The first 200 lines.
তুই ঠিকই শুনেছিস। কুত্তা!
তোর কোন সমস্যা আছে?
সাহস থাকলে সামনে আয়,
আর ভীতু হয়ে থাকলে কমান্ড মেনে নে।
আমার কথা শুনছিস, শালা ভীতু বেরসিক কুত্তা।
তুই তো বধির না।
চেইন অফ কমান্ড মেনে নে,
নয়তো মনে করবি আমার ধবধবে সাদা পাছায় চুমু দিচ্ছিস।
ঠিকই বলেছি।
আমি এটাই বলেছি। তুই শুনেছিস।
আর তখনই এই বলদ পাল্টি মারলো,
তুমি তো জানো, বেশ...
ওহ, তোমার ওর চেহারাটা দেখার দরকার ছিলো...
যখন ঘুসি মেরে ওর সামনের দাত ফেলে দিয়েছিলাম।
পাঁচ পাঁচটা দাত!
ধুম! ধুম! ঠিক এভাবে!
ওহ ঈশ্বর!
১৬ মাস সেনাবাহিনীর কারাগারে-
ওহ, আমাকে এতটা মূল্য চোকাতে হয়েছিলো।
ওই সময়টা---
খুবই কঠিন ছিলো।
কিন্তু খোদার কসম, ওই হারামীকে...
মুখ থেকে দাতগুলো থুতুর সাথে ফেলতে দেখে...
সব কষ্ট ভুলে গেছি।
হ্যাঁ স্যার।
প্রতিটা মিনিট কাজে লেগেছে।
ওহ না!
না না! না না! না না!
ঈশ্বর! ঈশ্বর!
না না!
ঈশ্বর! যিশু!
না না, দয়ালু যিশু।
না না। না না।
ঈশ্বর, আমাকে সাহায্য করো। ঈশ্বর, আমাকে সাহায্য করো।
যিশু, প্লিজ! যিশু, প্লিজ!
আমাকে এখনি সাহায্য করো!
আমাকে সাহায্য করো।
না না। ওহ, না না
ও ঈশ্বর!
শশ.....
ও যিশু। যিশু।
না না না না না।
প্লিজ।
জানি আমি ঠিকমতো চলিনি।
জানি আমি শাস্তি পাবো।
আমি জানি, আমি...
ওহ। এসব আমার প্রাপ্য। এসব আমার প্রাপ্য।
আমি খারাপ ছিলাম।
আমাকে এখন সাহায্য করো। আমাকে পথ দেখাও।
বলো, আমাকে কী করতে হবে।
বলো। বলো।
ঈশ্বর!
আচ্ছা ঠিক আছে।
কিছু মনে কোরো না। বেচারা যিশু সোনা।
আগে কখনো তোমার কাছে কিছু চাইনি।
আর এখন নতুন করে কিছু চাচ্ছিও না।
তোমার কাছে এখনও ভিক্ষা চাচ্ছি না।
তোমার কাছে কখনো ভিক্ষা চাইবো...
ভেবে চিন্তা করো না! তোমার কাছে কখনোই ভিক্ষা চাইবো না!
আমি তোমার কাছে ভিক্ষা চাইবো না!
আগে কখনো তোমার কাছে ভিক্ষা চাইনি।
ধুর বাল।
না!
জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপঃ PROJAPOTI- MOVIE ZONE
আয়োজনেঃ ~ টিম প্রজাপতি~
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ জায়েদ খান
টেল ইট টু দ্য ফ্রগস
পিছনের চিন্তা না করাই ভালো হবে।
মার্লে রয়ে গেছে।
সে ফিরে না আসলে কারোরই খারাপ লাগবে না...
শুধুমাত্র ডেরিল ছাড়া।
- ডেরিল? - তার ভাই।
হুররে!
অন্তত কারো আজকের দিনটা ভালো যাচ্ছে।
- ফিরিয়ে দাও। - থামাও।
- না! - এটা আমি পেয়েছি।
- না! - দাও।
মিজো, তোমার বোনকে একা থাকতে দাও।
- কেন? - আসো।
বাবু, তুমি যত উসখুস করবে তত দেরিতে শিখবে।
- তাই উসখুস করবে না, ঠিক আছে? - আমি চেষ্টা করছি।
ভালো ভাবে চেষ্টা করো।
এতে তোমার খারাপ মনে হলে,
তোমার দাঁড়ি গজানো পর্যন্ত অপেক্ষা করো।
এটা ঠিকঠাক হয়েছে।
একটা সময় আসবে যখন তুমি...
