The first 200 lines.
আমার দিনটা এভাবেই যাচ্ছে.
জেলে গেলাম, স্বপ্নের রাজকন্যা হারালাম আর পদে পদে অপদস্থ হলাম.
খুবই মচৎকার.
তাও, বিষয়টা আরও খারাপ হতে পারতো.
হ্যাঁ, ঠিক তাই, আমি মরতে চলেছি.
হইতো তারা পারবেনা.
আপনার প্রশ্ন; "এটা ঘটলো কিভাবে" ?
আমার শেষটার সূত্রপাত হয় আগে থেকেই.
অনেক আগে থেকে.
হ্যাঁ, এই হলাম আমি.
আমার শৈশবটা সুন্দর ছিলো.
আমি যেখান থেকে এসেছিলাম সেটাকে হইতো আপনারা ধ্বংস বাড়ি বলবেন.
আক্ষরিক-অর্থে, ধ্বংসই.
আমার বয়স আট দিন হওয়ার পরেও আমি আমার মা-বাবার সাথে ছিলাম.
কত কষ্টের,তাই না?
স্পষ্টত,আমাকে চলে যেতে হবে.
এই হলো তোমার, বন্ধু, সে তোমার খেয়াল রাখবে.
আর এই তোমার চোষক.
তোমার গন্তব্য হবে...
আমি শেষ অংশটা ঠিক শুনতে পাইনি.
কিন্তু এটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হলো.
আমার গন্তব্য, কি?
আমি আমার গন্তব্য খুঁজতে বেরিয়ে গেলাম.
অন্য গ্রহ থেকে আসা একটা বাচ্চাও একই পদ্ধতিতে বের হয়ে আসে.
ওই দিনেই আমি মিঃ গোডী-জুতো-জোড়ার সাথে দেখা করেছিলাম.
আর আমাদের ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্ম হয়!
এটাই কি আমার গন্তব্য ছিলো?
একটা জীবন যা বিলাসিতায় পূর্ণ?
দৃশ্যত, তা নয়.
ভাগ্য নিজেও তার পছন্দকে বাছাই করলো.
আরে ব্যাপার না.
অন্যরকম ভাগ্য আমার জন্য অপেক্ষা করছে.
একটা বাচ্চা.
কি পরিপাটি.
ওহ হ্যাঁ, হ্যাঁ. আমি দেখেছি আর ভেবেছিলাম এটা তোমার.
ভাগ্যক্রমে আমি নিজের ঘর বলতে ছোট্ট একটা স্থান পায়.
আমরা কি এটাকে রাখতে পারি?
যে স্থানে আমাকে শিক্ষা দেওয়া হলো ভালো আর...
...মন্দের পার্থক্য.
অন্যদিকে মিঃ গোডী-জুতো-জোড়া,
সোনাই সোহাগাদের হাতে পড়েছিলো.
আমাদের বাচ্চা উড়তে পারে.
হ্যাঁ, হ্যাঁ. এটা তোমার জন্য সুখের সংবাদ, প্রিয়.
উড়ার শক্তি, শক্তিশালী, এবং সুন্দর চুল.
কিন্তু আমার কাছে আরও বেশি, অনেক বেশি কিছু ছিলো,
আমার অসাধারণ বুদ্ধি.
যুদ্ধ করার জন্য জিনিসপত্র তৈরির দক্ষতা.
কয়েক বছর পর, এবং আমার কাছে ভালো ব্যাবহার না পাওয়ায়.
আমাকে নিজ থেকে ভালো কিছু শেখার সুযোগ দেওয়া হলো.
একটা অদ্ভুত জায়গা যার নাম ইসস-উল.
এটা ছিলো মিঃ গোডী জুতো-জোড়ার সাথে আবার দেখা হওয়ার জায়গা.
সে এতোমধ্যে নরম মগজের কিছু প্রাণীকে তার অসাধারণ ক্ষমতা দেখিয়ে অবাক করে দিয়েছিলো.
