Revenge of Others

Revenge of Others (3인칭 복수)

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

Revenge-of-Others-S01E03-DSNP-WEBRip-[01:09:29]
Revenge-of-Others-S01E03-DSNP-WEB-DL-[01:00:27]
Revenge of Others S01E03 KOREAN WEBRip x264-ION10
Revenge of Others S01E03 Disney WEBRip (01:00:29)
Revenge of Others S01E03 Disney Hotstar Web-DL (01:00:27)
Revenge of Others S01E03 1080p DSNP WEB-DL DDP5 1 H 264-APEX
A Commentary by SNR_Islam1
🏵️ মাতৃভাষায় উপভোগ করুন ডিসনি প্লাসের রিভেঞ্জার, থ্রিলার মিস্ট্রেরি ড্রামা "𝗥𝗲𝘃𝗲𝗻𝗴𝗲 𝗼𝗳 𝗢𝘁𝗵𝗲𝗿𝘀" (2022)" রানিং টাইমঃ 01:00:27 (Web-DL), 01:00:29 (WEBRip). ডাউনলোড লিংকঃ https://t.me/subfreak20/196

Tags

webrip
web
BRip
Web-DL
web-dl
WEB-DL
x264
TS
1080
Published on: 2022-12-06
Downloads: 82
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

শিক্ষকদের কক্ষ থেকে প্রধান ফটক,

পর্যন্ত ধীরে ধীরে হেঁটে যাবি,

এটা কার ছবি? তোকে না জিজ্ঞেস করছি এটা কার ছবি?

মিন সেওন-হাকে হুমকি দেওয়ার জন্য। কাছে আসবি না!

তুমি এখানে কি করছো?

ওহ, আমি...

মাত্রই স্পোর্টস পার্কে ব্যায়াম শেষ করে,

এদিক দিয়ে আমার বাইকটা নিতে আসছিলাম।

ওহ...

আগে কখনো এই রাস্তা দিয়ে আসিনি, তাই আজকে প্রথম আসলাম।

এখানে কোনো ট্র্যাফিক লাইটও নেই, তাই ভেবেছিলাম এদিক দিয়ে জলদি হবে।

এত রাতে যে রাস্তা দিয়েই আসো না কেন খুব একটা পার্থক্য পাবে না।

ওহ... বুঝেছি।

রাস্তা দিয়ে যখন নামবে, নিচের দিকে সামান্য ঢালু আছে।

আসলে ওখানে একটা গর্ত খোঁড়া হয়েছে।

- তাই একটু সাবধানে যেও। - ওহ, সত্যি? ঠিক আছে সাবধানে নামবো।

আসি তাহলে।

ঠিক আছে।

যাও!

REVENGE OF OTHERS

তুমি এখানে কি করছো?

জন্মঃ ১২ এপ্রিল, ২০০৪ পার্ক উন-সেওক

মৃত্যুঃ ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১

যেদিন জানতে পারলাম যে পার্ক উন-সেওক মারা গেছে,

সত্যি বলতে সেদিন খুশিই হয়েছিলাম।

কেন করলি এমনটা?

কি করব আমি এখন?

জন্মঃ ২রা জুলাই,২০০২ জি সু-মিন

মৃত্যুঃ ১৮ মার্চ, ২০১৯

ভাইয়া। কেমন আছিস তুই?

প্রায় তিন বছর হতে চললো।

ভালো আছি, আর মায়ের অবস্থাও ভালো।

আসলে, এসব কিছু মিথ্যা।

আমি একদমই ভালো নেই রে,

কিন্তু তাও নিজের খেয়াল রাখবো।

আর সেই সাথে, ভাইয়া...

মায়েরও যত্ন নেবো।

অনুবাদ ও সম্পাদনায় সঞ্চারী ইসলাম

মনে হচ্ছে প্রায় তিন বছর হতে চলেছে।

ও আমার বড় ভাই।

ওহ।

তুমি নিশ্চয়ই আমার ভাইকে চিনতে না বা পরিচিতও ছিলে না, কি চিনতে ওকে?

