Specials

Release info

Kaguya-sama love is war - 10 Bangla subtitle by Robiul Hasan
Kaguya-sama love is war - 10 Bangla subtitle by Robiul Hasan
A Commentary by Rabiul_Hasan
🔴সাবটাইটেল ভালো লাগলে গুড রেটিং দিবেন। ধন্যবাদ 🔴

Tags

other
Published on: 2022-01-26
Downloads: 36
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

নড়ক!

হিন্দুদের পুরনো গ্রন্থে...

এটা অসুর দেবতা এবং স্বর্গের রাজার যুদ্ধের অবস্থান নির্দেশ করে।

কিন্তু বর্তমানে, এটা এই দুটি জিনিস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

প্রথম, আপনার মৃত্যুর ঠিক আগের সময়।

আর দ্বিতীয় হচ্ছে...

যখন দুজনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।

এটা খেয়ে নিন

মজা করছো নাকি? তুমিই খেয়ে নাও, শিনোমিয়া।

এটা আমার ভুল

যদি আমি এক পিছ না খেতাম...

এই পরিস্থিতি বোঝার জন্য আগে ঘটে যাওয়া ২টা ঘটনা বুঝতে হবে।

প্রথমঃ কাগুয়ার সাথে দেখা করতে যাওয়ার ঘটনা।

কাগুয়া অসুস্থতার কারণে নিজের ভারসাম্য হারিয়ে শিরোগানেকে বিছানায় টেনে নিয়েছিল।

এই কারনে, তারা শুধু কিছুক্ষণের জন্য একসাথে ঘুমিয়েছিল।

কিন্তু যখন কাগুয়া তার জ্ঞ্যান ফিরে পায় তখন সে বিভ্রান্ত হয়ে রেগে যায়।

কিন্তু, ইনভেস্টিগেশন থেকে জানা যায়, শিরোগানে পুরোপুরি নির্দোষ।

তারপর তারা একে বড়দের মতোই ব্যাপারটা সামাল দেয়।

আমি নিজের ভারসাম্য হারানোর জন্য দুঃখিত।

না, এটা আমারই দোষ ছিল

তারা শান্তিপূর্ণ ভাবে ব্যাপারটা নিষ্পত্তি করে, কিন্তু....

তার মধ্যে এখনো বদলা নেয়ার ইচ্ছা ছিল।

কাগুয়ার দিক থেকে,

তার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘুমিয়েছিল।

যদি তখন কিছু হয়ে যেতো,

তাহলে এটা তাকে অনেক জ্বালাতন করতো।

কিন্তু তখন কিছুই হয়নি।

এটাও তাকে ভীষণ জ্বালাতন করছে!

এটা তাকে আরও বেশি জ্বালাচ্ছে।

কিন্তু শিরোগানের মতে, সকল অভিযোগ ভুল ছিল।

কাগুয়া নিজেই তাকে বিছানায় টেনে নিয়ে ঘুমাতে বাধ্য করেছে।

সে জানে না তখন নিজেকে আটকানো কতটা কঠিন ছিল।

কিন্তু সে তাকে এখনো সন্দেহের চোখে দেখছে।

এতো কষ্ট করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার পরেও কেন?

দুজনের মধ্যকার অসন্তুষ্টের দেয়াল মাউন্ট এভারেস্টের মতো বড় হচ্ছে।

দ্বিতীয় ঘটনা "কেক"

কিছুক্ষন আগে

কি এটা?

এটা হেডমাস্টারের পক্ষ থেকে এসেছে। তুমি একটা নাও।

হ্যাঁ

কি? শুধু একটা রয়েছে?

হেডমাস্টারের কি ধারণা নেই, আমরা কতজন?

উনার সবার জন্য একটা করে পিছ দেয়া উচিৎ ছিল।

আগে, আমরা শুধু দুজনেই স্টুডেন্ট কাউন্সিলর ছিলাম।

চিন্তা করো না, খেয়ে নাও, ঈশিগামি।

আমার দরকার নেই

না, আপনাকে এটা খেতে হবে, প্রেসিডেন্ট।

আমি কিছু মনে করবো না

ঠিক আছে, তুমি খেয়ে নাও, শিনোমিয়া।

না, আপনি খান, প্রেসিডেন্ট।

না, তুমি খাও

না, আপনি

না, তুমি!

না, আপনি!

এটা খেয়ে নাও!

আপনাকে এটা খেতে হবে, প্রেসিডেন্ট!

এদের দুজনের রাগ টফবগ করছে!

এক মিনিট পর।

আমি জানি মেয়েদের এমন জিনিস পছন্দ। তাই খেয়ে নাও।

আপনিও এটা খেতে চান, তাই না প্রেসিডেন্ট?

