The first 200 lines.
অনুবাদে: 〄 AsadujJaman 〄
সরি।
- আমি অংকে ভালো না। - বিলের ৪০% বকশিশ দিয়ে দিয়েছো!
ভুল করে ফেলেছি, ওকে?
আমার কষ্টের টাকা নষ্ট করলে উন্নতি করবো কীভাবে শুনি?
জলদি ভ্যানে ওঠো।
কী সমস্যা তোর, শালা?
তোকেই বলছি রে, গর্দভ।
শুনুন, ভাই, আমার আসলে দিনটা খারাপ যাচ্ছে।
এমন আর হবে না।
কফি... ব্ল্যাক... আর পীচ পাই।
জর্জিয়ার সবচেয়ে সেরা পাই।
... পূর্ব সমুদ্র তীরে তাদের মাদক নির্মুল বাহিনী গঠন বাতিল করছে৷
সূত্রমতে জানা গেছে, এক বছর আগে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি...
পুলিশ!
পুলিশ! নড়বে না!
নড়বে না, নড়বে না, নড়বে না!
এবার, টেবিলটা থেকে উঠে এসো,
আস্তে ধীরে।
এক্ষুণি বেরোও!
ধীরে!
হাত সোজা।
হাত মাথার পিছনে নাও। হাত মাথার পিছনে নাও!
আঙ্গুল মুঠো করো! আঙ্গুল মুঠো করো!
ঘুরে দাঁড়াও।
জানালার দিকে ঘোরো!
মিষ্টিমুখ পরে কোরো।
তোমাকে খুনের দায়ে গ্রেফতার করা হলো।
হাটো।
চাইলেই আরো দ্রুত হাঁটতে পারো।
স্যার?
তুমি এখানে এসে দাঁড়ালে, প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবো।
আমি অনুরোধ করছি না, স্যার। আদেশ করছি।
তবে চিন্তা করো না, বাধ্য না করলে তোমার পাছায় লাথি মারবো না।
ধন্যবাদ।
আচ্ছা, আমি তোমার তথ্য নথিভুক্ত করবো।
তো, ঝটপট শুরু করি, তোমার নাম কী?
পালোয়ানটা বোবা।
সাথে পাসপোর্ট ছিল যদিও।
জ্যাক রিচার।
- মাঝখানে কিছু নেই। - জিপ দিয়ে বেঁধেছো?
হাতকড়া হাতে লাগেনি।
কোনো সিল নেই।
একদম ঝকঝকা নতুন।
দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করছো নাকি?
তার সাথে থাকা বাদবাকি জিনিসপত্র।
- কতো ক্যারট ওটা, ২০০? - ২১২।
বিদেশী মালের মতো লাগছে এটা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পদক। ফ্রেঞ্চ।
কেবল এসব নিয়ে মানুষ বেড়াতে বেরোয় না।
বাদবাকি জিনিস কোথায় রেখেছো?
শহরে দোস্ত আছে? গার্লফ্রেন্ড?
আমার শহরে করছোটা কী তুমি?
কথা বলতে চাও না?
হয়তো হাজতে ভরে দিলে, তোমার মন পরিবর্তন হবে।
আর সেটা ঠিক কীভাবে করবে?
পঞ্চম আর চতুর্দশ সংশোধনীর অধীনে তার সাংবিধানিক অধিকারটা বুঝিয়ে বলো,
তারপর দোয়া করবো যেন সেচ্ছায় সেগুলোর কথা ভুলে যায়?
হ্যাঁ।
দরকার নেই। এখান থেকে সব আমিই সামলাবো।
তাকে কনফারেন্স রুমে নিয়ে যাও। আমি কিছুক্ষণের মধ্যে আসছি।
শহুরে পাগলা।
মিঃ রিচার, আমি চীফ ডিটেকটিভ অস্কার ফিনলি।
তোমাকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবো।
শুনলাম তোমাকে তোমার অধিকার পড়ে শোনানো হয়েছে,
তাই জানোই তো তোমাকে উত্তর দিতে হবে না।
হুম।
একটা ওভারপাসের কাছে হাইওয়ের পাশে একটা লাশ পাওয়া গেছে,
লাশের একাংশ একটা চ্যাপ্টা কার্ডবোর্ডের বাক্স দিয়ে ঢাকা ছিল।
কাছ থেকে মাথার পিছনে দুটি নয়-মিলিমিটার, 95-গ্রেইনের গুলি চালানো হয়েছে।
গুলির খোসা পাওয়া যায়নি।
ভিকটিম ছিল ত্রিশোর্ধ্ব পুরুষ, বিশালদেহী।
মৃত্যুর পর তাকে বাজেভাবে পেটানো হয়।
এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ফোলা আঙুলের কারণে হাতের ছাপ নিতে সমস্যা হচ্ছে।
লোকটি কে ছিল তা জানো?