সে লোক-টানার ক্ষমতা দিয়ে তাদের বশ করেছিলো, আর সীমালঙ্ঘন করা রুচিকর উপহার দিয়ে.
আমিও এই পপ কর্ণ বানাতে পারতাম আর ওই বুদ্ধি ছাড়া মানুষগুলোর মন জয় করতে পারতাম.
বাতি বন্ধ!
ওই দিনেই আমি কঠিন একটা শিক্ষা পায়.
ভালোরা সবসময় প্রশংসা আর সম্মান কুঁড়ায়.
যেখানে মন্দদের চুপচাপ কোণায় পাঠানো হয়.
তাই ভাগ্যের নির্মম পরিহাসই মানতে হলো.
যখন তারা "ওই দেখা যায় তালগাছ" শিখছিলো.
আমি তখন শিখছিলাম কিভাবে প্রাণীদের কঠিন বস্তুতে পরিণত করা যায়.
আর আবার তাদের সচল করা যায়.
কিছুদিন মনে হয়েছিলো আমি আর মিনিয়ন পুরো পৃথিবীর বিরুদ্ধে ছিলাম.
যত চেষ্টায় আমি করিনা কেন.
আমি সবসময় বেমানান ছিলাম.
সবার শেষে আমাকে নিতো.
অসভ্য, পাগল ছাগল.
খারাপ ছেলে.
ওহ!
এটাই কি আমার ভাগ্য?
দাঁড়াও! হইতো এটাই.
খারাপ হওয়াটাও কোন একটা বিষয়ে ভালো হবার মতই.
তারপর মাথায় আসলো.
যদি আমিই খারাপ ছেলে হই.
তাহলে আমিই ওই সব খারাপ ছেলেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হবো.
সেরা খলনায়ক হতেই আমার জন্ম.
আর আমরা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হতেই জন্ম.
মৃত্যু নিয়ে ছেলেখেলা হবে.
আর এভাবেই শুরু ভয়ানক পরিণতির, জীবনের বড় লক্ষ্যে যাওয়ার.
আর এটাই আমি ভালবেসেছিলাম.
আমাদের যুদ্ধ দ্রুত বাড়তে লাগলো.
সে কয়েকটাতে জয় পেতো, বাকি সবগুলোতে আমি জয়ী হতাম.
সে তার নাম রাখলো, মেট্রো ম্যান.
শহরের রক্ষক.
আমি একটু বিনয়ী ধাঁচের নাম বাছাই করার সিন্ধান্ত নিলাম.
মেগামাইন্ড.
অবিশ্বাস্য রকমের সুদর্শন অপরাধমূলক প্রতিভা, আর সব দুর্বৃত্ততার রাজা.
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ আদিল (ADIL)
আগে নিজেকে বাঁচাও. খুলো এটা.
এই!
বু!!
ওহ, শুভ সকাল, ওয়ার্ডেন.
সুখবর, আমি বদলে গেছি.
আর আমি সমাজে একজন সুনাগরিক হিসেবে পুনরায় যোগ দিতে প্রস্তুত.
তুমি একজন দুর্বৃত্ত, আর সবসময় দুর্বৃত্তই থাকবে.
তুমি কখনো বদলাবেনা.
আর তুমি কখনো মুক্তিও পাবেনা.
-তুমি মজা করছো. -ডাকযোগে তোমার একটা উপহার এসেছে.
এটা কি কুকুরছানা?
মেট্রোম্যান পাঠিয়েছে. জীবনের শেষ ৮৫ বছর কাঁটা হিসেব করে গুনতেই দিয়েছে.
এটা মজার, ভাবিনি মেট্রোম্যান এতোটা উল্লসিত টাইপের মানুষ.
ওহ তার পছন্দটা কিন্তু অসাধারণ.
ভাবছি আমিই এটা রেখে দেই.
তুমি কি আমাকে সময়টা জানার সুযোগ দেবে?
আমি মেট্রোম্যান জাদুঘর এর উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে যেতে দেরী করতে চাইনা.