ওহ, না, না, এমন কিছু না।

আসলে...

আমি

সত্যিটা হচ্ছে যে...

(ইয়োলগুক বাস টার্মিনাল নেউলপুরুম মেমোরিয়াল পার্ক)

আমার কোনো ধারণাই ছিলো না,

পার্ক উন-সেওক এখানেও জড়িত থাকবে।

তোমার কাছে একটা সাহায্য চাইতে পারি?

পার্ক উন-সেওন আর আমি জমজ।

এ কথাটা গোপন রাখতে পারবে?

আমি চাই না অন্যরা ব্যাপারটা জানুক।

কারণ কেউ আমাকে অন্য নজরে দেখুক সেটা আমি চাই না।

আমার ভয় হয় সবকিছু জেনে গেলে ওরা আমাকে,

পার্ক উন-সেওকের ব্যাপারে সত্যিটা প্রকাশ করতে দেবে না।

তোমার কি খিদে পেয়েছে?

কি?

ওদিকে একটা স্টিম বানের রেস্টুরেন্ট আছে। দারুণ স্টিম বান বানায় ওরা।

তাহলে যাওয়া যাক।

অন্তত আমরা এটা খেতে পারি...

না, আমার তেমন খিদে পায়নি।

স্কুলে গিয়ে কিছু একটা খেয়ে নিবো।

তুমি আসলে এটা খেতে চাইছো না, তাই না?

না, না, আমি সেটা বলতে চাইনি,

আমার ভাই হ্যামবার্গার খেতে খুব পছন্দ করতো।

ওই!

কোথায় যাচ্ছিস তুই? আটকা ওরে!

- কি বললি তুই আমাকে? - তোমাদের এমন করাটা ঠিক হচ্ছে না।

এসব কিছুর শুরু হয় যেদিন থেকে ওরা আমার ভাইকে

কোনো কারণ ছাড়া এভাবে কষ্ট দিয়ে একঘরে করে দিয়েছিল।

- এদিকে আয়। - শালা, নিজেকে কি ভাবিস, হ্যাঁ ?

থামো তোমরা!

ওরা ওকে বাথরুমে যেতে দিতো না।

যতক্ষণ না পর্যন্ত ও কান্নাকাটি আর গড়াগড়ি করে,

ওদের সামনে হাঁটু জোর করে যাওয়ার জন্য অনুমতি ভিক্ষা চাইতো।

আর তারপরই অবশেষে ওরা ওকে বাথরুমে যেতে দিতো

ছাড়ো আমাকে?

আর সেদিন ও প্রথম

কান্না-ভিক্ষা না চেয়ে নিজের জন্য লড়েছিলো।

এদিকে আয় শালা!

- আরে দাঁড়া! দাঁড়া,হাঁদা। - কিরে, এর তাড়া কিসের, একটু থামলে, হ্যাঁ ?

একবার দেখ ওর অবস্থাটা।

- ছি? ইয়াক... - দেখ, ও তো মুতে দিলো।

- শালাটা মুতে দিলো। - এটা ভিডিও করে রাখি, কেমন?

- ছি। - এদিকে তাকা, শুধু একবার।

কিন্তু তাতে করে শেষ রক্ষা হয়নি।

- আরে তাকা না, শুধু একবার? - দেখ, হাঁদারামটা কি করলো?

ও অনেক চেষ্টা করেছিলো, কিন্তু আর পারেনি।

শুভ অপরাহ্ন।

সেদিন মা বাড়ি ফিরে আসার পথে,

আরে ওটা, কি ছিলো !

