The first 200 lines.
মাদ্রিদ ডাকাতির পঞ্চম দিন
ওহ, অ্যালিসিয়া...
এখন একমাত্র উপায় দোষ স্বীকার করে নেওয়া।
আর কে করবে সেটা?
সিএনআই এর পক্ষ থেকে, প্রিয়েতো।
পুলিশের পক্ষ থেকে, তুমি।
প্যাকেজ ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে, প্রফেসর। দুই মিনিটের মধ্যে আমি বের হচ্ছি।
প্রতিটা সম্ভাব্য ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
শক্ত থাকো।
আমরা তোমার সাথে আছি।
লিসবন!
ব্যাংক অফ স্পেনে স্বাগত।
সরকার আদেশ দিয়েছে।
ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি, পুলিশ প্রধান,
আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সবাই, সবাই এ ব্যাপারে জানত।
হেলিকপ্টারটা কোথায় যাচ্ছে?
মাদ্রিদের অফিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
অ্যালিসিয়া সিয়েরার বিরুদ্ধে মামলা কার্যক্রম শুরু করেছেন...
এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
- ইয়েস! - কাম অন!
প্রফেসর। লিসবন, লিসবন আমাদের সাথে!
শোনো। এই যুদ্ধ...
আমরা জিততে চলেছি।
নাইরোবির জন্য।
নাইরোবির জন্য।
নাইরোবির জন্য।
নাইরোবির জন্য।
নাইরোবির জন্য!
নাইরোবির জন্য!
নাইরোবির জন্য!
নাইরোবির জন্য!
নাইরোবির জন্য!
নাইরোবির জন্য!
চেকমেট, হারামজাদা।
এক ইঞ্চি নড়লে, গুলি করে দেবো। আর বিশ্বাস করো, তোমাকে মৃত দেখতে আমার দারুণ লাগবে।
আমি একজন বিধবা।
সম্মান হারানো এক পুলিশ অফিসার।
আমাকে যারা ভালোবাসত তারা আমাকে নির্যাতনকারী ভাবছে। সব তোমার জন্য।
আর ম্যাগাজিনের সবগুলো বুলেট তোমার মাথায় গেঁথে দিচ্ছি না শুধু একটা কারণেই
কারণ আগামী ১৮ মাস আমাকে একজনের দরকার পড়বে।
তবে এটা সত্যিই একটা সূক্ষ্ম রেখা।
আর আমাকে যদি এটা অতিক্রম করতে বাধ্য করো, আমি তা করব
হাসিমুখে।
এখানেই তুমি ছিলে।
এটাই তোমার আস্তানা।
মাদ্রিদের সবচেয়ে নোংরা গর্তে, অবশ্যই।
এটাই তোমার সাথে মানানসই। তুমি একটা ইঁদুর।
আমাকে নিয়ে কী করবে?
তুমি আমাকে পুরো পরিকল্পনাটা বলবে
যাতে আমি তোমাকে আইনের হাতে তুলে দিতে পারি।
আমি নিশ্চিত করব যাতে তোমার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ আনা হয়,
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়,
যাতে বাইরের আলো আর জীবনে না দেখতে পারো।
কারণ, শোনো।
তোমার শাস্তিই হবে...
আমাদের মুক্তির পথ।
:.:.: LA CASA De PAPEL :.:.: Season 05 Episode 01 অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর
- দেখো কত সভ্য লোক। - অবশ্যই।
সুন্দর লোকজন।
আর এখানে আমরা, বাবা-ছেলে। কী কাব্যিক ব্যাপার!
বেশ, আমাদের সম্পর্কটা সেরকম আদর্শ না, বাবা।
- হ্যাঁ, তবে আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। - ক্ষমা করে দিয়েছ, কী জন্য?
জন্ম নেওয়ার জন্য।
তোমার মা আর আমি দারুণ একটা সম্পর্কে ছিলাম।
ব্যতিক্রমী নারী।
আর তুমি আমাদের সুখের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলে।
আমি চাইতাম ওকে নিয়ে ডিনারে যাবো, ঘুরতে যাবো,
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলোতে ওর সাথে প্রেম-ভালোবাসা করব।
আর তুমি উদয় হয়ে সব ভেস্তে দিলে। তুমি একটা নিউক্লিয়ার ওয়ারহেডের মতো।
আমাদের স্বপ্ন ভেঙেচুরে ছারখার করে দিলে।
- জানি না। অনেক লোকজনেরই সন্তান আছে। - হুম।
- তুমি মানিয়ে নিতে পারতে! - চিংড়িগুলো দেখো!
ওহ, আমাদের এখানে খাওয়া উচিত। ওয়েটার!
দুটো ড্যানিশ অ্যাকুয়াভিট আর মেন্যু, প্লিজ।
রাফায়েল।
রাফায়েল,
নতুনভাবে সব শুরু করার জন্য আমরা এখানে এসেছি, হুম?
