The first 200 lines.
জলদি কর।
কী হয়েছে?
ওদিকে কী?
এখানে কিছু-একটা আছে।
দেখিস আগুন যেন জ্বলতে থাকে।
আজ রাতে নদী পার করা সম্ভব হবে না।
কোথায় ও?
কোরা!
কোরা...
কোরা...
কী হয়েছে?
তুই এখানে কেন?
ইয়াকশি (আত্মা)!
কোরা...
কোরা!
কো... কোরা...
💠 "ব্রহ্মযুগ" 💠
ভা
ভাবা
ভাবানু
ভাবানুবা
ভাবানুবাদে
ভাবানুবাদে:
ভাবানুবাদে: আ
ভাবানুবাদে: আক
ভাবানুবাদে: আকতা
ভাবানুবাদে: আকতার
ভাবানুবাদে: আকতার হো
ভাবানুবাদে: আকতার হোসে
ভাবানুবাদে: আকতার হোসেন
কে তুই?
মাফ করবেন...
ইচ্ছাকৃতভাবে নয়...
এখানে এসেছিস কেন?
আমি নদী...
পার হতে পারছিলাম না।
তারপর জঙ্গলে পথ ভুলে...
এই প্রবেশদ্বার আবিষ্কার করি।
বারান্দায় কেউ ছিল না।
তো ভাবলি ভিতরে এসে চুরি করি?
না! তেমনটা নয়।
ক্ষুধার্ত ছিলাম বলেই নিয়েছি।
আসি তাহলে আমি।
এই জমিদার বাড়ির প্রবেশদ্বার পার করলে,
তুই খুঁজে পাবি নদী, সমতল,
এবং পাহাড়, যা আর কোথাও নেই।
এখন কোন মাস চলছে?
ফসল সংগ্রহের মৌসুম শেষ।
বর্ষাকাল শুরু হয়েছে।
সময়ের মতোই, নদীও বহমান,
নিরলসভাবে এঁকে-বেঁকে চলছে।
এটা পার করা সহজ কাজ নয়।
কে ওখানে?
জিজ্ঞেস করলাম, কে ওখানে?
ও...
প্রবেশদ্বারের ভেতরে কেউ ঢুকলেই আমায় জানাতে বলেছি।
একজন মুসাফির এসেছে।
বহুদিন পর বেশ...
শুভ মুহূর্তে অতিথির আগমন!
গরিবের নিবাসে স্বাগত।
কে তুই?
এখানে কেন এসেছিস?
আমার নাম থিভান।
একজন পানান (মজলিশের গায়ক)।
আমি প্রাসাদে গান গাইতাম,
রাজাকে নিদ্রা থেকে জাগাতে।
যুদ্ধ শুরু হবার পর,
আমি জীবনের ভয়ে পালিয়েছি।
নদীর ওপারে যেতে পারলেই,
আমি বেঁচে যাবো।
পানান!
বানান!
বানাভাট্টান।
কবিদের বংশ বটে!
ওহ, না, না!
তেমনটা নয়।
তো...
তুই নিশ্চই পুমানি পানানারের বংশধর?
জি।
মাথা তোল।
'মানিকিয়াচরিত্রম' গাইতে পারিস?
জানি আমি।
আগে প্রাসাদে প্রতিদিনই গাইতাম।
মিথ্যা বলছে।
পানান হয়ে থাকলে, ওর বাদ্যযন্ত্র 'নানথুনি' কোথায়?
পালানোর সময় হারিয়ে ফেলেছি।
এখন শুধু আমার গানগুলোই আছে।
স্তুতিটা আমার জানা নেই।
শুধুমাত্র ব্রাহ্মণরাই...
শুধু প্রশ্নের জবাব দিবি।
জন্ম থেকে নয়, শুধুমাত্র কর্মের দ্বারাই...
একজন ব্রাহ্মণ হয়।
এ ব্যাপারে নাহয় পরে কখনো কথা বলা যাবে।
এখন তুই আমার জন্য গান কর।
শোনা যাক।
এক্ষুনি?
ওহ, তাহলে কি আমরা নক্ষত্রগুলোর এক সারিতে আসার অপেক্ষা করবো?
কী হলো, গা।
এ অভিজাত জমিদার বাড়ি...
সোনালী আড়ম্বর, গৌরবের সাক্ষী...
ও করুণাময় প্রভু, মিনতি করছি, আমার শ্রদ্ধা গ্রহণ করুন...
ও মাটি এবং সমুদ্রের অধিরাজ,
ঈশ্বর এই সুবিশাল রাজ্যের...
তোমারই রাজ্যে তোমারই সমীপে গাইবো আমি গান।
যুদ্ধে তিনি করেছেন ত্যাগ নিজের সকল বাসনা...
ভাটার স্রোতের টান সত্ত্বেও,
যুগের কপটতার তলদেশ হতেও...