আহারে, মনে হচ্ছে তুমি এটা মিস করতে যাচ্ছো.
কয়েক হাজার বছর এর ব্যাবধানে.
ওহ, তাই নাকি?
শুভ মেট্রোম্যান দিবস, মেট্রো-সিটি.
শহরের কেন্দ্রস্থলে এটা একটা সুন্দর দিন যেখানে আমরা একজন সুন্দর মানুষকে সম্মান জানাতে চলেছি.
মেট্রোম্যান.
তাঁর হৃদয় একটা সমুদ্রের মধ্যে থাকা বিশাল আরেকটা সমুদ্র.
বছরের পর বছর তিনি আমাদের অসাধারণ দৃষ্টির মধ্যে রেখেছেন.
তাঁর অসাধারণ শক্তি দিয়ে আমাদের রক্ষা করেছেন, এবং হৃদয় দিয়ে আমাদের খেয়াল রেখেছেন.
এখন আমাদের তাঁর কিছুটার প্রতিদান দেবার পালা.
আমি রক্সেন রিচি, সরাসরি প্রতিবেদন, মেট্রোম্যান জাদুঘর প্রতিষ্ঠার স্থান থেকে.
ওয়াও, ভালো, তাদের দেওয়া যে কথাগুলো তুমি পড়লে.
এটা মারাত্মক বিরক্তিকর, এটা পাগলামো.
এটা আমি নিজে লিখেছিলাম, হ্যাল.
আসলে আমি এটা বলতে চাচ্ছিলাম যে,
আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা যে তারা সত্যিকারের শিল্পকে খবরের মধ্যে প্রবেশ করালো.
-ভালো চালাকি, হ্যাল. -আমাদের কি, চলো আমরা একটু কফি খেয়ে আসি.
ধুর, এটা মেট্রোম্যান দিবসের সাথে একাত্মতা জানানোর সময়.
আসলে, আমি যদি মেট্রোম্যান হতাম, মেগামাইন্ড কখনোই তোমাকে বারবার কিডন্যাপ করতে পারতো না.
এটাই প্রথম কথা.
শুনে ভালোই লাগলো.
আমি তোমার খেয়াল রাখি, যেমন কুকুর একটা মানুষের বাচ্চাকে দেখে সেভাবে.
-হুম. -আসলে, এটা কেমন যেন, এটা আসলে একটু অদ্ভুত শুনালো.
হুম, সামান্য.
আর তুমিও অদ্ভুত চেহারা বানিয়ে রেখেছো, আর সেইটাই আমাকে চিন্তিত করে.
প্রেম না, আমরা প্রেম করিনা. আমি বলছিনা যে, আমি তোমাকে ভালবাসি না.
ঠিক আছে, আমি তোমাকে ভালবাসি, যাও. আমি এটা বলছি না যে আমি তোমার প্রেমে পড়েছি.
আমি আসলে...রক্সেন? রক্সারু?
কাজে যাও.
শহর তোমাদের বেতন হিসেবে পাউরুটি দেয়না.
-থামো! -কি, তোমরা এটা কি করছো, ভাই?
এটা আমি! আমি ওয়ার্ডেন.
হ্যাঁয়, দরজা খুলো.
ওহ, বোকারা. সে আমাদের ঠকাচ্ছে.
তুমি ঠিকই বলেছিলে.
আমি সবসময় দুর্বৃত্তই থাকবো .
*"জর্জ থরগডস" এর 'Bad to the Bone' গান*
*আসল দুর্বৃত্ত. আসল দুর্বৃত্ত.*
*দু...দু...দুর্বৃত্ত. দু...দু...দুর্বৃত্ত.*
*আসল দুর্বৃত্ত.*
কি খবর সুদর্শন বন্ধু, লিফট লাগবে?
হ্যাঁ লাগবেই, গভীর জলের মাছ কোথাকার.
গাড়িতে এসো, বন্ধু.
ওহো, আমি মুক্ত.
ঘড়িটা পাঠানোর জন্য ধন্যবাদ, মিনিয়ন.