অতীতের অনুশোচনায় দগ্ধ হওয়ার জন্য না।
ঠিক বলেছ, বাবা।
অতীত তো অতীতই, আর সেটা নিয়ে পড়ে থাকার...
কোনো অর্থ হয় না।
আমি সত্যিই আনন্দিত, এখানে আসতে পেরে, তোমার সাথে আবার মিলিত হয়ে।
সত্যিই।
ওহ, তাতিয়ানা।
তোমার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে এসেছ?
ছোট্টো পারিবারিক হানিমুন, শুধু আমরা তিন জন।
আমি ওয়াশরুমে যাচ্ছি।
কোনো সমস্যা হয়েছে?
ও কিছুটা ক্ষেপে আছে। ও জানত না যে তুমি আসবে।
বেশ, ওকে বলেছ যে ওকে এখানে ডেকেছ একটা ডাকাতির জন্য?
প্রিয়তমা, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলো
সবসময় অপ্রত্যাশিতই হয়।
আর তারপর, কী?
- প্ল্যান প্যারিসের পর? - উম-হুম।
তারপর আমরা তৎক্ষণাৎ প্ল্যান রোম শুরু করব।
না।
- রোম? সিরিয়াসলি? - উম-হুম। হুম।
- দারুণ! - কী?
এই, কী হয়েছে তোমার? আগে তো তুমি নীরস ছিলে।
প্রেমিক পুরুষ বনে যাচ্ছো না তো তুমি?
অবশ্যই না।
আচ্ছা, রোমে যাওয়ার পর কী হবে? প্ল্যান ভেনিস?
নিরোর শাসনামলে ধ্বংস হওয়া রোমের রেফারেন্স হিসেবে এই নাম দিয়েছিলাম।
নিরো?
খুব একটা দারুণ মনে হচ্ছে না। বলে যাও।
ওরা একমাত্র যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছিল তাকে যদি আমরা মুক্ত করে
তাদের নাকের ডগা দিয়ে ব্যাংকে প্রবেশ করিয়ে দেই,
এটা তাদের জন্য এতটা অসম্মানজনক হবে
যে ওরা আমাদের যত দ্রুত সম্ভব ধ্বংস করার চেষ্টা চালাবে।
ওরা সর্বোচ্চ শক্তির ব্যবহার ঘটাবে।
সেনাবাহিনী।
এক্ষুণি আক্রমণের প্রস্তুতি নেওয়া হোক।
- আপনার সাথে কথা বলা দরকার। - এসব নিয়ে পরে মাথা ঘামানো যাবে।
আমার ব্যাকআপ প্রয়োজন।
কাতালুনিয়া আর বাস্ক অঞ্চলের অফিসারদের চাই আমার।
- আমি ওদের এখানে চাই! - দারুণ আইডিয়া।
ওদের নিয়ে পুয়ের্তো দেল সল স্কয়ারে যাও।
শুনেছি ওখানে পিকাচু পকেট মারছে।
একমাত্র সেনাবাহিনীই এটার সমাধান করতে পারবে।
এটা একটা বেসামরিক ইস্যু যেটা পুলিশের এখতিয়ারের অধীন।
এটা জাতীয় নিরাপত্তার ব্যাপার। আমি সেনাবাহিনী ডাকছি।
ওরা হয় জিতবে নাহয় মরবে।
মার্টিনেজ, মেজর সাগাস্তার সাথে আমার যোগাযোগ করাও।
এক ব্যাটালিয়ন, হয়তো দুটো। জানি না।
আর তাছাড়া, ওরা রক্তের নেশায় ভেতরে ঢুকবে
আর জিম্মিদের মৃত্যু তখন তাদের কাছে বড়ো ব্যাপার হবে না।
আর তারপর?
- নিচতলার কী খবর? - ৫৯ টন ইতোমধ্যে গলানো হয়েছে।
পাম্প সংযুক্ত করো, পালের্মো। এক্সট্রাকশন শুরু করা যাক।
কিন্তু এখনও ৩১ টন বাকি। প্ল্যান ছিল পুরোটা গলানো।
আমি এখানে আসায় প্ল্যান বদলে গেছে। এখন এগুলো বের করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের একমাত্র উপায় এখন পর্যন্ত
গলানো স্বর্ণগুলো বাইরে বের করা।
ওহ।
ভাবতে পারছি না, তুমি রোমের ব্যাপারে আমাকে উত্তেজিত করে তুলেছ।
- আমাদের হাতে সময় আছে কতটুকু? - ৩-৪ ঘণ্টা।
ওরা আমাদের প্ল্যান প্রায় বুঝে ফেলেছে। হেলিকপ্টারটা এখনও আকাশে।
হেলিকপ্টারটা কোথায়?