দেখো, তুমি এটা না খেলে, এটা খারাপ হয়ে যাবে।

সময় যতই এগোচ্ছে, তাদের ব্যবহার ততই বদলে যাচ্ছে।

ঠিক, কিন্তু এখন বাড়ি যাওয়ার সময় হয়েছে।

এটা খেতে বসলে দেরি হয়ে যাবে তাই আপনি খেয়ে নিন, প্রেসিডেন্ট।

আমি এই প্লেট ধরে রাখতে রাখতে ক্লান্ত হয়ে গেছি।

২০ মিনিট পর

আপনি এটা খেয়ে নিলেই সমস্যা সমাধান হয়ে যায়।

তুমি খুব জেদি

১ ঘন্টা পর

বলছি এটা খেয়ে নাও

আপনি এতো ছোট বিষয় নিয়ে কেন রাগ দেখাচ্ছেন?

এভাবে ১ ঘন্টা পেরিয়ে গেছে আর এখনো কেউ হার মানে নি।

এই ঘরটা পুরো নড়কে বদলে গেছে

এই কেক চাইছে আপনিই যেন এটা খান।

এটা আমার ভুল

আমি যদি এই কেক না খেতাম...

বোকার মতো কথা বলো না! কেক কথা বলে না!

আপনি এটা প্রমাণ করতে পারবেন?

তাহলে ব্যাপারটা এতদূর গড়াতো না

আপনি কোন প্রমাণ ছাড়াই বলছেন!

বুঝেছি!

ফুজিওয়ারা

ফুজিওয়ারাই এই দুজনকে থামাতে পারবে!

আপনি কেক খাওয়া নিয়ে কেন এতো জেদ করছেন?

জেদের একটা সীমা আছে

হ্যাঁ, আমিই শুধু জেদ দেখাচ্ছি, না!

আমি এমন করছি কারন আগে তুমিই বলেছিলে!

আমি কি বলেছিলাম? বলুন

যখন স্টুডেন্ট কাউন্সিলে এসেছিলে, মনে আছে?

শিনোমিয়া, তোমার কোনো শখ আছে?

না, কেন জিজ্ঞেস করছেন?

এমনি

তোমায় সবসময় প্রাণহীন ফুলের মতো দেখায়।

তাই বলছিলাম যে, তোমার পছন্দের এমন কিছু আছে ?

আমার পছন্দের?

শর্টকেক।

তুমি এটা নিজের মুখেই বলেছিলে!

তোমার ওই চেহারা ভোলার মতো নয়।

এতো পুরোনো কথা আপনার কিভাবে মনে রইলো।

আমি এটা কিভাবে ভুলতে পারি?!

আচ্ছা, তাই নাকি?!

আমার নাক চুলকাচ্ছে, তাই এক মিনিট সময় দিন!

ঠিক আছে, কিন্তু মগজ দিয়ে ভাবো!

উনি এতো পুরনো কথা মনে রেখেছে?

আমার কাছেও কিছু বলার আছে!

কি?

গত বছরের শেষের দিকে!

ক্রিসমাসের জন্য আপনার প্ল্যান কি, প্রেসিডেন্ট?

শুধু কাজ

ওহ, তাই?

খুব খারাপ হলো

এতোটাও না

ক্রিসমাস আমার জন্যে প্রতিদিনের মতোই।

আমার বাবা ক্রিসমাসের দিন আমায় বই কিনতে শুধু ২০০০ ইয়েন দিতো।

আমরা কখনো ক্রিসমাস উদযাপন করিনা এবং আমি কখনো ক্রিসমাস কেক খাইনি।

যদিও আমি এটা খারাপ কিছু মনে করিনা

এমন কথা শুনে আমার ভীষন খারাপ লেগেছিল!

এজন্য, আমি চাই আপনি এই কেক খান! কেননা আপনি কখনো কেক খাননি!

তুমি এটা মনে রেখেছ?

এতোদিন তুমি এটা ভেবে এসেছ? আচ্ছা! আচ্ছা!

আসলে, আমার মাথা চুলকাচ্ছে, তাই কিছু মনে করোনা!

যত খুশি সময় নিন!

অনেক হয়েছে!

মনে হচ্ছে আমায় এই পুরিস্থিতির সমাধান খুজতে হবে!

শুধু আজকের জন্য, আমি আপনাকে খাওয়াবো!

না, এটা হতে পারে না!

আমি তোমায় খাওয়াবো, শিনোমিয়া!

আমার আইডিয়া চুরি করবেন না!

লজ্জা পাবেন না, "হা" করুন!

না, তুমি "হা" করো, শিনোমিয়া!

- হা! - হা!

এভাবে কেউ খেতে পারবে না! আপনি খেলে, আমিও খাবো!

