The first 200 lines.
আমাকে ছেড়ে দিন! আমাকে ছেড়ে দিন!
ছেড়ে দিন আমাকে!
'কুরুথি'
মানিকুট্টিকে মেরো না, বাবা।
প্লিজ!
জুহরু...
আমরা তো মানিকুট্টিকে কোরবানি দেওয়ার জন্যই লালন করেছি, তাই না?
প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলে আল্লাহ আমাদের শাস্তি দিবেন!
~ অনুবাদ আয়োজনে ~ ♥
T ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ T EAM BORNOMALA
E ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TE AM BORNOMALA
A ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEA M BORNOMALA
M ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMALA
B ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM B ORNOMALA
O ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BO RNOMALA
R ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BOR NOMALA
N ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORN OMALA
O ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNO MALA
M ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOM ALA
A ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMA LA
L ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMAL A
A ~ অনুবাদ আয়োজনে ~ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ TEAM BORNOMALA
অনুবাদ আয়োজনেঃ টিম বর্ণমালা
'আল্লাহু আকবার'
তাহলে তারা ফিরে যাবে কীভাবে?
- আসসালামু আলাইকুম, ইব্রু। - ওয়ালাইকুম আসসালাম!
মাগরিবের নামাজের সময় ব্রিজটা ভেঙ্গে পড়েছে।
তারা নিশ্চয়ই এর আগেই ব্রিজটা পার হয়ে গিয়েছিল।
- কারা? - পুলিশেরা।
- আর? - আর তারা দোকানে এসেছিল।
ওই ছেলেটার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করল।
কোন ছেলে?
গত পরশুর খবরের কাগজে দেখিসনি?
ধর্মঘটের দিন, যেই ছেলেটা ওই দোকানদারকে ছুরিকাঘাত করে খুন করল।
ওই ছেলেটা!
দেশের এ কী অবস্থা?
এখন শুধু শয়তানের আবির্ভাব হওয়াটাই বাকি আছে!
তো, পুলিশ ওই ছেলেটাকে খুঁজে পেয়েছে?
জানি না!
এরপর কেউ আর পুলিশদের দেখেনি।
যেহেতু ব্রিজটা ভাঙ্গা, তাই তারা ঐ পথ দিয়ে ফিরে যেতে পারবে না।
তারা হয়তো বনের ভিতর দিয়ে গিয়ে, কেনাচলের ঝুলন্ত ব্রিজটা দিয়ে পার হয়েছে।
একমাত্র তুই ই ওসব এলাকা চিনিস।
আমাদের কারোরই ঐ পথ সম্পর্কে ধারণা নেই।
ইব্রু, একমাত্র তুই ই এখনো ঐ প্রত্যন্ত এলাকায় বাস করছিস।
সাথে সুমাও।
ভূমিধসের পর বাকি সবাই অন্যান্য এলাকায় চলে গেছে।
একদম ঠিক!
আমি প্রায়ই ভাবি,
তুই এখানে এসে মানুষের মাঝে থাকতে পারিস না কেন!
ঐ জায়গার সাথে আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে, গফুর।
আমি সেসব পিছনে ফেলে আসতে পারব না।
‘হে আল্লাহ! আমাকে তওবাকারীদের অন্তর্ভূক্ত করুন,
এবং পবিত্রতা অবলম্বনকারীদের মধ্যে শামিল করে নিন।’
'হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ খুলে দিন।'
- আসসালামু আলাইকুম। - ওয়ালাইকুম আসসালাম।
'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ্'
'আল্লাহু আকবর!'
'আল্লাহু আকবর!'
'আল্লাহু আকবর!'
'আল্লাহু আকবর!'
এক দলের আছে শক্তির জোর।
আর অন্য দলের কিছুই হারানোর ভয় নেই।
আর এসবকিছুর মাঝে,
আমাদের মতো গরীবদের কথা কেউই ভাবে না।
কেয়ামতের সবগুলো লক্ষ্মণই দেখা যাচ্ছে, তাই না?
পৃথিবী যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে আসবে,
বলা আছে যে আল্লাহ তখন মুসলমানদের পরীক্ষা করবেন।
ক'দিন পরেই তো তোমার মেয়ে আর বউয়ের মৃত্যুবার্ষিকী, তাই না?
হ্যাঁ।
তোমার কি ইদানীং ঘুম হয় না?
