Release info

사이코지만 괜찮아-It's Okay To Not Be Okay Episode 03 WEB-DL Bangla Subtitle By Nurullah Mashhur
A Commentary by Nurullah_Mashhur
🔴🔵 ২০২০ সালের অসাধারণ এই কে-ড্রামাটি উপভোগ করুন এবার মাতৃভাষায়। 🔵🔴

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
720
480p
480
1080
Published on: 2020-10-01
Downloads: 39
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

.:.:.: It's Okay To Not Be Okay :.:.:. অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর

হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসনের লেখা "লাল জুতা" গল্পটা জানো?

ওকে সাইকিয়াট্রিক হাসপাতাল

মাঝেমাঝে বৃষ্টি হলে এমন হয়।

শুনেছি কবরস্থানের জায়গায় এই হাসপাতাল

নির্মাণের বিরোধিতা করেছিল সবাই।

হয়তো এ কারণেই এখানে আটকে থাকা পার্থিব আত্মারা বেশ ক্ষুব্ধ।

রাতের রাউন্ডে সতর্ক থেকো।

আমি মেইনটেন্যান্স টিমকে জানিয়ে দিবো।

একেবারে ভয়-ডরহীন।

হুম, রুমের লাইটগুলো ঠিক আছে।

কিন্তু লবি আর রিসেপশন এরিয়ার লাইটগুলো জ্বলছে না।

হুম, ওকে।

একবার ওই জুতোগুলো পরলে,

তোমার পা আপনা-আপনি নাচতে শুরু করবে।

আর তুমি কখনও সেই নাচ থামাতে পারবে না

বা জুতাগুলো খুলেও ফেলতে পারবে না।

যত চেষ্টাই করো না কেন, কিছু জিনিস কখনোই আলাদা করা সম্ভব না।

আমি অবশেষে

আমার লাল জুতা খুঁজে পেয়েহি।

তুমি

এখানে কেন?

তোমার কী মনে হয়?

তোমাকে মিস করছিলাম বিধায় চলে এলাম।

Episode 03 SLEEPING WITCH (ঘুমন্ত ডাইনী) অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর

আমি পরিষ্কার বলে দিয়েছিলাম তোমার সাথে আমি আর দেখা করতে চাই না।

তুমি সেটা বলেছ, আমি তো তাতে রাজি হইনি।

কী করছো?

আমি স্রেফ মুগ্ধ।

তুমি একটা মহৎ লোক হিসেবে বেড়ে উঠেছ।

শুধু বেড়ে উঠেছ বলব না, তুমি একটা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছ।

তুমি আমার ব্যাপারে জানো?

আমি তোমাকে ভালোভাবে জানতে চাই।

তোমার কাজ শেষ হবে কখন?

তাড়াহুড়োয় খালি পেটেই এখানে চলে এসেছি।

এখন প্রচন্ড ক্ষুধা লেগেছে।

এই ছোট্ট শহরে ভালো কোনো রেস্টুরেন্ট আছে?

কী চাও তুমি আমার কাছে?

জানি তুমি যা চাও তা না পেলে তুমি ফিরে যাবে না,

তাই বলো তুমি কী চাও। কী চাও তুমি?

"সেটা নিয়ে চলে যাবো?"

হ্যাঁ, যদি কিছু মনে না করো।

তোমাকে।

তোমাকে নিয়ে চলে যাবো।

মুন গাং-ত্যে, আমি তোমাকে চাই।

- আমাকে কেন? - কারণ তোমাকে পাওয়ার এই আকাঙ্ক্ষা অদম্য।

- কিন্তু কেন? - কারণ তুমি সুন্দর।

সুন্দর জুতা, জামাকাপড়, গাড়ির মতোই।

সুন্দর কিছু দেখলেই, আমার সেটা চাই।

আর আমি যেটা চাই সেটা আমাকে পেতেই হবে।

তার জন্য টাকা খরচ করতে হোক, চুরি করতে হোক,

বা জোর করে নেওয়া দরকার হোক।

শুধু এটাকে আমার নিজের করে নিতে হবে।

কোনোকিছু চাওয়ার জন্য বিরাট কোনো কারণ লাগে না, তাই না?

মিস কো মুন-ইয়ং।

ডিরেক্টর স্যার রোগীর অভিভাবকের সাথে কথা বলতে চান।

হাসপাতালের মিশন অস্বাভাবিক হওয়াটাও স্বাভাবিক

উনার আরোগ্যের ব্যাপারটা আমাদের দেখতে হবে,

তবে উনার চেতনাশক্তি প্রায় লুপ্ত,

তাই আপনি ওনার মেয়ে হওয়া স্বত্ত্বেও উনি হয়তো আপনাকে চিনতে পারবেন না।

এখানে বসতে পারেন।

না, ধন্যবাদ।

আপনার বাবার কেসের মতো, ব্রেইন টিউমারজনিত কারণে

সৃষ্ট মানসিক রোগের চিকিৎসা করা কষ্টসাধ্য।

তবে আমরা উপসর্গ কমাতে সাহায্য করতে পারি।

মজা করছ?