এটা গুয়াদালাহারার দক্ষিণ-পশ্চিমে যাচ্ছে। আমরা ১১ মিনিট পেছনে আছি।
তোরেহন বেস থেকে আমি একটা এফ-১৮ পাঠিয়ে এটাকে গুলি করে ভূপাতিত করতে পারি।
না। পাইলটকে আমার জীবিত চাই।
হেলিকপ্টারটা অবতরণ করবে। যে মুহূর্তে মাটি স্পর্শ করবে, আমরা সেখানে থাকব।
অবশ্যই।
বিয়ার ২১। বিয়ার ২১, ব্রাভো ০৩ বলছি।
এক্ষুণি অবতরণ করো। আবারও বলছি, এক্ষুণি অবতরণ করো।
আমাকে একদম ছোঁবে না! ফিমোরাল ধমনীর পাশেই জখম হয়েছে।
সেলাই করে দাও। আর ওর মুখটা বন্ধ করাও।
ওকে, হিরো।
হাসপাতালের সার্জন ছাড়া কেউ আমাকে ধরবে না!
কী করেছ তুমি, ম্যানিলা? তুমি এখানে এসেছিলে একটা শর্তে,
তুমি নিজের পরিচয় প্রকাশ করবে না। স্রেফ জিম্মিদের মাঝে জিম্মি হিসেবে থাকবে।
এম১৬ হাতে লোকটাকে দেখেছিলে?
আর্তুরোর হাতে এম১৬ থাকলেও সেটা বৃথা। আর্তুরোর হাতে বাজুকা থাকলেও সেটা বৃথা!
আমাদের একটা প্রটোকল ছিল।
আমি কিন্তু তোমার জীবন বাঁচিয়েছি।
অন্তত সামান্য ধন্যবাদ তো দিতে পারো।
আমরা ধরা পড়লে, তুমি সিনসিনাটির সাথে থাকতে।
এটাই কথা ছিল।
তোমাকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল,
আর তুমি সেটা পালনে ব্যর্থ হয়েছ।
আর এখন আমার ছেলের জন্য কোনো প্ল্যান বি রইল না।
- ম্যানিলার যা করা উচিত ছিল তাই করেছে। - না।
আমাদের সন্তানকে লালন-পালনের জন্য আমরা ওকে বিশ্বাস করেছিলাম,
আর ও সেটাকে পাত্তাই দেয়নি।
আর্তুরোর কোনো দোষ থাকে না কখনোই।
সে যা-ই করুক না কেন। মানে, ওর হাতে এম১৬ থাকুক,
অথবা জোর করে তোমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ুক,
বা জিম্মিদের সাথে নষ্টামি করুক... সবসময়ই সেটা অন্যদের দোষ!
দেখো,
আমরা যদি সিনসিনাটিকে হারাই,
সেই দোষ কেবল আমাদের।
আমরা এখানে এসেছি নিজের ইচ্ছায়, তাই আজেবাজে কথা ছাড়ো।
আর কাজে ফিরে যাও।
সবার মনোযোগ আকর্ষণ করছি!
পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে। আবারও বলছি, পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে।
যে বারগুলো বাকি আছে সেগুলো সরিয়ে এক্সট্রাক্টর পাম্প সংযুক্ত করো।
চলো, চলো!
চলো! জলদি করো। আলসেমি ঝেড়ে ফেলো।
পুরোদমে আর ৮ ঘণ্টা কাজ করলে আমরা সব গলিয়ে ফেলতে পারব।
গলানোটা এখন গুরুত্বপূর্ণ না। এক্সট্রাকশনটাই এখন প্রাধান্য দিতে হবে।
বলা হয়েছিল আমাদের জীবিত বের হতে হলে ৯০ টন গলাতে হবে
কিন্তু এখন ৬০ টনই যথেষ্ট?
লিসবন এখন ব্যাংকে।
সেটা ওদেরকে হামলা চালাতে বাধ্য করবে যেটা আমরা সামলাতে পারব না।
হয় স্বর্ণগুলো আমরা বের করে নেবো, নাহয় খেল খতম, ভায়া। বুঝেছ?
তুমি আগে থেকে জানতে এটা?
যে লিসবনকে উদ্ধার করলে প্ল্যান এলোমেলো হয়ে যাবে?
- আরে ভাই, আমি কিচ্ছু জানতাম না! - অবশ্যই জানতে না!
কারণ আমরা এতে সম্মত হইনি।
যদি কাউকে জেল থেকে বের করে আনলে প্ল্যান ঝুঁকিতে পড়ে,
তাহলে তারা জেলেই থাকবে, ব্যস।
আর এটা সবার জন্যই প্রযোজ্য।
আদেশ আমি দিচ্ছি না।
তুমিই তো দিচ্ছিলে আগে।
এখন কী করছো? অন্যের ফুট-ফরমাশ খাটছ?
পালের্মো,
আমরা মূল প্ল্যান থেকে সরে যাচ্ছি,
আর ডাকাতিতে এভাবেই লোকজনের মৃত্যু হয়।
লিসবন টু প্রফেসর। শুনতে পাচ্ছেন?
No comments yet. Be the first to leave one.