Navarasa

Navarasa (நவரசா)

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

NAVARASA S01E03 - Project Agni BSub by Saiful Islam Shakib
NAVARASA S01E03 - Project Agni Bangla Subtitle
নাভারাসা সিজন ০১ এপিসোড ০৩ - বিস্ময় - বাংলা সাবটাইটেল
নাভারাসা [সিজন ০১ এপিসোড ০৩]
A Commentary by Saiful_Shakib
📌 Download link: https://cutt.ly/jQYvijv

Tags

other
Published on: 2021-08-07
Downloads: 33
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 196 lines.

:.:.: NAVARASA :.:.: 9 Stories, 9 Emotions Episode 03 : Wonder

সবেমাত্র আমার জ্ঞান ফিরলো।

শারীরিকভাবে কিছুটা অন্যরকম অনুভব করছি।

শরীরের স্নায়ুগুলো ঠিক আছে। কিন্তু স্মৃতি কিছুটা গোলমেলে।

শৈশবের প্রত্যেকটা ঘটনা আমি মনে করতে পারছি।

ভুলতে চাওয়া ঘটনাগুলোর কথাও মনে করতে পারছি।

জানি না স্বাভাবিক জীবনে কখনো ফিরতে পারব কিনা।

বুদ্ধিমত্তার বাইরে কিছু দেখার আকাঙ্ক্ষা

কখনো ভালো ধারণা নয়।

সেটা আমাদের ধ্বংস করে দেবে

কোনো না কোনো উপায়ে।

PROJECT AGNI

বাবা?

ছেলেটা কতক্ষণ ধরে ডাকছে। শুনতে পাচ্ছো না?

অনেকদিন পর বাসা থেকে বের হলাম।

স্যরি, সেজন্য কিছুটা...

তোমাকে এখানে নিয়ে এসেছিলাম যেন একদিন এসব নিয়ে না ভাবো।

তাহলে কেন?

পুরনো অভ্যাস সহজে বদলায় না।

দূর হও, ভিষ।

আরে, লক্ষ্মী।

রেগে গেলে, বাপরে!

গিয়ে তোমার কাজকে জড়িয়ে ধরো।

তোমার ছেলে আর আমি যেদিন থাকবো না সেদিন তুমি আমাদের গুরুত্ব বুঝতে পারবে।

জানেমান,

আমার কথা শোনো।

আমার কাজের কেবল মনটা দরকার।

কিন্তু‌ আমার হৃদয় সব সময় তোমার পিছনে ঘোরে, তুমি যেখানেই থাকো।

কেমন লাগলো?

ভাগো।

ফোন করেছিলি?

কৃষ্ণা...

এটা আমার নতুন নাম্বার।

কেমন আছিস?

কাজের চাপে, সবসময়ের মতো।

সোজাসুজি কথায় আসি।

চেন্নাই আসতে পারবি?

গুরুত্বপূর্ণ কিছু একটা পেলাম, আর যেটা তোর জানা উচিত।

'তোর' বলতে ISRO এর লোকদের?

হুম।

তাহলে আমাদের এটা পেশাদার আলাপ,

নাকি পুরনো বন্ধুর সাথে ব্যক্তিগত আলাপ?

আসলে, খুবই ব্যক্তিগত ধরণের।

ঠিক আছে, তাহলে।

কখনো আমাকে এমন জরুরি তলব করিসনি,

সুতরাং ধরে নিচ্ছি যে তোর মনে যুগান্তকারী কিছু একটা এসেছে।

রাতের ফ্লাইটে রওনা হব।

হতাশ করিস না।

বিশ্বাস কর, করব না।

দেখা হবে তাহলে।

- হেই, কৃষ্ণা। আসার জন্য ধন্যবাদ। - আরে!

- সফর কেমন ছিল? - কিছুটা ঝাঁকুনির।

তোর ছেলে কোথায়?

মা আর ছেলে বাইরে গেছে।

কীসের এতো জরুরি তলব?

মাত্র এখানে আসলি।

কিছুটা সময় দে, বুঝে যাবি।

ওখানে চল।

শোন...

আমি কোনো সাধারণ অফিসে কাজ করি না, ISRO অফিসে।

সারাদিন কাজ করার পর, এখানে আসলাম।

আমার আসা যেন স্বার্থক হয়।

হুইস্কি নাকি কফি?