কিংবদন্তি ডাক্তার, হুয়া তুয়োকে কবর থেকে তুলে আনলেও

এটা সম্ভব না।

উনার স্মৃতিশক্তির অবস্থা একদম বাজে,

উনি অবাস্তব সব জিনিস দেখতে আর শুনতে পান,

আর অকারণে ভয় পান।

তাছাড়া, অর্থহীন নানা কথাবার্তা বলতে থাকেন।

উনার উপসর্গগুলো সত্যিই মারাত্মক, বলতেই হবে।

এই উপসর্গগুলো আমাকে ভূতে ধরা ব্যক্তির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

আমার কি একজন তান্ত্রিককে ডেকে আচার-অনুষ্ঠান করানো উচিত?

আমি উনাকে একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দিবো যা তান্ত্রিক বা পীর-ফকিরের চেয়ে

বেশি কাজে দিবে।

উনার সাথে ওর চেহারার একদম মিল নেই, তাই না?

প্রফেসর কো'র মেয়ে অনেক সুন্দরী।

সম্ভবত ওর মৃত মায়ের চেহারা পেয়েছে।

ওনার মেয়ে এখানে এসেছে?

ও কি সুন্দরী? কোন সেলিব্রিটির মতো দেখতে?

তুই আবার মদ খেয়েছিস?

এভাবে চালিয়ে গেলে, আজীবন এখানেই রয়ে যাবি।

না, আমি মদ খাইনি।

আমি সিরিয়াস। একদম মদ খাইনি।

নিন।

ওকে গ্রুপ থেরাপি প্রোগ্রাম

কী এটা?

এই সেই প্রেসক্রিপশন যেটার কথা আমি বলেছিলাম।

এটা আমাদের হাসপাতালের গ্রুপ থেরাপি প্রোগ্রাম।

পড়ে দেখুন।

রান্নাবান্না, আঁকাআঁকি, গান-বাজনা থেকে শুরু করে মেডিটেশন, বাগান করা,

এই প্রোগ্রামে রোগীদের চিকিৎসার জন্য

সব ধরনের ক্লাস সাজানো রয়েছে,

শুধু সাহিত্যের ওপর একটা ক্লাস বাদে।

সাইকিয়াট্রিতে, ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তো?

আপনি সপ্তাহে দু'দিন, এক ঘণ্টা করে, আমাদের সময় দিতে পারবেন?

সেটা পড়া বা লেখা যেকোনো ব্যাপারে হতে পারে।

তাতে কিছু আসে যায় না। এটাকে আপনার দক্ষতাকে মহৎ কাজে ব্যবহারের সুযোগ হিসেবে ভেবে নিন।

দয়া করে একটা ক্লাস নিন, মিস কো।

আচ্ছা, স্যার।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে, চাকরির শর্তাবলী।

প্রতিবার আপনি এখানে ক্লাস নিতে আসলে,

আপনার বাবাকে ৩০ মিনিটের জন্য বাইরে হাঁটতে নিয়ে যেতে পারবেন।

আমি কী কী শর্ত চাই সেটা আমারই বলা উচিত না?

এটাই রোগীর প্রতি আর তার অভিভাবক হিসেবে আপনার প্রতি আমার পরামর্শ।

বলতেই হবে, ওর রাগ অনেক বেশি।

আপনি নিশ্চয়ই ভাবেননি ও এতে রাজি হবে, তাই না?

খবর দেখেন না? সব খবরে ওর ছড়াছড়ি।

কিন্তু এতসব কিছু চলা স্বত্ত্বেও, ও এখানে এসেছে,

যাতে আমার মনে হচ্ছে সে এখানকার কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর জন্য এসেছে।

আরে, তুমি এখানে।

ওকে দেখেছ? শুনেছি কো মুন-ইয়ং এসেছে।

আহ! শুনেছি ও নাকি সামনাসামনি দারুণ সুন্দরী।

আরও আগে আসা উচিত ছিল আমার।

- তোমার কি মনে হয় সে চলে গিয়েছে? - তাতে কী আসে যায়? এটা তোমার নাক গলানোর বিষয় না।

এগুলো কী করবে?

কী হয়েছে?

সবগুলো এভাবে টুকরা টুকরা করেছ।

তুমিই আমাকে কাটতে বলেছিলে

কারণ রোগীরা এটা গলায় পেঁচিয়ে ঝুলে পড়তে পারে।

তোমাকে শুধু ছোট কয়েকটা ভাগ করতে বলেছিলাম, এভাবে টুকরা টুকরা করতে বলিনি।

আচ্ছা, বুঝেছি। এটার দাম তেমন বেশি না।

আরেক বক্স কিনে আনব।

মেজাজ খারাপ করে দিচ্ছ।

কোথায় যাচ্ছ?

