The first 197 lines.
এই মুভির আলাদা কোন সফট ই-সাব না থাকায় হার্ডকোডেড ই-সাব অনুবাদ করা হয়েছে। তাই কিছু জায়গায় শ্রুতিমাধুর্য রুক্ষার্থে শব্দের পরিবর্তন করতে হয়েছে। আশা করি মুভি দেখতে কোন সমস্যা হবে না।
এটা আমার করা ৭ম একক বাংলা সাবটাইটেল। ভুলত্রুটি গুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আবেদন রইল। হ্যাপী ওয়াচিং♥
অনুবাদ ও সম্পাদনায় হাবিবুল্লাহ কায়সার
চেয়ার নিয়ে আয়।
এবার বল আমাকে…
তুই কিভাবে মারলি?
এক্ষুণি বল আমাকে!
বল আমাকে!
আধিয়ামান!
এটার তোর নাম,তাই তো?
এটা দেখ,
সবশেষে,এই ছবিটায় বেচে আছে।
তুই নিতে পারিস!
বল আমাকে,
বল আমাকে,
কিভাবে মারলি?
বল আমাকে
মুখ খোল,
কিভাবে মারলি?
- এটা…শালা…শুয়োর** - শুনতে পাই নি। আরো জোরে বলুন
শুয়োরের বাচ্চা!
- আমরা পুরো কুল্যান্ট বসানোর কন্ট্রাক্ট পেয়েছি। - ঠিক আছে,স্যার।
- পরিকল্পনা করে কাজ শুরু করো,বুঝেছো? - ঠিক আছে,স্যার।
এক মিনিটা…হ্যা হ্যালো!
কেউ একজন ওয়াদা করেছিল যে সে সকল বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও আজ তাড়াতাড়ি বাসায় আসবে।
ওহ দুঃখিত,আজ অন্যদিনের তুলনায় বেশি দেরী হয়ে গেছে। আমি তাড়াতাড়ি আসছি।
আর্জুন কী রেগে আছে?
তুমি তার সাথেই কথা বলে দেখ!
আব্বু,,,কোথায় তুমি?
আমি চকোলেট চাই…মা মুদিমাল চায়…
আমরা একটা মুভি দেখতে যাওয়ারও কথা আছে। তাই তাড়াতাড়ি বাসায় এসো!
দূঃখিত, সোনা। আমি তাড়াতাড়ি আসছি।
বুঝেছো? আমরা রেগে আছি…
আর যদি তুমি তাড়াতাড়ি না আসো তাহলে আমরা কী করবো জানো?
এক সেকেন্ড,আমরা কী করতে পারি?
আমাকে ভাবতে দাও।
আমরা পরিকল্পনা করে তোমাকে জানাচ্ছি।
বাই,এবার আমাকে পরিবারের দায়িত্ব পালন করতে দাও।
ভাই,তুমি কি নিশ্চিত যে তুমি ওই "রাগী সিংহ"-কে মারতে পারবে?
আমি এক বছর ধরে এর পরিকল্পনা করছি,আজ আমি তাকে ছাড়ব না।
সাবধান ভাই,যদি পরিকল্পনা ব্যার্থ হয় তাহলে কী হবে তা তো জানো!
গুনা এসেছে…
হেই!
সে আসছে!
সে আমাদের দিকেই আসছে। গাড়ি চালু কর।
- কি জানি কী হলো গাড়ি চালু হচ্ছে না। - গাড়ি চালু কর…দ্রুত…এক্ষুণি!
- সে আমাদের দিকেই আসছে। গাড়ি চালু কর..দ্রুত! - ভাই,গাড়ি চালু হচ্ছে না। মনে হয় কোন গণ্ডগোল হয়েছে...
হ্যালো!