সে কীভাবে মারা গেল?
নিষ্পলক তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছু বলতে চাও?
ঠিক আছে, তাহলে।
বাকি বিকেলটা নষ্ট করতে রাজি নই আমি।
হয়তো আদালত হতে নিযুক্ত উকিল-ই তোমার মুখ খুলাতে পারবে।
আমার উকিলের দরকার নেই।
সে কথা বলতে পারে!
যখন তার মর্জি হয়।
আর উকিল লাগবে না কেন?
কারণ আমি কাউকেই মারিনি।
অন্তত সম্প্রতি মারিনি।
এই শহরে তো অবশ্যই না।
এটা তো অসম্ভব।
- কী বললে? - এই রিচার লোকটা।
এখন পর্যন্ত, তার সম্পর্কে খারাপ কিছু পাইনি,
তবু কিছু একটা হয়তো পেতেও পারি।
কিন্তু তার কোনো ফেসবুক, স্ন্যাপচ্যাট, ইনস্টাগ্রাম নেই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স, ঋণ, বীমাও নেই।
অনলাইনে কিচ্ছু নেই তার সম্পর্কে।
জ্যাক রিচারের অস্তিত্ব থাকার একমাত্র প্রমাণ হচ্ছে যে সে ওই ঘরটায় বসে আছে।
জ্যাক রিচার। বাবা-মা মৃত।
একমাত্র ভাই, জো, দুই বছরের বড়ো।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা।
মিলিটারি পুলিশের ১১০তম বিশেষ তদন্ত ইউনিটের কমান্ডার।
দায়িত্ব পালনের সময় বেশ কয়েকজনকে হত্যা করেছো।
সবগুলোই নিখুঁত খুন।
যদি আমি ভাবি যে আমি এমন এক লোকের বিপরীতে বসে আছি যে মানুষ মারতে দ্বিধা করে না...
আর কাউকে খুন করে ধামাচাপা দেওয়ার জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ তার আছে?
ভুল ভাববেন না।
তবে এই খুনের বেলায় ভুল।
এই লোককে তিনজনে মেরেছে।
খুলে বলো।
শ্যুটার অস্ত্রশস্ত্র বেশ ভালো চেনে।
বুলেটগুলো ছোট ক্যালিবারের ছিল... নয়-মিলিমিটার, 95-গ্রেইন।
আওয়াজ কম করে। সাইলেন্সার ব্যবহার করা হয়েছিল।
সে খোসাগুলো তুলে নেওয়ার কথাও ভুলেনি।
এটি তার প্রথম খুন নয়।
খুনি জানে কীভাবে ঠান্ডা মাথায়, কার্যকরভাবে খুন করতে হয়।
ওকে, বলতে থাকো।
আপনি এক সাইকোকেও খুঁজছেন যে মরার পর লাশ পেটায়,
সম্পূর্ণ মস্তিষ্ক বিকৃত একজন।
আপনার পেশাদার শ্যুটারের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির লোক।
কোনো সমস্যা?
না।
তুমি তিনজনের কথা বলেছিলে।
সাইকো মশাই অবশ্যই হঠাৎ করে যুক্তিবাদী হয়ে লাশ লুকিয়ে রাখার কথা ভাববে না।
আর আপনার ফিটফাট শ্যুটার রাস্তার ধারের কার্ডবোর্ড দিয়ে এমন কাঁচা কাজ করবে না।
না, তৃতীয় লোকটি সেখান থেকে ভাগার জন্য এতোটাই উদ্বিগ্ন ছিল, রাস্তায় পড়ে থাকা মাল নিয়ে...
স্রেফ লাশটা ঢেকে রাখে।
ভিকটিম বিশালদেহী ছিল বলেছিলেন,
তাই সম্ভবত তার পা বেরিয়ে ছিল...
আর সেজন্যই লাশটা চোখে পড়েছে।
লম্বা মানুষজন পা রাখার পর্যাপ্ত জায়গা পায় না।
ইন্টারেস্টিং থিওরি।
কিন্তু তবুও আজ হাইওয়েতে হাঁটতে দেখা একজনের বর্ণনার সাথে সব মিলে যায় তোমার,
যেটার কাছে লাশটা পাওয়া গেছে।
তার কারণ ওটা আমিই ছিলাম।
আমি টাম্পার বাস থেকে নেমে হেঁটে শহরে ঢুকেছি।
গ্রেহাউন্ডের বাস মারগ্রেভে থামে না।
আমি তো বলিনি যে থামে।
এই মাত্রই তো বললে মারগ্রেভে নেমেছিলে।
ড্রাইভারকে একটু উপকার করতে বলেছিলাম।
- কেন? - ব্লাইন্ড ব্লেকের কারণে।
- ওকে। সেটা আবার কে? - ব্লুজের গায়ক।
জনশ্রুতি আছে যে তিনি বহুকাল আগে মারগ্রেভে মারা গিয়েছিলেন।
ভেবেছিলাম তার সম্পর্কে হালকা জেনে আসি।
আমি গান পছন্দ করি।
তো তোমার কোনো বাড়ি নেই, ফোন নেই।
টাম্পা থেকে ২১২ ডলার, একটা টুথব্রাশ আর একটা ফ্রেঞ্চ যুদ্ধের মেডেল নিয়ে বাসে উঠলে...