বুঝেছেন তাহলে, বস.
দ্রুত চলো.
ঠিক আছে, সবার হাত উপরে.
ভদ্রমহিলা ও মহোদয়গণ, আপনাদের মেট্রোম্যান.
-কে আপনাদের প্রিয়? -মেট্রোম্যান.
হ্যাঁ, মেট্রো সিটি!
দাও দাও, এখনই হাত লাগাও. আমাকে দাও....কি?
আমাকে দাও...ঠিক আছে!
ইয়ো, হ্যাঁয়, হা, হা ইয়ো.
হ্যাঁয়, মেট্রো শহর.
হ্যালো, হ্যাঁয়.
জানেন, আমি চাই আপনারা কিছুটা শান্ত হোন.
ছেলেরা, আরেকটু নিচু.
ধন্যবাদ বন্ধুরা.
এইবার একটু আন্তরিক হওয়া যাক.
ঠিক আছে, ঠিক আছে হা, হা, এইতো হচ্ছে.
যদিও সম্পূর্ণ একটা যাদুঘর পাওয়া অসাধারণ ব্যাপার.
অসাধারণ, আপনারা জানেন, আপনারা আমাকে কি দিয়ে সবচেয়ে বেশি সম্মানিত করেছেন?
আপনারা কি আসলেই জানতে চান?
আসলে?
আমি আপনাদের বলবো.
আপনাদের দেওয়া শ্রেষ্ঠ সম্মান হলো...
...আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেওয়া.
মেট্রো শহরের এই মানুষগুলোকে সাহায্য করা.
আর প্রত্যেকটা দিনের শেষে.
আসলে.
আমি প্রায় নিজেকে জিজ্ঞেস করি.
আপনারা না থাকলে, আমি কি হতাম?
আমি তোমাকে ভালবাসি মেট্রোম্যান!
আর আমিও তোমাদের ভালবাসি, অচেনা নাগরিক.
আমি তোমাকে বলছি মিনিয়ন, শয়তানদের আস্তানার মত আর কোন জায়গা নেই.
আমি শুধুমাত্র আপনার জন্য,এটাকে ঠাণ্ডা আর ভেজা রেখেছি,স্যার.
আমাকে কেমন লাগছে, মিনিয়ন?
-আমাকে কি দেখতে খারাপ লাগছে? -অস্বাভাবিক ভয়ঙ্কর লাগছে, স্যার.
তুমি সবসময় জানো কি বলতে হবে.
সব ব্রেইন মেশিন আপনাকে অনেক মিস করেছে, স্যার.
তোমরা তোমাদের বাবাকে মিস করেছিলে? কে এখানে ভয়ঙ্কর ছোট্ট ব্রেইন?
তুমি নাকি, হ্যাঁ তুমিই. উহ, উহ! কামড়াকামড়ি না, না, না, না.
-না, না, না, তোমাদের রেঞ্চ লাগবে? যাও রেঞ্চ লুফে নাও. -ওহ, দেখুন এদের অবস্থা.
এখন, কাজে লেগে পড়ো.
সে জেগে উঠেছে, তাড়াতাড়ি, শুরু করো.
-মিস রিচি, আবার দেখা হয়ে গেলো. -মুখোশটা ধুয়ে রাখলে কি কোন ক্ষতি হতো?
তুমি চিৎকার করে তোমার ইচ্ছা জানাতে পারো, মিস রিচি. কেউ তোমার কথা শুনবে না.
কি..সে কেন চিৎকার করছে না?
মিস রিচি, যদি কিছু মনে না করেন.
এভাবে...আহহহহহহহ!
এটাই, এটাই ভীত মেয়েদের চিৎকার.
-আহহহহহহহ!!! -এটা আরও ভালো.
খলনায়কদের জন্যও কি কোন ওয়েবসাইট আছে নাকি,
টেসলা কয়েল, ঝকমকে ঘড়ি কোথা থেকে পেলে?
No comments yet. Be the first to leave one.