The first 142 lines.
তুই আমাকে বড্ড বিরক্ত করছিস! এবার আর আমার হাত থেকে নিস্তার পাবি না!
হিনোকামি কাগুরা!
রেগিং সান!
ফ্ল্যাম ড্যান্স!
এসব ছাইপাশ কৌশল আমার ক্ষেত্রে টিকবে না!
লড়াইয়ের শেষে সবসময় আমারই জয় হয়!
কোথায় গেল ছেলেটা?
হিনোকামি কাগুরা!
সুতো দেখতে পেয়েছি!
এবার ওর মুন্ডুচ্ছেদ করতে পারবো!
হিনোকামি কাগুরা!
ফায়ার হুইল!
ফুসফুসে বাতাস টেনে নিতে হবে!
তাহলে আমি আপার র্যাংকের...
ডেমনের বিরুদ্ধেও লড়তে সক্ষম!
LAYERED MEMORIES
হতচ্ছাড়া কোথাকার!
এটা কী হচ্ছে?
উড়নাটা ওর দেহে প্রবেশ করছে!
না! এগুলো কি ওর কাছে ফিরে এসেছে? মানে, এগুলো ওর দেহেরই অংশ?
তরবারির হাতল শক্ত করে চেপে ধর! নিজের দমকে নিয়ন্ত্রণ কর!
আক্রমণ!
আমি জানতাম!
ডাইনিটা অদৃশ্য হয়ে গেছে!
একজন হাশিরা...
অবশেষে একজন হাশিরার বিরুদ্ধে লড়তে চলেছি!
কী দারুণ!
ওটাকে হারাতে পারলে আমার মনিব বড্ড খুশি হবেন!
ও অন্যকিছুতে পরিবর্তিত হয়েছে!
ভয়ানক এক অমঙ্গলের গন্ধ পাচ্ছি বাতাসে!
বিশ্রী একটা পচা গন্ধে বাতাস কেমন ভারি হয়ে গেছে!
ওর দেহের আসুরিক শক্তি আগের চেয়েও বৃদ্ধি পেয়েছে!
ইনোস্কে সহ বাকিরা না জানি এখন কী করছে?
ওরা ঠিকঠাক থাকলেই আমি শংকামুক্ত থাকব!
তোমরা রাত দুপুরে এসব ফালতু মারামারি বন্ধ করো!
এই ছোকড়া, এভাবে তরবারি উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছো কেন?
তোমাদের সাহস তো কম না! তোমাদের দাপাদাপির শব্দে ঘুমাতে পারছি না!
এভাবে মহল্লার মানুষদের কেন বিরক্ত করছো?
সর্বনাশ! লড়াইয়ের সময় বেশি শব্দ করে ফেলেছি!
তোমাদের একটা কথা জানিয়ে রাখি, নিয়মনীতির বরখেলাপ করলে আমরা ছেড়ে দেব না!
তোমাদের মতো উটকো লোকেদের এখান থেকে আমরা বের করে দেই!
বিচারসালিশ বসার আগেই কেটে পড়ো এখান থেকে!
ছুঁচোটার সাহস তো কম না!
এখানে এসো না!
এখানে এসো না! বিপদে পড়বে তুমি!
পিছিয়ে যাও!
ঘরে ঢুকে যাও সবাই!
ওগো! না!
শান্ত হও!
তোমাদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না!
তোমার রক্তাক্ত হাতটা...
কিছু একটা দিয়ে বেঁধে ফেলো!
ফিরে আসো!
আমি তোমাকে যেতে দেব না!
তোমার করা পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে!
কী ব্যাপার? তোর এখনও লড়ার শখ আছে দেখছি!
যথেষ্ট বাড়াবাড়ি করছিস কিন্তু!
এই কীটপতঙ্গগুলোর এমনিতেও বেঁচে থেকে কোনো লাভ নেই।
কবরে গেলে সেই তো দেহ পচেই নিঃশেষ হবে!
হিরু! হিরু!
কেউ একটু সাহায্য করো!
সবাই, ঘরে ঢুকে পড়ো!
এই ডাইনিটা নয়তো কাউকে বাঁচতে দেবে না!
প্রিয় কামাদো...
জানি, তোমার সাথে বড্ড বাজে আচরণ করেছি।
কিয়োজুরোর মৃত্যুতে চোখের অশ্রু ফেলার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
শুনলাম, গত চার মাস ধরে তুমি সেনজুরোর সাথে পত্র বিনিময় করছো।
ওকে এখন আগের চেয়েও বেশ উদ্দীপ্ত লাগছে!
আমাদের প্রথম সাক্ষাতেই এরকম অনভিপ্রেত আচরণের জন্য আমি লজ্জিত।
যখন আমার প্রিয়তমা স্ত্রী আমাকে একা রেখে না ফেরার দেশে চলে যায়...
আমার বেঁচে থাকার ইচ্ছা দিনদিন হ্রাস পেতে থাকে।
আমি মদের হাতে নিজেকে সমর্পণ করে দুঃখ, জ্বালা, যন্ত্রণা ভুলে থাকার ব্যর্থ চেষ্টা করি।
আমার চেয়ে অথর্ব এই দুনিয়ায় আর কেউ নয়।
কিয়োজুরো সবদিক থেকেই আমার যোগ্য উত্তরসূরি ছিল।
ওকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাঝপথ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেও...
