The first 200 lines.
অনুবাদক: আতিকুল গণি রিপন কুদরতে জাহান জিনিয়া
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
অসাধারণ। অসাধারণ খবর!
খবরটা শোনো, ভার্জিনিয়ার সকল কর্মীদের
কম্পিউটার থেকে সলিটেয়ার সরিয়ে ফেলা হয়েছে,
কারণ সপ্তাহের ছয়দিন ওরা কোনো কাজ করেনি।
- খুব খারাপ। - মানে বুঝলে এটার?
পশ্চিমা সভ্যতা বলে আমরা যা জানতাম তার সমাপ্তি।
অহ। এই তোমার দেরি হচ্ছে না?
প্রযুক্তি। একটা প্রযুক্তির নাম বলো, যা থেকে আমরা কিছু পেয়েছি।
বিদ্যুৎ।
মাত্র একটা। তুমি ভেবেছ যন্ত্র আমাদের বন্ধু, মোটেই তা না।
- আমি গেলাম। - রাতে দেখা হচ্ছে।
- সুশি খাবার জন্য! - হ্যাঁ!
গেলাম!
স্বাগতম।
তোমার মেইল এসেছে।
"ব্রিঙ্কলি আমার কুকুর, আমার মতোই নিউ ইয়র্কের রাস্তাঘাটের ভক্ত।"
পিজ্জা ও রাস্তার পাশে বিক্রি করা খাবার পছন্দ করে ও,
আমিও পছন্দ করি কিনে দিতে।
ব্রিঙ্কলি মানুষ চেনার ওস্তাদ, কে কী কিনে দেবে ভালো আন্দাজ করতে পারে।
কিন্তু অন্যদের বাদ দিয়ে আমার সাথেই থাকে, যাতে দিনের ১৮ ঘন্টা......
বাসের সমান মতো বিশাল সবুজ বালিশে ঘুমোতে পারে।
নিউ ইয়র্কের তুষারপাত কী মজা লাগে না?
স্কুলের কথা মনে করিয়ে দেয়।
আমি প্রায় তৈরি।
তোমার কাছে ধারালো এক তোড়া নতুন পেনসিল পাঠাতাম,
যদি তোমার নাম ঠিকানা জানতাম।
অবশ্য, এই না জানাটারও একটা আনন্দ আছে।
- তুমি ধাক্কা দিয়েছ? - হ্যাঁ।
হ্যাঁ, ধাক্কা দিছি।
অনেক দেরি হয়ে গেছে।
রেন্ডম হাউজ ডিক এটকিন্সকে ছাঁটাই করেছে। এখন যদি স্বস্তি মেলে!
মুরি চিল্টন মারা গেছে। কথা বলি না, এমন আরেকজন কমলো তাহলে।
জলদি! জলদি! জলদি!
ভিন্স একটা অসাধারণ রিভিউ লিখেছে। বাপ, মানুষ একটা।
আজরাতে, ডিনার পেন ক্লাবে।
- আমার যাওয়া লাগবে? - জো ফক্স, কথা দিয়েছিলে।
কালো টাই পরতে হবে!
- ওহ........ - টাকা পাঠিয়ে দিলে হবে না?
এই সপ্তাহের প্রসঙ্গ কী? "আলবেনিয়ার লেখকদের মুক্তি।"
আমিও তাদের সমর্থন করি।
ওহহ।
আচ্ছা বাবা যাব। তোমার দেরি হচ্ছে।
জানি, জানি।
সুপ্রভাত, মিস এডেন।
এই লক্ষী কুকুরটা কার? এই লক্ষী কুকুরটা কার?
স্বাগতম।
- তোমার মেইল এসেছে। - তোমার মেইল এসেছে।
ঠিক আছে, যা যা নিচে যা।
প্রিয় বন্ধু, আমার মেইল এভাবে শুরু করছি,
যেন আমরা কোনো একটা আলাপের মাঝে আছি।
যেখানে ভান করছি তুমি আমার সবচেয়ে পুরোনো আর কাছের বন্ধু,
যদিও সত্যি বলতে কথাটা ডাহা মিথ্যা।
যারা কেউ অপরকে জানে না, নামও পর্যন্ত জানে না......
কেবল চ্যাট রুমেই পরিচয়, যেখানে দু'জনেরই দাবি যে আমরা আগে কোনোদিন চ্যাট রুমে আসিনি।
প্রতিদিন অধীর হয়ে ভাবি, "NY152 আজ কী বলবে?"
কম্পিউটার চালু করি।
নেটের সংযোগ পাওয়া পর্যন্ত অধৈর্য হয়ে অপেক্ষা করি।
অনলাইনে আসি......
আর বুকে নিঃশ্বাস আটকে থাকে, যতক্ষণ না ছোট্ট তিনটা শব্দ কানে আসছে.....
"তোমার মেইল এসেছে।"
কানে কিছুই আসে না, না কোনো শব্দ, না নিউ ইয়র্কের রাস্তার কোলাহল।
শুধু আমার হৃদস্পন্দন।
আমার মেইল এসেছে.......