বাথরুমে।

মিস পার্কের কাছে ঝাড়ি না শুনতে চাইলে ওটা এভাবেই রেখে যাও।

আমি পরে ফেরত দিয়ে দিবো।

হ্যাঁ, পরের জন্য তুলে রাখো ওসব। চলো আগে কিছু খেতে যাই।

তুমি এখানে কী করছ?

তুমি এখানে আসতে পারো না। বের হও।

যে ছেলেটা মাত্র চলে গেল ও বলেছিল তুমি এখানে আর ও-ই আমাকে ঢুকতে দিয়েছে।

- বের হও। - কেন?

- বের হয়ে যাও। - ধ্যাত।

ছাড়ো আমাকে।

কী? আমরা একে অপরকে চিনি না এমন ভান করা উচিত?

তোমার চেহারা দেখে তাই মনে হচ্ছে।

সেটা করলে খুশি হবো।

অবশ্যই, এটা কঠিন কিছু না।

তুমি আর গাং-ত্যে একে অপরকে কীভাবে চিনো?

কেন জিজ্ঞাসা করছ? এটা তুমি এড়িয়ে যেতে পারছ না?

এই বিষয়টা আমি কখনোই বুঝতে পারিনি।

একটা শব্দে কীভাবে কোনো সম্পর্ককে সংজ্ঞায়িত করা যায়?

প্রতিবার আমাদের সাক্ষাৎ ছিল চরম নাটকীয়,

মৃত্যু থেকে এক ইঞ্চি দূরত্বে।

আর প্রতিবার যখন আমাদের দেখা হয়েছে, আমরা একে অপরকে চমকে দিয়েছি।

এরকম একের পর এক, কাকতালীয় ব্যাপার,

যদি কোনোভাবে আমাদের এখানে নিয়ে আসে,

আমাদের সম্পর্ককে তুমি কীভাবে সংজ্ঞায়িত করবে?

এটা বলাটা গতানুগতিক হবে যে আমরা একে অপরের জন্য পূর্ব-নির্ধারিত।

তাই না?

ভেতরে ঢোকো।

ভেতরে ঢোকো, বলছি।

কোথায় তুই?

পরে কল করব।

শক্তি অপচয় করো না। ভেতরে ঢোকো তো।

চলো কিছু খেয়ে আসি। আমার ক্ষুধা পেয়েছে।

একাই যাও। আমার ডিনারের প্ল্যান করা আছে।

ওহ, সাং-ত্যের সাথে?

তাহলে তো আরও ভালো।

আমরা আজই দেখা-সাক্ষাৎ সেরে ফেলতে পারি। কোথায় থাকো তুমি?

তোমার এভাবে জোর করে সবকিছু হাসিল করার পদ্ধতি সবার ক্ষেত্রে কাজে লাগলেও,

আমার ক্ষেত্রে এটা কখনও কাজ করবে না।

তুমি বাধা দিবে?

দারুণ মজা হবে।

দেখা যাক তুমি ধরা দাও কি না দাও।

আচ্ছা, বেশ।

তোমার জ্বলন্ত চোখ দুটো দেখো।

আজকের মতো তোমাকে ছেড়ে দিচ্ছি।

তবে পরেরবার বাধা দিলে তোমাকে আমি কিডন্যাপ করব!

ধ্যাত, কলিজা হাতের মুঠোয় চলে এসেছিল।

চুপ কর, গর্দভ হরিণ!

থামবি না?

সংজিন হরিণের দুধ

- আপনার দিনটা শুভ হোক। - ধন্যবাদ।

ভেবেছিলাম তুমি ওর সাথে ডিনার করবে।

না, আমরা অতটা ঘনিষ্ঠ না।

আর ডিনারের সময়েই কেবল আমি বাসায় থাকি,

তাই আমার ভাইয়ের সাথেই আমার খাওয়া উচিত।

ঠিক।

হেই, জ্যে-সু।

আমি বাসার সামনেই। ফ্রিজে কোক আছে।

হ্যাঁ।

আচ্ছা।

জন্মস্থান: ওজি-গুন, সংজিন সিটি

এটা ভালো না।

ধ্যাত, ওর সত্যিই ওই জায়গায় যাওয়া উচিত না।

কোন জায়গায়?

ওই অভিশপ্ত প্রাসাদে।

ওর জন্মে খুশি হয়ে মুন-ইয়ং এর বাবা

এই ম্যানশনটা বানিয়েছিল।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক বনের মাঝে সে এটা বানিয়েছিল

যাতে তার স্ত্রী লেখালেখিতে মনোনিবেশ করতে পারে।

বেশ বিলাসবহুল একটা ম্যানশন ছিল, আর এর স্থাপত্যের জন্য একটা বড়সড় পুরষ্কারও পেয়েছিল।

কিন্তু এটা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

এটা একটা ভূতুড়ে বাড়ির মতো।

কিন্তু উনি এটা বিক্রি করে দিতে পারেন। এতদিনে ওটা বিক্রি করে দেননি কেন?

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left