- মারুধু রওনা দিয়েছে। - আমি ব্যাপারটা দেখে নেবো।
অন্ধকার জঙ্গলে একটা পাগল…
আস্তে আস্তে পা ফেলছে…
…নিজের শিকারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সে হলো একটা সাহসী সিংহ।
অন্ধকার জঙ্গলে একটা পাগল…
আস্তে আস্তে পা ফেলছে…
…নিজের শিকারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সে হলো একটা সাহসী সিংহ।
বনের রাজা আর দলের সর্দার সবসময়…
…যেকোন পরিস্থিতে অহংকার নিয়ে সামনে এগিয়ে যায়।
কেউ নিয়ন্ত্রন কিংবা থামাতে পারে না তাকে…
...আর তার শক্তিশালী থাবা শত্রুকে লণ্ডভণ্ড করে দেয়।
যুদ্ধের ময়দানে…
অহংকারী মনোভাব তার রক্ষাকবচ!
শক্তি দিয়ে…
সেই সিংহটা শিকারকে হত্যা করে।
পশুর মত শক্তিশালী আর দেখতে আজরাইল
ক্ষুধা আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সে মেরুদণ্ড সটান করে দাঁড়িয়ে থাকে।
প্রতিদিন মেরে শত্রুর বিনাশ করে,
এই অসংবিদিত বীর হৃদয়ে আঘার করে।
বনের রাজা আর দলের সর্দার সবসময়…
কেউ নিয়ন্ত্রন কিংবা থামাতে পারে না তাকে…
...আর তার শক্তিশালী থাবা শত্রুকে লণ্ডভণ্ড করে দেয়।
...আর তার শক্তিশালী থাবা শত্রুকে লণ্ডভণ্ড করে দেয়।
অপেক্ষ করো!
হেই,এই বিলটা দিয়ে দিও,
হ্যালো,,,এটা একটা সারি।
বিলটা নাও…
- তোমার সমস্যাটা কী? - স্যার,এসব ব্যাপারে নাক গলাবেন না।
- প্লিজ স্যার এসব ব্যাপার অগ্রাহ্য করুন। - আমাকে কিছু করতে প্ররোচিত করবে না।
এখানে ঝামেলা সৃষ্টি কেন করছো?
- সে কী সঠিক? - না,কেউ কী এখনো হতাহত হয়েছে?
- জিজ্ঞাসা করা কী ভুল? - তুমি জিজ্ঞাসা করতে পারো…লড়াই চালিয়ে যাও…পরে এর ফল টের পাবে।
কি হবে?
সে আরো গন্ডা নিয়ে আসবে,আর যা হবার তাই হবে?
অতিরিক্ত ৩০ সেকেন্ড লাইনে দাড়ানোর জন্য নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা উচিত হয় নি।
তুমি কী সিংহের কাহিনীটা জানো?
একটা সিংহ,জঙ্গলে শিকার ধরে খেয়ে বেচে থাকত…
একদিন,একটা কুকুর দূরে দাঁড়িয়ে দেখছিল যে সিংহটা তার শিকারকে খাচ্ছে।
…সিংহ তার শিকার খাওয়ার পর বাকি অংশটুকু সেই কুকুরটা খেল…
সিংহ এটা দেখলো কিন্তু ব্যাপারটা আমলে নিলো না।
তারপর থেকে প্রতিদিন,কুকুরটা সেই অবশিষ্টাংশ খেয়ে বেচে থাকতো।
একদিন,কুকুরের মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো।
সিংহটা যেহেতু আক্রমণ করছে না সেহেতু অবশিষ্টাংশ খাওয়ার কোন মানেই হয় না…
সেই ভাবনায়,সে সিদ্ধান্ত নিল সিংহের সাথেই ভোজনে অংশ নেওয়ার,
যে ভাবা সেই কাজ,সিংহটা এখন কুকুরের কাছাকাছি গেল,
সিংহটা তখন কুকুরটাকে অল্প জান অবশিষ্ট রেখে তাকে বেধড়ক পেটালো।
সেই মার খাওয়া কুকুরটা প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো।
তাই সে একটা কুকুরের বাহিনী তৈরী করলো আর সিংহকে আক্রমণ করার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল।
তারা সিংহকে পরাজিত করতে যাচ্ছিল কিন্তু পারলো না।
কারণ কী জানো?