ও বই পড়ে ফ্লেম ব্রিদিঙয়ের কলাকৌশল রপ্ত করেছিল...
হয়ে উঠেছিল একজন হাশিরা!
মাত্র তিনটি ভলিউম পড়েই অসাধ্য সাধন করে ফেলেছিল ও!
ওর মধ্যে নিশ্চয়ই ওর মায়ের প্রভাবটা...
অনেক বেশিই ছিল।
কিয়োজুরো আর সেনজুরো দু'জনেই সন্তান হিসেবে আদর্শ ছেলে।
কামাদো...
তোমার সক্ষমতা ওদের চেয়েও অনেক বেশি!
আমি শুনেছি, যারা সান ব্রিদিঙয়ের জন্য বাছাইকৃত হয়...
জন্মলগ্ন থেকেই তাদের কপালে রক্তিম দাগ থাকে যেটা তোমার আছে!
তাই, আমি নিশ্চিত...
না, জনাব শিনজুরো!
এই দাগটা জন্মলগ্ন থেকে পাইনি আমি।
আমার ভাইকে ফুটন্ত পাত্রের জলের সংস্পর্শ থেকে বাঁচানোর সময় আমি দূর্ঘটনার শিকার হই।
তারপর, সর্বশেষ সিলেকশনের সময়ও আমি আহত হই!
এরপর থেকেই আমার কপালে এই দাগটা বসে যায়!
আমার বাবা কপালে সেই রক্তিম দাগ নিয়ে জন্মেছিলেন বটে...
কিন্তু, আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা তেমন নয়!
আমি সান ব্রিদিং চর্চা করার মতো সেই উপযুক্ত যোদ্ধা নই!
তবে...
সবকিছুর পরও...
আমি যদি সেই আকাঙ্ক্ষিত যোদ্ধার তালিকায় নাও পড়ি...
আমি যদি যোগ্যতার ক্ষেত্রে পিছিয়েও থাকি...
নরকের শয়তান দুনিয়ায় নেমে আসলেও আমি তার বিরুদ্ধে লড়বো!
কারণ এই দুনিয়া পাপাচারের দূষণে দূষিত হয়ে পড়েছে!
কোনো ভ্রুক্ষেপ না করে অকারণে মানুষকে হত্যা...
নিরপরাধ মানুষকে কষ্ট দেওয়া...
আমি বেঁচে থাকতে...
কখনো এই পিশাচদের হাতে...
মানুষের জীবন বিপন্ন হতে দেব না!
অই নিষ্পাপ মানুষদের কোনো অপরাধ ছিল না!
অই নিরপরাধ মানুষদের তুই অকারণে হত্যা করেছিস!
অই রক্তমাংসের মানুষগুলোর পরিবার জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কষ্টে লীন হয়ে থাকবে!
কেন এই অসহায় মানুষগুলোকে মারলি?
কেন তোর জিঘাংসার আগুনে ওদেরকে পুড়তে হলো?
এরকম কথা এর আগেও মনে হয় শুনেছি।
নিরীহ মানুষদের প্রাণ নিয়ে কী মজা পাস? ওদের মরতে দেখে কিসের আত আনন্দ পাস?
মানুষের প্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি খেলে কী পাস তুই?
কে যেন বলেছিল? তার চেহারাটা খেয়াল আসছে না!
কেন তুই বুঝতে পারিস না?
কীভাবে তুই ভুলে যেতে পারলি?
এসব আমার স্মৃতি নয়!
এগুলো অন্য কারো স্মৃতি!
আমার শরীরে তো অন্য আরেকজনের রক্ত বইছে!
প্রভু মুযানের!
এই স্মৃতিগুলো কি উনার?
- মাসল! মাসল! - মাসল! মাসল!
- মাসল! - মাসল!
এই যে শুনুন!
এই শক্ত উড়নাগুলো হঠাত করে ফুড়ুৎ করে কোথায় যেন উড়ে গেল!
একদম চোপ!
এখানে থাকা সবার প্রাণ বাঁচালাম আমি! সামান্য প্রশংসা করতে কি কষ্ট লাগে?
প্রথমে, মনপ্রাণ খুলে আমার প্রশংসা করো!
এরপরে তোমার যত আলাপসালাপ আছে, শুনবো!
লর্ড তেনজেন! আপনি এক্ষুনি অই উড়নাগুলোকে ধাওয়া করুন! নয়তো, মনে হচ্ছে আরো অনেক রক্তপাত হবে!
আমাদের সুরক্ষার ব্যাপারে ভাববেন না! দয়া করে তাড়াতাড়ি যান!
চলো ছেলেরা! কাজটা সেরেই আসি এবার!
আমাকে অনুসরণ করো!
তাড়াতাড়ি পা চালাও!
যত শক্তি আছে, কাজে লাগাও!
লর্ড তেনজেন অবশেষে তার শিকারের খোঁজ পেয়েছে!
বাপরে বাপ! শালা দৌড়াচ্ছে না উড়ছে!?
এভাবে তাকিয়ে কী দেখছিস?
তুইও একসময় মানুষ ছিলিস, তাই না?
হয়তো একসময় তোর চোখ থেকেও জল ঝরেছে, যন্ত্রণা আর দুর্দশা তোকে গ্রাস করেছে!
তুই বড্ড বাজে বকিস, ছোকরা!
অতীতের কোনো কিছুই আমার মনে নেই!
No comments yet. Be the first to leave one.