আমার মন সবসময় অশান্ত থাকে।
আমি সত্যিই খুব ভয়ে আছি।
কী নিয়ে এত ভয় তোমার?
পরকাল নিয়ে।
ফেরেশতারা কবরে সওয়াল-জবাব করার পর আমি কি বেহেশতে যেতে পারব?
আল্লাহর আদেশ মেনে জীবন কাটালেই যেতে পারবে।
মাঝেমাঝে, নির্দিষ্ট কিছুক্ষেত্রে,
আমি তার দেওয়া আদেশের মানে বুঝতে পারি না।
আমার মনে সন্দেহের বাসা বেঁধে আছে।
সন্দেহ তো বিশ্বাসেরই একটা অংশ।
ওটাই একজন সত্যিকার বিশ্বাসীর চিহ্ন।
মনে যখন সন্দেহ দানা বাঁধবে,
যেমনটা আমাদের মহানবী (সাঃ) বলেছেন,
ইস্তেখারার নামাজ পড়তে! [কোনো কিছু নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগলে আল্লাহর নিকট কল্যাণ কামনা করে পড়া নামাজ।]
আর ঐ সময়, তোমার সাথে যা ঘটে সেটা ঘটতে দেওয়াটাই সঠিক সিদ্ধান্ত...
ওটাই হচ্ছে তোমাকে দেওয়া আল্লাহর উত্তর।
আমার শুধু একটাই চাওয়া।
আমার মেয়েটাকে আরেকটাবার দেখতে চাই।
আমি নিশ্চিত সে বেহেশতে পৌঁছে গেছে।
আমাকেও সেখানে যেতে হবে।
হ্যালো!
হ্যাঁ!
তুই আজ কাজে যাসনি?
কীভাবে যাব?
আমাকে আগে এখানের কাজ শেষ করতে হবে, তাই না?
সুমা আমায় অনেকবার বলেছিল...
...এসব মাঝপথে ফেলে কাজে চলে যেতে।
বেকার একটা দিন পার করা সত্ত্বেও, তুই আর নিচে নামবি না, বাঁদর কোথাকার!
তোর বাপ বাঁদর! মি. মুসা!
ওহ, আল্লাহ! সে বাঁদর না। সে তো একটা নেকড়ে!
একটা বুইড়া দামড়া নেকড়ে!
মৌমাছির বাসাটা চেক করেছিস?
সেজন্যই তো সেখানে গিয়েছিলাম। এটা অনেক বড়ো, ব্যাটা।
আর এর পাশের জানালাটাও বন্ধ করা যায় না।
তাই আমি আর রিস্ক নিতে চাইনি।
সুমা কোথায়? ঘরে আছে?
সে দুপুরের খাবার নিয়ে তোদের বাড়িতে গেছে।
তার আবার কী হলো?
গত দুইদিন ধরে সে সারাক্ষণ শুধু রান্নাই করছে!
সে যাইহোক, আমরাও রান্না বেশ উপভোগ করছি।
মন্দিরের ওই ঘটনার পর থেকে,
তার ভক্তির উম্মাদনা দ্বিগুণ হয়ে গেছে!
সেটার সাথে তাল মিলিয়ে এই রান্নার পাগলামিও শুরু হয়েছে।
প্রতি সপ্তাহে,
তার নতুন নতুন পাগলামি মাথাচাড়া দেয়!
ভাবছি, সামনের সপ্তাহে সে কী নিয়ে মেতে উঠবে!
- যাইহোক, সাবধানে গাছে চড়! - ওকে।
কোনো সন্দেহ আছে? এটা এমনই।
আমি তোমার মলমূত্র পরিস্কার করতে পারব না। আমার অন্য কাজ আছে।
হতচ্ছাড়া! তুই আমার সন্তান না!
এটা সত্যি হলে আমি এখানে মনের খুশিতে আতশবাজি ফাটাবো।
আতশবাজির কথা ভুলে যা। আমি তোর মুখ ফাটাবো।
ফুটবলের মতো একটা লাত্থি মারবো।
চেষ্টা করেই দেখো!
এরপরেই বুঝতে পারবে যে সময় বদলে গেছে!
রাসুল, এভাবে কথা বলিও না।
যত যাইহোক, সে তোমার বাবা।
আমার বাবা হয়ে থাকলে তার উচিত বাবার মতো ব্যবহার করা।
আমি তোর বাপ না। আমি তোর যম!
