The first 200 lines.
অনুবাদেঃএকলা ছেলে সৈকত। আমার করা প্রথম সাবটাইটেল তাই ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমার চোখে দেখবেন।
আর কতক্ষণ তোমার মেয়ের নামের দিকে তাকিয়ে থাকবে?
তারা আমাদেরকে একবার ফোন করতে দিবেনা।
যদি তাদের চিঠি লিখি।
মা কি পারবে সুগান্থি কে পড়ে শোনাতে?
এ্যারোন এবং রয়
তাদের বাইরে বের করো
দাড়াও!
আরেকবার হয়ে যাক না?
না,আমার হয়েছে।
আরে কিছু হবে না, খাও -অবশ্যই , তুমি এটা বলে ছিলে।
আমার এতো থাকলে সব বিলিয়ে দিতাম।
আমাকে সাবধানে বাড়িতে পৌঁছে দিও ডুড!
এখানেই পাসআউট করো। তোমাকে থামাচ্ছে টা কে?
র্যাচেল, তোমাকে বিষন্ন দেখাচ্ছে কেন?
পুরো পার্টিটা তোমার জন্য আয়োজন করা হয়েছে।
তুমি কি তোমার নতুন পোস্টিং নিয়ে অসুন্তষ্ট?
হ্যাঁ বিষয়টা আমিও খেয়াল করছি।
ব্যাপার টা কি?
এখন রাত বারোটা বাজে।
সেপ্টেম্বরের 14 তারিখ
এই দিন আমি আমার বাবাকে হারিয়েছি।
আমি দুঃখিত!
আজকের দিনই কেন যে আমরা পার্টি টা দিলাম?
আমরা পাটর্টিটা আগামীকাল করতে পারতাম।
একদম,।আজ না মদ খেয়ে মাতাল হয়ে অন্যদিন হতাম। এটা বড় বিষয় না।
ব্যাপার না।
এসবের বাইরে থাকতে আমার ভালো লাগে ।
আমি ঠিক আছি।
যদি তুমি কিছু মনে না কর, আমি কি ত তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি?
পাচ বছর আগের ঘটনা যেটা আমার ঠিকমতো মনে নেই।
তুমি পাচ বছর বয়সে তোমার বাবার মৃত্যুর ঘটনা কিভাবে মনে কর?
সেটা নির্ভর করে তিনি কেমন পরিস্থিতিতে মৃত্যু বরন করেছেন।
দাড়াও!
আমি তোমার মন ভালো করার ব্যবস্থা করছি।
হেই বন্ধুরা!আমাদের কাছে একটা খুশির খবর আছে!
আমাদের র্যাচেলকে" খবরের সহ- সম্পাদক "পদে প্রমোশন দেওয়া হয়েছে।
যেই র্যাচেল কিনা বিরক্তিকর শো করতো
অতঃপর সে এখন " বাস্তবিক সাংবাদিক"
সেসব দিনে সে হয়তো সময় অপচয় করছে, কিন্তু আর নয়।
বাবা, আজ যদি তুমি আমার সাথে এখানে থাকতে।
যদি তুমি এখানে থাকতে, আমাকে নিয়ে অনেক গর্বিত হতে!
আমি একটা বিষয় ভালো ভাবে জানি।
ঠিক যেমন মেরু তারকা হারিয়ে যাওয়া আত্মার পথপ্রদর্শক।
আমার তুমি আছো,এই বিশাল আকাশ জুড়ে।
আমি জানি, তুমি সবসময় আমাকে দেখ উপর থেকে।
আমার আদরের মেয়ে সুগান্থি জন্য।
আমি তোমার সব চিঠি পড়েছি।
আমার মনে হয় তুমি আমার পাশে সবসময় থাকো।
তুমি এখনো দ্বিতীয় শ্রেণীত আছো যেনে চিন্তা হচ্ছে।
তোমার চাচা এবং আমি এখানের সব ঝামেলা শেষ করে বাড়ি যাবো।
তুমি যা যা নিতে বলেছো সব নিয়েছি।
ঠিকমতো স্কুলে যাবা
আমার জন্য দোয়া করবা বেশি বেশি।
সু...
গা...
থি.
ঠাকুমা....
হ্যাঁ ?