আপনার উত্থান হয়েছে অক্ষত, নেই বিন্দুমাত্র কলুষতা, প্রভু।
লড়াইয়ে এগিয়ে চলা, ও নির্ভীক আত্মা!
স্থিরচিত্র ঝকঝকে চোখে তরবারির রুপালি দীপ্তি।
ছায়াতেও মলিন হয় না আপনার আকর্ষণ কভু,
আপনার মহিমার সমীহে মোরা অপেক্ষায়।
এ অভিজাত জমিদার বাড়ি,
সোনালী আড়ম্বর, গৌরবের সাক্ষী...
ও করুণাময় প্রভু, মিনতি করছি, আমার শ্রদ্ধা গ্রহণ করুন...
ও মাটি এবং সমুদ্রের অধিরাজ...
ঈশ্বর এই সুবিশাল রাজ্যের...
তোমারই রাজ্যে তোমারই সমীপে গাইবো আমি গান।
চমৎকার গেয়েছিস!
তুই এখন প্রাসাদে থাকলে...
রাজা নিশ্চিত রেশম আর সোনা উপহার দিতো।
যা শুনেছি আর শিখেছি নিছক তাই গেয়েছি।
আমি এত প্রশংসার যোগ্য নই।
যথেষ্ট, যথেষ্ট হয়েছে।
এক মামুলি রাঁধুনি গানের কী জানে?
সর বলছি!
তোর আগমন আর গান,
আমার সবটাই পছন্দ হয়েছে!
আমাদের সাথে রাতের খাবার খাবি, কি বলিস?
আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।
কয়েকদিন যাবৎ না খেয়ে ছিলাম...
জানি...
তুই আর চিন্তা করিস না।
আমাদের সাথে একেবারে থেকে যা।
শুধু যখনি বলবো গান গেয়ে শোনাবি।
কি বলিস?
কিন্তু...
আমায়...
যেতে হবে।
এভাবে সাহায্যকে তিরস্কার করা...
অসন্মানের কাতারে পড়ে।
যখনই আমি, কডুমন পট্টি কিছু চেয়েছি...
কখনোই কেউ আমার অনুরোধ ফেলেনি।
ওকে বুঝিয়ে বল।
প্রতিহিংসা থেকে দূরে...
তোর এখানে থাকা উচিত।
উম...
ঠিক আছে।
যথাআজ্ঞা, প্রভু।
তাহলে, ভেতরে আয়।
আমি এক হীনজাত পানান...
আমার কি অনুমতি...
রয়েছে ভেতরে ঢুকার?
যদি আমি এসবে রীতিবিরুদ্ধ হয়ে থাকি?
হাহ?
অষ্টদশা কান্ডম, দ্বিতীয় শ্লোক।
একজন পুলকিত অতিথি সর্বদাই সুস্বাগত।
হোক সে অভিজাত কিংবা নীচু জাতের!
ভেতরে আয়।
ওর জন্য গোলাঘরের পাশের রুমটা খুলে দে।
কাপড় আর যা কিছু প্রয়োজন দিবি।
ঠিক আছে।
এগোতে থাক।
সবগুলো রুম দেখতে একই রকম,
তারপরও সেটা ভিন্ন।
এগুলোকে এভাবেই তৈরি করা হয়েছে।
অগণিত থাম,
সিড়ি আর ছায়া।
৬ প্রজন্ম আগে...
প্রথম পট্টি এখানে এসে,
বিখ্যাত কাঠমিস্ত্রী মায়ান্নুর'কে দিয়ে বাড়িটা বানিয়েছিল।
এটা বড়ো হল।
পাশেরটা রান্নাঘর।
এখানে সূর্যাস্তের পর একবার...
ভোজনের রীতি প্রচলিত।
এটা দক্ষিণ দিকে যাবার পথ।
ওদিকে যাবার কারোরই অনুমতি নেই।
বড়ো হল থেকে...
রান্নাঘরে যাবার এটাই একমাত্র পথ।
এখানে আসার পর...
সোজা পথে পা চালাতে থাকবি।
অন্য কোনো পথে যাবি না।
উপরে কী রয়েছে?
এই জমিদারবাড়িতে অসংখ্য কক্ষ রয়েছে,
যেগুলো বহু বছর যাবৎ বন্ধ।
তো...
হয়তো এমন কিছু শব্দ শুনবি...
যা আগে কখনো শুনিসনি।
ওগুলো কানে নেয়ার প্রয়োজন নেই।
এছাড়াও...
অযথা কোনো প্রশ্ন করবি না।
বুঝতে পেরেছিস?
তুই এখানে ঘুমাবি।
মনে রাখিস তুই প্রাসাদে নেই।
এখানে চলাফেরা করতে,
সাবধানতা অবলম্বন করবি।
ভালোই এটা!
না নয়!
বহু বছর পূর্বে, এখানে একজন বৈদ্য থাকতো...
সে গুপ্তধনের লোভে দক্ষিণের কক্ষগুলোর...
No comments yet. Be the first to leave one.