আর এক মরা ব্লুজ সঙ্গীতশিল্পীর সম্পর্কে পড়তে ৫০০ মাইলেরও বেশি ভ্রমণ করলে?
- গত ২৪ ঘন্টায় এটুকুই করেছো? - না।
একটা রেস্তোরাঁতেও গিয়েছিলাম,
পীচ পাই অর্ডার দিয়েছিলাম কিন্তু খেতে পারিনি কারণ আমাকে হত্যার দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
ওকে।
মেডিকেলের পরীক্ষক ভিকটিমের মৃত্যু মাঝরাতের দিকে হয়েছিল বলে নির্ধারণ করেছে।
আজ সকালে।
১১:৫৯ বেজে ৫৯ সেকেন্ড পর্যন্ত হয় গতকাল রাত,
তারপর হয় আজ সকাল।
তদন্তে, খুঁটিনাটি গুরুত্বপূর্ণ।
মৃত্যুর সময় আজ সকাল ১২টা।
যদি নিশ্চিত করতে পারি তুমি সেই সময় গ্রেহাউন্ড বাসে ছিলে,
ছাড়া পেয়ে যাবে।
ততক্ষণ পর্যন্ত, হাজতেই থাকবে।
আমরা মৃত লোকটির জুতায় পাওয়া একটি ফোন নম্বর খতিয়ে দেখছি।
একটা ছেড়া কাগজে "প্লুরিবাস" শব্দটির সাথে লেখা ছিল ওটা।
ছেড়ে দেবার আগে, এই বিষয়টাও খোলাসা করতে চাও?
এ সম্পর্কে কিছু জানো?
এর মানে এখানে অনেকক্ষণ আঁটকে থাকতে হবে।
ফোন কোম্পানিগুলো কচ্ছপের গতিতে পরোয়ানার জবাব দেয়।
খুব খারাপ।
আইন বলছে আমাদের পরোয়ানা লাগবে।
এসো, হাজতে ঢুকে পড়ো।
রিচার, তোর পিছেই কেন সবসময় ঝামেলা লেগে থাকে?
রিচার, রিচার!
পুরো ট্রাকটাই পুড়ে যেতে পারতো।
ভাবছিলি'টা কী তুই? আতশবাজি প্যাক করতে নেই!
কিন্তু ওগুলো তো স্বাধীনতা দিবসের।
এখনও ভালো আছে।
এটাই শেষ বাক্স।
আচ্ছা, পরের চালানে, অর্ধেক বাক্স চাই আমার।
বুঝতে পারছি না চারজন কীভাবে এতোকিছু টানবে।
ম্যাম, জি, ম্যাম।
আচ্ছা। বাবা আর আমি সব খুলছি।
তোরা দুজন, গিয়ে ঘাঁটির বাচ্চাদের সাথে পরিচিত হ।
কিছুদিনের জন্য, এটাই এখন আমাদের বাড়ি।
যা বন্ধু বানা।
জায়গাটা পছন্দ হবে মনে হয়?
স্কুলের পড়া একই হবে।
সেনাবাহিনীর দেওয়া আসবাবপত্রও একই হবে।
অনেকটা ক্যামেরুন, বেলজিয়াম আর স্পেনের পতাকার মতো।
তোমরাই আজ এখানে নতুন এসেছো?
হ্যাঁ। এটাই সৈকতে যাবার রাস্তা?
হ্যাঁ।
কিন্তু দাম পাঁচ টাকা।
কীসের দাম পাঁচ টাকা?
সুরত দেখে তো, তোমার জ্যাকেটের দাম মনে হচ্ছে।
হ্যাঁ। বয়সের তুলনায় আমি বড়োসড়ো।
ঠিক যেমন বয়সের তুলনায় তুমি কুৎসিত।
চল বাসায় চলে যাই।
আচ্ছা।
তোর যাবার দরকার নেই। এটা আমার লড়াই।
এই লড়াই কখনোই তোর একার নয়।
জানিস, মা ঠিকই বলে।
তোর পিছে ঝামেলা লেগেই থাকে।
No comments yet. Be the first to leave one.