জোরে কিছু একটা পরার শব্দ পায়।

- ১১৯ এ কল করো কেউ, ১১৯,১১৯, ১১৯,! - ওহ,ঈশ্বর।

কেউ কল করো, জলদি।

কি ভয়ানক অবস্থা।

ওটা আমার ভাই ছিলো।

পুরো ঘটনাটা মায়ের চোখের সামনে ঘটে।

না...

সু-মিন! সু-মিন!

সু-মিন, না, না, না, না, না, না!

সু-মিন! সু-মিন!

সু-মিন! না।

সু-মিন!

এই, শোনো...

পার্ক উন-সেওকের আসল নাম কি?

ওক ছান-কিউ।

ওক ছান-কিউ।

শোনো, শোনো, শোনো, শোনো, শোনো।

সে স্কুল ছেড়ে দিয়েছে।

ওই ধর্ষক সাং জুং-গিউং স্কুল ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

- কি? - সত্যিই কি তাই সম্ভব ?

এতদিন ও এসব কিছু করেছে স্কুলে ফিরে আসার জন্য,

তাহলে এখন কেন হঠাৎ সব ছেড়ে চলে যাচ্ছে?

বিশ্বাস কর! টিচার্স রুম পুরো গরম হয়ে আছে।

শুনেছি জুং-গিউং ওর মা-বাবাকে সাথে নিয়ে এসে লিখিত দিয়েই চলে যাচ্ছে।

আরে! ওই যে, দেখ! সাং জুং-গিউং!

যা, দূর হ!

দূরে গিয়ে মর! শালা! যা ভাগ, বেজন্মা কোথাকার!

জানতাম তোর পরিণতি এমনই হবে!

ভুলেও আর এদিকে আসবি না, সাং জুং-গিউং!

ধ্বংশ হবি তুই! সবার অভিশাপ পরেছে তোর ওপর!

নিজেকে একটু শোধরানোর চেষ্টা করিস!

ছ্যাহ, সারাজীবন এভাবেই কাটাতে হবে তোকে!

আর নীচে নামিস না, জানোয়ার একটা !

- দারুণ বিদায়! - যা মর ! একটা শয়তান তুই।

এমন পঙ্গু হয়ে জীবনটা শেষ হবে তোর !

পরের বার কিছু করার আগে নিজের দূরাবস্থার কথা ভাবিস!

যা, যা তুই!

আর জীবনেও এখানে আসিস না!

সাং জুং-গিউং হুইলচেয়ারে করে গেট পর্যন্ত যাচ্ছে কেন,

ও তো গাড়িতে করেই যেতে পারতো?

ও সবাইকে আরও হাসি-তামাশা করার সুযোগ দিচ্ছে।

শুনেছি যে লোকটা সাং জুং-গিউংকে পিটিয়েছে সেই ওকে এভাবে স্কুল গেইট পর্যন্ত যেতে বলেছে।

কি?

স্কুল থেকে ইস্তফা দিয়ে, তারপর মেইন গেইট পর্যন্ত এভাবে যেতে।

বাহ, অসাধারণ।

সেরা, সেরা।

সাং জুং-গিউং হুইলচেয়ারে কেন বসে আছে?

শুনলাম কালকে কে যেন ওর পা দুটো পিটিয়ে গুড়ো গুড়ো করে দিয়েছে।

- কোথায়? - ফটোগ্রাফির ডার্ক রুমে।

ওর আঙ্গুলগুলো নাকি একদম থেঁতলে দিয়েছে।

এমন জঘন্য ধর্ষকের এটাই প্রাপ্য।

ওই আক্রমণকারীই ওকে স্কুল ছাড়ার হুমকি দিয়েছে শুনলাম

না হলে নাকি ওর ঘাড় টেনে ছিঁড়ে ফেলবে। এজন্য ও কোনো ঝামেলা না করে পালিয়ে যাচ্ছে।

- কাজটা যেই করে থাকুক না কেনো, খুব ভালো করেছে। - অবশ্যই।

- তাহলে, আসলেই, সে একজন হিরো। - সত্যিই।

- গতকাল রাতে কে যেনো তাকে দেখেছে শুনলাম। - কি সে ওকে দেখে ফেলেছে?