কারণ,ওটা শুধুমাত্র কুকুর ছিল।
আরেকটা ইডলি! প্লিজ মা!
রুটি আর জ্যাম প্লিজ!
শুধু আজকের জন্য!
আদি…
আদি...
- আদি... - হ্যা!
অনেক খেলা হয়েছে! এবার ফল খাও!
আদি…
হ্যা,আমার সুন্দরী বউ!
- ইঞ্জিনিয়ার, তাই না? - হ্যা!
- পাইপ ইঞ্জিনিয়ার? - হ্যা!
কোন পানি নেই…যাও গিয়ে দেখ… কি হলো?
সোনা,এটা তো সারানোর কাজ! আমি তো পাইপ ইঞ্জিনিয়ার।
সিকিউরিটি মনে হয় কপাট বন্ধ করে দিয়েছে,দাড়াও আমি দেখে আসছি।
হ্যা,তাকে জিজ্ঞাসা করো! দিনের অর্ধেক সময় তো বাড়িতে পানি থাকে না।
লিফটও কাজ করে না…
এইজন্য বাকি ভাড়াটিয়ারাও চলে যাচ্ছে…
…আর তার উপরে এই মানিয়ে চলার বকবক!
আমার এসব কিছু চেক করতে হবে।
এটা একটা বাণিজ্যিক ভবন…
আর বেচাকেনা না হওয়ার কারণে এটা আবাসিক এলাকা হয়ে গেছে,এটাতে আমার কী করার আছে?
একটা কাজ করা যাক,তুমি একটা কাজ খোঁজো আর আমাকে ঘরবাড়ি সামলাতে দাও।
ওয়াও,আমার বউকে তো রাগলেও সুন্দর দেখায়!
হেই,তুমি কী আমাকে থামানোর চেষ্টা করছো?
তোমার কাজের দেরী হয়ে যাচ্ছে,তাই যাও!
- আমি ছুটি আবেদন করছি আর আর আজ আমি বাসায় রান্না করবো। - দরকার নেই! যাও।
- প্লিজ সোনা,আমাকে থাকতে দাও। - কোন ভাবেই না,যাও,দেরী হয়ে যাচ্ছে।
ভালো! আবার কাজ করছে না। চলো সিঁড়ি দিয়ে যেতে হবে।
এটা তো প্রায় নিয়মিত হয়ে যাচ্ছে।
- শুভ সকাল,স্যার! - প্রতি সপ্তাহে একবার এটা কাজ করে না।
আমি ব্যাপারটা দেখছি,স্যার।
- হ্যালো,সুরেশ লিফট সার্ভিস? - হ্যা,স্যার!
- এটা আবার কাজ করছে না। সবাই তার ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলছে। - আমি এক্ষুণি কাউকে পাঠাচ্ছি, স্যার।
- তাড়াতাড়ি করো! - হ্যা স্যার।
- তুই কী ঋণ পরিশোধ করবি না? - স্যার,দয়া করে আমাকে ছাড়ুন,সবাই দেখছে।
স্যার,দয়া করে আমাকে ছাড়ুন,সবাই দেখছে।
- স্যার,দয়া করে আমাকে ছাড়ুন,সবাই দেখছে। - এটা নিয়ে তোর মাথা ঘামাতে হবে না।
- হ্যালো,এখানে কী হচ্ছে? - নিজের চরকায় তেল দে।
- ব্যাপার কী স্যার? - দূর হ!
- তুমি কী কিছু জানো ভাই? - কে এই ব্যাপারে নাক গলাবে!
আমি এটা আবার করবো না,দয়া করে আমাকে ছেড়ে দিন।
এখানকার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো লিফটের সমস্যা।
হেই,শালা!