- কফি দিয়ে শুরু করি। - নিশ্চয়ই।

জানিস,

চাইলে এখন তুই আমার সাথে সেখানে কাজ করতে পারতি।

তোর জিনিয়াস লেভেলের দক্ষতায় এতো দিনে আমার বস হয়ে যেতি।

অফারের চিঠিটা প্রত্যাখ্যান করা তোর উচিত হয়নি।

কিন্তু কী, সবকিছুর পরেও এখন তুই বিশেষ কোনো ভবঘুরে বাবা।

তোর ফোন পাওয়ার সাথে সাথে দেশের সর্বোচ্চ বিজ্ঞানীরা আসতে রেডি থাকে।

- যেমন আজ আমি এখানে। - হেই।

আমাকে অনুশোচনায় ফেলার চেষ্টা করিস না।

পারবি না।

আমি এতো নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে অবরুদ্ধ জায়গায় কাজ করতে পারি না।

চা'ও খেতে পারি না।

বা কফি যাই বলিস!

আমার মন মুক্ত থাকতে চায়

আর জ্ঞান ভাগ করতে চায়।

হুম? বলতে থাক। মন ছুঁয়ে যাচ্ছে।

বেশি সময় নেব না। মাত্র ১৫ মিনিট।

তোর সময় শুরু হচ্ছে এখন।

২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর।

তোর কাছে এটার মানে কী?

মায়ান সভ্যতা অনুসারে, প্রায় সব প্রাচীন সভ্যতা

তারিখটাকে পৃথিবীর শেষ দিন হিসেবে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল।

তারিখটা পার হয়ে ৮ বছর হয়ে গেল। কেন আমরা ধ্বংসের মুখোমুখি হইনি?

হয়তো তারা ভুল হিসাব করেছিল?

দেখ, এটাই সমস্যা।

কোনো ঘটনা ঘটলে তখন আমরা সেটা তদন্ত করি।

অন্যথায় সেটা উপেক্ষা করি।

সেদিন কিছু একটা ঘটেছিল।

তোর কথায় এখন আগ্রহ পাচ্ছি।

সুমেরীয় সভ্যতা সম্পর্কে কতটুকু জানিস?

পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা।

বহু উদ্ভাবনের সূচনা ছিল এই সভ্যতায়।

জ্যোতির্বিজ্ঞান, গণিত, বিজ্ঞান, কৃষি,

নগর পরিকল্পনা ইত্যাদির ইত্যাদির।

তারা কখনোই এটা করতে পারতো না

কোনো উন্নত সভ্যতার সাহায্য ছাড়া।

তারা কোনো রকম সাহায্য ছাড়া এসব অর্জন করতে পারতো না।

তো, আমি যদি এখন তোকে বলি,

আমাদের পৃথিবীতে মানুষের আবির্ভাবের কারণ ঈশ্বর না,

কোনো উন্নত বহিরাগত জাতি।

তুই সেটা বিশ্বাস করবি?

গতকাল সারারাত 'Interstellar' দেখেছিলি?

আমি জানি যে তুই নোলানের বিশাল ভক্ত। কিন্তু বিজ্ঞানের কথা বল, আষাঢ়ে গল্প না।

আষাঢ়ে গল্প বলা শুরু করলে তুই এখানে টিকতে পারবি না।

যাই হোক।

আমেরিকানরা কখনো চাঁদে অবতরণ করেনি।

ডিরেক্টর স্ট্যানলি কুব্রিক 'Area 51' স্থানে নকল চাঁদের অবতরণ ভিডিও করেছিল।

কয়েক দশক ধরে সেটা গোপন ছিল।

কিন্তু 'The Shining' মুভিতে তা সূক্ষ্মভাবে সে প্রকাশ করেছিল।

তাই সরকার তাকে বহিষ্কার করেছিল।

তাই না?

- তুই কি মাতাল, ভিষ? - আষাঢ়ে গল্প এরকম।

আমি যেটা বলছিলাম তা গুরুতর।

প্লিজ, মনযোগ দিয়ে শোন।

ঠিক আছে, বলতে থাক।

আমাদের পৃথিবী আর মহাবিশ্বের

সৃষ্টি এবং উপনিবেশ জানা মতে

আনুন্নাকীদের দ্বারা হয়েছিল।

অত্যন্ত বুদ্ধিমান কোনো প্রজাতি...

যারা ভবিষ্যত থেকে এসেছিল।

তোর মাথাটা ঘুরতে থাকলে, আমি আর কীভাবে বলবো?

কেবল তো শুরু করলাম, বন্ধু।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ নিয়ে কথা বলি।

জ্যোতির্বিদ্যা।

- কী? - তারকাদের ভবিষ্যদ্বাণী।

আমাদের জীবনে গ্রহের প্রভাব।

তুই এসবে বিশ্বাস করিস?