- এটা ঠিক হয়নি। - কে সেই হিরো ?

তা তো জানি না। ওরা মুখে মাস্ক পরা ছিলো।

কেউ একজন ওদেরকে ফটোগ্রাফি বিল্ডিংয়ের,

- দেয়াল টপকে যেতে দেখেছে। - যাক, ভাগ্যিস, মাস্ক পরা ছিলো।

আহ, বাঁচা গেলো।

- ভাগ্যিস মাস্ক পরেছিল। - হ্যাঁ রক্ষা পেয়েছে।

- যাক, ভাগ্যিস। - মাস্ক পরাতে, ভালো করেছে।

- এত শোরগোল কেন? - কিছু হয়েছে নাকি?

ওরা এখানে কেনো?

আরে, ওরা দুইজন আবার কে? জি সু-হেওন আর ওক ছান-মি?

ওরা কি সকালের ক্লাস না করে কোথাও গিয়েছিল নাকি?

ক্লাস ফোর! ক্লাস ফোর ! সাবাশ!

ক্লাস থ্রি! ক্লাস থ্রি! ক্লাস থ্রি! ক্লাস থ্রি! ক্লাস থ্রি!

ওর আবার কি হলো?

ক্লাস থ্রি! ক্লাস থ্রি! ক্লাস থ্রি! ক্লাস থ্রি!

তুমি আর সু-হেওন মিলে সকালে একসাথে কোথায় গিয়েছিলে?

কি?

- সু-হেওনের সাথেই তো ছিলে, কি ছিলে না? - ওহ...

হ্যাঁ, ছিলাম।

তোমরা কোথায় গিয়েছিলে?

তেমন কোথাও না। একটা জায়গায় কিছু কাজ ছিলো।

তোমরা দুজন কি প্রেম করছো?

কি? অসম্ভব।

তাহলে ভালো।

কেনো ভালো?

না হলে আমার ঘৃণার পাত্রে পরিণত হতে যাচ্ছিলে।

বল পাস, বল পাস!

আরে, থামা ওকে!

ইয়োং-তান হাই

জি সু-হেওন, কি দারুণ খেলছো!

জি সু-হেওন !

জি সু-হেওন! জি সু-হেওন! জি সু-হেওন! জি সু-হেওন! জি সু-হেওন!

সেরা! সেরা!

গি ওসাং! গি ওসাং! গি ওসাং!

গি ওসাং! গি ওসাং! গি ওসাং!

ইয়ং-তান হাই স্কুল

তোমার কি মনে হয় তুমি এসব সামলাতে পারবে?

পার্ক উন-সেওক, তুমি কেন ওকে ভয় পাচ্ছ?

গি ওসুং ওকে গর্ভবতী করেছে। গি ওসুংকে এখানে আসতে বলো।

তুই সত্যি ভেবেছিলি গর্ভবতীর নাটক সাজিয়ে,

ওকে ফাঁসাতে পারবি?

কি ভেবেছিলি আমরা সবাই বলদ?

তোর মিথ্যা নাটক এখানে চলবে না, বুঝেছিস।

- থামা ওকে! - জি সু-হেওন! জি সু-হেওন!

দারুণ।

- জি সু-হেওন! জি সু-হেওন! - আহ, দুঃখিত।

জি সু-হেওন! জি সু-হেওন! জি সু-হেওন! জি সু-হেওন! জি সু-হেওন!

ম্যাচ স্থগিত।

এই, সরে যাও! সরে যাও!

সু-হেওন, চোখ খোলো!

সু-হেওন? সু-হেওন?

সু-হেওন? আমার কথা শুনতে পাচ্ছো? সু-হেওন?

More Bengali subtitles for Revenge of Others

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left