এই ছবি গুলো কখন কার তোলা?
কোনটা ছবি? যেটাতে আমি একদম ছোটো।
যখন তোমার বয়স ৩ বছর ছিল।
এখন আমার বয়স আট বছর।
অথচ এখনো বাবাকে দেখতে পেলাম না।
বাবা কবে ফিরে আসবে?
তোমার বাবা খুব শীঘ্রই আসবে।
হুম!
হুম
শুনছেন?
হ্যালো, আমি কুয়েত থেকে বলছি।
এসব কি?
তোমাদের মৃত্যুদন্ড দেওয়া হবে।
কি?!
তোমাদের অপরাধের জন্য তোমাদের ফাসি দেওয়া হবে।
আগামীকাল দুপুরে
এসব কি হচ্ছে ভাই?
শুধু ছেলেরাই কেন এই পরিবার থেকে বলি হচ্ছে।
আমরা তো কারো কোনো ক্ষতি করিনি।
তারা আমার ছেলেদের আগামীকাল ফাসি দিবে।
বেচারা মেয়ে!
সে তার বাপকে একবারের জন্য দেখেনি।
তোমরা আমাদের কেন ফাসি দিবে।
আমরা ব্লাড মানির টাকা দিয়েছি।
আমরা পাচ বছর ধরে জেল খাটছি।
তারপরেও আমাদের ফাসি দিবে ।
তাদেরকে নিয়ে যাও!
স্যার আমাকে বলুন!
বলুন আমাদের!
উত্তর দিন! কেন আমাদের ফাসি দেওয়া হবে!?
কেন ফাসি দিবে?! উত্তর দিন!
প্লিজ স্পষ্ট করে বলুন, তারা কখন তাদের ফাসি দিবে?
আগামীকাল দুপুরে।
১ঃ৩০ মিনিটে।
স্যার! স্যার!
শুভ সকাল! -হ্যাঁ শুভ সকাল।
আপনারা সবাই কেমন আছেন? -হ্যাঁ আমিও
একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে।
আমরা সকাল থেকে বসে আছি আপনার সাথে দেখা করার জন্য।
ব্যাপার কি বলো?
ওহ হ্যাঁ... কানগাম্মা?কানগাম্মা!
এদিকে এসো। তাকে বসার একটু জায়গা দাও,দ্রুত এসো।
স্যার, তার সন্তানের নাম হচ্ছে কালিয়াপ্পান এবং আঞ্জাইয়্যা।
এ আমার বড় ছেলের মেয়ে প্রনাম কর ওনাকে।
স্যার, তারা কুয়েত গিয়েছিল
কোন ভিসা ছাড়া।
তাদের দুর্ঘটনার এক কেসে ধরা হয়।
কুয়েতে আগামিকাল দুপুর তাদের ফাসি দেওয়া হবে।
সেই কারণে আমরা এখানে এসেছি।
কান্না থামাও কানাগাম্মা!
আমি আমাদের দুঃখ কষ্টের কথা বলছি।
স্যার তাদের খোজ নিবেন।
প্লিজ যে করে হোক তাদের বাচান স্যার।
আমি কি এর কারণ খুজবো না?
স্যার
তারা পাচ বছর ধরে জেল খাটতেছে।
এই অসহায় পরিবার ধংসের দারপ্রান্তে। ।
এখন তাদের সাজা হিসেবে ফাসি দেওয়া হবে।
আহারে পরিবারের অবস্থা ...
এই বাচ্চা মেয়েটি তার বাবাকে একবারের জন্য দেখেনি।
এসব বিষয় তোমাকে কালেক্টর সাহেবকে জানাতে হবে।
দুপুরের মধ্যে কালেক্টর সাহেব ফিরে আসবে।
তারপর এই বিষয়টা প্রধান সচিব কাছে যাবে এবং পররাষ্ট্র মন্রির কাছে।
সর্বশেষ বিদেশ সচিব এর মাধ্যমে কুয়েত দূতাবাসকে জানানো হবে....
আমি বুঝতে পারছি না তাদের কি হবে।
কি করা যেতে পারে?