- সরি স্যার,যান। - ভাগ এখান থেকে।
- তুমি কী চাও,বাবু? - স্যার,এটা কী আপনার ছেলে?
হ্যা। সে আজ সকালে এসেছে। তুমি কী চাও?
সে একজন উকিল,তাই না?
তুমি কি চাও?
স্যার,অষ্টম তলার ভাড়াটিয়া,নাম…
- মানিমারান। - হ্যা,মানিমারান!
কিছু লোক তাকে ধাক্কা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল,কী হয়েছে স্যার?
তারা আমাকে শুধু জিজ্ঞাসা করলো আর আমি তাকে রাস্তা দেখিয়ে দিলাম।
কোন সমস্যা নাকি স্যার?
তোমার এত উৎসাহ জাগছে কেন?
স্যার,জেনারেটরে ডিজেল ভরার জন্য…
দয়া করে স্টোর রূমের চাবিটা দিন।
এই নাও চাবি…
এবং আর কখনো আমাকে লিফট কিংবা জেনারেটর অথবা পাইপ সংক্রান্ত ঝামেলায় জড়াবেন না।
সিকিউরিটি,ডিজেল ভরে চাবিটা তাকে ফেরত দিয়ে যেও।
কিন্তু...
হুম…তুমি জানতে চাও কেন তারা তাকে ধরে নিয়ে গেল তাই তো?
সে জালিয়াতি করে ব্যাংক থেকে ৫ লাখ টাকা তুলেছে,তাই তারা তাকে ধরে নিয়ে গেল।
স্যার এটা তো সাধারণ কেস, কেউ তার গায়ে হাত দিতে পারে না।
বাবা…
এক কাজ করো,তুমি তাদেরকে শিখিয়ে দাও কিভাবে কেসটাকে সামলাতে হয়।
আমার আরো অনেক কাজ করার আছে,
- স্বামীনাথান স্যার,আমার কথাটা তো শুনুন... - যাও,এখান থেকে আমার সময় নষ্ট করো না।
পাগল একটা!
মারুধু জানে না যে আমরাই সেলভাকে তার ব্যাপারে উসকে দিয়েছিলাম,
আমাদের ব্যাপারে বলার আগেই সেলভা খুন হলো।
তাই আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে আর মারুধুকে চোখে চোখে রাখতে হবে।
সামান্য একটা ভূল আমাদেরকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে।
হেই,থামো।
ভাই,পাইপলাইনে অনেক কাজ পড়ে আছে।
ভেতরে কিছু সমস্যা আছে,তাই যেও না।
- যদি আমি যাই,তাহলে পরের মাসে ছাড়া আর ঠিক করতে আসতে পারবো না... - যাও এখান থেকে,মারুধু আসছে।
সেলভা তোমাকে আক্রমণ করেছে এতে আমি জড়িত না।
আবার,আমি তাকে তোমাকে মারার জন্য ব্যবহারও করি না,সেটা আমিই করতে পারতাম।
মারুধু?
ভাই,এমন করো না।
আমি তোমার পা ধরছি,ভালো হবে এই জায়গা ছেড়ে চলে যাও।
যাও…প্লিজ যাও।
মা,ললি-পপ!
চল যাই।
এসো,আমি একটা কিনবো।
ধন্যবাদ।
৩য় তলা।
আর্জুন…ধন্যবাদ জানাও!
- ধন্যবাদ দাদু! - কোন ব্যাপার না।
আদি…
আদি…
আদি…
আদি…
এত সময় লাগলো?
তুমি কি করছিলে?
তোমাকে এত মনমরা লাগছে কেন?
তুমি কী বোকা বানাচ্ছো?
আমি তোমার অভিনয়ে ঢলে পড়ব না। আজ কিন্তু বাড়ি পরিষ্কার করার দায়িত্ব তোমার।
No comments yet. Be the first to leave one.