তোমার কাছ থেকে।
ইলেক্ট্রিক ঠিকাদার ফোন করেছিল, গতরাতে নাকি তার গাড়ির নিচে এক হরিণ পড়েছিল।
আগামিকালের আগে নাকি আসতে পারবে না।
আর ওপরতলার যে তাকের জন্য যে পাইন কাঠের অর্ডার করেছিলাম...
পাঠাতে দেরি হবে, কারণ কাঠে নাকি ঘুণ পোকায় ধরেছে।
বেশ ভালো। খুব ভালো।
আর ৫০হাজার ডলার জরিমানা হয়েছে, নির্মাণ শ্রমিকরা নাকি ছাঁদের ওপর থেকে প্রস্রাব করেছে।
বেশ, চমৎকার খবর। ইলেক্ট্রিশিয়ান আছে?
মাত্রই না বললাম ওর গাড়ি হরিণ চাপা দিছে। জানতাম, তুমি আমার কথা শুনছে না।
ঠিক বলেছ। শুনিনি।
"কানে কিছুই আসে না।"
"না কোনো শব্দ, না নিউ ইয়র্কের রাস্তার কোলাহল, শুধু আমার হৃদস্পন্দন।"
মনে হয় ব্যাপারটা এমনই, এমনই।
তোমার আর প্যাট্রেশিয়ার কি বাগদান হয়েছে? হলে বলতে পারো আমাকে।
- বাগদান? - আরে শরমের কী?
পাগল নাকি?
আমি আরো মনে করছি তুমি প্যাট্রেশিয়াকে পছন্দ করো।
করি, করি তো। প্যাট্রেশিয়াকে ভালোবাসি।
প্যাট্রেশিয়া...... প্যাট্রেশিয়া চমৎকার মেয়ে। ও কফির জাত মেরে দেয়।
এলাকার সবাইকে জানানো দরকার।
সবাই জানুক, আমরা আসছি।
এটা আপার ওয়েস্ট সাইড।
আমরা বরং বলি ড্রাগের দোকান খুলতে যাচ্ছি।
ওরা আমাদের ঘৃণা করবে।
ওরা সবাই একজোট হয়ে স্লোগান........
সুপারষ্টোর নিপাত যাক..........
আর নিপাত যাবে কে................
ওদের সাধের দোকান।
আমরা ওদেরকে তিল তিল করে পিষে মারব,
আমাদের ছাড় আর আরামদায়ক চেয়ার............
আর ক্যাপাচিনো কফি খাইয়ে।
ওরা আমাদের শুরু থেকেই ঘৃণা করবে।
তবে শেষ হাসি আমরাই হাসব।
- আর কেন জানো? - কেন?
কারণ আমরা সস্তায় বই বিক্রির পাশে বৈধ আসক্তির ড্রাগ বিক্রি করব।
এর মধ্যেই, বড় একটা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেবো।
"শীঘ্রই আসছে, ফক্স বুকস সুপারস্টোর। সভ্যতার সমাপ্তি......"
যা এতদিন জেনে এসেছেন।"
সুপ্রভাত, ক্রিস্টিনা।
সুপ্রভাত, ক্যাথলিন।
সুন্দর দিন। দিনটা কী সুন্দর না?
মনে হয়। হ্যাঁ, নিশ্চয়।
- আহাম্মক, করো কী? - সবুজ বাতি জ্বলতে দেখলাম!
শীতের নিউ ইয়র্ক অনেক ভালো লাগে না?
অসাধারণ।
হুমম। এরচেয়ে ভালো কিছু হয় না।
স্কচ টেপ? তোমার মতি গতি কী?
কিছুই না।
- প্রেমে পড়েছ? - প্রেমে পড়েছি? আরে না।
ওহ, হ্যাঁ, ঠিক তাই! ফ্র্যাঙ্কের প্রেমে পড়েছি।
বাস্তবিক অর্থেই ফ্র্যাঙ্কের সাথে আছি। হুমম।
কী মনে হয়, এ সপ্তাহে ক্রিসমাসের পত্রবাহক আসবে?
হ্যাঁ, সোমবারের মধ্যে। কথা দিলাম। শুক্রবারের মধ্যে কাগজ পাঠাতে হবে।
কী হচ্ছে?
কিছু না, কিছু না। কিছুই না।
দেখো, না বলা পর্যন্ত আমি এখানে দাঁড়িয়ে থাকব।
আচ্ছা, শোনো।
আচ্ছা তুমি যদি কারো সাথে মেইলে প্রেম করো তাহলে কি বিশ্বাসঘাতকতা হবে?
সেক্স করছ?
না, আর চিনিই তো না।
- মানে সাইবার সেক্স। - না।
বেশ, করবে না। যে মুহূর্তে করবে, ওরা তোমার সম্মানের তোয়াক্কা করবে না।
দেখো, এই ব্যাপারটা এমন না।
আমরা শুধু মেইল করি। সত্যিই তেমন কিছু হয়নি।
সবচেয়ে বড় কথা, চিন্তা করছি বাদ দেবো, কারণ বিষয়টা......
নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে?
দোটানায় আছি।
তা না। কারণ এসব কিছুই না।
পরিচয় হয়েছে কোথায়?
শোনো, এটাও মনে নাই।
জন্মদিনে, "৩০+" নামে এক চ্যাটরুমে ঢুঁ মেরেছিলাম ওরা কী জাতের কৌতুক করে দেখার জন্য।
ও সেখানে ছিল। তারপর চ্যাটিং শুরু করলাম।
কী নিয়ে?
বই, গান, আমরা দু'জন নিউ ইয়র্ককে কে কতো ভালোবাসি......
এটা সেটা, তুচ্ছ জিনিস সব। দোষের কিছু না।
অপ্রাসঙ্গিক।
ধারালো পেনসিলের তোড়া। ওহ।
কী বললে?
বাদ দাও।
আমরা ব্যক্তিগত কিছু নিয়ে আলাপ করি না, তাই ওর নাম জানি না,
বা কী করে, বা ঠিক কোথায় থাকে,
তো ওর সাথে মেইল বন্ধ করে দেয়া আমার জন্য সহজ, কারণ আমরা কেউ কাউকে চিনি না।
এমনকি যে লোকটা একটু পরে আমাদের দোকানে আসবে, সেও হতে পারে।
জানি।
ও এমনকি.....
আমাদের জর্জও হতে পারে।
সুপ্রভাত।
তুমি অনলাইনে চ্যাট করো?
আমি যতদূর জানি......
ইন্টারনেট হলো মেয়েদের কাছ থেকে ছ্যাঁকা খাওয়ার আরেকটা রাস্তা।
সুপ্রভাত।
সুপ্রভাত, বার্ডি।
তো মেয়েরা, কী নিয়ে ফিসফিস করছো?
সাইবার সেক্স।
একবার সাইবার সেক্স করার চেষ্টা করছিলাম, দেখি সবার লাইন ব্যস্ত।
জানি।
এক শনিবারের রাত ৯টার দিকে মনটা খুব খারাপ ছিল .......
খোলার সময় হয়েছে!
জেসিকা আর মায়া, কেমন আছ আজকে?
- ক্যাথলিনকে হাই বলবে না? - হাই ক্যাথলিন।
সুপ্রভাত, শপ এরাউন্ড দ্যা কর্নার।
জর্জ বলছি, কী সাহায্য করতে পারি?
কাজ ভালোই চলছে। সময় মতো চালু করতে পারব।
যদিও আমি আর কেভিন একটা বিষয় নিয়ে চিন্তিত: এলাকার মানুষ কীভাবে নেবে।
কাউচের এই কাপড়টা কীসের? কোনো নাম আছে?
- টাকা। - হুহ?
- এটার নাম "টাকা।" - অহ।
- জিলিয়ানের পছন্দ। - এইতো ধরতে পারছ।
- তোমার বাবা আবার বিয়ে করেছে। - তাই?
- অভিনন্দন! - ধন্যবাদ।
- কেন? - কে জানে?
- প্রেম? - হবে হয়ত।
আমার মনে হয় তুমি একটা মাথামোটা।
পপস, ম্যাথিওর বয়স মাত্র ৪, ঠিক আছে?
যদি আবার বিয়ে করতে চায়, তবে তো ভালোই।
শোনো, একটা দুঃখের খবর দেই।
সিটি বুকস, ২৩ নাম্বার সড়ক?
বন্ধ হয়ে যাচ্ছে..............
মুক্তবাজার অর্থনীতির জোয়ারে আরো একটা তরী ডুবে গেল।
এরপর কী?
ওদের পুরো সংগ্রহশালা আর নিউ ইয়র্কের এদিনের সকল স্থাপত্য.................
আমাদের দোকানের জন্য কিনে ফেলব।
কত লাগবে? কত দিতে হবে?
ঐ টাকার চেয়ে তোমার ঐ অস্বস্তিকর সোফার কয়েকটা সুতার দাম বেশি,
এখনো আমার স্যুটে লেগে আছে।
নাও ধরো।
থ্যাঙ্কস।
ওয়েস্ট সাইডের লেখকদের জন্য একটা আলাদা বিভাগ থাকবে।
এলাকাবাসীর সন্তুষ্টির জন্য।
দারুণ। ওয়েস্ট সাইডের এই লিবারেল আকাম্মা, আর মুখোশধারী বুদ্ধিজীবিদের দূরে রাখাই..................
বাবা, ওদেরকে "পাঠক" বলে ডাকা হয়।
একাজ করিস না রে বাপ। ওদেরকে এত প্রেমময় করে তুলিস না।
বানর কে আদর দিলে মাথায় চড়ে বসে।
ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বটা কেমন হবে?
'স্লিউথ' নামের একটা রহস্যময় স্টোর, আমস্টার্ডামের ৭৮ নাম্বার সড়কে,
No comments yet. Be the first to leave one.