তোমায় আগে খেতে হবে, তারপর আমিও খাবো!

তাহলে একসাথেই খাই!

ঠিকাছে!

চলো এটা করা যাক!

দিস ইজ ফ্রেন্ড পুলিশ!

এখানে কি দুজন দুষ্টু বাচ্চা ঝগড়া করছে?

কোন লড়াই চলবে না

তোমরা মিলেমিশে না থাকলে আমি কেক খেয়ে নিব!

আজকের ফলাফল...

কাগুয়া আর শিনোমিয়া পরাজিত।

উম, সুস্বাদু

রিলেশনশিপ পরামর্শ?

আসলে, এটা রিলেশনশিপের ব্যাপারে নয়...

কোনো ছেলের ব্যাপারে পরামর্শ

এক ছেলের সাথে ঝগড়া করার পর আবার সবকিছু আগের মতো কিভাবে ঠিক করে?

তোমার তো বয়ফ্রেন্ড আছে, কাশিওয়াগি!

এই ব্যাপারে তুমিই ভালো পরামর্শ দিতে পারবে।

আপনি কি সিরিয়াস?

আপনি আমার কাছে রিলেশনশিপ পরামর্শ চাইছেন?

আসলে, এটা রিলেশনশিপ পরামর্শ নয়

আমি শুধু জানতে চাইছি,

একজন মেয়ের সাথে ঝগড়া করার পর আবার সবকিছু আগের মতো কিভাবে করে।

বুঝলাম, এই ব্যাপারে আপনি আমায় বিশ্বাস করতে পারেন।

আপনি জানেন, আমি ভালোবাসার গুরু।

কি? সত্যি?

মজা করছিলাম

আচ্ছা

কিন্তু আমি অনেক রকম মাঙ্গা পড়েছি

হুম, মনে হয় এটা কাজ করবে

আমি ব্যাস এক বন্ধুর জন্য জিজ্ঞেস করছি

যখন আপনি এমন কথা বলেন,

তখন মনে হয় যেন আপনি নিজের সাথেই কথা বলছেন, প্রেসিডেন্ট।

যদিও জানি, আপনি এরকম ফালতু কাজ করেন না।

হুম, আমি এমনকিছু করিনা

তাহলে...

তাহলে, শিনোমিয়া, আপনি কেন ঝগড়া করেছিলেন?

আসলে...

আমি আমার বন্ধুর জন্য জিজ্ঞেস করছি, আমার জন্য নয়...

শিনোমিয়া নিশ্চয়ই নিজের জন্য কিছু জিজ্ঞেস করছে।

আমার এক বন্ধুর সর্দি লেগেছিল।

আর একটা ছেলে ওকে দেখতে ওর বাড়ি গিয়েছিল।

কিন্তু যখন ও সজ্ঞ্যানে ছিলনা,

তখন সে...

কি করে বলি যে, তারা একসাথে এক বিছানায় ঘুমিয়েছিল।

যখন ওর ঘুম ভাংগে, সে বিছানায় তার পাশে ছিল।

কি? খুব লজ্জাজনক! নির্লজ্জ কান্ড!

অবশ্যই

কিন্তু তাদের মধ্যে ওসব কিছু হয়নি।

আর, ওই মেয়েটাও তখন সজ্ঞ্যানে ছিলনা।

তবুও!

এটা কি ঠিক হলো? কারণ মেয়েটি তখন অসুস্থ ছিল।

ওই ছেলেটার তো এটা বোঝা উচিৎ ছিল যে, এটা করা ভুল হবে।

ঠিক বলেছ। তার বোঝা উচিৎ ছিল

ভুল ছেলেটার ছিল, মেয়েটার নয়, তাই না?

তাইনা? তাইনা?

মেয়েটার কি দোষ ছিল?

এটা একটা জালও হতে পারে

কোন ধরনের মেয়ে প্রথমে আপনাকে বিছানায় ডেকে আবার সকালে অপমান করবে?

মনে হয় মেয়েটির নৈতিকতা নেই

ওই মেয়েটি নিশ্চয়ই অনেক বিরক্ত করে।

যদি সে একজন রমকম হয়, তাহলে তার চুল কালো এবং বুক সমতল হবে।

আমি একে সাধারণ বলবো!

একবার সে শুরু করলে আর থামার নাম নেয়না।

সর্দি বা জ্ঞ্যানহীনতা শুধু তার একটা অজুহাত ছিল।

মানে, এই অবস্থায় সে ছেলেকে বিছানায় টেনে নিয়েছে?

তার মাথা নলের থেকেও ফালতু।

মেয়েদের সবসময় গর্বের সাথে ভাবা উচিৎ,

তারা অনেক স্বার্থপর আর চালাক মানুষ।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left