আমাকে 10 মিনিট সময় দাও।
তারপর তোমাকে বলবো।
সবর্বশেষ ২০১৩ সালে নায়েফ প্যালেসে ফাসি কার্যকর হয়েছিল।
আজ আবার পাচ বছর পর সেখানে ফাসি কার্যকর করা হবে।
@129
আমাদের সংবাদদাতা ঘটনাস্থলে আছে।
ক্যাশাসন কোর্ট, কুয়েতের সবর্বোচ্চ আদালত দুইজন আসামিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে।
সর্বোশেষ পাঁচ বছর আগে কুয়েতে ফাসি কার্যকর করা হয়।
এবার দুইজন ভারতীয় কালিয়াপ্পান এবং আঞ্জাইয়্যা নামের দুই ভাইয়ের ফাসি দেওয়া হবে।
তাদের দুজনকেই নায়েফ প্যালেসে গণমাধ্যমের সামনে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হবে।
রাবেয়া, গালফ 24, কুয়েত সিটি।
প্লিজ এদিকে একবার দেখো।
এখন এটা আমাদের একমাত্র সমাধানের পথ।
বিশ্বাসের সাথে কথা বলো যাতে ভালো কিছু হয়।
হুমম?
কানাগাম
আমাদের সন্তানের জন্য কথা বলো.. হুম
বসো এখানে।
সম্মানিত স্যারেরা
আমার দুই ছেলে।
তাদের নাম হলো...
কায়ালিয়াপ্পান
আঞ্জাইয়্যা
আজকে আমার চাকরির প্রথম দিন ছিল, বাবা।
আমার সপ্নের চাকুরি।
"সম্মানিত স্যার ...
আমার দুই ছেলে....
নাম ...
কায়ালিয়াপ্পান ..."
স্যার, এক মিনিট দাড়ান।
একটা ভিডিও তৈরি করে হোয়াটস অ্যাপে ছাড়া কি যথেষ্ট হবে।?
এটা কতদূর পযন্ত পৌঁছাতে পারবে?
আগামীকালের মধ্যে মিরাকল কিছু ঘটতে হবে স্যার!
ভুল অথবা সঠিক, এটাই আমাদের একটা সুযোগ।
এটা বিষয় নাযে ভিডিওটা কত লোকের কাছে পৌঁছেছে।
বিষয় টা হচ্ছে যে,এটা যেন সঠিক লোকের কাছে পৌঁছাতে পারে।
হাই
"সম্মানিত স্যার..."
"আমার দুই ছেলে "
"নাম "
"কালিয়াপ্পান"
ধেৎ
আমার দুই ছেলে ...
তাদের নাম...
কায়ালিয়াপ্পান ...
আঞ্জাইয়্যা।
তারা দুইজনে...
পাচ বছর আগে কুয়েতে যায়
কাজের উদেশ্য।
একদিন
যখন তারা গাড়ি চালাচ্ছিল
তখন এক দুর্ঘটনা ঘটে
এবং এতে এক নারী মারা যায়।
তার শাস্তি হিসাবে....
তারা আমাকে জানিয়েছে যে আমার দুই ছেলেকে ফাসি দেওয়া হবে।
সেই শাস্তি থেকে তাদের রেহাই দেওয়ার জন্য...
তারা মৃতের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে।
30 লাখ টাকা।
আমরা আমাদের সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়
এবং তাদের পাচ লাখ টাকা দেই।
বাকি টাকা এক দাতব্য সংস্থার মাধ্যমে যোগাড় করা হয়।
এখন আবার হঠাৎ ফোন করে বলে যে...
তারা আমার ছেলেদের ফাসি দিবে হবে।
সেখানের সময় অনুযায়ী
1:30 মিনিটে।
আমরা বুড়া বুড়ি বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছি।
আমরা জানিনা কখন আমাদের মৃত্যু এসে হাজির হয়।
আমার নাতনির কি হবে যদি আমরা মরে যাই।?!
সরকারকে বলছি ...
প্লিজ কুয়েত সরকারের সাথে যোগাযোগ করুন।
তাদেরকে সবকিছু বুঝিয়ে বলুন।
তাদের এই অবিচার বন্ধ করতে বলুন।
আমি আপনাদের কাছে হাতজোড় করছি।
দয়া করে আমার দুই সন্তানকে বাচান
তোমার হয়েছে র্যাচেল?
No comments yet. Be the first to leave one.