তোমার মায়ের স্টাইলে চুল কাটতে চাইবে।
যখন নিজের চোখে দেখতে পাবো তখন বিশ্বাস করব।
আমি তোমাকে বলবো... এই পৌরুষ্য দিয়ে তুমি...
কী পেতে পারো এবং আগামীকাল তোমাকে একটা অসাধারণ জিনিস শেখাবো।
তোমাকে শিখাবো কীভাবে ব্যাঙ ধরতে হয়।
- আমি একটা ব্যাঙ ধরেছিলাম। - আমি বলেছি অনেকগুলো ব্যাঙ, বহুসংখ্যক।
এটা একটা শিল্প, বাবু। হালকাভাবে নেওয়ার মতো কিছু নয়।
এর অনেক কৌশল আছে।
অল্প কিছু মানুষই এ সম্পর্কে জানে।
আমি আমার গোপন কথা তোমাকে জানাতে ইচ্ছুক।
আমি একজন মেয়ে। ওর সাথে কথা বলো।
এই সুযোগ একবারের জন্যই, দ্বিতীয়বার আর পাওয়া যাবে না।
আমাদের অনেকগুলো ব্যাঙ দরকার কেন?
কখনো ব্যাঙের পা খেয়েছো?
- না, এহ! - না, ও ঠিকই বলেছে। এহ!
যখন মটরশুঁটির কৌটা খালি হয়ে যাবে,
তখন ব্যাঙের ঠ্যাং খুব ভালোই লাগবে, ম্যাডাম।
এখনই তো সেই দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি, " শেন, আমি কি আরেকটু পেতে পারি? "
- প্লিজ? মাত্র একপিস?" - হুহ, আমার তো তেমন মনে হচ্ছে না।
ওর কথায় কান দিও না।
তুমি আর আমি, সবার চোখে নায়ক হব। আমরা এই অসহায়দের অন্নদান করব,
ব্যাঙের পা দিয়ে কেজুন স্টাইল কার্মিট রেসিপি।
এর বদলে আমি শুকর খাবো।
অবশ্য, মন থেকে বলিনি।
নায়ক, ছেলে, পৌরাণিক গল্পে-গানে আমাদের নাম থাকবে।
তুমি আর আমি, শেন এবং কার্ল।
ডেল, দেখো তো ওটা কী?
আমাকে বলো, ডেল!
- এখনো বলতে পারছি না। - ওনাকে ভালোভাবে দেখতে দাও।
ওরা না-কি? ওরা ফিরে এসেছে?
আমি মারা খেতে যাচ্ছি।
- ওটা কী? - মনে হচ্ছে চোরাই গাড়ি।
- বালের মাথা! এই বালটাকে বন্ধ করো! - জানি না কীভাবে বন্ধ করে!
- হুডটা খোলা, প্লিজ। হুডটা খোলো। - আমার বোন আন্দ্রেয়া--
- বালের হুডটাকে খোলো, প্লিজ! - কী? ঠিক আছে, ঠিক আছে। খুলছি।
- হুম হুম! - সে ঠিক আছে? সে ঠিক আছে তো?
- হ্যাঁ হ্যাঁ। ঠিক আছে! ঠিক আছে! - সে কি ফিরে এসেছে?
- হ্যাঁ! - তাকে তোমার সাথে দেখছি না কেন?
- কোথায় সে? ঠিক আছে তো? - হ্যাঁ!
হ্যাঁ, সবাই ভালো আছে।
আসলে, মার্লে ততোটা ভালো নেই।
তুমি কি পাগল? এই বালের গাড়িটা এই পর্যন্ত চালিয়ে নিয়ে এসেছো।
তুমি সব জম্বিদের এখানে আমন্ত্রণ জানাবে নাকি?
- আমার মনে হয় কোন সমস্যা হবে না। - বোকার মতো সমস্যা হবে না বলছো কীভাবে?