কোনোভাবেই না।

সেরকমই ভেবেছিলাম।

গ্রহের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে,

জ্যোতিষীরা কীভাবে আমাদের জীবনের অনেক ঘটনারই পূর্বাভাস দিয়ে থাকে?

কখন আমাদের কী করতে হবে সেসব।

সঠিকভাবে করা হলে, বেশিরভাগ সময়ে তারা সঠিক হয়। কীভাবে?

দেখ, আমাদের শরীর সেই একই উপাদান দিয়ে গঠিত যা মহাবিশ্বকে তৈরি করেছে।

আমাদের জন্মের সময়ে গ্রহের অবস্থান ঠিক করে আমাদের জীবন কেমন হবে।

তো তুই বলার চেষ্টা করছিস

আমাদের জীবন আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।

আফসোসের ব্যাপার, কিন্তু হ্যাঁ।

দাঁড়া।

প্রথমে পৃথিবীর উৎপত্তির ব্যাপারে

কিছু অদ্ভুত ধারণার কথা বললি।

আর এখন জ্যোতির্বিদ্যার কথা বলছিস।

এসব বলে আসলে কী বোঝাতে চাইছিস?

আমরা কম্পিউটার সিম্যুলেশনে আছি।

কী বললি? আবার বল।

আমাদের এই সমগ্র মহাবিশ্ব

কোনো কম্পিউটার সিম্যুলেশন যেটা আনুন্নাকিদের দ্বারা তৈরি।

কোনো প্রাচীন সিম্যুলেশন, সুনির্দিষ্টভাবে।

আমার মাত্র বলা জ্যোতির্বিদ্যা আর গ্রহের অবস্থান এইগুলো

প্রত্যেকটা মানুষের জীবনের সংকেত।

যেন কোনো ডিভাইসের কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম।

ভিডিও গেমের মতো।

আমরা যেটা সত্য মনে করি তা বাস্তব হওয়া জরুরি না।

আমাদের মনে কখন কীসের চিন্তা আসবে

আর কীভাবে আমরা প্রতিক্রিয়া জানাবো

সবকিছুই পূর্বনির্ধারিত করা থাকে।

স্বাধীন চিন্তার বিষয়টা যেন রসিকতা।

সকলে একইরকম চিন্তা করা শুরু করলে,

সমাজ বলে কোনো কিছু থাকবে না।

মনযোগ দিয়ে ইতিহাস পড়লে দেখা যায়

মানবজাতির প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার

অন্যান্য উপায়ে পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

তুই জানিস? আসলে, এটা একটা রসিকতা।

তোকে বিশ্বাস করে এতো দূর আসলাম।

আর তুই আমাকে মনগড়া গল্প শুনাচ্ছিস।

তোর আষাঢ়ে গল্প যথেষ্ট শুনলাম।

কোথায় যাচ্ছিস?

বস।

মাত্র ১৫ মিনিট সময় চেয়েছিলাম।

সময় এখনো বাকি আছে। বস।

আমার এখন হুইস্কি লাগবে।

ভগবান! নিজের চেহারাটা দেখ।

সবকিছুর ব্যাখ্যা করে শেষে ডেমো দেখাবো ভেবেছিলাম,

কিন্তু তুই তাড়াহুড়ো করছিলি।

মাত্র যা ঘটলো সেটা বুঝিয়ে বলবি?

মোটেও না।

আগে, তুই রিল্যাক্স হয়ে বস।

আমাদের দুটো দুনিয়া আছে, কৃষ্ণা।

একটা হলো সচেতন বাস্তবতার দুনিয়া,

যেখানে আমরা এখন আছি।

অন্যটা...

আমাদের অবচেতন বাস্তবতার দুনিয়া।

আমাদের স্বপ্নের জগত।

যদি একটা CPU হয়, তাহলে অন্যটা ব্যাটারি।

একটা সহজে চালানোর জন্য, অন্যটা বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

আর আমাদের এই দুনিয়ায়,

প্রতিটা মানুষের মন একটা উচ্চতর নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ করা।

সেটাকে বলতে পারিস আনুন্নাকি, ঈশ্বর, কোনো অতি বুদ্ধিমান সত্তা বা যা খুশি।

সবগুলোই এক।

তাই আমি যেটা দেখি বা শুনি তুইও সেটা দেখিস বা শুনিস।

আমরা সবাই সংযুক্ত।

মাত্র যা ঘটলো তার সাথে এসব কীভাবে সম্পর্কিত?

২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর,

More Bengali subtitles for Navarasa

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left