দেখলে!!
তার মদ আর গাঁজার নেশার কারণে আমার মা যন্ত্রণায় মরে গেছে।
সে তার সন্তানদের জীবনও নষ্ট করে দিয়েছে।
কবরে এক পা দিয়ে রাখা অবস্থায়ও সে আমাদের শান্তি দিবে না...
ভাবিস না যে আমি খুব শীঘ্রই মারা যাব।
বাড়িতে শান্তি পেতে চাইলে, একটা চাকরি জুটা!
করার মতো কী চাকরিই-বা আছে এখানে?
গিয়ে জমিতে হাল চাষ কর!
সেটা করতে না পারলে, ফোনটা নিজের চেহারার ভেতর ঢুকিয়ে ফেল!!
আর বসে বসে নিজের ** হাতা! খুব আরাম পাবি! যা ভাগ!
কিছু খেয়ে যাও।
টাকা লাগবে?
আমাকে সবসময় টাকা দেওয়ার তুমি কে? আমার ভাবী?
- কই যাচ্ছিস? - আহমেদের দোকানে।
পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার ফর্ম পূরণ করেছিস?
ফিরে এসে করব।
কখন আসবি?
আমি ঐ ক্যারাম-বোর্ডটা পানিতে ফেলে দিব! আহমেদকে বলে দিস।
তরকারি কিছুটা ঝাল হয়েছে। বেশি ঝোল খাবেন না একদম।
এটা তো শুধুই ঝাল, তাই না?
আমি এখানে যা খাই তা আরো বিস্বাদ!
রুমে দেখলাম অনেকগুলো কাপড় স্তূপাকার হয়ে আছে।
আমি ধুয়ে দেব ওগুলো?
সুমা...
তার কোনো দরকার নেই।
আমি কাল ধুয়ে দেব ওগুলো।
আমার জামাকাপড়ে হাত দিবি না!
তুই আমার দুইটা শার্ট পাথরের উপর ধুয়ে নষ্ট করে ফেলেছিস!
এই গাধা! এসব বন্ধ করে যাবি এখান থেকে?
খালি হাতুড়ির ঠকঠক ঠকঠক!
সামনের জানালার কাঁচ ভেঙে গেছে।
কিন্তু তোর তো এখানে ঠকঠক করে আমার কানের পর্দা ফাটাতেই হবে!
চারটাতেই চলবে।
আগেরবার যখন নারিকেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল, প্রেমান সবগুলো বিক্রি করে দিয়েছিল।
ওর মনেই হয়নি যে রান্নার জন্যও কিছু রাখতে হবে।
ওর মদ খাওয়ার অভ্যাসের কী অবস্থা এখন?
আগের মতোই।
দিনে চার বোতল না গিললে তার চলেই না।
তারপর রাতের বেলায়,
রামানির কথা ভেবে কাঁদতে শুরু করে।
প্রেমানকে ঠিক করতে হলে, ওকে বিয়ে করাতে হবে।
কিন্তু সে তো আমাকে আবার বিয়ে দেয়া নিয়ে বেশি আগ্রহী।
বিয়ে করে শুধু কষ্টই পেয়েছি আমি।
প্রেমানের ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি।
আর তোমার ক্ষেত্রেও, ইব্রু।
আর কতদিন সবকিছু একা একা সামলাবে, ইব্রু?
আমার আর কীসের চিন্তা?
তুমি তো আছো, তাই না?
তুমিও তো আর বিয়ে করার কথা ভাবছ না।
হ্যাঁ, তাই!
সারাজীবন এখানের সব কাজ করার জন্য আমার উপর নির্ভর করো না।
জালিল স্যার তোমাকে যে বেতন দেয় তা দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই।
হ্যাঁ!
একটা সহজ উপায় আছে, ইব্রু।
তুমি যদি চাও আর কী।
ইমামের সামনে দুই লাইন কালিমা পড়তে আমার আপত্তি নেই,
যতক্ষন পর্যন্ত আমি নিজের ঘরে প্রদীপ জ্বালিয়ে আমার দেবীর আরাধনা করতে পারবো।
কেউ জানবে না ,ইব্রু।
কেউ দেখবেও না।
তা হয় না, সুমা।
No comments yet. Be the first to leave one.