The first 105 lines.
শর্টফিল্ম: ★ The Neighbor's Window (2019) ★ অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর
আউ! ও মাই গড...
বাহ, ওরা ঘুমিয়ে পড়েছে?
বেশ তো। অনেক দ্রুত ঘুম পাড়ালে।
হুম, ওরা ক্লান্ত হয়ে গেছে।
ক্যাপ্টেন আন্ডারপ্যান্ট নিয়ে ওরা যখন নাছোড়বান্দার মতো করছিল, মনে হচ্ছিল পাগল হয়ে যাব ।
আমাদের সময় যেভাবে পিটুনি খেয়ে বড় হয়েছি
ওদের তো ধারণাই নেই।
ওহ, গড...
ভালোই দেখাচ্ছে।
- একটু নাও। - না, ঠিক হবে না।
হোয়াট দ্য...?
কী?
জ্যাকব: ওয়াও।
অ্যালি: ও মাই গড!
ইশ, আমি আর দেখতে পারছি না।
তবুও তো চেয়ে আছ।
কিন্তু সিরিয়াসলি, ওদের জানালায় পর্দা লাগানো উচিত।
এটা লজ্জাজনক।
ঠিক আছে, এবার লোল ফেলা বন্ধ করো।
ওরা নতুন এপার্টমেন্টটার শ্রাদ্ধ করছে।
তোমার কি মনে হয় ওরা সত্যিই বুঝতে পারছে না যে লোকজন ওদেরকে দেখতে পাবে?
নাকি ওরা এটা উপভোগ করছে?
আমার মনে হয় ওরা কোনো কিছুর পরোয়াই করে না।
- ওয়াহ! - ওয়াহ!
এ তো দেখি নতুন পজিশন।
মেয়েটা বেশ ফ্লেক্সিবল(নমনীয়)।
ছেলেটাও বেশ হট।
আমি হট বলিনি। বলেছি ফ্লেক্সিবল।
লাইটগুলো নিভিয়ে দেবো নাকি?
লাইট কেন বন্ধ করব? আমরা তো কিছু করছি না।
যা করার ওরা কর...
অ্যালি: আর মাত্র এক সেকেন্ড!
আমরা পৌঁছে গেছি প্রায়।
- জ্যাকব: না! - অ্যালি: আচ্ছা।
আচ্ছা, ধরে থাকো।
জ্যাকব: না, তার ধারণা এটা প্রযোজকের কাজ।
তাড়াতাড়ি, তাড়াতাড়ি, তাড়াতাড়ি!
তাড়াতাড়ি, তাড়াতাড়ি, তাড়াতাড়ি!
জ্যাকব: হুম, তার কারণ সে জানে না একটা স্টুডিও সেশনে আসলে কী হয়।
অ্যালি: কেমন আছিস, ট্যানার?
অ্যালি: না, না, না! টয়লেটে যাও!
জ্যাকব: মনে হচ্ছে কোম্পানিটা কোনো বেপরোয়া কিশোর চালাচ্ছে।
জ্যাকব: জানি।
তুমি এখনও এখানে।
ও কী করেছে?
কী? ও টয়লেট মিস করেছে।
- আবার? - হ্যাঁ, আবার।
সমস্যা নেই।
অ্যালি: এখানে, আমার সাথে...
জ্যাকব: দেখো, না, গানটা আমার পছন্দ হয়েছে আর আমি এটা পাঠিয়ে দিচ্ছি।
কিন্তু সত্যি বলতে, মনে হয় না তারা এখন আমার মতামতের দু'পয়সা গুরুত্ব দেয়।
আচ্ছা।
ঠিক আছে। আজ রাতের জন্য শুভকামনা।
পরে কথা হবে!
দুঃখিত।
পরে কথা হবে!
মানে কী?
আমি পুরো শনিবার নানান চুক্তি আর রিক্যুপমেন্ট শিডিউল
নিয়ে দর-কষাকষি করে পার করেছি
যখন তোমরা বাইরে মজা করে ঘুরে বেড়াচ্ছিলে।
একটা রিক্যুপমেন্ট শিডিউলের জন্য আমি সবকিছু ত্যাগ স্বীকার করছি।
এখানে বসে কাজ করছ কেন?
এখানে...স্কাইপি সিগন্যাল ভালো পায়।
তোমার বন্ধুরা কি বাসায় এসেছিল?
- আমার বন্ধুরা? - হুম।
রাস্তার ওপাশে যারা দাঁড়িয়ে আছে?
নাকি কাজে এতই ব্যস্ত ছিলে যে খেয়ালই করোনি ওদের?
ওহ, শিট।
আচ্ছা।
- আচ্ছা, সমস্যা নেই। - হয়েছে, ধন্যবাদ!
- আহা, আজ কী হয়েছে তোমার? - আমার কী হয়েছে?
তুষারের মধ্যে চিড়িয়াখানায় তিনটা
বাচ্চাকে নিয়ে আমার সময় কাটাতে হয়েছে।
আর কিছুক্ষণ পরপরই একজন না একজন
সর্দি, পটি, ক্ষুধা অথবা ব্যথা পাচ্ছিল।
গত রাতে আমি মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমিয়েছি!
কারণ রাত জেগে আমাকে দুধ খাওয়াতে আর বাচ্চার বমি পরিষ্কার করতে হয়েছে।
আর তারপর বাড়ি এসে দেখি আমার স্বামী
তার গানের বন্ধুদের সাথে ফুর্তি করছে
আর কামাতুর দৃষ্টিতে প্রতিবেশীদের দিকে তাকিয়ে আছে।
ওয়াহ!
এই যে ছোট্টবন্ধুরা, তোমরা একটু তোমাদের রুমে যাও, কেমন?
এই নাও।
আমি এক্ষুণি আসছি, ঠিক আছে?
ভেবেছিলাম তিন মাসের ভেতর ওরা বুঝতে পারবে
যে এখানে পুরো একটা বিল্ডিং ভর্তি লোকজন থাকে।
খোদার কসম, মনে হচ্ছে যেন ওরা আমাদের সাথেই থাকে।
আমার মনে হয় তুমি একটু বেশি বাড়াবাড়ি করছ।
ওহ, তাই নাকি?
জন্মদিনে উপহার পাওয়া বাইনোকুলারটা
ব্যবহার করে মজা পাচ্ছ তো?
দেখো, জানি আমি আর ২২ বছরের তরুণীটি নেই
আর আমি সবসময় ক্লান্ত থাকি
আর মনে হয় আমার বোটায় যেন একটা পিরানহা কামড়াচ্ছে।
কিন্তু তুমি ওদের ভেতর যেভাবে মজে আছ
সেটা বেশ হতাশাজনক।
এক মিনিট। আমি একাই যে মজে আছি তা কিন্তু না।
ওরা হচ্ছে একটা গাড়ি দুর্ঘটনার মতো যেখান থেকে চাইলেও তুমি চোখ সরাতে পারবে না।
আচ্ছা, সুন্দর আকর্ষণীয় তরুণ গাড়ি দুর্ঘটনা।
আমি কিন্তু তা বলিনি!
ভাবতে অবাক লাগে, ওদের কি আর কোনো কাজকারবার নেই?
বা কাপড়চোপড়? শুধু ড্যান্স পার্টি,
দুপুর পর্যন্ত ঘুম আর আদর-সোহাগ।
তোমার কোনো ধারণা নেই সর্বক্ষণ মুখের ওপর ঘষা খেলে কেমন লাগে...
No comments yet. Be the first to leave one.