায় যাই, স্বামীকে ছাড়া, সে আমাকে মেরে ফেলবে।
আমি জানি, সে মেরে ফেলবে।
যদি আপনি দেখানোর জন্য সাথে করে স্বামীকে নিয়ে যান?
এটা কে করবে? একদিনের জন্য আসবে আবার চলে যাবে?
নিশ্চয়ই! পরিবারের সাথে দেখা করবে, একরাত থাকবে, তারপর চলে যাবে।
- চিঠিতে লিখে যাবে, সে... - আমাকে ছুঁড়ে ফেলেছে?
এরকমই...
আপনি খুব দারুণভাবে আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন..
সম্ভবত এটা কাজ করবে...
কিন্তু এরকম কেউই এখানে নেই...
মিস অ্যারাগন! ভিক্টোরিয়া...
আমি তো আছি...
যু্দ্ধের সময়টা কি ভয়ংকর ছিলো?
যখন গুলি করা শুরু হবে, আপনি হাওয়া হয়ে যাবেন।
আপনি কিছু চিন্তা করার চেষ্টা করবেন...
আপনি কি করতেন?
মনে মনে আমার স্ত্রীকে চিঠি লিখতাম।
- পরে, আমি সেগুলো কাগজে লিখতাম। - যুদ্ধ নিয়ে লিখতেন?
যখন আমি বাসায় ফিরে আসবো, তখন আমরা কিভাবে আমাদের জীবন কাটাবো?
ছিমছাম ছোট্ট বাড়ি, বাচ্চারা উঠানে কুকুরের সাথে খেলাধুলা করবে...
..ভালো চাকরি...
সে নিশ্চয়ই প্রত্যেকটা শব্দ নিজের মধ্যে ধারণ করে আছে।
হ্যাঁ, প্রতিটা শব্দ..
- আপনি ভালো মানুষ বলে আমাকে সাহায্য করছেন.. - এবং বাচ্চাটাকে..
আমি এটা আপনাদের দুজনের জন্যই করছি।
- তাহলে দুজনের পক্ষ থেকেই ধন্যবাদ - দুজনকেই স্বাগতম
আমরা এটাকে 'লাস নুবস' বলি, এর অর্থ হচ্ছে মেঘ..
এটা অসাধারণ....
হ্যাঁ...
ভালো...
আমাদের এখন যেটা করতে হবে...
The Wedding Bonbon Deluxe
জুনের মধ্যেই বড় ব্যবসায়ী হবো...
আমরা অস্ত্রবিহীন!!
গুলি কইরেন না!
- হ্যালো, বাবা। - ভিক্টোরিয়া?
এটা কে?
পল সাটন
আমার স্বামী
- মেরী! মেরী! - সব ঠিক হয়ে যাবে।
বাল ঠিক হয়ে যাবে....!
আমি এটা মানবো না!
আমি পোপের কাছে এই বিয়ে বাতিল করার জন্য যাবো...
আমরা চার্চে বিয়ে করিনি বাবা।
মেরী!
- মা.. - ভিক্টোরিয়া!
এটাই তো সমস্যা, তুমি কি এজন্যই বড় হয়েছ?
তোমার বাবা-মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে?
- আমি কারো সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করিনি.. - তুমি কি নিয়ে কথা বলছো?
তুমি কি জানো? আমি কি নিয়ে কথা বলছি?
এই বিদেশী...!
তার নাম পল, বাবা।
আমি তোমাকে বলেছিলাম, একটা মেয়ের জায়গা বাসাতেই...
এখানেই! কোন শহরে একা থাকা মেয়েদের কাজ না...
- ... আর কি করছে আল্লাহ জানে! - আমি সেখানে স্কুলে যেতাম।
- কেউ কি আমাকে বলবা, কি চলতেছে? - তোমার মেয়ে, ও বিবাহিতা!
দাদু, তাকে থামাও, প্লিজ!
ঠিক আছে! তাকে আরও আদর করো!
তুমিই সবকিছুর গোড়া!
কিন্তু আমি এখন তোমাকে বলছি...
...আমার নিঃশ্বাস যতক্ষণ পর্যন্ত আছে এই বিয়ে টিকতে দিব না, খোদার কসম!
- আলবার্তো! - তুমি অন্যায় করছো!
আমি? আমি অন্যায় করছি?
আমি কি বাসায় এসে আমার পরিবারকে বলেছি, তোমাদের বিশ্বাসের উপরে থুতু ফেললাম?
আমিই একমাত্র বিয়ে করে তাদের মুখ উজ্জ্বল করেছি...
...বাদ দেই... আচ্ছা, তুমি কি করো?
চকলেট! আমি চকলেট বিক্রি করি।
আসলেই?
No comments yet. Be the first to leave one.