আসলে, অ্যালার্মের শব্দ পুরো উপত্যকা জুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়েছে।
তাই এর উৎস খুঁজে পাওয়া অসম্ভব প্রায়।
আমি তর্ক করছি না। শুধু কথাগুলো বললাম।
এরপর থেকে কোন কিছু করার আগে
একটু ভালোভাবে ভেবে নিলে তো তোমার ক্ষতি হবে না, তাই না?
সরি।
অস্থির একটা গাড়ি পেয়েছি।
এসে সবার সাথে সাক্ষাত করো।
- অ্যামি। - আন্দ্রেয়া!
ওহ ঈশ্বর!
অনেক ভয় পাইয়ে দিয়েছিলে।
- পাপি! বাবা! - এই।
চলো, সোনা।
এই।
বলেছিলাম না আমি ফিরে আসব?
আপনি স্বাগত জানাতে এসেছেন।
আমি ভেবেছিলাম আপনাদের সবাইকে হারিয়ে ফেলেছি।
তোমরা সবাই ওখান থেকে বেরিয়ে আসলে কীভাবে?
- নতুন লোকটা আমাদের বের করে এনেছে। - নতুন লোক?
হ্যাঁ, পাগলাটে লোকটা শহরে প্রবেশ করেছিলো।
এই, হেলিকপ্টারওয়ালা, সবার সাথে পরিচিত হও।
এই লোক তোমার মতোই একজন পুলিশ।
ওরে খোদা!
বাবা! বাবা!
কার্ল।
ওহ!
জম্বি।
জম্বি।
মনে হয় জম্বিরা কাছাকাছি চলে এসেছে।
জম্বি।
ভয়, সন্দেহ নয় বরং...
জম্বিরা কাছাকাছি চলে এসেছে।
মুখের কথায় তাদের কিছু মনে নাও হতে পারে।
মাঝেমাঝে ওসবকে ততটা ভয়ানকও মনে হয় না।
আমার ইচ্ছে হয় যদি আমি আমার জীবনটাকে বের করে...
অন্য-কোথাও রাখতে পারতাম।
কিছু সময়ের জন্য ভেবেছিলাম আমি হয়তো
কোমায় থেকে স্বপ্ন দেখছি,
এমন স্বপ্ন যা থেকে কখনোই জাগ্রত হতে পারব না।
মা বলেছিলো তুমি মারা গেছো।
আমি মারা গেছি ভাবার অনেক কারণ তার কাছে ছিলো।
তোমার মনে কখনো সন্দেহ হয়নি।
যখন পরিস্থিতি খারাপ হওয়া শুরু হলো,
হাসপাতালের লোকেরা আমাকে বলেছিলো...
তারা অন্য রোগীদের সাথে তোমাকেও আটলান্টায় স্থানান্তরিত করবে,
কিন্তু তা হয়নি।
আসলে, আটলান্টার পতনের পরে আমি অবাক হইনি।
- হ্যাঁ। - হাসপাতালের অবস্থা দেখে মনে হয়েছিলো...
এর উপরে আক্রমন করা হয়েছিল।
হ্যাঁ, বাহ্যিক অবস্থা কখনো প্রতারণা করে না। কোনমতে ওদের নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলাম,
জানো?
শেন, তোমার প্রতি কতোটা কৃতজ্ঞ তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।
মুখের ভাষায় বুঝাতে পারব না।
আবার সেই পুরানো কাসুন্দি ঘাটা শুরু হলো।
তুচ্ছ ব্যাপার।
এড, কাঠের টুকরোটা উঠিয়ে নাও।
অনেক ঠান্ডা লাগছে ভাই।
ঠান্ডা লাগছে বলে কোন নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে?
আগুন একদম নিভু নিভু করে রাখতে হবে, যাতে আমাদেরকে দূর থেকে...
- না দেখা যায়, তাই না? - বললাম তো ঠান্ডা লাগছে।
এবারের মতো নিজের চরকায় গিয়ে তেল দাও।
এই, এড...
তুমি কি এখানে এসব নিয়ে কথা বলতে চাও?
যাও। বালের কাঠটাকে বের করে ফেলো।
যাও!
হায় ঈশ্বর!
এই, ক্যারোল, সোফিয়া তোমাদের আজকের সন্ধ্যা কেমন কাটলো?
- ভালো। ভালোই কেটেছে। - ঠিক আছে।
- আগুনের ব্যাপারে দুঃখিত। - না না না।
ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন নেই।
No comments yet. Be the first to leave one.